Sunday 25th of October 2020 07:59:41 AM

উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯ টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন শীর্ষক মেগা প্রকল্প গ্রহন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে নড়াইলে আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত

নড়াইল প্রতিনিধিঃ  বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রসারের লক্ষে উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯ টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন শীর্ষক মেগা প্রকল্প গ্রহন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে নড়াইলে আনন্দ র‌্যালী ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের কপি প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রদান করা হয়েছে। রবিবার নড়াইল টেনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে এ র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
শোভাযাত্রাটি নড়াইল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) কাজী মাহবুবুর রশীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের কপি প্রদান করা হয়।
নড়াইল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত) মীর মোস্তাক মাহমুদ, নড়াইল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয় স্কেলে বেতন অনুমোদন দেওয়ায় র‌্যালি ও শোকরানা সভা

নড়াইল প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৩৬বছর পর সারাদেশে ৪হাজার ৩১২টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয় স্কেলে বেতন অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে নড়াইলে আনন্দ র‌্যালি
ও শোকরানা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ, নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শোকরানা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি মুফতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন প্রধান অতিথি নড়াইল জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মোঃ শামছুল আলম, সম্মাণিত অতিথি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম ছায়েদুর রহমান, বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা সেলিম, বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওঃ আব্দুর রহমান, লোহাগড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ সাদেকুর রহমান,কালিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সারাদেশে ৪হাজার ৩১২টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে নামমাত্র অনুদানে পাঠদান চালিয়ে আসছিলো। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইবতেদায়ী শিক্ষকদের দু:খ-দুর্দশা ও মানবেতর জীবন যাপনের খবর নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব শিক্ষকদের প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকদের ন্যায় জাতীয় স্কেল অনুযায়ী বেতন প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। এজন্য সমস্ত শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

নড়াইল   প্রতিনিধিঃ নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে নড়াইলে ছাত্র-ছাত্রীদের আনন্দ র‌্যালী  অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার  নড়াইল পৌর মেয়রের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে শুরু হয়ে র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে ঐ স্থানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাস,  পৌর কাউন্সিলর কাজী জহিরুল হক, যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির ইকবাল, জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নিলয় রায় বাধন, ,নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলর প্রধান শিক্ষক নিমাই চন্দ্র পাল, ছাত্রলীগ নেতা শেখর সিংহ পল্টু, মোঃ জামিল আহম্মেদসহ অনেকে।

র‌্যালীতে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ জেলা  ছাত্রলীগের নেতা, কর্মি উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জুন,ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জি-সেভেন আউটরিচে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আগামী ৮-৯ জুন ব্যাপী জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের সঙ্গে ওই বিশেষ আউটরিচ সেশনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে কানাডা। খবর বিডিনিউজ।

বিশ্ব অর্থনীতির সাত পরাশক্তির জোট জি-সেভেনের সম্মেলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক আগ্রগতির বিষয়ে আলোচনার জন্য জোটের (কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন) বাইরে থেকে বিভিন্ন দেশকে আলাদা বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একেই বলা হয় জি-সেভেন আউটরিচ মিটিং। এবার সেশনের মূল প্রতিপাদ্য হবে সমুদ্রকে দূষণ থেকে রক্ষা করা এবং উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিকূলতা মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি।

বাংলাদেশের পাশাপাশি এবার আর্জেন্টিনা, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, মার্শাল দ্বীপপূঞ্জ, নরওয়ে, রুয়ান্ডা, সেনেগাল, সিচিলিস, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভিয়েতনামকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংকও আছে অতিথির তালিকায়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ    বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১১ জনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় খালাস দেয়া হয়েছে একজনকে।

দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তাদের এ সাজা দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১১ জনকে দুটি ধারায় মোট ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার (২৯ অক্টোবর) পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতের বিচারক ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ১৫ অক্টোবর শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা ও ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক আইনে মামলার রায়ের জন্য আজকের দিন (২৯ অক্টোবর) ধার্য করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসায়ই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার ১৩ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হুমায়ুন কবির (পলাতক), হুমাউন কবির , মো. শাজাহান বালু, লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ (পলাতক), জাফর আহম্মদ ওরফে মানিক (পলাতক)।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ‘পরম সৌভাগ্যবান’ বলে অভিহিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারমন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে দেয়া বক্তব্যের সময় তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সময়ে মামলা হয়েছে। কিন্তু, তিনি পরম সৌভাগ্যবান। তাকে আমার মতো কখনও এমন করে আদালতে হাজিরা দিতে হয়নি।’

দুপুরে রাজধানীর বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ-৫ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে দ্বিতীয় দিনের বক্তব্য তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি আইন-আদালত ও বিচার বিভাগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই এই বয়সে নানা সমস্যার মধ্যেও যতদূর সম্ভব সশরীরে আদালতে হাজির থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার আইনজীবীরা আইনানুগভাবে মামলা মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। কিন্তু, অনিবার্য কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারলেই আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হচ্ছে। আমার পরিচয় দেশবাসী জানেন। আদালতেরও নিশ্চয় অজানা নয়।’

আদালতকে তিনি বলেন, ‘আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের অন্যতম সফল অধিনায়ক। তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের প্রাক্তণ সেনাপ্রধান। দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক এবং জননির্বাচিত ও নন্দিত সফল রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাভাষী সৈনিকদের প্রতিরোধ যুদ্ধে উদ্ধুদ্ধ করার সুযোগ আমাকে ইতিহাস দিয়েছে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি সে কর্তব্য পালন করেছি।’

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দুটি শিশু সন্তানসহ গ্রেপ্তার হয়ে এই রাজধানীতে আরও অনেকের সঙ্গে চরম অনিশ্চিত ও দুঃসহ বন্দিজীবন আমাকে কাটাতে হয়েছে। আমাদের বন্দি শিবিরের ওপর বোমা বর্ষণের সময়ে আল্লাহর অসীম রহমতে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসেছি। কেবল মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নয়, এরপর আরও অনেকবারই চরম বিপদসঙ্কুল পরিস্থিতি এবং মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও আল্লাহ আমাকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় পৌনে নয় বছর স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে জনগণের কাতারে থেকে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আপসহীন ভূমিকা রেখেছি। আমি এজন্য মানুষের অপরিসীম সমর্থন ও দোয়া পেয়েছি। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আসনে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছেন। বাংলাদেশের জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আমি তিন-তিনবার তাদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছি।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা করার চেষ্টা করেছি, তাদের অর্পিত দায়িত্ব সাধ্য, সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী পালন করে । দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার এবং মানুষকে দুর্দশামুক্ত করে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করেছি। উন্নয়নে, উৎপাদনে, শিক্ষায়, নারীশিক্ষায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এবং সন্ত্রাস মুক্তির অভিযানে অবদান রেখে মানুষের জন্য স্বস্তি ও সম্ভাবনার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশ জাতি যখন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে, অধিকার হারিয়েছে, বিপন্ন হয়েছে তখন আমিও নানাভাবে আক্রান্ত হয়েছি। আমার পরিবারও পড়েছে নানামুখী সংকটে। একইভাবে দেশ জাতি যখন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছে, জনগণ যখন বিজয়ী হয়েছে, তাদের হারানো অধিকার ফিরে পেয়েছে, তখন আমার নাগরিক অধিকারগুলোও সমুন্নত থেকেছে। জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা যখন সমুন্নত হয়েছে, আইনের শাসন, সুবিচার, গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। তখন ব্যক্তিগতভাবে আমিও সংকট, বিপদ, আক্রমণ, নির্যাতন ও বিপর্যয় থেকে মুক্ত হতে পেরেছি। বারবারই প্রমাণ হয়েছে, বাংলাদেশ ও এদেশের জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে আমার নিজের ও পরিবারের ভাগ্য একসূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে।’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে পৌঁছান।

এদিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাক্ষীর জেরা ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্ক এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়ার দিন ধার্য ছিল।
খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে তার বক্তব্য দেন। এরপর আদালত আগামী ২ নভেম্বর তাকে অসমাপ্ত বক্তব্য শেষ করার জন্য দিন ধার্য করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল (ইকোনো কামাল), ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবর,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ জাতিগত সহিংসতার মুখে বিভিন্ন সময় সৌদি আরবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। মক্কার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজক সংগঠনের নেতা শেখ নুরুজ জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং নাছের চৌধুরী ও দীল মোহাম্মদের যৌথ পরিচালনায় এক আলোচনা সভা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- সংগঠনের সহ পরিচালক শেখ আব্দুল্লাহ আল মারুফ, প্রধান বক্তা ছিলেন ‘গ্লোবাল রোহিঙ্গা সেন্টার’ এর চেয়ারম্যান আবু সালমান। সভায় বক্তব্য দেন- সৌদি নাগরিক মো. আইয়ুব জাম্মাল, আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়নের নেতা মো. নুরুল আমিন, জোবায়ের ফজল, আনতাল হাকিম, মোহাম্মদ রফিক, আব্দুল্লা আচিরি, কাবীর মহিবুল্লা ও সৈয়দ মৌলবী।

সমাবেশে বক্তারা জাতিসংঘে গিয়ে রোহিঙ্গাদের অধিকারের জন্য বক্তব্য দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাচ্যের নতুন তারকা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসের ব্লগে পত্রিকাটির মতামত সম্পাদক অ্যালন জ্যাকব ‘শেখ হাসিনা জানেন সহমর্মিতার নৈপুণ্য’ শীর্ষক এক পোস্টে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়, অ্যালন জ্যাকব তাঁর লেখায় বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গার জীবন রক্ষায় সীমান্ত খুলে দিয়ে শেখ হাসিনা তাঁর যে সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখিয়েছেন, সে জন্য এ সপ্তাহে তাঁর চেয়ে বড় কোনো ‘হিরো’ দেখছি না।

জ্যাকব তাঁর কলামে লিখেন, লেখার বিষয় নির্বাচনের আগে সব সময়ে আমাকে কোনো বিষয় এবং ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে ভাবতে হয়। এখানে স্বীকার করতেই হয় যে, এ সপ্তাহে আমার লেখার বিষয় দক্ষিণ ভারতের একজন অভিনেতা এবং রাজনৈতিক মাঠে তার আশাবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখার বিষয় মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। কিন্তু আমি যখন বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছেন প্রাচ্যের নতুন তারকা, তখন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। তিনি বলেন, হ্যাঁ মিয়ানমারে একজন নোবেল বিজয়ীর উজ্জ্বলতা হারানোর বিষয় নিয়ে মিডিয়া অধিক ব্যস্ত থাকায় আমরা এই মহৎ সুযোগটি হারিয়েছি। গত সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আবেদনটি অবজ্ঞা করায় একটি অপরাধের বোঝা আমাকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে বলেছেন, এতে তাঁর হৃদয় ভেঙে গেছে।

জ্যাকব বলেন, মিয়ানমারের নেত্রী অং সাং সু চি যখন কণ্ঠস্বর হারিয়েছেন, এমন সময় শেখ হাসিনার সোচ্চার হয়ে ওঠা এক বিরাট স্বস্তি। সু চি ও শেখ হাসিনা তাদের নিজ নিজ দেশের মুক্তিসংগ্রামের মহানায়কের কন্যা। দু’জনেই খুব কাছ থেকে ট্র্যাজেডি দেখেছেন। যদিও ব্যবধানটা বিশাল। মানবতা যখন বিপন্ন তখন একজন নিছক দর্শক হয়ে থাকার পথ বেছে নিলেন, অপরজন দেখালেন অমায়িক দয়া। শেখ হাসিনার প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট্ট দেশটিতে একবারে ৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে অধিবেশন চলাকালে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে তিন লাখ শরণার্থী পেয়েছি। কিন্তু আমাদের স্থান সংকুলানের সমস্যা থাকা সত্ত্বেও আরও বেশি শরণার্থী গ্রহণের বিশাল হৃদয় আমাদের রয়েছে।’

জ্যাকব লিখেছেন, এটা স্রেফ কোনো অনুকম্পার বিষয় নয়, এতে ট্র্যাজিক পরিস্থিতিতে সাহস প্রদর্শিত হয়েছে।

খালিজ টাইমসের মতামত সম্পাদক অ্যালন জ্যাকব বলেন, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে ১২ লাখ শরণার্থী গ্রহণের সাহস দেখিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যতিক্রম, এর সম্পদ সীমিত। এটি বাংলাদেশ সরকারের কারণে সৃষ্ট কোনো জন স্রোত নয়। তথাপি শেখ হাসিনা তাঁর মানবিকতার জায়গা থেকে সরে যাননি।
জ্যাকব বলেন, বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর মতো নেতারা যখন কর্ণধার হন, তখন অভিবাসন সমস্যা নিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত বিশ্বে আশার আলো জ্বলে উঠে। তাঁর কর্মকাণ্ড প্রথমে ক্ষীণ মনে হয়েছিল, তবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা সমস্যা প্রত্যক্ষ করতে খালিজ টাইমস যখন একজন রিপোর্টার পাঠাল, তখনই প্রকৃত সমস্যাটি সামনে চলে আসে। রিপোর্টারের বর্ণনায় উঠে এসেছে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশার চিত্র। ক্ষুধার্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা খাদ্যের জন্য অপেক্ষা করছে, হা-হাকার জীর্ণ কুটিরে বসবাস করছে। এ ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে।

জ্যাকব লিখেছেন, বিশ্ব গণমাধ্যম রোহিঙ্গা সংকটকে সু চি’র চোখে দেখার জন্য অপরাধী। দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দ্বারা দেশছাড়া হওয়া রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতে সু চি-কে অসহায় মনে হয়েছে। অনেকেই অনুধাবন করতে পারেনি যে, দুই বছর আগে তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি নির্বাচনে বিজয়ী হলেও এখন পর্যন্ত দেশটির সামরিক জান্তাই মূল ক্ষমতায় রয়েছে। সু চি তার দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে দেশ থেকে বিতাড়ন রোধের পরিবর্তে যা করছেন তা হচ্ছে তিনি নির্বাচনে সাফল্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন কিংবা বলা যায় তিনি ব্যালটের ফায়দা লুটছেন। সু চি এত দিন ধরে যে রাজনৈতিক সংগ্রামটি চালিয়ে এসেছেন তা সামাজিক ও মানবিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় তা থেকে তিনি বিচ্যুত হয়েছেন। তার সামরিক বাহিনী যখন রোহিঙ্গা নিধনে মেতে আছে, তখন তিনি ফার্স্ট কাউন্সিলর হিসেবে ক্ষমতার জাঁকজমক ও সুযোগ-সুবিধায় আটকা পড়ে আছেন এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি নিজে একটি কোটরে আবদ্ধ হয়ে আছেন এবং প্রতীকী নেতায় পরিণত হয়েছেন। তিনি যখন মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলছিলেন তখন তার মধ্যে কোনো আবেগ ছিল না, তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তিনি যখন সেনাবাহিনীর পক্ষসমর্থন করে কথা বলছিলেন, তখন তাকে তার পূর্বে সংগ্রামী জীবনের ছায়ামাত্র মনে হচ্ছিল।

জ্যাকব বলেন, ‘যখন তার সবচেয়ে বেশি উচ্চকণ্ঠ হওয়ার দরকার ছিল, তখন তিনি সোচ্চার হতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তথাকথিত এই আইকনের জন্য আমার সহমর্মিতা নেই বললেই চলে। গণতন্ত্র যখন পছন্দসই সংখ্যাগরিষ্ঠের পক্ষে যায় তখন এটি ত্রুটিপূর্ণ ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। আর জান্তা ও একনায়কদের সঙ্গে সন্ধি করা সহজ হয়ে যায়। রোহিঙ্গাদের নিয়ে সু চি’র সুচিন্তিত নীরবতা অসহনীয় হয়ে উঠেছে। আমাদের একটি সম্পাদকীয়তে আমি এ কথা বলেছি। আরও বলব। যখন মানবতার জন্য চিৎকার করে কথা বলা উচিত তখন কারও নিশ্চুপ থাকাটা আমার অপছন্দ।ওয়েবসাইট

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দরে তাকে সংবর্ধনা দেবে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। আগামী ৭ অক্টোবর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার দিন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার সরকারি বাসভবন গণভবন পর্যন্ত পথে পথে লোক সমাবেশের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করতে চায় আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা উপলক্ষে গণসংবর্ধনা সফল করতে ৩ অক্টোবর যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। এদিন দলটির বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিৃম সংগঠন ছাড়াও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই যৌথসভা অনু্ষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ একথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। ৭ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন। বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত একাধিক স্পটে লোক সমাগমের মাধ্যমে তাকে বরণ করা হবে। ৩ অক্টোবর যৌথসভায় কীভাবে কী করা হবে এর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যান শেখ হাসিনা। ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা ছাড়াও বেশ কয়েকজন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন তিনি। সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট ও বাংলাদেশের ওপর শরণার্থীদের চাপের বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সাধারণ অধিবেশন শেষে ২২ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে ভার্জিনিয়ার যান তিনি। সেখানে যাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২৫ সেপ্টেম্বর একটি হাসপাতালে তার পিত্তথলিতে অস্ত্রোপচার হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১০মে,ডেস্ক নিউজঃ   সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অ্যারাবিক ইসলামিক আমেরিকান হিস্টোরিকাল সামিটে যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আগামী ২১ মে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সফররত সৌদি সংস্কৃতি এবং তথ্য বিষয়ক মন্ত্রী ড. আওয়াদ বিন-সালেহ-আল আওয়াদ মঙ্গলবার রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

 বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানগণ এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনে যোগদান করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন মর্মে বৈঠকে সৌদি মন্ত্রী ড. আওয়াদও আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে জঙ্গিবাদের বিষয়টি এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু বাংলাদেশ যে এর মোকাবেলা করছে তা নয়, এটি এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তার জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, তাঁর সরকার দেশে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এই ক্ষত দূর করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আমরা জনগণের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি এবং তারা আমাদের প্রতিটি কাজেই সহযোগিতা করছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদকে চিরবিদায় জানাতে হলে এর অর্থ এবং অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ করতে হবে এবং গুটিকতেক লোকের খারাপ কাজের জন্য সমগ্র বিশ্বে ইসলামের বদনাম হচ্ছে।

সৌদি মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসের কারণে গত কয়েক বছরে ইরাকে ৯ লাখ এবং সিরিয়াতে ৬ লাখ মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে। এ সময় বাস্তুহারা হয়েছে এই অঞ্চলের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ এইচ এম আল মুতায়ইরি উপস্থিত ছিলেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বোয়িং ৭৭৭ আকাশ প্রদীপ’ পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছায়। সেখানে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর কথা থাকলেও প্রোটকল ভেঙ্গে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদীই হাজির হন বিমানবন্দরে। যাকে বিরল সম্মাননা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই সফরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক সম্পর্ক আরো বহুমাত্রিক রূপ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে শেখ হাসিনার সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। বাণিজ্য, পরমাণু, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, বিদ্যুত্, জ্বালানি, সংযোগ, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসব চুক্তি সই হবে।

বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী যাবেন দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবনে। তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখাজির্র অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভবনে অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর উপলক্ষে দিল্লি শহরকে সাজানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়ক ও প্রান্তে উড়ছে দুই দেশের পতাকা।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে সম্মাননাপ্রাপ্ত ভারতীয়রা এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া ভারতীয় সৈনিকদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও একান্ত বৈঠক হবে আগামীকাল শনিবার। নয়াদিল্লির অতিথি ভবন হায়দ্রাবাদ হাউসের ওই বৈঠকে সাত বছর ধরে ঝুলে থাকা অভিন্ন তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি সই হচ্ছে না বলে আগেই জানানো হয়েছে। তিস্তা চুক্তির ক্ষেত্রে মূল বাধা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরোধিতা। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মমতাকে রাজি করিয়ে সহসাই এই চুক্তি সম্পন্ন করার পথে অগ্রসর হবে মোদী সরকার।

দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ চুক্তি, বিদ্যুত্-জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, আন্তঃযোগাযোগ তথা কানেকটিভিটি, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা, জনযোগাযোগ, গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, নদীর অববাহিকাভিত্তিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা সহযোগিতা, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচাররোধ বেশি গুরুত্ব পাবে।

আলোচনার পর দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ৩০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি দুই প্রধানমন্ত্রী বিরল-রাধিকাপুর রুটে মালামাল পরিবহনকারী রেল চলাচল, খুলনা-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী বাস ও রেল চলাচল এবং ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুত্ প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ সরবরাহ উদ্বোধন করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিসহ বাংলাদেশ সীমান্ত সংশ্লিষ্ট ভারতের রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর হিন্দী সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করবেন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব ভারতীয় সেনা সদস্য শহীদ হয়েছেন তাদের মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা প্রদান করা হবে। নয়াদিল্লির মানেক শ সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণোত্সর্গকারী ১৬৬১ জন ভারতীয় সেনা সদস্যের মধ্যে সাতজনের নিকটাত্মীয়ের হাতে প্রধানমন্ত্রী ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা পদক’ ও সম্মাননাপত্র তুলে দিবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বক্তব্য রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরে দ্বিপাক্ষিক সকল ইস্যুর মধ্যে নতুন সংযোজিত হয়েছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় তথ্য বিনিময়, যৌথ মহড়া, দুর্যোগ মোকাবিলা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরঞ্জাম সংগ্রহ, সামরিক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে চার থেকে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী রবিবার আজমির শরীফে যাবেন ও সেখানে মাজার জিয়ারত করবেন। এছাড়া ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রধান সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। রবিবার রাতে রাষ্ট্রপতির দেওয়া রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার ব্যবসায়ীদের একটি সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন। এর আগে সকালে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং ওই বিকালে ঢাকায় ফিরে আসবেন।ইত্তেফাক

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc