Tuesday 1st of December 2020 09:37:38 PM

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল কাস্টমসের লকার ভেঙ্গে ১৯ কেজি ৩শ’ ৭৫ গ্রাম স্বর্ণ চুরির রহস্যের কুলকিনারা হয়নি। দীর্ঘ ১০ মাস পার হলেও এখনো পর্যন্ত চুরি হওয়া স্বর্ণগুলো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ ঘটনায় আজিবর ও শাকিল নামে দুই জনকে আটক করেছে যশোর সিআইডি পুলিশ। এ দিকে কাস্টমসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দফতরে এখনো বহিরাগতদের দাপট থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারো প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে থেকে এ স্বর্ণ চুরির ঘটনায় একেবারে সরকারী নিম্ন শ্রেনীর কর্মচারী বরখাস্থ ও এনজিও কর্মী একজন এবং একজন বহিরাগতকে জেল হাজাতে পাঠালেও রাঘব বোয়ালরা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। অপরদিকে কাস্টমস কমিশনার বেলাল হুসাইন চৌধুরীর আমলে এই স্বর্ণ চুরি হলেও তিনি সম্প্রতি বদলী হয়েছেন। স্বর্ণ চুরির কোন কুল কিনারা তিনি থাকতে যখন রহস্য উন্মোচিত হয়নি। তখন আর কি হবে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
তবে একটি সুত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই লকারে যারা আগে দায়িত্ব ছিল তাদের ও জিজ্ঞাসাবাদের আওয়াতায় আনলে সব বের হয়ে যাবে। এর মধ্যে বিশ্বনাথ কুন্ডুকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে।
বিষয় নিয়ে সাবেক এআরও বিশ্বনাথ কুন্ডুর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বেনাপোল থাকা কালে আমার পর আরোও তিনজন ওই লকারের দায়িত্ব পালন করেন। আর আমি নিয়ম অনুযায়ী বুঝিয়ে দিয়েছি। ওই লকারের দায়িত্বে আমি ১৯/০৯/১৭ থেকে ১৬/০৯/১৮ তারিখ পর্যন্ত ছিলাম। এরপর আমি এ আরও মোঃ ওয়ালি উল্লাহকে দায়িত্ব বুঝে দিয়ে ১৩/০১/১৯ তারিখে কাগজপত্র বুঝে নেই। এই ধারাবাহিকতায় পর পর তিনজন এ আরও ওখান থেকে বদলী হয় আমি বেনাপোল থাকা কালে। এরপর আমি বেনাপোল থেকে বদলী হয়ে ঢাকা চলে আসলে শুনেছি সেখানে সাহবুর সরদার নামে একজন এআরও দায়িত্ব পালন কালে এ চুরি সংঘটিত হয়েছে। এর দায় আমার নয়।
জানা যায়, বেনাপোল বন্দরে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে জব্দ করা স্বর্ণসহ মূল্যবান সম্পদ জমা রাখা হয় কাস্টমস হাউজের লকারে। গত ৯ নভেম্বর লকার থেকে চুরি হয় ১৯ কেজি ৩ শ’ ৭৫ গ্রাম স্বর্ণ। তবে লকারে থাকা আরো স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য সম্পদ অক্ষত অবস্থায় ছিল।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এখন তথ্য-প্রযুক্তির সময় প্রশাসন যদি আন্তরিক হয়ে কাজ করে চোর ধরা কোনো কঠিন কাজ হবে না।
বেনাপোলের ব্যবসায়ীরা বলেন, কাস্টমসে অবৈধ প্রবেশ রোধ করতে হবে। প্রয়োজনে রেজিস্টার ও ফিঙ্গার প্রিন্ট সিস্টেম চালু করা যেতে পারে। কাস্টমসের অবহেলার কারণে সরকারের এ সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।
নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে সরকারের এত বড় সম্পদ এভাবে রাখা উচিত নয়। মূল অপরাধীদের ধরতে না পারলে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে আরো বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার নেয়ামুল ইসলাম বলেন, স্বর্ণ চুরির ঘটনা কাস্টমসের সব অর্জনকে যেন অম্লান করে দিয়েছে। চোরকে দ্রুত ধরা দরকার যেন আর কেউ ভবিষ্যতে সরকারের কোনো সম্পদ চুরি করতে সাহস না পায়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, এখন পর্যন্ত চুরি হওয়ার স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে মামলাটি পোর্ট থানা থেকে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন তারা বিষয়টি দেখছে।
এ বিষয় যশোর সিআইডি ইন্সপেক্টর জাকির হোসেন বলেন, ওই মামলায় দুইজন আটক হয়েছে। তারা জেল হাজতে রয়েছে। আমি বদলী হয়েছি অন্য ইন্সপেক্টর এর কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত মালপত্রের স্তূপ থেকে ৬৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে কার্গো ভিলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণ জব্দ করা হয়। এর সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি। চোরাই পথে আসা এ স্বর্ণের দাম ৩২ কোটি টাকা।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, কার্গো ভিলেজ এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। কাচের ফ্রেমে বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল এসব স্বর্ণ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তা উদ্ধার করা হয়। সিঙ্গাপুর থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-০৮৫ নম্বর ফ্লাইটে ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর দুই চালানে এসব স্বর্ণ ঢাকায় আসে। তল্লাশি করে ৬৪০টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেছে। প্রতিটি বারের ওজন ১০০ গ্রামের মতো।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া জানান, স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এর পেছনে কারা রয়েছে তা তদন্ত করে বের করা হবে।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : ভারতে পাচার কালে বেনাপোল সীমান্ত থেকে পৃথক অভিযানে ১৬ পিস স্বর্ণের বারসহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বেনাপোল সীমান্ত থেকে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিজিবি তাদেরকে আটক করে।
আটকৃতরা হলো, যশোর আরএন রোড এলাকার মনির উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৫), বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের রমজান আলীর স্ত্রী মনিরা খাতুন (৪৫), বেনাপোল পোর্ট থানার ৩ নং ঘিবা গ্রামের নরেন বিশ্বাসের ছেলে শ্রী দিলীপ বিশ্বাস (৩৬)।
আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্টের হাবিলদার শফিউদ্দীন জানান, গোপন খবরে জানা যায়, বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে স্বর্ণের একটি চালান পাচার হবে। পরে বিজিবি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করে। এসময় যশোর থেকে বেনাপোলে মাহেন্দ্র যোগে বেনাপোল সীমান্তে আসার সময় আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্ট থেকে রবিউলকে আটক করা হয়। পরে তার শরীর তল্লাশী করে প্যান্টের বেল্টের মধ্যে অভিনব কায়দায় রাখা ৮ পিস (ওজন ৭৮৫ গ্রাম)
 স্বর্ণেরবার উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, ২১ ব্যাটালিয়ন বিজিবির দৌলতপুর ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মশিয়ার রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে, দৌলতপুর সীমান্তের গরুর খাটালের সামনে থেকে মনিরাকে আটক করা হয়। পরে তার শরীর তল্লাশী করে ৬ (ওজন ৭শ” গ্রাম) পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, ঘিবা বিজিবি ক্যাম্পের ইনচার্জ হাবিলদার ওবাইদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদে জানতে পেরে, বেনাপোল ঘিবা সীমান্তের মাঠের মধ্যে থেকে ২ পিস (ওজন ২ কেজি) স্বর্ণের বারসহ দিলীপকে আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারের ওজন ৩ কেজি ৪শ” ৮৫ গ্রাম।
আটক আসামিদের বিরুদ্ধে স্বর্ণ পাচার আইনে  মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এম ওসমান,বেনাপোলঃ ভারতে পাচারকালে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের এক কেজি ওজনের একটি স্বর্ণেরবারসহ কামাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকালে বেনাপোল পোর্ট থানার গাতিপাড়া সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক কামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর গ্রামের নওশের আলীর ছেলে। সে একজন ইজিবাইক চালক।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যশোর-৪৯ ব্যাটালিয়নের বেনাপোল ক্যাম্পের সুবেদার আব্দুল মালেক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল দৌলতপুর সড়কের গাতিপাড়া নামক চেকপোস্ট থেকে ইজিবাইক চালক কামালকে আটক করা হয়।

পরে তার ইজিবাইকের ক্যাশবক্সের মধ্যে পুরাতন কাপড় দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় রাখা এক কেজি ওজনের স্বর্ণের বারসহ তাকে আটক করা হয়। সে এই স্বর্ণ বেনাপোল বাজার থেকে দৌলতপুর সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্য নিয়ে যাচ্ছিল। উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ও ইজিবাইকের মুল্য ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে তিনি জানান।

তবে স্বর্ণের প্রকৃত মালিক কে তা জানা যায়নি। আটককৃত আসামি কামালকে স্বর্ণসহ বেনাপোল পোর্ট থানার হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এম ওসমান : যশোরের শার্শায় পাচার করার সময় আটককৃত ৮পিচ স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে ২ এএসআইসহ ৩পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বিকালে উপজেলার জামতলা বাজারে। গ্রেফতারকৃত পুলিশ সদস্যরা হচ্ছে, শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই তবিবুর রহমান, এএসআই রঞ্জন কুমার মৈত্র ও কনস্টেবল তুসার সরকার।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ১৯ মে রবিবার বিকালে চোরাচালানীরা পাচারের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তে যাওয়ার পথে শার্শা উপজেলার জামতলা বাজারের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে ৮পিচ স্বর্ণের বারসহ দুইজনকে আটক করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা। পরে অবৈধ দেন দরবারের পর স্বর্ণগুলি রেখে পাচার কারীদের ছেড়ে দেয়। উদ্ধার কৃত স্বর্ণগুলি থানায় জমা না দিয়ে ঐ পুলিশ সদস্যরা নিজেরাই আত্মসাত করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ২০ মে সোমরার শার্শা থানার পুলিশ স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই তবিবুর রহমান, এএসআই রঞ্জন কুমার মৈত্র ও কনস্টেবল তুসার সরকারকে গ্রেফতার করে। রাতেই গ্রেফতারকৃদের বিরুদ্ধে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়। মামলা নং-২৫। এবং মঙ্গলবার সকালে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্বর্ণ পাচার কারীদের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা হয়েছে। যার নং-২৬।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) শেখ তাসমিম আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পাচার করার সময় আটককৃত ৮পিচ স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে ২ এএসআইসহ ৩পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৩মে,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে অঞ্জলী জুয়েলার্সে চুরির প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের লক্ষে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির আত্রাই শাখার উদ্যোগে উপজেলা সমিতির হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, উপজেলা সদরে সাহেবগঞ্জ বাজারে অবস্থিত শ্রী ময়না কর্মকারের অঞ্জলী জুয়েলার্সে গত ১৬ মে রাত্রিতে সিঁদ কেটে দোকানের ২৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার গহনা চুরি হয়েছে এ মর্মে শ্রী ময়না কর্মকার থানায় একটি অভিযোগ করেন। অভিযাগের প্রেক্ষিতে আত্রাই থানা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জিজ্ঞাসা ও তল্লাশীর মাধ্যমে উক্ত দোকানের কর্মচারি শ্রী নয়ন কুমার পালের বাড়ীতে থেকে কিছু সোনার গহনার প্যাকেট উদ্ধারসহ শ্রী নয়ন কুমারকে আটক করে তাকে গত ১৮ মে তারিখে কোটে চালান করে। এদিকে অভিযোগকারী শ্রী ময়না কর্মকার জব্দকৃত মালামাল তার নয় বলে দাবি করেছে এবং আটককৃত শ্রী নয়ন কুমার পালকে তিনি চোর হিসাবে সন্দেহ করে নাই বলেও জানান।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, চুরির প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন না হলে, এভাবে চলতে থাকলে এবং প্রশাসন যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করে তাহলে তাদের ব্যবসা করা মুশকিল হয়ে পড়বে। তারা অবিলম্বে অঞ্জলী জুয়েলারি দোকান চুরির ঘটনা রহস্য উদঘাটন পুনরায় তদন্ত পূর্বক চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি, আত্রাই শাখার সভাপতি এ,কে,এম কবিরের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শামসুল হক, শহিদুল ইসলাম, আফাজ উদ্দিন, উত্তম কুমার প্রমুখ। পরে তারা আত্রাই থানা অফিসার্স ইন চার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc