Monday 26th of October 2020 01:32:22 PM

নড়াইল প্রতিনিধিঃ এখন থেকে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত জিন এক্সপার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে মাত্র ৪৫ মিনিট সময়ের মধ্যে করোনা পরীক্ষা করা যাবে। 

শনিবার দুপুরে ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে অত্যাধুনিক পদ্ধতির মেশিন স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্পনা মন্ত্রালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের  সচিব মোঃ আব্দুল মান্নান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধান অতিথি নড়াইল-২ এর সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা,এসময় নড়াইল জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্রসহ সিভিল সার্জন,স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

পিন্টু অধিকারী,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ   হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষায় মাধবপুরস্থ সিলেট এসোসিয়েশনের  উদ্যোগে কোভিড ১৯ সুরক্ষা বুথ স্থাপন ও কেএন-৯৫ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও হলরুমে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইশতিয়াক আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিতরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাধবপুরস্থ সিলেট এসোসিয়েশনের সভাপতি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.শাহাব উদ্দিন আহম্মেদ, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আখলাক আহম্মেদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের গবেষণা কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ   নাদিরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আল রনি, সংগঠনের সদস্য আব্দুল করিম প্রমুখ।
শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আখলাক  আহম্মেদ বলেন, কোভিড মহামারীতে সম্মুখ সারির যোদ্ধা অনেক ডাক্তার মারা গেছেন। কিন্তু কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ এখনো শেষ হয়নি। তাই মাধবপুর হাসপাতালের ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা এবং জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসোসিয়েশনের পক্ষে ১১টি স্বাস্থ্য সুরক্ষা বুথ ও ২টি কোভিড নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক শাহাব উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, মাধবপুরবাসীর কল্যাণে স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ক্ষেত্রে  এসোসিয়েশন সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ১জন স্বাস্থ্যকর্মী, ১জন স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ নতুন করে আরো ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে আত্রাই উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ জন।

রবিবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোকসানা হ্যাপি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবিবার দুপুরে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থকর্মী শারমিন সুলতানা (২৫) ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক আসলাম হোসেন (৫৭) অপর একজন উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিন (৬০) এর রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

তিনি আরো বলেন, করোনায় আক্রান্ত মফিজ উদ্দিন গত কয়েক দিন আগে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। তার পরিক্ষার ফলাফল আমরা রবিবার দুপুরে পেয়েছি।

এছাড়াও করোনা শনাক্ত হওয়া স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তারা দুজনই সুস্থ্য রয়েছেন।

উল্লেখ্য এ পর্যন্ত উপজেলায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ১০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।

বাংলাদেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তবে সবাইকেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। এমনটিই হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

বৃহস্পতিবার দুপুর করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিন প্রচার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশ জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। করোনাভাইরাসও ছোঁয়াচে রোগ। যার কারণে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, এ ভাইরাস আগামী দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত থাকবে। তবে সংক্রমণের মাত্রা কমে আসবে।

তিনি বলেন, জীবন ও জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রাখার জন্য সরকার কাজ করে চলেছে। সরকারকে সাহায্য করতে হলে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অবহেলা, অসাবধানতা আপনারই ক্ষতি করবে। এ সময় আবুল কালাম আজাদ নিজে করেনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করে বলেন, তিনি সকলের দোয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুস্থ হয়েছেন।

লকডাউন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংক্রমণের বিস্তার রোধে আক্রান্ত এলাকা লাল, হলুদ এবং সবুজ জোনে বিভক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।সেক্ষেত্রে জনগণের সহায়তা চান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক।

ওদিকে, জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বেনজির আহমেদ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, ‘কিসের ওপর ভিত্তি করে এমন মন্তব্য বুঝতে পারছি না। আপনি যদি সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেন তা হলে করোনা আজীবন থাকবে। এরকম কথার অর্থ হচ্ছে হাল ছেড়ে দেওয়া।’

তাছাড়া, পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির কয়েকজন সদস্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের এ কমিটি তিন মাস ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নানা পরামর্শ দিচ্ছে। তবে, করোনা থাকবে ২–৩ বছর এমন কোনো কথা তারা সরকার বা অধিদপ্তরকে বলেনি।পার্সটুডে

দেশে নতুন করে ৪ হাজার ৮ জনের দেহে কভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে; যা এখন পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ। এ ছাড়া এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১৭ হাজার ৫২৭টি নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। এই পরীক্ষায় নতুন করে ৪ হাজার ৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৮ হাজার ৪৮৯ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ৩০৫ জনে।

ডা. নাসিমা আরও জানান, করোনায় আক্রান্ত আরও ১ হাজার ৯২৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ১৮৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৩৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। প্রথমে আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকলেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ লাখ ৭৬ হাজার ২৯৬ জনে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৬৫ জন। আর ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩৭ জন।

জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে হাসপাতাল সমাজ সেবা কার্যক্রমের রোগী কল্যাণ সমিতির সৌসজন্যে কোভিড -১৯ সুরক্ষা বুথ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুর দেড়টায় এর উদ্বোধন করেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মল্লিকা দে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান মামুন, শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুছ ছালেক, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  করোনায় চিকিৎসক, সেবিকা,স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৭ জন আক্রান্ত ও ৫ বছরের শিশুর মৃত্যুর পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রা লকডাউন ঘোষনা করা হয়। ৯ দিন পর মঙ্গলবার থেকে আবাও চালু হবে এ হাসপাতাল। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল হাসপাতালটি লগডাউন ঘোষনা করা হয়েছিল।

চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন জানান, মঙ্গলবার থেকে হাসপাতাল চালু থাকবে। রোগীরা যথাযথ সেবা পাবেন। এ উপজেলায় ৬ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী সবাই ভাল আছেন।

এম ওসমান : নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর সমস্যায় জর্জরিত শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স । দিনের পর দিন এমন অবস্থা চলতে থাকলেও দেখার যেন কেউ নেই। দালাল ও সিন্ডিকেট চক্র জিম্মি করে রেখেছে পুরো ব্যবস্থাপনাকে।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারি বলেন, সিন্ডিকেট চক্রটি বেশ প্রভাবশালী। চক্রটির ক্ষমতা এতই শক্তিশালী যে তারা সিভিল সার্জন অফিসের নির্দেশও মানে না। এই কর্মচারি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, কমপ্লেক্সটিতে সিন্ডিকেট চক্রের কারণে এমন অবস্থা হয়েছে ।
শার্শাবাসির স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৬০ সালে উপজেলার দক্ষিন বুরুজ বাগান এলাকায় এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়। প্রথম দিকে ৩১ বেড থাকলেও বর্তমানে বেডের সংখ্যা ৫০। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটিতে নানা ধরনের অনিয়ম আর দুর্নীতি চলে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৫০ বেড চালু হলেও জনবলের সুবিধা না থাকায় চিকিৎসা সেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে ৷
এখানে কোটি কোটি টাকার সম্পদ স্টোরে রক্ষিত থাকলেও কোনো গার্ডের ব্যবস্থা নেই ৷ যে কোন সময়   এ সম্পদ খোয়া যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷
চিকিৎসাসেবা নেই বললেই চলে। কমপ্লেক্সটিতে বেশ কয়েকটি বিভাগ নামেমাত্র থাকলেও সেখানে চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না। দন্ত বিভাগে গিয়ে কেউ চিকিৎসা পেয়েছেন এমন নজির সাম্প্রতিক সময়ে কখনো নেই। রোগীদের অভিযোগ, এ বিভাগে গেলে নানা অজুহাতে তাদের সেখান থেকে ফেরত পাঠানো হয়। সুকৌশলে এ বিভাগের ডাক্তারের প্রাইভেট চেম্বারে দেখা করার কথা বলা হয়। বিভিন্ন সূত্রে আরও নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে খাবার সাপ্লাই নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। প্রতিদিন রোগীদের যে খাবার দেওয়া হয় তা একেবারেই নিম্নমানের। প্রতিদিন খাবার তালিকায় যা থাকার কথা তা দেওয়া হচ্ছে না। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, এখান থেকে যে খাবার পরিবেশন করা হয় তা মুখে দেওয়া যায় না। বেশির ভাগ রোগীই বাইরে অথবা বাড়ি থেকে খাবার এনে খান। এ ছাড়া এখান  থেকে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয় না। রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া তো দূরে থাক গজ-ব্যান্ডেজ আর তুলার মতো জিনিসও বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়।   বাথরুমগুলোর অবস্থা যাচ্ছেতাই। বেশির ভাগ ওয়ার্ডের বেডও ভাঙাচোরা। কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে এগুলো চালানো হচ্ছে। বাতাসের জন্য পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। নেই পর্যাপ্ত লাইট। ফলে রাতের বেলা একেবারে ভুতুরে পরিবেশ তৈরি হয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে। চারটি কেবিন থাকলেও সেগুলো নামেমাত্র। কোনো সুযোগ-সুবিধাই নেই সেখানে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ‘সিন্ডিকেট’ চক্র এসব ‘কেবিন’ নিজেদের দখলেই রাখেন। এ চক্রকে ম্যানেজ করলেই মেলে কেবিন।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি ও ওষুধ কেনা হয়। এই কেনা নিয়ে রয়েছে বড় রকমের দুর্নীতি। টেন্ডারের শর্তাবলি অনুযায়ী যে ওষুধ সরবরাহ করার কথা, তা মেলে না। আবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ডাক্তারের সংকট চরমে রয়েছে ৷ যে ক’জন ডাক্তার আছে তাদের মধ্যে অনেকে ঠিকমত হাজির থাকেনা ৷ দিনের বেশির ভাগ সময় ডাক্তারদের খুঁজে পাওয়া যায় না। বেলা ১টার পর একজন ডাক্তারকেও পাওয়া যায় না। অথচ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা আড়াই টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ডাক্তার থাকার কথা।
জানা যায়, ডাক্তারদের প্রায় সবাই বিভিন্ন ক্লিনিকে বসেন। ফলে তাদের দিনের বেশির ভাগ সময়ই পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ডাক্তার ও কর্মচারীদের জন্য একটি ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন রয়েছে যেখানে তারা কখন আসেন, কখন বেরিয়ে যান, এমনটি রেকর্ড হয়। কিন্তু বাস্তবে সেই মেশিনটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ডাক্তার, চতুর্থ শ্রেণির অফিস সহায়ক, পরিছন্নতা কর্মী, গার্ড”র বেশ কিছু পদ খালি রয়েছে। এ গুলো পূরণ হলে যে সমস্যাগুলো রয়েছে তার সমাধান হবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অশোক কুমার বলেন, আগের তুলনায়  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র অনিয়ম-দুর্নীতি কমেছে। নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যোগদানের আগে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ছিল। এখন সেগুলো নেই।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিলেট বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. কুতুব উদ্দিন বলেছেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ডাক্তার সহ প্রয়োজনীও জনবল ও যন্ত্রপাতি ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে প্রত্যেক স্বাস্থ্য কর্মীকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে কাজ করতে হবে। এছাড়াও প্রত্যেকটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বিশেষ নজরদারীতে রাখার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। (০৯ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র সার্বক্ষণিক প্রসব সেবা জোরদারকরণ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ-বিন-হাসান এর সভাপতিত্বে ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেডিকেল অফিসার প্রিয়াংকা পাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন তিলাওয়াত করেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক জালাল উদ্দিন এবং গীতাপাঠ করেন কঙ্ক সিন্দু রায়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক মো. মতিউর রহমান, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ, স্থানীয় সরকারের উপসচিব মো. শফিউল আলম, হবিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক ডা. নাসিমা খানম ইভা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান সত্যজিৎ দাশ, আশিক মিয়া, আব্দুস সাঈদ এওলা, মুহিবুর রহমান হারুন, আবু সিদ্দিক, মাসুম আহমেদ জাবেদ, নজরুল ইসলাম, জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুস সামাদ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন, সাংবাদিক মো. সরওয়ার শিকদার, সলিল বরণ দাশ, ছনি চৌধুরী, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক এনামুল হোসেন, জুয়েল আহমেদ সুলেমান চৌধুরী প্রমুখ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সমতা ও সংহতি নির্ভর সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এই-শ্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয় র‌্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইপিআই ভবনের এসে সামনে শেষ করে। পরে ইপিআই ভবনের সম্মেলন কক্ষে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন আশুতোষ দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মোঃ এমরান হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান,পরিবার পরিকল্পনার সহকারী পরিচালক ডাঃ ননী ভোষণ তালুকদার,সচেতন নাগরিক সনাকের আহবায়ক যোগেশ্বর দাশ প্রমুখ।
তাহিরপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সকাল ১১টায় র‍্যালী শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকতা ডাঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রধান সহকারী তৈয়াবুর রহমানের পরিচালনায় ভক্ত রাখেন,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম,ডাঃ মির্জা রিয়াদ হাসান,বেলায়েত হোসেন,সিনিয়র ষ্টাফ নার্স স্বপ্না রাংসা,সুমনী আক্তার,সুমী নখরেখ,কেয়ার প্রতিনিধি শেখর রায়,আজরফ হোসেন,সৌহার্দ ৩প্রজেক্ট টেকনিক্যাল অফিসর কবিতা রানী ঘোষ প্রমুখ।

ডেস্ক নিউজঃ  দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘কারাগারে নিয়মিত খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপরও বিএনপি নেতাদের অনুরোধের কারণে আবারও তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে।’

রোববার দুপুরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান। বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের সেরা চিকিৎসা হয় সরকারি হাসপাতালগুলোতে। এরপরও বিএনপির পক্ষ থেকে ইউনাইটেড হাসপাতাল ও অ্যাপোলো হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নেন চিকিৎসকেরা। এরপরও বিএনপির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। এ সময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ড শিগগির গঠন করা হবে। তবে ঠিক কবে বোর্ড গঠন করা হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ আছেন। তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে এসেছিলাম। আমরা তাকে অনুরোধ করেছি যে, দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে যেন তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। আমরা ইউনাইটেড হাসপাতাল যেটা তিনি পছন্দ করেন সেই হাসপাতালে নেওয়ার জন্য তাকে অনুরোধ করেছি।

ফখরুল বলেন, তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছেন যারা দায়িত্বে আছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও আইজি প্রিজনসহ অন্যান্যদের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিবেন। তিনি এও বলেছেন যে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যারা আছেন তাদের পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কবে ব্যবস্থা নেবেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সেটি সুনির্দিষ্টভাবে তিনি কিছু বলেননি। বলেছেন যে, আজকেই ওই সভাটা করবেন।

বিকাল ৩টা থেকে ৩টা ৫০ পর্যন্ত সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চতুর্থ তলায় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কক্ষে এই বৈঠক চলে। বৈঠকের এক পর্যায়ে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনও মন্ত্রীর কক্ষে প্রবেশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দলে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ছিলেন।

তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বিদেশে, মাহবুবুর রহমান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অসুস্থ থাকায় এবং আমীর খসরু মাহমুদ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা বিলম্বে পৌঁছানোর কারণে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।

সাংবাদিকদের সাথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথা বলার সময়ে বিএনপি খন্দকার মোশারররফ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান পাশেই ছিলেন। তবে বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলার শুনানি শেষ করতে কারাগারের ভেতরেই আদালত বসিয়ে তার বিচারের ব্যবস্থা করেছে সরকার।

গত সপ্তাহে ওই আদালতে শুনানির প্রথম দিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বিচারককে বলেন, তিনি অসুস্থ। এই অবস্থায় তার পক্ষে বার বার আদালতে আসা সম্ভব নয়। বিচারক যতদিন খুশি সাজা দিতে পারেন। কারাগারে এভাবে আদালত বসানোকে ‘সংবিধান পরিপন্থি’ আখ্যায়িত করে বিএনপি নেতারা বলছেন, তাদের ‘অসুস্থ নেত্রীকে জোর করে’ ওই আদালতে হাজির করা হয়েছে।

খালেদার অসুস্থতার কারণে এর আগে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছিল সরকার। কিন্তু পরীক্ষা করে সেই মেডিকেল বোর্ড বলেছিল, বিএনপি চেয়ারপারসনের অসুস্থতা গুরুতর নয়। মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের পরামর্শে এক্সরে করাতে গত ১৪ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে সরকারের গঠিত ওই মেডিকেল বোর্ড নিয়ে বিএনপির অনাস্থা রয়েছে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে এর আগে গত ২৭ মার্চ ও ২৩ এপ্রিল দুই দফা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করেন বিএনপি নেতারা।

নড়াইল   প্রতিনিধি: নড়াইলে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক মা’য়েদের এক উদ্ধুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার পৌর এলাকার হাটবাড়িয়া ইসলামিক মিশন আদর্শ ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সভা কক্ষে একটি বেসরকারি সংস্থা ( প্রচেষ্টা মহিলা উন্নয়ন সংস্থা ) নড়াইলের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী এতে  প্রধান অতিথি ছিলেন ।

প্রচেষ্টা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সহ-সভাপতি আঞ্জুমান আরা বেগমের সভাপতিত্বে সিভিল সার্জন ডাঃ আসাদ-উজ-জামান মুন্সি, সদর উপজেলা  স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শামীম রেজা,পৌরসভার কাউন্সিলর  মাহবুবুর রহমান,সরকারি কর্মকর্তা, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় ও হাটবাড়িয়া ইসলামিক মিশনের কর্মকর্তা,কর্মচারি, এনজিও প্রতিনিধি এবং  শতাধিক  মায়েরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 সভায় মায়েদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে কি কি করণীয় এবং শিশু স্বাস্থ্য ভাল রাখতে কি কি করণীয় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৯মে,বেনাপোল প্রতিনিধি: চিকিৎসক স্বল্পতা, যন্ত্রপাতি অপ্রতুল, অপরিচ্ছন্নতা, রোগীদের ওষুধ না দেয়া ও সরকারী ওষুধ চোরাই পথে বিক্রিসহ নানা সঙ্কটে জর্জরিত শার্শা উপজেলার একমাত্র সরকারী বুরুজবাগান (নাভারন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।
জানা যায়, শার্শার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৬২ সালে নির্মিত হাসপাতালটি এখন শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতার জায়গা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোনো সুযোগ-সুবিধাই বাড়েনি এ হাসপাতালে। লোকবল, যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সামগ্রীসহ সবকিছু এখনও পুরনো ধাঁচের। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দুইশ’ রোগীর সমাগম ঘটে। গড়ে দশ থেকে পনের জন রোগী ভর্তি হন।
তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মেডিকেল কর্মকর্তার পদ সংখ্যা ২২টি থাকলেও খাতা কলমে ৮ জন, বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩ জন। বাকিরা কেউ ছুটিতে কারো আবার ডে-অফ। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ থেকে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখানে কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। বহির্বিভাগে টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও চিকিৎসক না থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। হাসপাতালটিতে একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি প্রায় এক বছর যাবৎ নষ্ট। অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় গরিব ও অসহায় রোগীদের বাধ্য হয়ে ৩৬ কিলোমিটার দূরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার মান দিন দিন নিম্নমানের হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এখানকার রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না। জরুরি বিভাগে সাধারণ চিকিৎসা দেয়া, রোগীদের অতি নিম্নমানের খাবার ও নোংরা বিছানা পরিবেশন করা হয়। শৌচাগারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। সার্জারি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়েনি। হাসপাতালে নেই কোনো ডেন্টাল, গাইনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টায় অফিস শুরুর নিয়ম থাকলেও ডাক্তার আসেন সাড়ে ১০টায়। উপজেলার একমাত্র এ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীরা সকাল ৮টার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও ১০টার আগে বহির্বিভাগে টিকিট দেয়া হয় না। অনেক সময় টিকিট সংগ্রহ করেও চিকিৎসকের দেখা পান না রোগীরা।
আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. এনাম উদ্দিন বলেন, জরুরি বিভাগে আমার কোনো ডিউটি করার কথা ছিল না। আসলে জরুরি বিভাগে কোনো মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম নেই। আমরা যেটুকু করি তা অনুরোধক্রমে। সেখানে শুধু মাত্র একজন সহকারী মেডিকেল কর্মকর্তার ডিউটি করার নিয়ম আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অশোক কুমার সাহা জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় খাতা-কলমে উন্নীত হলেও কোনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। পর্যাপ্ত ডাক্তার ও জনবলের অভাবে আমরা জনগণকে তাদের চাহিদামত সেবা দিতে পারছি না বলে জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৬এপ্রিল,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:    কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার অভাবে শুক্রবার বিকালে ইসলামপুর ইউনিয়নের মুজিব আলীর ৪ মাসের বয়সের মেয়ে মিম এর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্বা¦াসকষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার সে ভর্তি হয়েছিল।

শিশু মিমের মা মিরজান বেগম শুক্রবার সন্ধ্যায় এ প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ করে বলেন, শিশুটি শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের গুলের হাওর গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছিল। ভর্তির পর রাতেও কোন চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার সকালে শিশুটিকে একটি ইনজেকশন প্রয়োগ করার পর অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিচ তলার জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রশান্ত পালের কাছে এসে কাকুতি মিনতি করেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে শিশুটিকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুরোধ করলেও তাকে স্থানাšতর করা হয়নি।

অবশেষে শুক্রবার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে জরুরী বিভাগেই শিশু মিম মারা যায়। শিশুর মা মিরজান বেগম আরও বলেন, চিকিৎসকরা সঠিকভাবে সেবা দিলে হয়ত সে মারা যেত না। তাছাড়া মৃত্যুর পর লাশ তার কাছে দিলেও এ মৃত্যুর জন্য অভিযোগ দিয়ে লাশ নিয়ে ফিরবেন বলে দায়িত্বশীল একজন চিকিৎসকের অপেক্ষায় বসে রইলেন।

শুক্রবার সকালে একটি ইনজেকশন প্রয়োগের পর এ শিশুটির অবস্থা অবনতি হলে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে গিয়ে উপস্থিত চিকিৎসকের কাছ থেকে কোন সেবা না পেয়ে চিকিৎসার অবহেলায় বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে শিশুটি মারা যায় বলে তার মা অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে চিকিৎসক প্রশান্ত পাল বলেন, শিশুটি শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে বৃহস্পতিবার রাতে ভর্তি হলেও শুক্রবার সকালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: সাজেদুল কবির তাকে দেখেছেন। বেলা ২টায় শিশুটিকে মুমূর্ষূ অবস্থায় জরুরী বিভাগে নিয়ে আসার ৫ মিনিটের মধ্যে সে মারা যায়। এখানে তার(ডা: প্রশান্তের) করার কিছু নেই।

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: সাজেদুল কবির শিশুর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। সকালে শিশুটিকে দেখে একজন শিশু বিশেষজ্ঞকে দেখানোর জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ ইয়াহিয়া ছুটির কারণে মৌলভীবাজার জেলা সদরে নিজ বাসায় অবস্থানকালে মুঠোফোনে বলেন, এত বড় একটি ঘটনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে কেউ জানায়নি। তিনি খোঁজ নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান।

আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফাইন্যাল খেলা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০মার্চ,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:   স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বকারী মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন আলোকিত হয়ে গেছে। সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করছে। সেই ধারাবাহিতকায় অচিরেই মৌলভীবাজার জেলায় একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। চা শ্রমিকদের যক্ষা রোগ নিরাময়সহ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আলাদা হাসপাতাল তৈরী করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আর সেই খেলায় রেফারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগ খালি মাঠে নির্বাচন করতে চায় না। সাহস থাকলে বিএনপি নির্বাচনে আসেন। দেশে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা শেষ হয়ে গেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৯ সালের একদিন আগেও দেশে নির্বাচন হবে না। আর সাংবিধানিকভাবে শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কমলগঞ্জে ডাক্তার নার্স দেয়া হবে।

শনিবার বিকেলে কমলগঞ্জে ৩১ থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন শেষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি) কর্তৃক বাস্তবায়নে ৮ কোটি ৩২ লক্ষ ৬ হাজার ৭০১ টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন নির্মিত হয়।

উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সাবেক চিফ হুইপ ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি’র সভাপতিত্বে ও রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল ও মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ তারানা জেবিন রূপার যৌথ স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: আব্দুল মতিন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর একান্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান (যুগ্ম সচিব), সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (যুগ্ম সচিব), চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম বদরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা: এহতেশানুল হক চৌধুরী, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগ এর নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম হাসানুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগ এর পরিচালক ডা: নারায়ন চন্দ্র সাহা।

তাছাড়া মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নেছার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিসবাউর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম, মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা: সত্যকাম চক্রবর্তী। মানপত্র পাঠ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইয়াহহিয়া।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি হেলিকপ্টারযোগে শনিবার বেলা দেড়টায় কমলগঞ্জে এসে পৌঁছেন। বেলা ২টায় ফিতা কেটে নবনির্মিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন।

২০১৫ সালের ২ মে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করণের ভিত্তির প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc