Sunday 1st of November 2020 12:57:01 AM

বেনাপোল থেকে এম ওসমান: যশোরের বেনাপোল-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল আগামী ২৫ জুলাই থেকে চালু হচ্ছে বলে জানালেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি বুধবার বিকেলে বেনাপোল রেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করবেন বলে তিনি জানান।
ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ চালু হলে ব্যবসা বাণিজ্যের পাশাপাশি পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতের ব্যাপক সুবিধা হবে প্রতিদিন দেশের প্রত্যান্ত অ ল থেকে ভারতে ছয় থেকে সাত হাজার পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এই যাত্রীদের সিংহভাগ আসে ঢাকা থেকে। বেনাপোল থেকে পরিবহন সংকট, দৌলতদিয়া পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানজটের কারণে যাত্রীরা নানামুখি হয়রানির শিকার হয়। রেল চালু হওয়ায় সেই হয়রানি লাঘব হবে। থাকবে না কোন বিড়ম্বনা।

রেলটিতে ১০টি বগি থাকবে। তবে রেলের কোন নাম এখনও নির্ধারণ হয়নি। প্রাথমিকভাবে বেনাপোল এক্সপ্রেস, বন্দর এক্সপ্রেস ও ইছামতি এক্সপ্রেস এই তিনটি নাম পছন্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১০টি বগির ভিতর দুটি কেবিন, দুটি এসি চেয়ার ও বাকিগুলো চেয়ার থাকবে। কেবিনের ভাড়া প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২০০ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া এক হাজার টাকা ও নন এসি চেয়ার ভাড়া হবে ৫০০ টাকা। তবে এটি সামান্য কয়েকটি স্টপিজে থামানো হবে। এক কথায় ননস্টপ হিসেবে এ রেলটি চলবে।

মন্ত্রী বেনাপোলে আসলে তাকে সংবর্ধনা জানান, শার্শা উপেজলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জু, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রহিম খলিল, অহিদুজ্জামান অহিদ, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, ভারত বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট চেম্বার অব কমার্সের বন্দর সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, বেনাপোল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মহসিন মিলন, সাধারন সম্পাদক রাসেদুর রহমান রাসু সহ বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন সংগঠনের ব্যবসায়ী বৃন্দ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০জুলাই,বেনাপোল প্রতিনিধি : গ্রীণলাইন পরিবহনের ঢাকা কোলকাতা দু’টি সৌহার্দ যাত্রীবাহী বাসের সরাসরি চলাচলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। সোমবার বেলা ১২ টার সময় ভারতীয় গ্রীণলাইন পরিবহনের দুটি বাস হরিদাসপুর চেকপোষ্ট দিয়ে বেনাপোল চেকপোষ্টে প্রবেশ করে। ভারতীয় শ্যামলী-সৌহার্দ্য পরিবহনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন চুক্তি হয়েছে গ্রীণলাইন পরিবহনের সাথে।
ভারতীয় গ্রীণলাইন পরিবহনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সঞ্জয় দত্ত ও তার সহোযোগী পার্টনার আলী হোসেন বাস দুটিতে ২২ জনের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে কোলকাতা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে। বেনাপোল চেকপোষ্টে গাড়ি দু‘টি বেলা ১২ টার সময় প্রবেশ করলে বাংলাদেশ গ্রীণলাইন পরিবহনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আলাউদ্দিন, বেনাপোল বাজার গ্রীণলাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপক রবীন্দ্রনাথ ও চেকপোষ্ট কাউন্টারের ম্যানেজার জসিম উদ্দিনের নের্তৃত্বে গাড়ি দু‘টিতে ফুল ছিটিয়ে বরণ করে নেয়।
নতুন এ সৌহার্দ্য বাস দু’টিতে কোলকাতা থেকে ঢাকার ভাড়া ধার্য্য করা হয়েছে ভারতীয় এক হাজার চার শত (১৪০০) টাকা এবং ঢাকা থেকে কোলকাতার ভাড়া ধার্য করা হয়েছে বাংলাদেশী এক হাজার সাত শত (১৭০০) টাকা
বাংলাদেশের গাড়ির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হাজী আলাউদ্দিন জানান, ভারতের করুণাময় সল্টলেক থেকে গাড়ি দু‘টি সোমবার বুধবার ও শুক্রবার সপ্তাহে তিন দিন ছেড়ে আসবে। বাংলাদেশের ঢাকা কমলাপুর থেকে শনি, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ছেড়ে যাবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯মার্চ,ডেস্ক নিউজঃ  গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালপল্লীতে আগুন দেয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য সরাসরি জড়িত বলে হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অগ্নিসংযোগে সরাসরি জড়িত ছিলেন গাইবান্ধা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান ও জেলা পুলিশ লাইনসের কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের বলেন, ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি নথিভুক্ত করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

আগুন দেয়ার ঘটনায় পুলিশের কিছু সদস্য সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ আরেকটি আদেশ দিয়েছিলেন।

ওই আদেশে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) আশরাফুল ইসলাম ও গোবিন্দগঞ্জের চামগাড়িতে ওই দিন দায়িত্বরত ওই থানার সব পুলিশকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়।

গত ৩১ জানুয়ারি গাইবান্ধার মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. শহীদুল্লাহ ৬৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করেন।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিবেদনে কতিপয় পুলিশ সদস্য এ আগুন লাগানোর ঘটনায় জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাদের নাম সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দূর থেকে ভিডিও ক্লিপ দেখে পুলিশদের শনাক্ত করা গেলেও তাদের নাম জানা যায়নি। ওই পুলিশদের শনাক্তের বিষয়ে ৭ তারিখ আদালত কী আদেশ দেন, সেটাই দেখার বিষয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছ থেকে প্রতিবেদনের কিছু অংশ জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, টেলিভিশনে প্রদর্শিত ভিডিও ক্লিপ পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে কিছু পুলিশ সদস্য এবং দুজন সিভিল পোশাকধারী ব্যক্তি সাঁওতালদের বাড়িঘরে আগুন লাগানোয় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

আরো কিছু পুলিশ সদস্য কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যারা আগুন লাগানোয় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেননি। তবে তারা আগুন নেভানোর চেষ্টাও করেননি।

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালপল্লীতে অগ্নিসংযোগে পুলিশ জড়িত কি না, সে বিষয়ে তদন্তের জন্য গাইবান্ধার মুখ্য বিচারিক হাকিমকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

ওই নির্দেশ অনুযায়ী গাইবান্ধার মুখ্য বিচারিক হাকিম ঘটনার তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

গত বছরের ৬ নভেম্বর গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ আখ খামারের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সেখানে বসবাসরত প্রায় আড়াই হাজার সাঁওতাল বসতি পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় বাঙালি-পুলিশ ও সাঁওতালদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন সাঁওতাল নিহত ও অনেকেই আহত হন। মামলা করা হয় শতাধিক সাঁওতালের নামে।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও বের হলে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্য সাঁওতালদের ঘরবাড়িতে আগুন দিচ্ছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc