আসছে ঘুর্নিঝড় তিতলি,দেশে ৪ নম্বার সতর্ক সংকেত ঘোষণা

    0
    30

    আসছে ঘুর্নিঝড় তিতলি,দেশে ৪ নম্বার সতর্ক সংকেত ঘোষণা করা হয়েছে।একই সাথে সাগরে থাকা মাছ ধরার ট্রলার গুলো কে নিজ নিজ দায়িত্তে উপকূলের পাশে নিরাপদ  স্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    একই সুত্রে জানা গেছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ প্রবল ঘূর্ণিঝড় আজ বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের গোপালপুরে আঘাত হানবে।

    বাংলাদেশের ওপর সরাসরি ঘূর্ণিঝড় তিতলির কোনো প্রভাব না থাকলেও পরোক্ষ প্রভাব হিসেবে বাতাস ও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।

    ভারতে আঘাত হানলেও বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশের ওপর দিয়ে বাতাসের গতিবেগ বাড়বে। একইসঙ্গে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিপাতও বাড়বে। যা শনিবার কমার প্রবণতায় থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়টি ব্যাপক ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কেননা, বাংলাদেশে এটি সরাসরি আঘাত হানবে না। পরোক্ষভাবে আঘাত হানবে।

    এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা-অন্ধ্র প্রদেশে আঘান হানবে। এরপর শক্তিক্ষয় করে এটি পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের ভেতরে খুলনা অঞ্চলে দুর্বল অবস্থায় আসবে শনিবার। এ সময় নিন্মচাপের কারণে আকাশ মেঘাছন্ন থাকবে।

    ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাবে চট্টগ্রামে তৃতীয় দিনের মতো বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এ ঘূর্ণিজড়ে সাগর উত্তাল বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয় জানায়, বুধবার সকালে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৪৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া দপ্তর। সাগর উত্তাল থাকায় দেশের সমুদ্রবন্দর গুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    এদিকে, বৃষ্টির কারণে পাহাড় ও ভূমিধসের আশঙ্কায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন, চলছে অন্যান্য সব প্রস্তুতির কাজ। এরই মধ্যে স্থানীয় লালখান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।