কমলগঞ্জে স্বর্ণ চোরাচালান সন্দেহে আটকের পর সকালে মুক্ত

    0
    20

    কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে স্বর্ণ চোরাচালন নিয়ে রাতভর এক ব্যক্তিকে আটকের পর রহস্যজনক কারণে পুলিশ সকালে মুক্ত করে দিয়েছে। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত সাড়ে ১১ শমশেরনগর সিংরাউলী গ্রাম থেকে সিলেট থেকে আগত ব্যক্তিকে আটক করে ফাঁড়ি পুলিশ।

    স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার রাঙাটিলা গ্রামের সমস উদ্দীন এর ছেলে বিল্লাল হোসেন শুক্রবার দুবাই থেকে সিলেট বিমানবন্দরে এসে অবতরন করে। আসার সময় সিলেটের জনৈক ক্বাজী আক্তার হোসেনের  প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণের চালান নিয়ে আসে। আসার সময় বিল্লাল হোসেন স্বর্ণের চালান পরিবর্তন করে ফেলে। বিমান বন্দরে শুক্রবার আক্তার হোসেন তার সহযোগিদের বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে স্বর্ণের চালান নিতে আসে। এসময় বিল্লালের কাছে স্বর্ণের চালান না পেয়ে আক্তার হোসেন ও তার সহযোগিরা বিল্লালকে নিয়ে ভানুগাছ চলে আসে। সেখান থেকে স্বর্ণের চালান বের করতে না পেরে রাতে শমশেরনগর শিংরাউলী গ্রামে নিয়ে আসেন। এরপর শমশেরনগর ফাঁড়ির পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান যুক্ত হন। পুলিশ ক্বাজী আক্তার হোসেনকে আটক করে ফাঁড়িতে এনে রাখে। এক পর্যায়ে দফারফা শেষে শনিবার ভোরে ক্বাজী আক্তার হোসেনকে পুলিশ ছেড়ে দেয় এবং সে স্বর্ণের চালান উদ্বার করে নিয়ে যায়।

    এব্যাপারে জানতে চেয়ে বিল্লাল হোসেন ও তার পিতা সমস উদ্দীন এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুয়েল আহমদ বলেন, পুলিশ আমাকে খবর দিয়ে শিংরাউলী গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে পরে আর কিছু জানা যায়নি। আমি সেখান থেকে চলে যাই।

    শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ক্বাজী আক্তারের হোসেনের  কাছ থেকে স্বর্ণ বা কিছু পাওয়া যায়নি। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।