Saturday 24th of October 2020 03:20:28 AM

আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার:  সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, গণমানুষের প্রিয় নেতা সৈয়দ মহসিন আলীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।
৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দূপুর সাড়ে ১২ টায় সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র:) মাজার প্রাঙ্গণে সৈয়দ মহসীন আলীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সৈয়দ মহসীন আলী ফাইন্ডেশন, পরিবারে সদস্য, জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ওই সময় দরগাহ মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় কুরআন খতম,মিলাদ (দঃ) মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ (দঃ) মাহফিল শেষে গরীব ও এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন মসজিদেও দোয়া, মিলাদ ও শিরনি বিতরণ করেন তাঁর অনুসারীরা।
এ বছর মৌলভীবাজার শহরের বেরীপাড়স্থ দর্জীমহলের বাড়িতে কোভিড-১৯ এর কারনে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। সব কর্মসূচীই পালিত হবে সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র:) মাজার প্রাঙ্গণে।
উল্লেখ্য সৈয়দ মহসীন আলী মৌলভীবাজার-৩ আসনে সংসদ সদস্য এবং মৌলভীবাজার পৌরসভায় পরপর ৩ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সুনামগঞ্জে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের উদ্যোগে সীমিত পরিসরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের সূচনা হয়।
উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদমিনারে পুস্পস্থবক অর্পন অর্পন করেন,তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন,উপজেলা পরিষদ,থানা পুলিশ,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। সকল সরকারি আধাসরকারি,স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্দু চৌধুরী বাবুল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী।
এ সময় পাশে উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান।

পরে সকাল ৯টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের ফুল ও উপহার প্রদান করা হয়।

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে মহান স্বাধীনতা জাতীয় দিবস পালিত। করোনা ভাইরাসের কারণে সংক্ষিপ্ত পরিসরে দিবসটি পালিত হয়েছে। সকাল ৮টায় শহরের বঙ্গবন্ধু মঞ্চে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।

এসময় জেলা প্ররিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ^াস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবীর টুকু, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জিন্নাহসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানদেশ, জাতি শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল সরকারিবেসরকারি সকল ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,মসজিদ, মন্দির গীর্জায় বিশেষ মোনাজাত, হাসপাতাল, শিশুসদন এতিমখানায় পরিবেশিত হয় উন্নতমানের খাবার।

ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের কাউন্সিল অধিবেশনে নঈমুল ইসলাম

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ নঈমুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতার পালাবদলে নানাভাবে আমাদের ইতিহাস বিকৃত হয়েছে। স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের আপামর জনগণের ভূমিকার পাশাপাশি অন্যান্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কী ভূমিকা রেখেছিলেন তার সঠিক ইতিহাস আমাদের শিক্ষার্থীদের জানতে হবে। তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার সংগ্রামে যারা বিরোধীতা করেছিল তাদের উত্তরসুরীরাই আজ জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্ট। জঙ্গিবাদের উদ্ভব হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। এর আগেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিবাদের উদ্ভব ঘটেছে। শুধুমাত্র প্রশাসন দিয়ে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়।

এজন্য প্রয়োজন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জাগরণ। সাংস্কৃতিক অবক্ষয় রোধ করতে হবে। বাঙালি জাতির প্রকৃত সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানসিক ও বাস্তবিক উন্নয়ন ঘটানোর আহবান জানান তিনি। ২৯ মার্চ বিকালে চেরাগী পাহাড়স্থ সুপ্রভাত স্টুডিও হলে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের উদ্যোগে কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সহ-সভাপতি ফজলুল করিম তালুকদার, জায়নুল আলম, শফিউল আলম, মাওলানা সোহাইল উদ্দীন আনসারী, যুবনেতা মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন, হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী, নুরুল্লাহ রায়হান খান, ফরিদুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সহ সভাপতি ছাত্রনেতা নিজামুল করিম সুজন। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম কাদেরী।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের স ালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ শিহাব উদ্দীন, মুহাম্মদ এহসান, মুহাম্মদ কাউসার খাঁন, মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন কাদেরী, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ আদনান তাহসিন আলমদার, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, মুহাম্মদ বাবর আলী, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মাহমুদুল হাসান, আবু সায়েম মুহাম্মদ কায়ুম, মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন রায়হান, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দিন, মুহাম্মদ এইচ এম আরমান, কাজী মুহাম্মদ আরাফাত, মুহাম্মদ ইফতেখারুল আলম হাফেজ মুহাম্মদ আতিকুল্লাহ, মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ, মুহাম্মদ বেলাল রেযা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম জ্ঞান ও আদর্শ নির্ভর রাজনীতি চর্চার আহবান জানিয়ে বলেন, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্রসংগঠনের কর্মিদের দক্ষ ও যোগ্য হবার কোন বিকল্প নেই। তিনি নৈতিক অবক্ষয় থেকে ছাত্রসমাজকে রক্ষায় ছাত্রসেনার নেতাকর্মিদের আদর্শিক কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। প্রধান বক্তা নিজামুল করিম সুজন বলেন, ছাত্রসেনা দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল ধারা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। সভাপতির বক্তব্যে মাছুমুর রশিদ বলেন, সমাজ ও দেশের কল্যাণে ছাত্রসেনার কর্মিরা নিবেদিত।

দেশকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের থাবা থেকে রক্ষায় ছাত্রসেনা আদর্শিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সরকারী চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবি ও বিভাগীয় শহরগুলোতে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানান। কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফাকে সভাপতি, মুহাম্মদ এরশাদুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক, শাহাদাৎ হোসাইনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন কাদেরীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

বিক্রমজিত বর্ধন,নিজস্ব প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিপন্ন ১১টি বন্যপ্রাণীকে অবমুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আমতলী নামক স্থানে ৩টি অজগর সাপ, ১টি মেছো বাঘ, ১টি বন বিড়াল, ১টি গন্ধ গোকুল, ১টি তক্ষক, ২টি সরালি হাঁস, ২টি বেগুনী কালিম পাখি অবমুক্ত করা হয়। প্রাণীগুলো অবমুক্তকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রাণীগুলো অবমুক্ত করেন বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. জোবায়ের হাসনাৎ পিএসসি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৬ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আরিফুল হক, মৌলভীবাজার সহকারী বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) মো. আনিসুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বকর সিদ্দিক, লাউয়াছড়া বিট অফিসার আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব, পরিচালক সজল দেব, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, বৃহত্তর আদিবাসী ফোরামের মহাসচিব ফিলা পত্মি প্রমুখ।

এসময় লাউয়াছড়ায় একটি বটবৃক্ষের চারা রোপন করেন অতিথিরা।
বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, অবমুক্ত করা প্রাণীগুলো বিভিন্ন সময় এই অ লের লোকালয়ে মানুষের হাতে ধরা পড়ে। আমরা এগুলোকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সুস্থ করে আবার তার আবস্থলে অবমুক্ত করেছি। প্রতিবছরই আমরা স্বাধীনতা দিবসে বন্যপ্রাণীদের স্বাধীন জীবনে ফিরিয়ে দেই।

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নবগঠিত “স্বাধীনতা অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন”

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আঃ হামিদ খানের নেতৃত্বে তারা এই শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আশরাফ, সহ-সভাপতি এইচ, এম জিল্লুর রহমান, এ, কে, এম মফিজুল ইসলাম, মোখলেছুর রহমান এবং সেলিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মরিয়ম আক্তার, ফেরদৌসী বেগম এবং মনসুরুল আলম, অর্থ সম্পাদক মোঃ আতিকুজ্জামান খান, জনাব হৃষিকেশ দাস, সদস্য মোঃ এমদাদুল হক,  কে, এম জাহিদ হোসেন এবং সদস্য অশোক কুমার সাহা, আতাউর রহমান, চায়না ব্যানার্জি, আতিকুর রহমান, মোঃ হামিদুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, মোঃ আবুল বাশার, খন্দকার রওনাকুল ইসলাম, গাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, নূর মোহাম্মদ, ফজলুল হক, সুকুমার চন্দ্র শীল অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে বিভিন্ন  কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আত্রাই উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাত্রি ১২.০১মিনিটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ছানাউল ইসলাম পুর্স্প স্তবক অর্পন করে। এরপর আত্রাই উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আত্রাই থানা পুলিশ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, থানা বিএনপি, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক সংগঠন পুস্প স্তবক অর্পন করে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা ফুটবল মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন মধ্যে দিয়ে দিনের বিভিন্ন কর্মসূচী শুরু হয়। আত্রাই থানা পুলিশ, আনসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সবাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও শারীর চর্চার প্রদর্শন করা হয়। পওে বেলা ১২টার দিকে উপজেলা অডিটোরিয়াম হল রুমে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ছানাউল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি ওহিদুর রহমান। অন্যন্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো:এবাদুর রহমান, আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোবারক হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, আত্রাই থানা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো:আখতারুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সাধারণ সস্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল প্রমূখ।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের জালালিয়া রোডস্থ শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৯ যথাযোগ্য পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলে ‘লাল-সবুজের পতাকা আমাদের গৌরব শীর্ষক’ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলের প্রিন্সিপাল এহসান বিন মুজাহিরের সভাপতিত্বে এবং ভাইস প্রিন্সিপাল  মোঃ শামীম মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি, শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ইসমাইল মাহমুদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলের সহকারী শিক্ষক আশিকুর রহমান চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাদিকুর রহমান, শারমিন জান্নাত, রেশমী আক্তার, কোহিনুর আক্তার শারমিন এবং  পিংকি  গোয়ালা।

অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী খেলাধূলায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে সৃর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এরপর শিল্পকলা একাডেমী চত্ত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে, আদালত সংলগ্ন বধ্যভূমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের গণকবর, পুরাতন বাস টার্মিনালে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালে পুস্ফমাল্য অর্পন,মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, জেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামীলীগ, নড়াইল পৌরসভা,নড়াইল প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
এরপর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ষ্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, একযোগে সারাদেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জেলা পর্যায়ের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ পুলিশ বিভাগ, আনসার বাহিনীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করে।
এসব অনুষ্ঠানে নড়াইলের জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস,সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হচ্ছে।।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মিনহাজ তানভীরঃ আজ ২৬ মার্চ, আজ বাংলাদেশের ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস। এ জাতীয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দেশের প্রতি ভালোবাসা জানাচ্ছেন সব শ্রেণি পেশার মানুষ।মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরেও  মহাসমারোহে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য  দিয়ে দিনটি উদযাপিত হচ্ছে।

এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব, বিশেষ অতিথি ভুমি কর্মকর্তা শাহাদুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ জোনের সার্কেল এসপি আশরাফুজ্জামান আশিক,ওসি কে এম নজরুল ইসলাম।

এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক  নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় শিক্ষকবৃন্দ,গণ্যমান্যগন এবং বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা,রাজনৈতিক  নেতৃবৃন্দ,স্থানীয় শিক্ষকবৃন্দ,গণ্যমান্যসহ উপস্থিতগন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়,১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধেঅংশগ্রহণের ডাক দেন। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) নিরীহ জনগণের উপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়, অনেক স্থানে নারীদের উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ড চালানো হয়। এমতাবস্থায় বাঙালিদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয় এবং অনেক স্থানেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরবর্তিতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানী জান্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

অপারেশন সার্চলাইট ১৯৭১সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মধ্যমে তারা ১৯৭১ এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানী শাষকদের আদেশে পরিচালিত,যা ১৯৭০ এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ্‌ এর পরবর্তি অনুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ এর মধ্যে সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্য রাতে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। কথিত আছে, গ্রেপ্তার হবার একটু আগে ২৫শে মার্চ রাত ১২টার পর (অর্থাৎ, ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন যা চট্টগ্রামে অবস্থিত তত্কালীন ই.পি.আর এর ট্রান্সমিটারে করে প্রচার করার জন্য পাঠানো হয়। ঘোষণাটি নিম্নরুপ: অনুবাদ: এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উত্খাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।

২৬শে মার্চ বেলাল মোহাম্মদ, আবুল কাসেম সহ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের কয়েক’জন কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ.হান্নান প্রথম শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি মাইকিং করে প্রচার করেন। পরে ২৭শে মার্চ, পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসার মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ঘোষণাপত্রটির ভাষ্য নিম্নরুপ: অনুবাদ: আমি,মেজর জিয়া, বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির প্রাদেশিক কমাণ্ডার-ইন-চিফ, শেখ মুজিবর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।

আমি আরো ঘোষণা করছি যে, আমরা শেখ মুজিবর রহমানের অধীনে একটি সার্বভৌম ও আইনসিদ্ধ সরকার গঠন করেছি যা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের সরকার জোট-নিরপেক্ষ নীতি মেনে চলতে বদ্ধপরিকর। এ রাষ্ট্র সকল জাতির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং বিশ্বশান্তির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। আমি সকল দেশের সরকারকে তাদের নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের নৃশংস গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

শেখ মুজিবর রহমানের সরকার একটি সার্বভৌম ও আইনসম্মত সরকার এৰং বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাবার দাবিদার।

১৯৭১ সালে ২৭ মার্চের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে যা নয় মাস স্থায়ী হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বেশ বর্ণাঢ্য ভাবে উদযাপন করা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উদযাপন শুরু হয়। ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়।সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন রঙের পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। জাতীয় স্টেডিয়ামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়।

এই দিনটিতে সরকারি ছুটি থাকে।পত্রিকাগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র বের করে। বেতার ও টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এমসি কলেজ শাখার উদ্যোগে আজ ২৩ মার্চ’১৯ দুপুর ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে দেয়াল পত্রিকা “সংশপ্তক” উদ্বোধন করা হয়। এম.সি কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের লিখা প্রকাশিত “সংশপ্তক’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। সংগঠন এম.সি কলেজে শাখার সংগঠক আকরাম হোসেনের স ালনায় দেয়াল পত্রিকা প্রকাশের পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচনা করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র প্রন্ট সিলেট নগর শাখার সভাপতি সঞ্জয় কান্ত দাস,কলেজ শাখার আহ্বায়ক সাদিয়া নোশিন তাসনিম,সাধারন সম্পাদক আল আমিন,পিংকি চন্দ,সুমিত কান্তি দাস প্রমুখ। আলোচনা শেষে দেয়াল পত্রিকার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংগঠন নগর শাকার সভাপতি সঞ্জয় কান্ত দাস।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, যে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছি, আজও স্বাধীনতার সেই চেতনা বাস্তবায়ন হয়নি। দেশের সর্বত্র পাহাড় প্রমাণ বৈষম্য, কোথাও জীবনের নিরাপত্তা নেই। কর্মক্ষম যুব শক্তি বেকার,চাকরি নেই। শিক্ষাঙ্গনে চলছে একই অবস্থা,টাকা যার শিক্ষা তার এই নীতির বাস্তবায়ন চলছে। ক্যাম্পাসগুলোতে চলছে সন্ত্রাস দখলদারিত্ব। এম.সি কলেজসহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গত ২৮ বছর ধরে বন্ধ আছে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। ফলে মত প্রকাশ,গ্রহণ বর্জনের পরিবেশ নেই অর্থাৎ একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। যা প্রকারান্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী। ফলে ছাত্রদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত চেতনা ছড়িয়ে দিতে, একদল সৃজনশীল মানুষ তৈরি করতে আমাদের এই আয়োজন। প্রেস বার্তা

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় এজেলার সবচেয়ে বৃহৎ ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে। “অমিয় ভাষণ-স্বাধীনতা” নামের এই ম্যুরালটি গত ৩১ মে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ও অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের উল্লাসের চিত্র নিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের বাহিরের একটি দেয়ালে ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে। ১৮ফুট উচ্চতা ও ১৫ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট দেয়াল চিত্রের নীচে ভূমি সমান্তরালে তৈরী করা হয়েছে একটি স্তম্ভ লাগানো হয়েছে ফুলের গাছ। এর নির্মাণ শৈলী ও অন্তর্নিহিত ভাব মিলে চেতনা উদ্রেকের পাশাপাশি সৌন্দর্য্য অবলোকনের একটি স্থান হয়েছে। ম্যুরালের সামনে অদূরে গাছের নীচে তৈরী করা হয়েছে একটি বেঞ্চ। যেখানে বসে যে কেউ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমের পরিকল্পনায় ও উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে নির্মিত ম্যুরালটি সিলেট জেলার সর্ববৃহৎ ম্যুরাল বলে জানা যায়। উদ্বোধনের পর হতে প্রতিদিন দর্শনার্থী এই ম্যুরালটি দেখতে আসছেন। তরুণ, বৃদ্ধ সকলেই ম্যুরালের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।

ম্যুরালটি নির্মাণের উদ্দেশ্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান জাতির পিতা শেখ মুজিব হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী। তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দিক নির্দেশনা ও প্রেরণা। আর স্বাধীনতা হচ্ছে বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই বিষয় গুলোকে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই ম্যুরালটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছি। তিনি আর বলেন জৈন্তাপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরার জন্য ভাষ্কর্য্য কিংবা ম্যুরাল নেই সেই দায় বদ্ধতা হতে এই ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে।

ম্যুরালটি উদ্বোধনের পর জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক কমান্ডার সিরাজুল হক তা দেখতে এসেছিলেন। তিনি জানান জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। তাঁর এই চিত্রটি তুলে ধরায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মের এই অফিসার ইতোমধ্যে জৈন্তাপুরের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ব্যতিক্রমধর্মী সম্মাননা দিয়েছেন। এবার এই ম্যুরালটি নির্মাণ করে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধ কে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরলেন। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সাথে তিনি প্রতিবেদকে আরও জানান আমরা আর বেশি দিন বেঁচে থাকব না, চলে যাব না ফেরার দেশ। আমার অনেক সহ যোদ্ধারাও পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে৷ বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলায় স্বাধীনতা বিরুদীদের প্রজন্মরা মাথা ছাড়া দিচ্ছে। সুযোগে তারা আওয়ামীলীগে ঢুকে পড়েছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রনে সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী নতুন প্রজন্মের কাছে উপজেলার স্বাধীনতা বিরুদী আল-বদর, রাজাকার, আল-সামস ও শান্তি কমিটির সদস্যদের পরিবারের পরিচয় তুলে ধরা অত্যান্ত জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রজন্মরাও জানতে পারবে এ উপজেলায় আমাদের স্বাধীনতা বিরুধী কারা৷ তিনি সরকারে উচ্চ মহলের কাছে বিষয়টি নজরে আমার আহবান জানান।

ম্যুরালের সামনে ছবি তুলতে আসা নতুন প্রজন্মের এক প্রতিনিধি জৈন্তিয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্র প্রণব দাস, জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজের ছাত্র আফজল হোসেন শাহীন বলেন- আমরা বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার ইতিহাস পড়েছি, এই চিত্রটির সামনে দাড়িয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এটা দেখলে মনের মধ্যে একটি চেতনা জাগ্রত হয়। ধন্যবাদ জানাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমকে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মার্চ,মিজানুর রহমান দাম্মাম সৌদি আরব থেকেঃ যথাযোগ্য মর্যাদায় দাম্মাম বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি দাম্মামের সভাপতি মোঃ আইয়ূব আলী খাঁনের সভাপতিত্বে সাধারন সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক ও খালেদ হাসান টিটুর মনোমুগ্ধকর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সুদুর বাংলাদেশ থেকে আগত মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মিয়াজ উদ্দিন খাঁন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সৌদিআরবে নিযুক্ত লেবার কাউন্সিল দুতাবাস কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার আলম,প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মইন আহমদ, উপস্হিত থেকে বক্তব্য রাখেন আবকিক বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহ আলম ভুইয়া, প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল মজিদ খান, আলী হোসেন , মোমেন আলী, সুমন আহমদ,বাবুল সর্দার,হাসান মাতব্বর,গবিন্দ সরকার,হান্নান বেগ,বোরজ শেখ সহ দাম্মামের বিভিন্ন ইউনিট কমিটি থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।

বক্তাগন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও ক্ষমতায় বসানোর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সভা শেষে রাতের নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮মার্চ,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব থেকেঃ  সৌদি আরবের রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে মিল রেখে জাতীয় সংগীত গেয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রবাস জীবনের নানা ব্যস্ততার পরও স্থানীয় অভিবাসী বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

এরপর দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ। দূতাবাসের সব কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ শুরুতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল বীর শহীদদের। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সেদিন সারা দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
জাতির পিতার নেতৃত্বে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রবহানির বিনিময়ে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল আমাদের মহান স্বাধীনতা। গোলাম মসীহ বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রথম ধাপ অতিক্রম করেছে এবং উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা অংশগ্রহণ করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রথম ধাপ অতিক্রম করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮মার্চ,আবু তাহির ,ফ্রান্সঃ  প্যারিসের গার্দ নর্দে জাতীয় পার্টি ফ্রান্স শাখার আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিপুল সংখ্যক জাতীয়পার্টি নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সোমবার বিকালে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টি ফ্রান্স শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য একে এম আলমগীর। সভা সঞ্চালনা করেন জাতীয় পার্টি ফ্রান্স শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুব সংহতি এর সদস্য হাবিব খান ইসমাইল।

এসময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রধান উপদেষ্টা ইব্রাহিম খলিল ,সাবেক ছাত্রনেতা ও জাতীয় পার্টি ফ্রান্স শাখার উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির চৌধুরী ,উর্মি হাজারী ,সহসভাপতি জসিম হোসেন ওমর , খান বাবুল ইসলাম বাহার , ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দাউদ খান ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সরকার ,সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তালুকদার ,প্রচার সম্পাদক মুহিনুর রেজা চৌধুরী ,যুবনেতা হাবিব উল্লাহ , খান আলম,মিজানুর রহমান ,সাহেল আহমদ চৌধুরী সহ জাতীয় পার্টি নেতারা।

এসময় আলোচনায় বক্তারা বলেন বিএনপি ও আওয়ামীলীগ এর হিংসাত্মক রাজনীতি বাংলাদেশের জনসাধারণ দেখেছে।পল্লীবন্ধু এরশাদের উন্নয়নের কাছাকাছি এখনো বিগত সরকারগুলি যেতে পারেনাই। বিএনপি ও আওয়ামীলীগ জনগণের মানসিকতার বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে পল্লীবন্ধুর হাতকে শক্তিশালী করে দেশের ক্ষমতায় আনতে হবে।পরে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের মাগফেরাত কামনা ওরে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc