রাষ্ট্রীয় কাজে বাধাঁর অভিযোগে তাহিরপুরে লিখিত অভিযোগ

    0
    20

    রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কাজে বাধাঁঃ আপ্তাব চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমদ।  

     

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব কর্তৃক ব্যক্তি স্বার্থে,নিজের আধিপ্ত বিস্তারের জন্য ও আক্রোশ মূলক ভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কাজে বাধাঁ দেয়ার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে জেলা প্রশাসককে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমদ। সোমবার(৩০,০৯,১৯)সকালে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্মারক নং ৩৯৮৫ মুলে দাখিল করা হয়েছে।
    এবিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ জানান,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে জানিয়েছেন এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমদ শুনেছি। এখনও হাতে কাগজ পাইনি। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    একাধিক সুত্রে জানায়,গত ২৪সেপ্টেম্বর তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের দিঘীরপাড়-পাঠানপাড়া

    খেয়াঘাট ভায়া বাদাঘাট জিসি রাস্তার মেরামত কাজে বাধাঁ দেয়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বাবুল হোসেন বিষয়টি জানিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছিলেন। তৎপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাইদুল্লাহ মিয়া সরজমিন পরিদর্শন শেষে নির্বাহী প্রকৌশলী,তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়ে লিখিতভাবে অবহিত করেন। এরপ্রেক্ষিতে বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকরা বাদাঘাট ইউনিয়নের দিঘীরপাড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাট ভায়া বাদাঘাট জিসি রাস্তার মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন।

    এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আবারও কাজের গুণগত মান পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দেন। উপজেলা প্রকৌশলীসহ জেলা পর্যায়ের আরও প্রকৌশলীরা সরজমিন উপস্থিত হয়ে মালামাল পরীক্ষা করে কাজের গুনগত মান ভাল এবং কাজ বন্ধের পিছনে এলাকার অভ্যন্তরীন কোন্দল রহিয়াছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন এবং ঠিকাদারের নিরাপত্তা দেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয়।
    ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে জানান,এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমদ। তিনি জানান,স্থানীয় বিরোধের জের ধরে সরকারী উন্নয়ন কাজে কেউ বাধা দিতে পারে না। এ জন্যই জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
    এবিষয়ে সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সরকারী মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি। এবিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের মালিক মের্সাস অমল কান্তি চৌধুরীর প্রতিনিধি বাবল হোসেন বলেন,আমার প্রতিষ্টান দীঘিরপাড়-পাঠানপাড়া খেয়াঘাট ভায়া বাদাঘাট জিসি রাস্তার মেরামত কাজের টেন্ডার পাওয়ার পর উন্নয়ন কাজ শুরু করি। কাজ চলমান অবস্থায় বাদাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে উন্নয়ন কাজটি বন্ধ করে দেন। এতে আমার প্রতিষ্টান আর্থিক ক্ষতির
    সম্মুখীন হচ্ছে। উন্নয়নের স্বার্থে বন্ধ রাখা কাজ চলমান রেখে প্রশাসনিক নিরাপত্তা প্রদান ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে জনকল্যাণ মূলক ভূমিকা রাখতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাই।