মৌলভীবাজারে গরু চোর চক্রের সন্ধানে পুলিশ,আটক-২

    0
    20

    বেড়েছে গরু চুরি,বিক্রি হয় সদরসহ জেলার কিছু গোস্তের দোকানে !

    আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে গরু চুরি। বিগত কয়েক মাসে প্রায় ৯০টি গরু চুরি হয়েছে মৌলভীবাজার জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। কে, কিভাবে এই গরু গুলো চুরি করছিলো তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলো গরুর মালিকরা। চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন গরু মালিকেরা। পাহারা দিতে অনেকেই গোয়ালঘরে বিছানা করে গরুর সঙ্গে রাত্রিযাপনেও বাধ্য হচ্ছেন।
    সকালে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে একটি সিএনজি নিয়ে নিলু মিয়ার ছেলে রিদয় মিয়া (২২) আব্দুর রহিমের ছেলে ইবরাহিম মিয়া ( বিম) (২০) ও

    এরশাদ মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া রসি কেটে সিএনজিতে তোলার সময় গ্রামবাসী দেখে পেলে । দুজন ধরা পরলেও গ্রামবাসীর দাওয়া একজন সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায় । গ্রামবাসী মৌলভীবাজার সদর থানাকে খবর দিয়ে পুলিশের কাছে গরু চোরদের তোলে দেয়, তাদের সবার বাসা মৌলভীবাজার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বেড়িরচড় গোলবাগ এলাকায় এমন দাবি করছেন এলাকাবাসী।
    এলাকাবাসী জানান, রাসেল মিট হাউজের কাজ করে রিদয় মিয়া। দোকানের মালিক পৌর কাউন্সিলর ফয়ছল আহমদ । তার কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যাবসা করছে শাহ আলম ।

    এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর ফয়ছল আহমদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান “রাসেল মিট হাউজের দোকানের মালিক গরু চুরি করেনি। তবে গরু চোরদের বিষয়ে এলাকার মানুষ নিয়ে একটি ব্যাবস্থা নিবো।”
    মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ ইয়াছিনুল হক বলেন, “দুজন গরু চোরকে আমরা আটক করেছি গরু চুরির ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তবে তাদের উপর গরু চুরির একাদিক মামলা রয়েছে। আমরা চোর চক্রের সিন্ডিকেট ধরার চেষ্ট চালিয়ে যাচ্ছি।”

    অপরদিকে সচেতন মহল সন্দেহ পোষণ করছে যে উপজেলার অন্যান্য গোশত বিক্রির দোকানেও প্রশাসনের নজর রাখা উচিত কেননা অভিযোগ রয়েছে যে কিছু দোকানিদের সাথে গরু চোরদের বেশ সখ্যতা দেখা যায়। নিউজ আপডেট