স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে

0
121
স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে
স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ ভারত উপমহাদেশের শেষ স্বাধীন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। স্থাপনা গুলোর দু-একটি জায়গায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৩০-৩৫ বৎসর পুরানো সাইবোর্ড ঝুলানো থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এগুলো রক্ষার নেই কোন প্রকাশ্য উদ্যোগ। মাঝে মধ্যে এসব স্থাপনা রক্ষনাবেক্ষনের নামে বরাদ্ধ নিয়ে কাজ না করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে একটি চক্র এমন অভিযোগ ও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতায় জৈন্তিয়ার প্রত্নতত্ত্বের রত্ন ভান্ডার হতে হারিয়ে যাচ্ছে মহা মূল্যবান এই সম্পদ। কিছু কিছু জায়গা চলে যাচ্ছে প্রভাবশালীদের দখলে। জায়গা দখলের লক্ষ্যে এসকল স্থাপনার বিভিন্ন অংশ বিশেষ ভেঙ্গে ফেলছে দুবৃত্ত্বরা। প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ ও মেগালিথিক পাথর রক্ষায় একাধিক বার অনলাইনসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রভাবশালীদের চাপে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরবতা পালন করছে
ফলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ভূমিতে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় গড়ে তুলা হচ্ছে একের পর এক স্থাপনা। অচিরেই প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের স্থাপনা গুলোর রক্ষার উদ্যোগ না নিলে জৈন্তিয়ার ঐতিহাসিক রত্ন ভান্ডার হতে হারিয়ে যাবে গুরুত্বপূর্ণ জৈন্তিয়া রাজ্যের নির্দশন সমুহ।
ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, জৈন্তিয়াকে বলা হত সোনার জৈন্তাপুর। জৈন্তিয়ার রয়েছে নিজস্ব সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও কালচার। সময়ের বির্বতনে ক্রমশ তা পরিবর্তন হয়ে রত্ন ভান্ডার এখন বিলুপ্ত হচ্ছে।
রত্নগর্ভা জনপদের রত্ন ভান্ডার হতে একশ্রেনীর ভূমি খেকো দখলবাজ ও দুবৃত্ত্বের হামলার শিকার হয়ে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে এসকল পুরাকীর্তি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সংরক্ষনে চরম উদাসীনতা ও অবহেলায় তা আজ বিল্পুতির পথে।

স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে
স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তা সংরক্ষণ করা সময়ের দাবী। আর এসকল পুরাকীর্তি গুলো সংরক্ষণ করা হলে “পান-পানি-নারী” খ্যাত জৈন্তিয়া তাঁর অতীত গৌরব, ফুরিয়ে যাওয়া যৌবন ও হারিয়ে যাওয়া লাবন্য ফিরে পাবে।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শরীর ঘেষাঁ খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ব্র্রিটিশ শাসিত ভারত উপমহাদেশের শেষ স্বাধীন রাজ্য ও বিশ্বের প্রথম নারী রাজ্যের দেশ জৈন্তিয়া। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন, ছায়াঘোরা, সবুজ পাহাড়, ছোট বড়, নদী-নালা, খাল-বিল ও ঝর্ণা বেষ্টিত ঐতিহাসিক উপজেলার শতাধিক প্রত্ন সম্পদ আর পুরার্কীতিতে রয়েছে ভরপুর। পূরার্কীতি সম্পদের মধ্যে রয়েছে জৈন্তিয়া রাজবাড়ী, জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম বাড়ী, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ব সংলগ্ন মেগালিথিক পাথর, কেন্দ্রি বিলে রাজা বিজয় সিংহ মহারাজের মন্দির, সাইট্রাস গবেষনা কেন্দ্রের ৮নং টিলায় রয়েছে জৈন্তিয়া রাজ্যের ওয়াচ টাওয়ার ও সেনাপতি ফতেহখাঁর মাজার, তোয়াসীহাটিতে রয়েছে বিশ্রাম চেয়ার, চাঙ্গীল রাজোরে রয়েছে মেগালিথিক পাথর দিয়ে তৈরী বিচারালয়, সারীঘাট ঢুপি টিলার উপরে রয়েছে মন্দির, সারীঘাটস্থ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে রয়েছে রয়েছে বিশ্রামাগার (প্রান্তশালা ঘর)। ফেরীঘাট এলাকার ববরবন্দ গ্রামে রয়েছে রাজ্যোর মান্যবর শাহজীর সাহেবের মাজার শাইজীর মোকাম (যাহা রাজা রাম সিংহ নির্মাণ করে ছিলেন)। জৈন্তাপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশ্বে মোকামবাড়ী নামক বাড়ীতে অবস্থিত জৈন্তিয়া রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নির্মিত উপজেলার প্রথম মসজিদ (যাহা পরবর্তীতে সরিয়ে নিয়ে নিজপাট বন্দর হাটি গ্রামে স্থানান্তর করা হয়)।
এছাড়া জৈন্তাপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইটে রয়েছে ইরাদেবীর বহুত্বল ভবন (বর্তমানে বিধ্বস্থ স্তুপে পরিনত হয়ে আছে)। নিজপাট ইউনিয়নের মাঝের বিল এলাকায় রয়েছে উমাগড় মন্দির। উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নে রয়েছে এ রাজ্যোর অন্যতম ব্যক্তি ইয়াং রাজা ও চিলা রানীর পর্বত। ঐ পর্বতের উপরে রয়েছে সুসজ্জিত একটি পুকুর (যাহা কালের বির্বতনে পাহাড়ের মাটি বৃষ্টির জলে ভেসে সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে পড়েছে) এছাড়া রয়েছে শতনাথ মন্দির। এদিকে শ্রীহট্ট তথা ভারতবর্ষের অধিকাংশ এলাকা যখন মোগল সাম্রাজ্যেরভূক্ত ছিল তখনও জৈন্তিয়া তার পৃথক ঐতিহ্য রক্ষা করে আসছিল। হাজার বৎসরের পুরানো প্রমীলা রাজ্যের সু-প্রচীন ইতিহাস ঐতিহ্যয্যের অধিকারী জৈন্তিয়া। প্রাচীন পুরাকীর্তি ও প্রত্নসম্পদ নিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ দিন যে গর্ববোধ করে আসছিল সময়ের বির্বতনে তা আজ প্রভাবশালীদের দখল এবং ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।ধ্বংসের তালিকার মধ্যে অন্য গুলো হল,সাইট্রাস গবেষনা কেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ারটি যাহা রক্ষা না করেই তীলে তিলে নিজেরাই ধ্বংস করে দিচ্ছে।
জৈন্তিয়া রাজবাড়ী ভিতরের বাড়ীটি (দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা সংলগ্ন), জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম বাড়ীর নরবলী কুপ, দখলে চলে যাচ্ছে সীমানা প্রাচির। শাইজীর মাজার (২০১৩ সনে গভীর রাতে দৃবৃত্তের হামলায় উপরি অংশ ধ্বংস করে রাখা হয়েছে), ঢুপি টিলার রামেশ্বর নামক শিব মন্দির। দখলের আওতায় চলে যাচ্ছে চাঙ্গীলস্থ মেগালিথিক পাথরের বিচারালয়, জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম বাড়ীর দেওয়াল, রাজবাড়ী ফিল্ডের পার্শ্বে মন্দির, তোয়াসীহাটির বিচারালয়, রুপচেং মাঝের বিল এলাকার উমাগড় মন্দির।
প্রশাসনের ছত্র-ছায়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্টানের নামে দখলে নেওয়া হয় এ গুলো। ইউনিয়ন ভূমি ও উপজেলা ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা ও দালালাদের সহায়তায় জৈন্তিশ্বরী মিউজিয়াম বাড়ীর দেওয়াল দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এগুলো সংরক্ষণ ও দখলদারের হাত থেকে রক্ষার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী হয়ে দাঁড়ীয়েছে।দীর্ঘদিন থেকে (১৭ মে) পর্যন্ত অনুসন্ধানে দেখা যায়- প্রাচীনকালে জৈন্তিয়া অঞ্চলে মানব বসতি ছিল। ভারত উপমহাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র গ্রন্থ “মহাভারতে ও রামায়ন” এ জৈন্তিয়ার রাজ্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। জৈন্তিয়া রাজ্যের সীমানা ছিল বর্তমান ভারত সরকারের জৈন্তিয়া হিল ডিষ্ট্রীকসহ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট উপজেলা। রাজ্যের রাজধানী শহর ছিল বর্তমান নিজপাট। রাজধানীর অবস্থান ছিল খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পর্বতের পাদদেশে। নগরের উত্তর ও পশ্চিমে দিকে নয়াগাং নদী, পূর্বে নয়াগাতি এবং দক্ষিণে বড়গাং নদী। সু-গভীর পরিখা বেষ্টিত ছিল তখনকার রাজধানী শহর নিজপাট। সেই পরিখা কালের বির্বতনে ক্রমশ ভরাট হয়ে আসছে।
ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দ তৎকালীন রাজা রাম সিংহের শাসনকালে জৈন্তিয়ার বিভিন্ন স্থানে মনমুগ্ধকর শৈল্পিক ডিজাইনে এবং নানা কারুকাজের মাধ্যমে বহু মট-মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। রাজধানী শহর ৫২ হাটিতে বিভক্ত ছিল বর্তমানে ও রয়েছে। রাজবাড়ীর চারদিকে পরিখা খনন করে সু-রক্ষিত বেষ্টিতে আবদ্ধ ছিল। বর্তমানে তার কিছু অংশ বিশেষ বিদ্যমান রয়েছে। বাড়ীর ভিতরে রাজার খননকৃত নরবালী কুপ, বিচারালয়সহ আরও অনেক মূল্যবান পাথর রাখা ছিল। প্রবেশ দ্বারে এখনো রয়েছে বড় বড় পাথর খন্ড। যাহার উপরে বসে বিভিন্ন সংগঠন এলাকায় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। রাজা রামসিংহের শাসনামলে স্থাপিত পুরাকীর্তি গুলোর মধ্যে সারীঘাট এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ঢুপির মঠ। রাজা মানসিংহ ধর্ম বিষয়ে বিশেষ উৎসাহী ছিলেন। তার প্রচেষ্ঠায় ১৭৭৮ সালে ঢুপি গ্রামের পাহাড়ের উপরে উচ্চ একটি শৈল খন্ডের উপর সুচারু মনমুগদ্ধকর শৈল্পিক ডিজাইন খজিত এক উচ্চ চুড়া মন্দির ‘রামেশ্বর নামক শিব মন্দির’ স্থাপন করেন। শিব সন্নিকট একটি প্রস্থর বৃষ রক্ষিত ছিল এখানে ১০-১৫ কিঃ মিঃ দূর থেকে দেখলে সজীব বলে মনে হত।

স্বাধীন জৈন্তিয়া রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন গুলো ধ্বংসের মূখে

অপরদিকে ১৮৯৭ সালে ভারত উপমহাদেশের আসাম অঞ্চলে একশক্তিশালি ভয়াবহ ভূকম্প সংগঠিত হলে জৈন্তাপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় গেইটের সম্মুখে ইরাদেবীর বহুত্বল ভবন, বন্দরহাটি গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নিমিত মসজিদ, রামেশ্বর নামক শিব মন্দিরসহ অসংখ্য স্থাপনা ভেঙ্গে যায়। ঢুপির মঠের নিচে রাম সিংহের পান্থশালা ঘরটি বর্তমান সিলেট-তামাবিল মহা সড়কের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। ১৮৩৫ সালের ১৬ মার্চ হ্যারি সাহেব নামক এক ইংরেজ ব্যবসায়ী জৈন্তিয়া রাজ্যের রাজধানী নিজপাট শহরে এসে বিনা যুদ্ধে তৎকালীন রাজা রাজেন্দ্র সিংহকে নিরস্থ ভাবে বন্দি করেন। আর সেই থেকে জৈন্তিয়া রাজ্যের স্বাধীনতার সূর্য্য চির অস্থমিত হয়। তখন রাজ অন্তপুরে বহু মূল্যবান সম্পদ ইংরেজরা লুট করে নিয়ে যায়।
জৈন্তিয়ার বহু মূল্যবান প্রাচীন নিদর্শন রাজবাড়ী, রাজপ্রসাদ, রাম সিংহের শাসনামলের অনেক পুরাকীর্তি ও তৎকালীন জৈন্তিয়া রাজ্যের নানা স্থানে স্থাপিত মেগালিথিক পাথর, কেন্দ্রি বিলের তীরে রাজা বিজয় সিংহ মহারাজের স্মৃতি মন্দির, রাজা রাম সিংহের আমলে নির্মিত শাহজির মাজার, ইয়াং রাজা ও চিলারানীর পুকুর, পান্থশলা ঘর, রাজরাড়ীর অসংখ্য নির্দশন।বর্তমান এক শ্রেনীর ভূমি খেকুরা নানান কৌশলে দখলের লক্ষে জৈন্তিয়া রাজ্যের অবশিষ্ট পুরাতন নির্দশন সংরক্ষনের অভাবে সম্পূর্ণ বিলীন করার পথে। তাই রাজবাড়ীর অনেক পুরাকীর্তি নষ্ট ও বেদখল হয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া অ-অনুমোদিত জৈন্তিয়ার তথ্য ও গবেষনা সন্ধানি নামক ভূইফৌড় সংস্থা নামে বেনামে সংরক্ষনের নামে বিভিন্ন সময়ে তারা সংস্কারের কথা বলে সরকারী কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে নিজেরাই সাবাড় করেছে। অপরদিকে তৎত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লর রহমান চৌধুরী নিজ উদ্দ্যোগে বলিষ্ট হতে প্রতিরোধ করে প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ রক্ষার উদ্যোগ গ্রহন করে বেশ কিছু প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ ও জায়গা উদ্ধার করা হয়েছিল। তার উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া এসকল প্রত্নতত্ত্ব সম্পাদ ফিরে পেয়েছিল প্রাণের সঞ্চার। কিন্তু পরবর্তীতে গনতান্ত্রিক সরকার পুনরায় ক্ষমতার আসার পর হতে দালাল চক্ররা গবেষনা ধর্মী প্রতিষ্ঠান খুলে শুরু করে দখল বানিজ্য ও সংস্কারের নামে টাকা আত্মসাথের ঘটনা।সম্প্রতি সুশিল সমাজ, লেখক, বুদ্ধিজীবি, শিক্ষক ও সচেতন মহলের দাবী জৈন্তিয়ার সকল পুরাকীর্তি গুলো সংরক্ষণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা হতে আঘত পর্যটন পিপাসুদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলে ধরা হলে জৈন্তিয়া রাজ্যের পর্যটন শিল্পগুলো কে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে ইতিহাসের পাতা খুঁজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে অসংখ্য অগনিত পর্যটকরা আসে এই নির্দশন গুলোর সাথে ছবি তুলে নিজেকে এক মুহুত্বের জন্য স্মরনীয় করে রাখে তারা। জৈন্তিয়া হতে যাত্রা পথে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সারীঘাট এলাকার প্রন্থশালা ঘরটি পর্যটকদের আর ও আকষণীয় করে। সময়ের দাবী সংশ্লিষ্ট দপ্তর এগুলো রক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইতিহাস রক্ষা করার ব্যবস্থা গ্রহণ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here