আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসা ক্যাসিনো সামগ্রী,মদ ও সিসার রাজ্য

    0
    47

    বহু নারী ভোগের শেষে নওরিনে জালে আটকা পড়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাই 

    বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গুলশানের বাসায় অভিযান পরিচালনা করছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।রোববার বিকেল ৫টার দিকে গুলশান-২ নম্বর সেকশনের ৫৭ নম্বর সড়কের ১১/এ নম্বর বাসায় এ অভিযান শুরু হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বাসাটিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

    অভিযানকালে এখন পর্যন্ত ক্যাসিনো সামগ্রী এবং বিপুল পরিমাণ মদ, সিসা ও সিসা উপকরণ এবং বিয়ার পাওয়া গেছে। অভিযান শেষে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। বিভিন্ন লাকেজে করে ক্যাসিনো সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। বিপুল পরিমাণে বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। একটা স্বাভাবিক বারেও এত অবৈধ মদ পাওয়া যায় না।

    দুটি বাড়িতে অভিযান করা হয় গুলশানে। এর একটি আজি মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসা।  দুজন ব্যক্তিকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  আজিজ মোহাম্মদ ভাই দীর্ঘদিন দেশের বাইরে আছেন।  কি পরিমান অবৈধ জুয়া খেলা সামগ্রী মদ পাওয়া গেঝে তা গোনা এখনো সম্ভব হয়নি।  একটি ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য যে যে উপকরণ থাকার দরকার। সব আছে এই বাসায়।

    দৃশ্যত একটি ফ্ল্যাট বাড়ি মনে হলেও এর ভিতরে ক্যাসিনো খেলার উপকরণ আছে। রাজধানীর কোথাও এর খেলা চলতো। সেগুলো ওখানে আনা হয়েছে। দুই ভাগে একটি মিনি বার পাওয়া গেছে। একটাতে সিসা পাওয়া গেছে।

    উল্লেখ্য, আজিজ মোহাম্মদ ভাই একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী।  তিনি হত্যা ও মাদক পাচারসহ বেশ কয়েকটি গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ৫০টির মত চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন তিনি। ১৯৪৭ এ দেশভাগের পর তাদের পরিবার ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসে। তাদের পরিবার মূলত পারস্য বংশোদ্ভুত। তারা ‘বাহাইয়ান’ সম্প্রদায়ের লোক। ‘বাহাইয়ান’ কে সংক্ষেপে ‘বাহাই’ বলা হয়। উপমহাদেশের উচ্চারণে এই ‘বাহাই’ পরবর্তীতে ‘ভাই’ হয়ে যায়। ১৯৬২ সালে আজিজ মোহম্মদ ভাইয়ের জন্ম হয় ঢাকার আরমানিটোলায়।

    ১৯৯৭ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে  হত্যা করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। যদিও হত্যাকাণ্ডের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন আজিজ। কিন্তু সেটাকে আত্নহত্যা বলেই প্রচার করা হয়। যদিও সালমান শাহ এর পরিবার ও তার ভক্তদের ধারণা এটা হত্যাকান্ড। বর্তমানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই সপরিবারে থাইল্যান্ডে থাকেন। সেখান থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। তার স্ত্রী নওরিন মোহাম্মদ ভাই দেশে এসে ব্যবসা দেখেন। তার আছে ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে।