Sunday 1st of November 2020 02:05:51 AM

প্রথমেই চোখে পরেছে এবারের বাজেট এতোটাই ভয়াবহ হয়েছে যে অর্থমন্ত্রী বাজেট পড়তে গিয়ে নিজেই সহ্য করতে পারেননি, স্বয়ং মানসিক চাপে নিজেই হসপিটাল যেথে বাধ্য হয়েছে। বাজেটের বাদ বাকি অংশ প্রধানমন্ত্রী নিজে পড়তে বাধ্য হয়েছে, এমন বাজেট কি কখনও হয়েছে?
এবারের বাজেটে নতুনত্ব হচ্ছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে ‘জনপ্রশাসন’ খাত, যা আগে কখনও হয়নি, এইবার কেন করা হয়েছে? অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতকে কেনই বা প্রধান্য দেওয়া হয়নি? সিপিডির মতে ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট হয়েছে ধনীকে ধনী আর মধ্যবিত্তকে গরীব বানানোর বাজেট, মধ্যবিত্তদের ধরা হয়েছে শুধু করের বেলায়। গত কয়েক বছরের মতই এই বছরও করমুক্ত আড়াই লক্ষ টাকাতেই স্থির রাখা হয়েছে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ন্যুনতম ব্যয় কয়েক বছর যাবত কি একই? অথচ গত কয়েক বছরের মত এইবারও মাসে ২০’৮৩৩/- টাকায় একটি পরিবারের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে হবে যদি না মেটে তাহলে তার অতিরিক্ত বাড়তি এক টাকা খরচ করলেও তার জন্য সরকারকে অবশ্যই কর দিতে হবে। অর্থমন্ত্রী আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন এই বছরেই করদাতা ১ কোটিতে নিবেন, পরে সেটাকে উনি ৪ কোটিতে নিবেন। একদিকে ঋণখেলাপীরা কর, ঋণ মওকুফ পাচ্ছেন অথচ যারা কায়ক্লেশে বেঁচে থাকাবেন তাদের এদেশে এখন থেকে করের আওতায় থাকবেন ভাবাযায়?
আরেক মজার ব্যাপার হলো, গত ১০ বছর ধরে একটা কথাই বার বার শুধু বাজেটের সময় শুনে আসছি সেটি হলো এই বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগ বান্ধব। গত ৭ বছরের সরকারি তথ্য মতে, বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপি’র ২২-২৩ শতাংশ আর সরকারি বিনিয়োগ ৬-৮ শতাংশ। ব্যবসা-বাণিজ্য-কর্মসংস্থানের বেশীরভাগই বেসরকারি খাতে। তাহলে ফলাফল হলো কি?
ভুটানের বাজেটে দেখুন, সর্বোচ্ছ গুরুত্ব পাচ্ছে শিক্ষা আর চিকিৎসা যেখানে চাকরিতেও সর্বোচ্চ বেতন পাবেন শিক্ষক ও চিকিৎসকরা। ৫ জুন ২০১৯ তারিখে বাজেটের আগে ভুটানের মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয় যে শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স এবং মেডিকেল কর্মকর্তারা পাবেন সর্বোচ্চ বেতন। অর্থাৎ স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে তারা অগ্রাধিকার দিয়েছে আর আমাদের এটা প্রয়োজন নেই কারণ ক্ষমতাবানরা যখন অসুস্থ হন তখন দৌড়ায় সিঙ্গাপুর, ইউরোপ আর আমেরিকায়। আর বাকী ৯৮% মানুষ যাদের টাকা এবং ক্ষমতা কোনোটাই নেই তারা কোথায় যাবে? এই ৯৮% মানুষের কথা বাজেটের সময় একবারও ভাবলো না এই সরকার ?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়র পদার্থ বিজ্ঞানের প্রফেসর কামরুল হাসান মামুন একটি রিপোর্টে বলেছিলেন, সুইডেনে কেবল প্রধানমন্ত্রী গাড়ি পান, এমপি মন্ত্রীদের জন্য গণপরিবহন। বাংলাদেশে উপজেলার ইউএনও কৃষি অফিসার থেকে শুরু করে সচিব, এমপি মন্ত্রীতো আছেই। আবার সেইসব গাড়ির হর্ন থাকবে আমজনতার গাড়ির হর্ন থেকে ভিন্ন যেন ট্রাফিক পুলিশ বুঝতে পারে উল্টো পথে গেলেও এরে থামানো যাবে না। শুধুই কি গাড়ি? সাথে সরকারি খরচে তেল, ড্রাইভার, বাড়ি, বাবুর্চি। শিক্ষা ক্ষেত্রে বাজেটের সময় টাকা নাই নামক হাহাকার। আর গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কিংবা লুটপাটের ক্ষেত্রে ভাবখানা আমরা ধনী হইয়া গেছি। এখন কি আর ফইন্নির মত থাকা যায় বা চলা যায়? বা লুটপাট করলে কি আর অল্প টাকা করা যায়? এখন হাজার কোটি টাকার নিচে কোন চুরিই না। অর্থাৎ এখন যারা সরকারি চাকর কিংবা সেবক তারাই নিজ দায়িত্বে মিলেমিশে বরাদ্দের টাকা চেটেপুটে খাওয়ায় ব্যস্ত।
গবেষণা সংস্থা সিপিডি বলেছে, বাজেটে ধনীদের জন্য অনেক কিছু থাকলেও কৃষক ও সাধারণ মানুষের জন্য কিছু নেই। বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, আর আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। ১ লাখ ৪১ হাজার ২১২ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে অর্থবছরটি শুরু করবে। গত ১০ বছরে দেখা গেছে, অর্থমন্ত্রী বছরের শুরুতে বিরাট অঙ্কের বাজেট ঘোষণা করেছে আর বছরের শেষে গিয়ে বাস্তবায়ন করতে না পেরে কাটছাঁট তামাসা করেছে। খেলাপি ঋণ সংস্কৃতির অবসানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী বললেও কীভাবে সেটি করবেন, তারও পথ নকশা বাজেট বক্তৃতায় পাওয়া গেল না। বাজেটে স্পষ্ট বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, যে কৃষকেরা দিনরাত পরিশ্রম করে খাবার জোগান, তাঁদের জন্য কোনো সহায়তা না বাড়িয়ে শস্য বিমার মাধ্যমে দুর্যোগ, দুর্বিপাকের সহায়তার কথা বলা হয়েছে। মানে দুর্যোগ না এলে কৃষক সহায়তা পাবে না, ভাবা যায় পৃথিবীতে কি এমনটি হয়েছে?
গত শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন “বাজেট নিয়ে সমালোচনাকারীরা অসুস্থ”। প্রধানমন্ত্রী হয়ে উনিই বাজেটের শেষ অর্ধেকাংশ পড়লেন আবার উনিই বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন করলেন! অথচ জাতীয় সংসদে এবারও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বিরোধী দল অনুপস্থিত এবং ৬৪ শতাংশ সংসদ সদস্যই হচ্ছেন ব্যবসায়ী, সেজন্য বাজেটের অঙ্গীকারের কোনো রাজনৈতিক বাস্তবতাও নেই, নেই কোন সাধারণ মানুষের কল্যানের ছোয়া। যেদেশে কোটি কোটি স্টেকহোল্ডারের বাদ দিয়ে মাত্র গুটি কয়েক স্টেকহোল্ডারের পক্ষে বাজেট রাখা হয় সেদেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ সহজেই অনুমেয়।

এম ওসমান, বেনাপোল : যশোরের শার্শায় সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারানো নিপা’র চিকিৎসা তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে ব্যাংক একটি একাউন্ট খোলা হয়েছে।
উপজেলার নাভারন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল ও নাভারন বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মোরাদ হোসেনের যৌথ নামে এ কাউন্টটি খোলা হয়েছে। শার্শার নাভারনে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পা হারানো নিপাকে বাঁচাতে সহযোগীতার হাত বাড়াতে সকলের কাছে আহবান করেছে নিপার পরিবারসহ শার্শার সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। যার একাউন্ট নম্বর ৩০৭৯-০১০-০১৮৭২০ রুপালী ব্যাংক লিমিটেড, নাভারন বাজার শাখা, শার্শা-যশোর।
উল্লেখ্য, গত ২০মার্চ সকালে স্কুলে যাবার পথে নাভারন বুরুজ বাগান পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে একটি ডাবল কেবিনের পিকার নিপাকে পিসে দেয়। এসময়  ঘটনা স্থলে নিপার ডান পায়ের বাটুর নিচ থেকে কেটে পড়ে। একই সঙ্গে নিপার বাম পায়ের দুই স্থানে ও ডান হাতের দুই স্থানে ভেঙ্গে যায়। নিপা বর্তমানে যশোর ২৫০শয্যা হাসপালের ২নং সার্জারী বিভাগের ৩নং কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ ১শিশু ও ধর্মপাশা উপজেলায় দুই শিশুসহ তিন শিশু নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন,জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের উত্তরবীর গ্রামের বাপ্পী মিয়ার ছেলে মোদাক্কির (৩) ও একেই গ্রামের আরিফ মিয়ার মেয়ে মোস্তাহার বেগম (২)। আপর জন হলেন,দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ইনাতনগর গ্রামের করন আলীর ছেলে মোহাম্দ লিলু মিয়া (১০)।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের উত্তর বীর গ্রামের বাপ্পী মিয়ার ছেলে মোদাক্কির (৩) ও একেই গ্রামের আরিফ মিয়ার মেয়ে মোস্তাহার বেগম (২) বিকালে বাড়ির উঠানে ফুট বল দিয়ে খেলা করছিল।

খেলার এক ফাঁকে বাড়ির পাশে ডোবায় পড়ে যায়। উঠানে দুইজন কে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজ খোঁজি শুরু করলে একপ্রর্যায়ে বাড়ির পাশের ডোবায় ১ঘন্টা খানেক পরে ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তারগন তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

অপর দিকে,জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ইনাতনগর গ্রামের করন আলীর ছেলে মোহাম্মদ লিলু মিয়া(১০)সহ কয়েকজন ইনাতনগর এলাকায় বিকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়ক পাড়ি দিতে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকে। এসময় হঠ্যাৎ করে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি বাস এসে লিলু মিয়াকে ধাক্ষা মারে এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

এই সময় আতিকুর রহমানসহ ৫জন আহত হয়। স্থানীয় জনতা তাদের উদ্ধার করে। ঘটনার পরপর ঘাতক বাস চালক বাস রেখে পালিয়ে যায়। পৃথক দুটি ঘটনার ধর্মপাশা থানার ওসি ও দক্ষিন সুনামগঞ্জ থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭মে,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সুনামগঞ্জ জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১৬হাজার ১শত ২৯জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সারা জেলায় পাশের হার ৬৮.৫৩ শতাংশ। ফেল করেছে ৩১.৪৭ শতাংশ। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিল ২৩হাজার ৫শত ৩৬জন পরীক্ষার্খী।

রোববার দুপুরে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়,সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবার জিপিএ-৫পেয়েছে ৩ শত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলেরা পেয়েছে ১শত ৮৭টি এবং মেয়েরা ১শত ৮২ টি। ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল মোট ১০হাজার ৬শত ৫৭জন ও মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১২হাজার ৮ শত ৭৯ জন। ছেলেরা পাশ করেছে ৭হাজার ৩শত ৫৫জন ও মেয়েরা পাশ করেছে ৮ হাজার ৭শত ৭৪জন। শতাংশের দিক থেকে মেয়েরা পাশ করেছে ৬৮.১৩ শতাংশ এবং ছেলেরা পাশ করেছে ৬৯.০২ শতাংশ।

ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা প্রতিভা রানী দাস জানান,সুনামগঞ্জ জেলায় সর্বমোট ৩০৬টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারী ও এমপিও ভূক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০৮টি,৯১টি মাদ্রাসা,৬টি কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ১টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৩এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ এবং সে তার কৃতকর্মের জন্য বিচারের সম্মুখীন হবে।

শনিবার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই তারেক রহমানের প্রত্যর্পণের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও সে কীভাবে লন্ডনে থাকে? আমরা তাঁকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে, আর এখন ব্রিটেনের রাজধানীতে বসেও একই ধরনের অপরাধ করছে, চিন্তা করে দেখুন কত বড় সন্ত্রাসী সে ?’

প্রসঙ্গত,তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে তত্পরতা শুরু করেছে সরকার। তিনি বর্তমানে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তার বিরুদ্ধে দুটি দুর্নীতির মামলায় ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বলবত্ রয়েছে। কিন্তু তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আইনি বাধা থাকলেও বিদ্যমান মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স অ্যাক্টের আওতায় কূটনৈতিক তত্পরতার মধ্য দিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সরকারের মধ্যে বন্দী বিনিময় চুক্তি না থাকায় এ পথে এগুতে পারে সরকার।

অপরাধের দায়ে দণ্ডিত তারেক রহমানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে বলেন, তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা ইতোমধ্যেই তারেক রহমানের প্রত্যর্পণের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও সে কিভাবে লন্ডনে থাকে? আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, বন্দী বিনিময় চুক্তি না থাকলেও এ চুক্তি করতে তো বাধা নেই। তাছাড়া মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স অ্যাক্ট বলে একটা আইন আছে। সে আইনের আলোকে কিছু কিছু অপরাধীদের বন্দী বিনিময় চুক্তি না থাকা সত্ত্বেও আমরা কিন্তু আনতে পারি। সেই মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স অ্যাক্ট আমাদের দুই দেশেরই আছে। এটা কিন্তু জাতিসংঘের ধার্যকৃত একটা আইন। সেই সহযোগিতাও এই দুই দেশের মধ্যে আছে।

প্রসঙ্গত ২০০৮ সাল থেকে তারেক রহমান সপরিবারে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে একাধিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান। দীর্ঘদিন কারাগারে আটক থাকার পর জামিন পেয়ে তিনি চিকিত্সার জন্য ওই দেশে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তারেক রহমানকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এছাড়া অর্থ পাচারের একটি মামলায় ২০১৬ সালে তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় হাইকোর্ট। যদিও নিম্ন আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছিল। এছাড়া ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার মামলাসহ বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।সূত্রঃ ইত্তেফাক

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪নভেম্বর,নড়াইল প্রতিনিধি:“উদ্ভাবনে বাড়বে কর, দেশ হবে স্বর্নিভর ” এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে নড়াইলে শুরু হয়েছে ৪দিন ব্যাপী (৪-৭ নভেম্বর) আয়কর মেলা ২০১৭। শনিবার ৪ নভেম্বর সকাল ১১ টায় নড়াইল উপকর কমিশনারের কার্যালয়,সার্কেল-১৫, নড়াইল,কর অ ল-খুলনা এর আয়োজনে নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নড়াইল-২ সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ হাফিজুর রহমান।

যুগ্ম কর কমিশনার,পরিদর্শী রেঞ্জ-২,কর অ ল-খুলনা গনেশ চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী , পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা সেলিম, সহকারি কর- কমিশনার, সার্কেল-১৫, নড়াইল,কর অ ল-খুলনা মোঃ আমিনুল হক, চেম্বার অব কমার্স নড়াইলের সভাপতি মোঃ হাসানুজ্জামান, আয়কর আইনজীবি সমিতির সভাপতি শরীফ হুমায়ুন করীর, শেরা করদাতা, সার্কেল-১৫,নড়াইল মোঃ ওহাহিদুজ্জামান, জেলা পরিষদের সদস্য ও আকর উপদেষ্টা বেগম রওশান আরা কবির লিলি, আয়কর অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারি, আইকর আইনজীবি, উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ মেলায় মোট ৮টি ষ্টল খোলা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ০৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত এ মেলা চলবে। আইকরের টিন নাম্বার খোলা, রির্টান জমা প্রদানসহ আয়কর বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় ভীমরুলের কামড়ে হাসান আহমেদ(৮) নামে এক জন নিহত হয়েছে।

এছাড়া গত এক সাপ্তাহের ব্যবধানে আরো ২জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, আমীর আলী (১৮) ও মনোহর আলী(৩৫)। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,আজ বুধবার ছাতক উপজেলা ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের কহল্লা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে হাসান আলী লাকড়ী সংগ্রহ করতে বুধবার পাশ্বভর্তি জঙ্গলে গেলে অসাবধানতা বশত ভীমরুলের বাসায় আগাত লাগে এতে গুরুত্বও আহত হয়।

এসময় তার মা হেলেনা বেগম(৩৫)বোন কলি বেগম(৬) ও ভাই হুছন আহমদ(১১) ভীমরুলের কামড়ে আহত হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসান আহমেদ(৮) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারা যায়। এদিকে গত ২৩সেপ্টম্বর কালারুকা ইউনিয়নের শন্কর পুর গ্রামের মছকন্দর আলীর ছেলে আমীর আলী (১৮) ভীমরুলেল কামড়ে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ২৬সেপ্টেম্বর মারা যায়। ২০সেপ্টেম্বর উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নানশ্রী গ্রামের মফিজ আলীর ছেলে মনোহর আলী(৩৫) নৌকা দিয়ে যাওয়ার সময় ভীমরুলের কামড়ে পানিতে পড়ে গিয়ে মারা যায়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১সেপ্টেম্বর,শিমুল তরফদারঃ জগতের সকল অশুভ দূর করে শুভ ও সুন্দরের বহি: প্রকাশ ঘঠাতে শারদীয় দূর্গা পূজার ৫ দিন আগেই মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি মন্ডপে শুরু হয়েছে দেবী দূর্গার পূজা। প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেবীর পৃথক ৯টি রূপের মূর্তি। আর এ পূজা দেখতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মন্ডপে ভীড় করছেন ভক্তরা।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ পূজা শেষ হবে আগামী দেবী বির্সজনার দিন। চলবে পুরো ১০ দিন। সারাদেশে হাজার হাজার পূূজা মন্ডপে কারিগররা যেখানে ব্যস্ত মূর্তি তৈরীর কাজে সেখানে দেশের এ মন্ডপে শুরু হয়ে গেছে পূর্জাচ্চনা। মুহিত হচ্ছে চার পাশ ঢাকের আওয়াজে। নিজের ও দেশের মঙ্গল কামনায় দেবীর চরণে অঞ্জলিও দিয়েছেন ভক্তরা।

শ্রীমঙ্গল ইছামতি চা বাগানে মঙ্গলচন্ডীর থলীতে পৌরানিক নিয়ম অনুযায়ী দেবী দূর্গার নয়টি রূপে নয়দিন ব্যাপী পূর্জাচ্চর্নার প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার দেবীকে দেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা করা হয়। এভাবে আগামী নবমী তিথি পর্যন্ত ব্রম্ম্রচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্ধ মাতা, কাত্যায়নী, কালো রাত্রী, মহা গৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী রূপে পূজা করা হবে।
এ পূর্জাচ্চনা বয়ে আনবে জগৎ শান্তি জানালেন পূজার পুরহিত শিক্ষক দিপংকর ভট্টাচার্য। অসুরদের দমন করে মা দূর্গা যেভাবে স্বর্গ রাজ্য জয় করেছিলেন ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তি দূর করবেন এমনটাই আশা নিয়েই এবছর এ পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানালেন পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক। এসময় পরিমল ভৌমিক আরো এই দেবস্থলিটি শ্রীমঙ্গলের সর্বাধীক প্রাচীন স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৫শত বছর ধরে এখানে রয়েছে মঙ্গলচন্ডীদেবীর থলি। অনেকে শ্রীমঙ্গল নামের উৎপত্তিও এই শ্রী শ্রী মঙ্গল চন্ডীর থলি থেকে হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন। পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ দত্ত জানান, এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে ধরে রাখতে গত ৭বছর ধরে তারা এখানে দেবীর নব রুপে পূজা করে আসছেন। তবে এর স্থায়ী রুপ দিতে প্রয়োজন সরকারসহ দানশীলদের সহায়তা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, তাকে খুন করা হয়েছে। এমন দাবি করে রাবেয়া সুলতানা রুবি নামে আমেরিকা প্রবাসী এক বাংলাদেশি অনলাইনে একটি ভিডিও বার্তা ছেড়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, সালমান শাহকে খুনে জড়িত ছিলেন তার স্বামী। চীনাদেরকে দিয়ে এই খুন করানো হয়। এতে জড়িত ছিলেন সালমান শাহ’র স্ত্রী সামিরার পরিবারও। জানা গেছে, দুই মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটিতে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে কাতর কণ্ঠে রুবি বলেন, এই খুনের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি যেভাবেই হোক, আবার যেন তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি যেভাবেই পারেন আদালতে সাক্ষী দেবেন।

বাংলা চলচ্চিত্রে তোলপাড় ফেলা নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানান তার স্ত্রী সামিরা। কিন্তু সালমান শাহের পরিবার একে হত্যা বলে আসছিল।

তবে গত দুই দশকেও এই মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। পুলিশ দুই দফা ময়নাতদন্ত করে একে আত্মহত্যাই বলেছিল। কিন্তু নারাজি আবেদন করেছে সালমান শাহের পরিবার। মামলাটির বিচারবিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। এখন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ে রয়েছে। সম্প্রতি মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে।

সালমানের মৃত্যুর ২১ বছর পর রুবি তার ভিডিওতে বারবার বলেছেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, তাকে খুন করা হইছে।’ সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, ‘প্লিজ কিছু একটা করেন, কিছু একটা করেন।’

রুবি বলেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ খুন হইছে। আমার হাসব্যান্ড এইটা করাইছে আমার ভাইরে দিয়ে। আমার হাসব্যান্ড করাইছে, এইটা সামিরার ফ্যামিলি করাইছে আমার হাজব্যান্ডরে দিয়ে, সবাইরে দিয়ে সব চাইনিজ মানুষ। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, শালমান শাহ খুন হইছে।’

নিজের নাম প্রকাশ করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘আমি রুবি, এখানে ভেগে আসছি, আমি ভেগে আসছি, এই কেস যেন না শেষ হয়। আমি যেভাবে পারি, ঠিকমত যেন আমি সাক্ষী দিতে পারি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করেন।’

তাকেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে রুবি বলেন, ‘আমারেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, দয়া করে আমার জন্য দোয়া করেন। আমি ভাল নাই, আমি কী করবো আমি জানি না, এতটুক জানি যে সালমান শাহ ইমন আত্মহত্যা করে নাই। ইমনরে সামিরা, আমার হাজব্যান্ড ও সামিরার সমন্ত ফ্যামিলি সবাই মিলে খুন করছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন।’

‘এরা কী মানুষ, পুরা চাইনিজ কমিউনিটি আপনারা জানেন না। আমি পুরা ভেগে আসছি এখানে, কোনো রকমে। দয়া করে একটুখানি কারোরে জানান। কারোরে জানান যে, এটা আত্মহত্যা না, এটা খুন। খুন হইছে। আমার ছোট ভাই রুমিরে দিয়া খুন করানো হইছে। রুমিরেও খুন করা হইছে। আমি জানি না রুমির কবর কোথায় আছে। রুমির যদি কবর থেকে তুলে লাশ তুলে যদি ঠিকমত আবার পোস্টমর্টেম করে, তাহলে দেখা যাবে যে ওরা গলা টিপে মাইরা ফেলছে।’

‘এর মধ্যে আমার খালু মুন্তাজ হাসান আছে, আমার খালাত ভাই জুম্মান থাকতে পারে, হামার হাজব্যান্ড চ্যাং লিং চ্যাং, জন চ্যাং নামে বাংলাদেশে পরিচিত ছিল। সাংহাই চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক ছিল ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডে। দয়া করে কাউরে জানান।’

‘আগি ভেগে আসছি আমার জানের ওপর, আমি লাস্ট মানুষ যে কি না জানে যে, এটা খুন। আমি এটা প্রমাণ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

‘দয়া করে একটু সাহায্য করেন, একটু সাহায্য করেন। সাংঘাতিক অবস্থা, এরা আমারে বাসার মধ্যে খুন করার প্ল্যান করছিল। আশেপাশে সমস্ত, সুযোগ পায় নাই। আমার জামাইরে আমি জিজ্ঞাস করেছিলাম যে, তুমি আমারে খুন করতে চাও, তাই না? ও বলেছে যে, খুন করলে তো তোরে আমি কবেই খুন করে ফেলতাম।’

‘এইটা তো আমি জানি। এখন আবার খুন করতে চায়, কারণ এখন আবার কেইস ওপেন হইছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন, দয়া করে জানান।’

সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘ভাবি, আপনার ছেলেরে খুন করা হইছে। আমার যা করার আমি করব, আমি ভেগে আছি ভাবি, নাইলে আমারেও মেরে ফেলত এরা সবাই মিলে। লুসি, আমার হাসব্যান্ড জন, সবাই মিলে আমার বাচ্চাটা, আমার বাচ্চা রিকি আর আমার জানের ওপর অনেক জিনিস আছে ভাবি।’

‘দয়া করে কিছু করেন ভাবি, কিছু করেন, কিছু করেন। যেখানেই যান ইনভেস্টিগেশন করেন। এটা খুন ছিল, ইমন আত্মহত্যা করে নাই। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই ভাবি, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই আপনার ছেলে আত্মহত্যা করে নাই, আপনার ছেলেরে খুন করান হইছে। আমার বাপরেও মনে হয় মাইরা ফেলছে ভাবি, আমি জানি না, আমার ভাইটারেও মাইরা ফেলছে মনে হয়।’

‘দয়া করেন, আল্লাহ, আপনি দয়া করেন, কিছু করেন। আসসালামো আলাইকুম আবার। আল্লাহ হাফেজ, বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ দেখা হবে’-বলে শেষ করেন রুবি।’

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে সালমান শাহের রূপালী মর্দায় যাত্রা শুরু। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর প্রতিটিই দর্শকপ্রিয়তা পায়। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের ব্যবসা সফল সেরা ১০ চলচ্চিত্রের দুই, তিন ও চার নম্বরে আছে সালমান শাহ অভিনীত সিনেমা।

সালমানের মৃত্যুর পর তার অগুণতি ভক্তকূল একে আত্মহত্যা বলে মেনে নিতে নারাজ ছিল। প্রিয় তারকার মৃত্যুতে বেশ কয়েকজন তরুণী আত্মহত্যাও করেছিলেন।

এই মৃত্যুর পেছনে তার সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই সালমান শাহের স্ত্রী সামিরাকে দায়ী করে আসছিলেন। তিন ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। এতে সামিরা ছাড়াও আসামি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং ভিডিও বার্তা প্রচারকারী রাবেয়া সুলতানা রুবির নামও রয়েছে।

সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা পরে মুস্তাক ওয়াইজ নামে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে সংসার করছেন থাইল্যান্ডে। তাদের সংসারে তিনটি সন্তানও রয়েছে। আর রুবি তার স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়াতে অবস্থান করছিলেন। সুত্রঃসময়ের কণ্ঠস্বর

ভিডিও লিঙ্কঃ  https://youtu.be/-4YFPfjawUg?t=12

 “এমন দাবী করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ রানাদাশ গুপ্ত বলেছেন, গত ছয় মাসে নড়াইল থেকে কমপক্ষে ১২ টি পরিবার দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছে ।  এখানে দিনদিন ভোটার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন জমি দখল, নিারাপত্তা হিনতাসহ বিচার না পাওয়া ও বিচার দৃশ্যমান না হওয়াকেই দায়ি করেন তিনি।

রবিবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সদরের সিঙ্গাশোলপুর গ্রামে গত ৩০ জুলাই নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার নির্মল রায়ের বাড়ী যান এবং তার পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলেন।

এসময় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, জেলা পূজা উদযাপন পর্ষদের সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু, যুগ্ম-সম্পাদক বাবুল কুমার সাহা, হিন্দু, বৈদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের জেলা সভাপতি মলয় কান্তি নন্দী প্রমূখ।

প্রসঙ্গত, দির্ঘদিন ধরে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের মিল্টন প্রতিবেশী নির্মল রায় জায়গা দখল এবং দেশ ছাড়া করতে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের প্রভাবশালী মিল্টন কাজী ও তার লোকজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিঙ্গাশোলপুর হাই স্কুল মাঠের মধ্যে বেধড়ক মারধর করে।

পরে চিকিৎসার অভাবে আঘাতজনিত কারনে ৩০ জুলাই রাতে তার মৃত্যু হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এঘটনায় ২ আগস্ট রাতে সদর থানায় ৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ এঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১জুলাই,সদেরা সুজন,সিবিএনএ কানাডা থেকেঃ   গত ২৮ জুন, বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মন্ট্রিয়লের সবচে বড় সংগীতের অনুষ্ঠান ফেস্টিভ্যাল ইন্টারন্যাশনাল দ্য জ্যাজ দ্য মরিয়াল ২০১৭। মন্ট্রিয়লের ডাউনটাউনের প্লাস দ্যা আটসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টিভ্যালের ৩৮তম আসর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যেমনি নামিদামি সঙ্গীত শিল্পীরা উপস্থিত হয়েছেন গান পরিবেশনের জন্য ঠিক তেমনি বিভিন্ন দেশ ও শহর থেকে সঙ্গীত পিপাষুরাও উপস্থিত হবেন এমন উৎসবে।

চলবে আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত। উৎসব এলাকা বিভিন্ন ধরনের গেইট এবং রকমারি স্টল দিয়ে সাঁজনো হয়েছে, বানানো হয়েছে বিশাল বিশাল মঞ্চ। ‘রিয়ো টিনটো এ্যালকন’ ‘টিডি ব্যাংক’ ‘লটো ক্যুইবেক’ বিভিন্ন নামে বেশ ক’টি বিশাল মঞ্চ থেকে গান পরিবেশনের পাশাপাশি ছোট ছোট মঞ্চ থেকেও গান পরিবেশিত হবে, এছাড়া ইনডোর গানের আসরতো থাকছেই।

দশ দিন ব্যাপি বিশ্বখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীর গানের পাশাপাশি রাস্তায় রাস্তায় থাকছে বিভিন্ন রকমের বিনোদন মূলক ম্যাজিক, নৃত্য, শিশু-কিশোরদের জন্য অনুষ্ঠান। জ্যাজের প্রথম দিন থেকেই ওয়েদার গুমুটবেঁধে আছে, প্রথম দিনে মাঝেমধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও গতকাল ও আজ শনিবার এমনকি আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত ওয়েদার ভালো হবার সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ফলে বৃষ্টির মধ্যেই জ্যাজের অনুষ্ঠান দেখতে হবে বলে মনে হচ্ছে। গত দু’দিনে বৃষ্টির মধ্যেও  আউটডোর শোগুলোতে দর্শক শ্রোতার ঢল নেমেছে।

শৈত্যপ্রবাহ আর তুষারপাতের দেশ বলে খ্যাত কানাডার মন্ট্রিয়লে সামার মানে সম্পূন্ন ভিন্নরকমের অবিশ্বাস্য একটি শহর। সামারে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের শহরে শহরে রকমারি অনুষ্ঠান লেগেই থাকে। সামার মানেই বিভিন্ন উৎসবের শহর, আনন্দের শহর, বিনোদনের শহর। সাউন্ড সিস্টেমে মিউজিকের ঝংকার আর ক্যামেরার ক্লিকে শত শত, হাজার হাজার  পর্যটকের পদভারে মুখরিত শহর।  প্রবল তুষারপাত আর জীবন যুদ্ধের বিরতীহীন ক্লান্ত জীবনে সামার মানেই দুদন্ড বিনোদন আর আনন্দ উপভোগের সময়। পরিবার পরিজন নিয়ে একান্তে কিছুটা ক্ষণ যাপনের সময়। বহুদেশ, বহুজাতি, বহুমুখী  সংস্কৃতি আর বহুমুখি সৌন্দর্যের দেশ কানাডার ক্যুইবেক প্রদেশের সেন্ট লঁরা নদীর পাদদেশে আইল্যান্ডের নাম মন্ট্রিয়ল। মন্ট্রিয়লের পাশে রয়েছে নদী ডেম্প, আর সবুজ বনানীঘেরা বনাঞ্চল।

শীতকালে সাদা তুষারপাতে ঢেকে রাখে সব কিছু যেমনি, সামারেও দেখার মতো সবুজে সবুজ। আবার সামারের শেষান্তে ম্যাফল  লীফের বাহারি রং। কী অদ্ভুত সুন্দর ম্যাফল লীফ। মনে হয় যেনো তাবৎ পৃথিবীটাই রঙ্গীন অদ্ভুত সুন্দর। সামারে ঝাঁকে ঝাঁকে  বিভিন্ন জাতের পাখিরা সারিবব্ধ হয়ে নীলাকাশের নিচ দিয়ে কি সুন্দরভাবে কানাডায় ফিরে আসে খাবারের সন্ধানে, লেইকগুলো ভরে যায় পাখির কলকাকলিতে, আর নদীগুলো ভরে যায় স্পীড বুট আর রকমারী নৌপরিবহনের পর্যটকদের ভীড়ে।

একের পর ফেস্টিভ্যালের জন্য পর্যটকদের আগমনে আর মিউজিকের শব্দে আনন্দ উল্লাসে মেথে উঠে মন্ট্রিয়ল। ফ্রাঙ্কোফলি, আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্ট, জাস্ট ফর লাফ্স, ফেস্টিভ্যাল ইন্টারন্যাশনাল নূঁই দাফ্রিকান, গেঁই ফেস্ট, আর্ট ফেস্টিভ্যাল, বিশ্ব চলচ্চিত্র উৎসব, ফায়ার ওয়ার্কস,  ফেন্টাসিয়া, নেটিভ ফ্যাস্টিভ্যালসহ কত রকমারি উৎসবে নান্দনিক সাঁজে আর লাখো মানুষের কলরবে জেগে ওঠে মন্ট্রিয়ল।

মূলত সারা বছরবব্যাপী বিভিন্ন রকমের অনুষ্ঠান থাকলেও মে মাস থেকেই উৎসবগুলোতে মানুষের বহর বেড়ে চলে। জুন মাসের শুরুতে গ্রান্ডপ্রি কিংবা কার রেইস প্রতিযোগিতা শেষ হতে না হতেই ক্যুইবেকবাসীদের প্রিয় সঙ্গীত উৎসব ফ্রাঙ্কোফলি জুন ১১ থেকে জুন ২২ পর্যন্ত চলছিলো। ২৮ জুন থেকে শুরু হবে ৩৮তম আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল, চলবে ৮ জুলাই পর্যন্ত ডাউন টাউনের প্লাস দ্যা আর্টসে। ১লা জুলাই ১৫০তম কানাডা দিবস উপলক্ষে সারাদিনব্যাপি চলবে বিশেষ বিশেষ রকমারি অনুষ্ঠান।

সারা কানাডার মতো মন্ট্রিয়লের ওল্ড পোর্টে সকাল থেকে অনুষ্ঠানের যাত্রা শুরু হবে, বিশাল নান্দনিক প্যারেডের মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন রকমের প্রদর্শনী আর রাতে ওল্ড মন্ট্রিয়লের পোর্টে চলবে ফায়ার ওয়ার্কস। ২৮ জুন থেকে শুরু হবে আন্তর্জাতিক আর্ট ফেস্ট (ফিমা)চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। মন্ট্রিয়ল আন্তর্জাতিক ফায়ার ওয়ারকর্স প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১ জুলাই শনিবার থেকে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই আতশবাজি উৎসবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করবে প্রতিযোগিতার জন্য। জাস্ট ফর লাফস্ কিংবা আন্তর্জাতিক হাসির উৎসব চলবে ১২ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই। দম ফাঁটানো হাসির উৎসবেও চলবে রকমারি আয়োজন।

কানাওয়াকি নেটিভ ফেস্ট চলবে ৮ ও ৯ জুলাই। ফেন্টাসিয়া ফিল্ম ফেস্ট চলবে জুলাই ১৩ থেকে ২ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রত্যেকটা উৎসবই দেখার মতো। হাজার হাজার মানুষের মিলন মেলায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠে উৎসবগুলো। এই পরবাসের কষ্টকঠিন সময়ের মাঝে একটু প্রশান্তির জন্য, একটু বিনোদনের জন্য মন্ট্রিয়লে বসবাসরত প্রবাসীরা পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে আসুন  উৎসব গুলোতে। নিশ্চিত ভালো লাগবে।

এ সব ক’টি অনুষ্ঠানের নিউজ ও ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ কভারেজ করার জন্য বিগত বছরের মতো এবছরও সিবিএনএ’এর নির্বাহী সদেরা সুজন মনোনিত হয়েছেন। নিউজ ও ছবির জন্য চোখ রাখুন সিবিএনএ, বিডি২৪লাইভডটকম, এবং ফেসবুক, টুইটারসহ স্যোশাল মিডিয়াতে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১জুন,হাবিবুর রহমান খান,স্টাফ রিপোর্টারঃ    প্রিয়জনের সঙ্গে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করতে ইতোমধ্যেই নগরী ছাড়তে শুরু করেছেন অনেকেই। ফাঁকা এই নগরীতে চুরি, ডাকাতিসহ যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে নগরজুড়ে নেয়া হয়েছে তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা শাখা ও স্পেশাল শাখা নগরজুড়ে ওৎ পেতে থাকবে। তাছাড়া যেকোনো ধরনের ঘটনা মোকাবেলা করতে ‘স্ট্যান্ডবাই’ রাখা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক বিশেষ টিম। ঈদের দিন নগরীর উল্লেখযোগ্য সবকটি ঈদগাহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলেও সিলেট মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রমজানের শুরু থেকেই নগর জুড়ে আইনশৃৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নগরীতে পুলিশের পাশাপাশি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার চৌকস কয়েকটি দল। পুরো নগরীকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে দিনরাত বিরামহীনভাবে নজরদারি করছেন তারা। নগরীর প্রত্যেকটি জোনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন একজন করে ঊর্ধ্বতন গোয়েন্দা কর্মকর্তা। এই চৌকস গোয়েন্দা দল ছদ্মবেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাজ করছে নগরজুড়ে।

এসএমপি সুত্র আরো জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্য ২৪ঘন্টা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৫শ পুলিশ, বাকী র্যাব ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্য রয়েছেন। ইতিমধ্যে অধিকাংশ সদস্য মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন র্যাব ও পুলিশের কর্মকতারা।
পোশাকধারী নারী সদস্য ছাড়াও ইভটিজিং-বখাটেপনা ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিপনীবিতান এবং বিভিন্ন পয়েন্টে নামানো হয়েছে ছদ্মবেশী মহিলা পুলিশ।
এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন- ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নগরীতে বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের ছুটি কমিয়ে দেয়া হয়েছে। নগরীতে ২০টি চেক পোষ্ট বসিয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্তা গড়ে তোলা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে নগরের অনেক মানুষ বাড়ীতে চলে যাবে সেদিক বিবেচনায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছি। ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সতর্ক অবস্থানে থাকবে। শতাধিক ছদ্মবেশী নারী পুলিশ নগরীতে তৎপর রয়েছে।
পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে নগরে। নগরের প্রবেশমুখে র‍্যাবের তল্লাশি চৌকির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে টহল দল থাকবে।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫জুন,ডেস্ক নিউজঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, “দেশের পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিকায়ন ও গতিশীল করার লক্ষ্যে পুলিশ বাহিনীতে ৭৫ হাজার ৩০৬টি (পুলিশ ও নন-পুলিশ) নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য বেগম সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নতুন পদের মধ্যে চলতি মেয়াদে ৪২ হাজার ২০৪টি এবং পূর্ববর্তী মেয়াদে ৩৩ হাজার ১০২টি সৃজন করা হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, “এসব পদ সৃজনের মাধ্যমে পুলিশের বিদ্যমান বিভিন্ন ইউনিটের কাঠামো সংস্কারসহ ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ পুলিশ, বিশেষায়িত সিকিউরিটি ও প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ২টি র্যাব ব্যাটালিয়ন, রংপুর ও ময়মনসিংহ রেঞ্জ এবং আরআরএফ রংপুর গঠন, ৩৩টি নতুন থানা, ৮১টি নতুন তদন্ত কেন্দ্র এবং ১টি ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “পুলিশকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার জন্য গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৯টি জীপ, ৮৭টি পিকআপ, ২০৪টি মোটরসাইকেল, ৫টি মাইক্রোবাস, ৫টি প্রিজনার্স ভ্যান, ১টি ডগ ভ্যান, ৩টি পেট্রোল বোট, ৩টি পোর্টেবল ফোল্ডিং বোট, ৫টি স্পীড বোট, ১টি ওয়াটার বাইকসহ বিভিন্ন প্রকারের মোট ৩৭১টি যানবাহন ক্রয় করা হয়েছে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫১টি জীপ, ১টি কার, ৩০৬টি পিকআপ, ১৪টি মাইক্রোবাস, ১৩টি বাস, ৬৫টি ট্রাক, ৮টি এ্যাম্বুলেন্স, ৭৮২টি মোটরসাইকেল, ৩৬টি প্রিজনার্স ভ্যান, ২টি ডগ ভ্যান, ৩টি পেট্রোল বোট, ৩টি পোর্টেবল ফোল্ডিং বোট, ১৪টি স্পীড বোট ও ৬টি কান্ট্রি বোটসহ বিভিন্ন প্রকারের মোট ১ হাজার ৩১৫টি যানবাহন ক্রয়ের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।” সুত্র-বাসস

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৪জুন,জহিরুল ইসলামঃ  নৃত্যের তালে তালে হে নটরাজ ঘুছাও সকল বন্ধ হে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শ্রীমঙ্গল নৃত্যাঙ্গন এর আয়োজনে শ্রীমঙ্গলে  কচিকাচাঁ মেলাতে শুরু হয়েছে ৫ দিন ব্যাপী কথক নৃত্য কর্মশালা।

রবিবার সকাল ১০ টায় কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। ৫ দিনব্যাপী কথক নৃত্য কর্মশালার প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকা কথক নৃত্য সম্প্রদায়ের পরিচালক সাজু আহমেদ।

কর্মশালা প্রতিদিন চলবে সকাল ১০ টা থেকে ছোটদের গ্রুপ দুপুর ১ টা ও বিকেল ৩ টাথেকে ৫ টা  পযন্ত বড় গ্রুপ।

শ্রীমঙ্গল নৃত্যাঙ্গন এর পরিচালক সাজ দেব জানান, শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন নৃত্য একাডেমীর ছোট বড় প্রায় শতাধিক নৃত্য শিল্পী  অংশগ্রহণ করছে এই কর্মশালায়। শ্রীমঙ্গলের সকল নৃত্য শিল্পীদের সুযোগ রয়েছে এই কর্মশালায় অংশ গ্রহন করার।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মার্চ,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জনবল সংকটের কারনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের হবিগঞ্জ জেলার শাহাজীবাজার,মুকুন্দপুরসহ ৬০টি স্টেশন আবারও চালু হয়েছে। বৃহস্পতিবার নরসিংদীর ঘোড়াশাল স্টেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ঘোষণার মধ্য দিয়ে বন্ধ এ স্টেশনগুলো পুনরায় চালু করা হলো। লোকবল সংকটের কারণে দীর্ঘদিন থেকে এই রেলস্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় রেলের গতি ফিরছিল না।

এগুলো পুনরায় চালু করার মধ্য দিয়ে তা ফিরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ৬০টি চালু করা হলেও পর্যায়ক্রমে রেলওয়ের সকল বন্ধ স্টেশন চালু করা হবে। ৬০টি স্টেশনের জন্য ১২০জন স্টেশন ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ পয়েন্টম্যান্ট, সুইপারও রয়েছে। স্টেশন ম্যানেজার ১২ ঘন্টা করে রোস্টারিং পদ্ধতিতে দ্বায়িত্ব পালন করবেন।

সূত্র জানায়, ১৯৯১-৯২ সাল থেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করে বিএনপি সরকার রেল স্টেশন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা শুরু করে। এরপর তারা দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেই ২০০১ সাল থেকে বন্ধ করে দেয় রেলের জনবল নিয়োগ। তাছাড়া প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার লোকবল গোল্ডেন হেন্ডশেক দিয়ে বিদায় দেয়া হয় সেসময়। পাশাপাশি ছাটাই করা হয় বিপুল সংখ্যক কর্মচারী। ফলে ধীরে ধীরে ১৪০টি রেল স্টেশন বন্ধ হয়ে যায়। এতে এক দিকে যেমন যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছে, অন্য দিকে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে রেল বিভাগকে রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বলে জানায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

জানা গেছে, সারা দেশে রেল স্টেশন রয়েছে ৪৫৯টি। এর মধ্যে বন্ধ রয়েছে ১৪০টি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দেশের বিভিন্ন জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিলেও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এসব স্টেশন। এবার এগুলো চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রথম দফায় চালু হওয়া স্টেশনগুলো হলো, শাহাজীবাজার, মুকুন্দপুর, সাতগাঁও, লংলা বরমচাল, মুহুরীগঞ্জ, ফাজিলপুর, শর্শদী, নাওটী, ময়নামতি, দৌলতগঞ্জ, খিলা, নাথেরপেটুয়া, বজরা, শাহাতলী, সরকারহাট, ঝাউতলা, ফুলতলা, রূপদিয়া, মেহেরুল্লানগর, সফদারপুর, আনসারবাড়ীয়া, মিরপুর, পাকশী, আজিমনগর, মাধনগর, রানীনগর, হিলি, ভাবানীপুর, ডোমার, কাঁকনহাট, নাচোল, বেনাপোল, কুমারখালী, খোকসা, পাংশা, পাঁচুরিয়া জংশন, আমিরাবাদ, ফরিদপুর, মধুখালী জংশন, আলতাফনগর, ভেলুরপাড়া, মহিমাগঞ্জ, ঘোড়াশাল,আমীরগঞ্জ, শ্রীনিধি, ভাওয়াল গাজীপুর, সাতখামাইর, ধলা, উমেদ নগর, পিয়ারপুর, কেন্দুয়া বাজার, ভূয়াপুর, বিস্কা, সোহাগী, নান্দাইল রোড, কালিকাপ্রসাদ, ঠাকুরকোনা, বারহাট্টা ও অন্নদা নগর।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc