শ্রীমঙ্গলের ইছামতি চা বাগানে আগাম দুর্গা পুজা শুরু

    0
    35
    হৃদয় দাশ শুভঃ মৌলভীবাজারের  শ্রীমঙ্গলে বুধবার সকাল থেকেই  ইছামতী চা বাগানে মঙ্গলচণ্ডীর থলিতে পৌরাণিক নিয়ম অনুযায়ী দেবী দুর্গার নয়টি রূপে দশ দিন ব্যাপী পূজার্চনা শুরু হয়েছে। জগতের সকল অশুভ দূর করে শুভ ও সুন্দরের প্রকাশ ঘটাতে শারদীয় দুর্গাপূজার ৫ দিন আগেই  আরম্ভ হয়েছে দেবী দুর্গার পূজা। প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেবীর পৃথক ৯টি রূপের প্রতিমা।বুধবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ পূজা শেষ হবে আগামী ১৯ অক্টোবর দেবী বির্সজনের দিন, চলবে পুরো ১০ দিন।
    প্রথম দিন বুধবার সকালে দুর্গাদেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা শুরু হয়। অশুভ শক্তির বিনাশ আর দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি কামনায় শনিবার থেকে পুরাণ চণ্ডীর বর্ণনানুযায়ী দশভুজা দেবীর ৯টি রূপের কাঠাম তৈরি করে এ পূজার আয়োজন হয়েছে। আর এ পূজাতেও রয়েছে বৈচিত্র্যতা।
    ব্যতিক্রমী এ পূজা দেখতে প্রথম দিন থেকেই ভক্তরা ভিড় করছেন সেখানে। বৈদিক বিধান অনুযায়ী দেবী দুর্গার রয়েছে ৯টি রূপ। প্রথম দিন দেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা করা হয়েছে। এভাবে ব্রক্ষচারিনী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ড, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহা গৌরি, ও সিদ্ধিধাত্রী রূপে দেবী দুর্গার পূজা করা হবে। অসুরদের দমন করে মা দুর্গা যেভাবে স্বর্গরাজ্য জয় করেছিলেন ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তি দূর করবেন এমনটাই আশা নিয়েই এবছর এ পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানালেন পূজা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ দেব। আর এ পূজা দেখতে বুধবার সকাল থেকেই মণ্ডপে ভীর হচ্ছে প্রচুর দর্শনার্থীর।পূজার আয়োজকরা জানান, এই দেবস্থলিটি শ্রীমঙ্গলের সর্বাধিক প্রাচীন স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।
    আয়োজকরা জানান, প্রায় ৫শত বছর ধরে এখানে রয়েছে মঙ্গলচন্ডীদেবীর(দুর্গা) থলি। অনেকে শ্রীমঙ্গল নামের উৎপত্তিও এই শ্রী শ্রী মঙ্গল চণ্ডীর থলি থেকে হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন । অসুরদের দমন করে মা দুর্গা যেভাবে স্বর্গ রাজ্য জয় করেছিলেন ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তিদূর করবেন এমনটাই আশা নিয়েই এবছর এ পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানালেন পূজা কমিটির সহ সভাপতি সুরঞ্জিত দাশ। আর এ পূজা দেখতে বুধবার সকাল থেকেই মণ্ডপে ভীর হচ্ছে প্রচুর দর্শনার্থীর।
    সারাদেশে হাজার হাজার পূজামণ্ডপে কারিগররা যখন ব্যস্ত প্রতিমা তৈরির কাজে, সেখানে দেশের একমাত্র এ মণ্ডপে শুরু হয়ে গেছে পূজার্চনা। ঢাকের আওয়াজে মোহিত হচ্ছে চারপাশ। নিজের ও দেশের মঙ্গল কামনায় দেবীর চরণে অঞ্জলিও দিচ্ছেন ভক্তরা।
    পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক জানান, এভাবে আগামী নবমী তিথি পর্যন্ত (১৮ অক্টোবর) দেবীর ব্রহ্মচারিণী,চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ড, স্কন্ধ মাতা, কাত্যায়নী, কালো রাত্রি, মহা গৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী রূপে পূজা করা হবে। পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ দত্ত জানান, এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে ধরে রাখতে কয়েক বছর ধরে তারা এখানে দেবীর নবদূর্গা পূজা করে আসছেন। তবে এর স্থায়ী রূপ দিতে প্রয়োজন সরকারসহ দানশীলদের সহায়তা কামনা করেন।নবদূর্গা আগামী ১৯ অক্টোবর মঙ্গলবার দশমী পূজার মধ্য দিয়ে সারাদেশের সাথে মিল রেখে বিসর্জন করা হবে।
     পৌরাণিক নিয়ম অনুসারে দেবী দুর্গার নয়টি রূপে নয় দিনব্যাপী পূজার্চনার প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার শৈলপুত্রী রূপে পূজিত হন তিনি। এভাবে আগামী নবমী তিথি পর্যন্ত ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্ধমাতা, কাত্যায়নি, কালোরাত্রি, মহাগৌরী  ও সিদ্ধিধাত্রী রূপে মা দুর্গার পূজা করা হবে।
    পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকম কে জানান, অসুর দমন করে মা দুর্গা যেভাবে স্বর্গরাজ্য জয় করেছিলেন, ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তি দূর করবেন- এমন আশা নিয়েই এ বছর এ পূজার আয়োজন করা হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন, এ দেবস্থলিটি শ্রীমঙ্গলের সর্বাধিক প্রাচীন স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৫০০ বছর ধরে এখানে রয়েছে মঙ্গলচণ্ডি দেবীর থলি। অনেকে শ্রীমঙ্গল নামের উৎপত্তিও এই শ্রীশ্রী মঙ্গলচণ্ডির থলি থেকে হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন।
    পুজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ দত্ত  জানান, ওই ঐতিহাসিক স্থানটিকে ধরে রাখতে গত ১০ বছর ধরে তারা এখানে দেবীর নবরুপে পূজা করে আসছেন।