বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নবম কংগ্রেস স্থগিত

    0
    8

    ঢাকা: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আগামী ২৫-২৮ মে ২০১৩ রাজশাহীতে অনুষ্ঠিতব্য নবম কংগ্রেস স্থগিত করেছে। ১৯-২০ এপ্রিল পার্টির দু’দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় কংগ্রেসের প্রস্তুতির বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় বলা হয়, দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শাখা ও জেলা সম্মেলনসমূহ অনুষ্ঠান সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটির সভা মে মাসে জেলা শাখা পর্যায়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আগামী ২৫-২৮ মে ২০১৩ রাজশাহীতে অনুষ্ঠিতব্য নবম কংগ্রেস স্থগিত করেছে
    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আগামী ২৫-২৮ মে ২০১৩ রাজশাহীতে অনুষ্ঠিতব্য নবম কংগ্রেস স্থগিত করেছে

    ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় গৃহীত প্রস্তাবে নারীকে অবরুদ্ধ করার ও নারী উন্নয়ন নীতি বাতিলের হেফাজতে ইসলামের দাবি সম্পর্কে বলা হয় এর ফলে নারীর অগ্রগতি ও নারীর ক্ষমতায়নেই বাধাগ্রস্ত হবে না, দেশের সার্বিক উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হবে। দেশ পিছিয়ে পড়বে। ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় নারী প্রশ্নে পার্টিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির ২৭ এপ্রিলের ঢাকায় নারী জমায়েতের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রদান করা হয়।
    সভায় গৃহীত অপর এক প্রস্তাবে ব্লাসফেমী আইন প্রণয়ন ও কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি সম্পর্কে বলা হয় পাকিস্তানের স্বৈরশাসক জিয়াউল হকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জামাত ইতিপূর্বে এ মর্মে যে দাবি তুলেছিল এসব তারই পুনরাবৃত্তি। ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় বলা হয় এ সম্পর্কে সামান্য ছাড় প্রদান করা হলে বাংলাদেশকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের ভাগ্য বরণ করতে হবে।
    ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে বিতর্কের সমাধানের জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা, তার প্রশাসনিক বিন্যাস, নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রদানের আহ্বান জানান হয় এবং এ প্রশ্নে অবিলম্বে জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের দাবি জানান হয়। সংলাপ প্রসঙ্গে একই সময় বলা হয় যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রশ্নকে কোনক্রমেই এর সাথে যুক্ত করা যাবে না এবং বিরোধীদলকে সহিংসতা বন্ধ করে সংলাপের পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা করতে হবে।

    ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় ফটিকছড়ির জামাতের তাণ্ডবের নিন্দা করে বলা হয় সারা দেশ জুড়ে ফটিকছড়ির মতো ঘটনা সৃষ্টির জন্য বিএনপি নেতাদের আহ্বান কেবল ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, তারা দেশে যে একটি অশান্ত পরিবেশ তৈরিতে তৎপর রয়েছে তারও পরিচায়ক।
    কেন্দ্রীয় কমিটির সভার শুরুতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, জাতীয় নেতা আব্দুল জলিল এমপি, প্রখ্যাত বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, অগ্নিযুগের বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী ও ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বিপ্লবী হুগো সাভেজ ও ২৮ ফেব্র“য়ারির পরবর্তীতে জামাত-শিবিরের তাণ্ডবে নিহত ৯ জন পুলিশ কর্মী, ১১২ জন সাধারণ মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
    ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, পলিটব্যুরো সদস্য পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড বিমল বিশ্বাস, নুরুল হাসান, ফজলে হোসেন বাদশা, হাফিজুর রহমান ভুইয়া, ইকবাল কবির জাহিদ, নুর আহমদ বকুল, মাহমুদুল হাসান মানিক, সুশান্ত দাস, মনোজ সাহা, হাজেরা সুলতানা, কামরূল আহসান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান মজুমদার, হাজী বশিরুল আলম, আমিনুল ইসলাম গোলাপ, জ্যোতি শংকর ঝন্টু, নজরুল হক নিলু, মোজাম্মেল হক তারা, নজরুল ইসলাম হক্কানী, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সালেহা সুলতানা, রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, আনোয়ারুল হক বাবলু, এ্যাড. নজরুল ইসলাম, এনামুল হক এমরান, শহীদুল্লাহ শহীদ, বিকল্প সদস্য কাজী মাসুদ আহম্মেদ, নজরুল ইসলাম, হবিবর রহমান, অরুণা চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম শেখ, রাগিব আহসান মুন্না, আবদুল খালেক, শরীফ শমসির, আবু হানিফ, রবীন্দ্রনাথ সরেন, দিল আফরোজা খানম প্রমুখ।

     

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here