Saturday 5th of December 2020 08:11:18 PM

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সরকারী নিদের্শনা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক মোঃ তৈয়বুর রহমান। গত বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে হাসপাতাল কতৃপক্ষের নিদের্শনায় কোয়াটারের একটি কক্ষে একাই হোম কোয়ারান্টাইনে আছে।
কিন্তু একটি পক্ষ এই ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিয়ে বলে বেড়াচ্ছ তিনি হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে অবাধে চলাফেরা করছেন যা সত্য নয় বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।
জানাযায়,গত দেড় মাস পূর্বে তিনি শারীরিক  ও পায়ে সমস্যার কারনে ছুটি নিয়ে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে যান তিনি এতে করে উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক তৈয়বুর রহমান পায়ে আঘাত পেয়ে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে চিকিৎসার জন্য নিজ কর্মস্থল তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ছুটি নিয়ে ঢাকায় যান। মার্চের ৩তারিখ কুর্মিটোলায় চিকিৎসা করিয়ে সেখানকার ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকেন এপ্রিলের ১২তারিখ পর্যন্ত ঢাকায় নিজ বাসায়। সম্পূর্ণ বিশ্রামে থেকেই ১৩এপ্রিল কর্মস্থলে তাহিরপুরে আসেন।  এরপর তাকে হোম কোয়েরেন্টাইনে থাকার নিদের্শনা দেয়া হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক মোঃ তৈয়বুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা রয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে যারা বাড়ি কিংবা কর্মস্থলে ফিরছেন তাদেরকে কমপক্ষে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আমি সরকারী নিদের্শনা ও স্বাস্থ্য  বিধি মেনে হোম কোয়ারেন্টাইন মেনেই চলাফেরা করছি এবং বাইরের কোথাও বের হচ্ছি না। কিন্তু কিছু লোক না যেনে না শুনে বলছে আমি ঘুড়াফের করছি যা মিথ্যা ও বানোয়াট।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএফপিও) ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন জানান,তৈয়বুর কর্মস্থলে আসার পরেই সিভিল সার্জন  স্যারের  সাথে যোগাযোগ করে ও পরামর্শ অনুযায়ী তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাছাড়া সে করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত কিনা তা জানতে তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
যে বা যারা বলছে তিনি হোম কোয়ারান্টাইন মানছে না এটি বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য। তাছাড়া বর্তমান এ দুঃসময়ে পুলিশ, সাংবাদিক আর ডাক্তারই জনগণের পাশে রয়েছেন।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ঢাকা থেকে আসা তিন ব্যক্তির করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়ায় তিন ব্যক্তিকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিশা ইউনিয়নের খাসখামার গ্রামে।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম , এসিল্যান্ড আরিফ মুর্শেদ মিশু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রোকসানা হ্যাপি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে এই ব্যবস্থা নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রোকসানা হ্যাপি জানান, পরীক্ষার জন্য অসুস্থ ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। পাশ্ববর্তী বাড়িঘরের লোকজনকে সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে ওই তিন ব্যাক্তি ঢাকা থেকে বাড়ী আসার পর থেকেই জ্বর-কাশি ও গলা ব্যথায় অসুস্থ পড়ে। এবং তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ থাকায় তাৎক্ষণিক ওই বাড়ির অসুস্থ ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ওই বাড়ি গুলোর আশেপাশে জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবং ওয়ার্ড কমিটিকে সার্বক্ষনিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে আমাকে অবগত করতে বলেছি যাতে কোন বিষয়ে তাদের সমস্যা না হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায়  হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ওমান প্রবাসী হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।তিনি উপজেলার জালালপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিন।
জানা যায়,বৃহষ্পতিবার ভোরে তিনি মারা যান। তিনি দশ দিন আগে দেশে আসছিলেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। তারা আরো জানান, ওই ব্যক্তির জ্বর, সর্দি বা কাশি ছিলনা।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ দিলোয়ার হোসেন বলেন,ওই ব্যক্তি কিছু দিন আগে ওমান থেকে এসেছেন। তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। তবে তার করোনার ভাইরাসের উপসর্গ  যেমন, জ্বর, সর্দি কাশি ছিলনা। ধারনা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে মারা গেছেন।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল জেলার তিনটি উপজেলায় নতুন ৫২ জনসহ মোট ৪১৩ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন 

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানাগেছে রবিবার সকাল পর্যন্ত সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় ৫২জন নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে এসেছেন এদের মধ্যে সদরে জন, লোহাগড়ায় ১৫ জন  কালিয়ায় ৩১ জন   

নড়াইল সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল মোমেন জানান, মোট  ৪১৩ জনের মধ্যে নড়াইল সদর উপজেলায় ১৮২ জন, লোহাগড়া উপজেলায় ৬১ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ১৭০ জন শনিবার সকাল পর্যন্ত নতুন ১৮ জন সহ পযর্ন্ত মোট ১০৮ জনের হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হয়েছে

এদিকে করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সেনাবাহিনী পুলিশ বাহিনী শহর গ্রামাঞ্চলে টহল চালিয়ে যাচ্ছেন এছাড়া নড়াইল পৌরসভা বিভিন্ন রাস্তা জীবানুনাষক দিয়ে পরিস্কার করছে এবং একই সাথে ভেঙ্গু মোকাবেলার জন্য আগাম মশানিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে

এদিকে করোনার ভয়ে নড়াইল সদর হাসপাতাল, লোহাগড়া কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অনেকটাই রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে ভারত,সিঙ্গাপুর,দুবাই,কাতার,ওমানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশী গত ১মার্চ থেকে ১৭মার্চ পর্যন্ত ২২২৮জন প্রবাসী দেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৯১জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানান,সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন সামছুদ্দিন। তিনি জানান,খোঁজ পাওয়া প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তারা নজরদারীতে রয়েছে। অন্যান্যদের সন্ধানেও প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত আছে।
তিনি অরোও জানান,করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থাকা আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে এসে ভর্তি করার পর জরুরি ভিত্তিতে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগে (আইইডিসিআর) যোগাযোগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন,এখন পর্যন্ত সুনামগঞ্জে যারা প্রবাসীরা এসেছেন তাদের অনেক হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন না। আমরা তাদের খোঁজে সকল প্রবাসীদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসছি। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মানবেন না তাদেরকে সংক্রামক রোগ আইনের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করবো। পাশাপাশি সবাই যাতে নিজ থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মেনে চলেন সেজন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এম ওসমান : ইটালি থেকে আসা এসএম আব্দুর রশিদ (৫৩) নামে এক ব‍্যক্তিকে নিজ  বাড়িতে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ রাখা হয়েছে।
সে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের (মেঠপাড়ার) মৃত রাহাতুল্লার ছেলে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্যও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইউছুপ আলী বলেন, ১৩ই মার্চ ইটালি থেকে বিমান যোগে আবুধাবী বিমান বন্দরে অবতরণ করার পর বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স যোগে শাহাজালাল বিমান বন্দরে আসেন। পরে সেখান থেকে পরিবহনে করে নিজ বাড়ি টেংরা গ্রামে আসেন।
শনিবার সন্ধায় জামতলা বাজারে ঘুরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা ভীতসন্ত্রস্থ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানান।
“রাতেই তাকে বাইরে ঘুরা ফেরা না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়ে আগামী ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষনিক তার গতি বিধি লক্ষ্য করার জন্য ২জন স্বাস্থ্য সহকারীকে সর্তক রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, ইতালি থেকে ফিরে আশা ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যপারে সার্বক্ষনিক তৎপর রয়েছে।
এদিকে ইটালি থেকে গ্রামে ফিরে আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারন মানুষ ভীত সন্ত্রস্থ্য হয়ে পড়েছে, সে যাতে ১৪দিনের আগে বাড়ির বাইরে আসতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর জন্য এলাকাবাসি দাবি করেছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় প্রবাস ফেরতসহ ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা জানা গেছে । এদের মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১৬ জন ও বড়লেখা উপজেলায় ২ জন ও ১ জন কুলাউরাসহ মোট  ২১জন কোয়ারেন্টাইন এ  রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে ।

এর মধ্যে রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ এর তথ্যে ৯ জনকে হোম  কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, প্রবাসীদের মধ্যে করোনা ভাইরাস জনিত কোন সমস্যা আছে কিনা সেটার জন্য তাদেরকে নিজ বাসায় ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকতে বলা হয়েছে। সমস্যা দেখা দিলে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ দল স্যাম্পল নিয়ে যাবেন।

অপর দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা  স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাজ্জাদ চৌধুরি রোববার সন্ধ্যায় আমার সিলেটকে বলেন, পৃথক দু ‘ইটি তারিখে ১৬ জন প্রবাসী শ্রীমঙ্গলে এসেছে। এদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি, তারপরেও আমরা তাদের এডভাইস দিয়েছি  নিজ উদ্যোগে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকার জন্য। এদের মধ্যে এখনো কোন সিম্পটম দেখা না গেলেও ৪/৫ দিন পরে সিম্পটম দেখা দিতে পারে,সে জন্য সতর্কতা জরুরী। যেহেতু আমাদের এখানে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য কিট নেই তাই যদি কোন লক্ষণ দেখা যায় তাহলে মহাখালী সেন্টারে আইডিসিআর হটলাইনে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়েছে।তবে তাদের ঠিকানা আমার জানা নেই।

উল্লেখ্য দেশে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৩১৪ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ,এ পর্যন্ত ১০ জন আইসোলেসনে আছেন বলেও জানান আইইডিসিআর পরিচালক।

রবিবার দুপুরে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআর পরিচালক জানান, বিদেশ থেকে ফেরত আসা অনেকেই হোম কোয়ারেন্টাইন ঠিকভাবে মানছেন না। সে কারণে যারাই আসছেন, তাদের হজক্যাম্পের কোয়ারেন্টনাইনে পাঠানো হচ্ছে।

ডা. ফ্লোরা  বলেন, শরীরের করোনার উপস্থিতি নেই, এটি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই বিদেশ-ফেরতদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে।

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, আক্রান্ত দেশ থেকে যারা এসেছেন হোম কোরারেন্টাইন কঠোরভাবে পালন করবেন। এ ব্যাপারে গাফিলতি করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্ভব হলে আলাদা কক্ষে হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করবেন। আর তা সম্ভব না হলে অন্তত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন। এছাড়া কারও হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা না থাকলে যোগাযোগ করলে আইইডিসিআর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করবে বলে জানান পরিচালক।

ডা. ফ্লোরা জানান, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তারা অনেক সহযোগিতা পাচ্ছেন। কেউ হোম কোয়ান্টাইন না মানলে প্রতিবেশীরা তা জানিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া গণমাধ্যমও তাদের সহযোগিতা করছে। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রসঙ্গত,করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে আসলেই কেহ করোনা আক্রান্ত নয়, তবে সতর্কতা থাকা জরুরী। ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকা মানে হচ্ছে নিজে  নিরাপদ এবং অন্যকে নিরাপদে থাকার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এমনটিই সচেতনদের ধারনা।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc