Friday 4th of December 2020 11:41:34 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯এপ্রিল,সিডনি থেকে: অ্যামেরিকা ভিত্তিক একটি এনজিও গ্লোবাল সামিট অফ উইম্যান এর সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার সিডনীতে আসলে তার আগমনের প্রতিবাদে সম্মেলন স্থলের বাইরে বিএনপি পন্থিদের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

২৭ এপ্রিল ২০১৮ শুক্রবার বিকেল ৫ টায় ডার্লিং হারবার এলাকায় কনভেনশন সেন্টার চত্বরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অষ্ট্রেলিয়া শাখার ও অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজিত এ উদ্যোগের সাথেসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও একাত্ততা ঘোষণা করে যোগদান করেছেন বলে দাবী করেন প্রতিবাদকারীরা।

এসময় কনভেনশন সেন্টারের বাইরে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। প্রতিবাদকারীরা সমস্বরে শেইম অন হাসিনা,সে নো টু ডিক্টেটর শেখ হাসিনা, কিলার হাসিনা ইজ নট ওয়েলকামড ইন অস্ট্রেলিয়া,ফ্রি মাদার অফ ডেমোক্রেসি, আমার নেত্রী আমার মা বন্দি রাখতে দেবনা ইত্যাদি স্লোগানে উপস্থিত সবাই প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। শেখ হাসিনার মত একজন স্বৈরাচারী শাসককে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মুক্তচিন্তা ও বহুমাত্রিক সংস্কৃতির দেশ অষ্ট্রেলিয়াতে স্বাগত জানানো সম্ভব নয় বলে সমাবেশে আগতরা দাবী করেন। তারা বলেন প্রত্যেক বাংলাদেশীর উচিত শেখ হাসিনার প্রকৃত রুপ ও বাস্তবতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তোলা।

সকলের হাতে এসময় শোভা পাচ্ছিল গুমখুনের স্বীকার হওয়া মানুষদের ছবি, খালেদা জিয়ার ছবি, শেখহাসিনার ব্যাঙ্গাত্বক ছবি সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান লিখা  প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার।  সবচেয়ে লক্ষণীয় ছিল একটি বিশাল বিজ্ঞাপনী মোবাইল ট্রাক যার চার পাশ ইংরেজি ভাষায় লিখা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান, ছবি ও কার্টুন দিয়ে সাজানো ছিল।
বিক্ষোভকারিদের শান্তিপুর্ন কিন্তু সরব উপস্থিতির কারণে শেখ হাসিনা কনভেন্সন সেন্টারের মূল দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে পেছনের সার্ভিস এন্ট্রি দিয়ে প্রবেশ করেন।  এরপর আয়োজকরা বিক্ষোভের সমাপ্তি ঘোষণা  করে জানান গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের দেশ অস্ট্রেলিয়াতে শেখ হাসিনা যেখানেই যাবেন সেখানেই তাকে প্রতিরোধ করা হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি অস্ট্রেলিয়া ও কমিনিউটি সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো:দেলোয়ার হোসেন,মনিরুল হক জর্জ, আব্দুল্লাহ ইউসুফ শামিম,শিবলি আব্দুল্লাহ,মোঃ মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ,ডঃ হুমায়ের চৌধুরী রানা,মোহাম্মদ লুতফুল কবির,নাসিরুল্লাহ,সাইফুল্লাহ খালিদ, লিয়াকত আলী স্বপন, ডাঃ আব্দুল ওহাব, হাবিব মোহাম্মদ জকি,মোহাম্মদ রাশেদুল হক, আবুল হাসান, মোহাম্মদ হায়দার আলী, কুদরতরউল্যাহ লিটন, আরিফুল হক,একে এম ফজলুল হক শফিক,এসএম নিগার এলাহী চৌধুরী, খন্দকার নাফিস আহমেদ, ইব্রাহিম খলিল মাসুদ,তৌহিদুল ইসলাম, সোহেল ইকবাল,আবু সাইয়েদ শিবলু গাজী, মোঃ রেজাউল হক,মোঃ মোবারক হোসেন,জাকির আলম লেনিন,ওলি আহমেদ,আলমগীর হোসেন,মোঃফারুক খান,নাসিম উদ্দিন আহম্মেদ,এএন এম মাসুম,সাইয়েদা খানম আংগুর, তোরাব আহমেদ,ইলিয়াস,ইয়াসির আরাফাত সবুজ,জাকির হোসেন,হাবিবুর রহমান,আব্দুস সামাদ শিবলু,জাকির লিটন,মোঃরুহুল আমিন,আবুল কালাম আজাদ,খাইরুল কবির পিন্টু,আব্দুল মতিন, ইন্জিনিয়ার কামরুল ইসলাম শামীম,আশরাফুল আলম রনি,আজাদ কামরুল হাসান,জাহাংঙ্গীর আলম,আশিক সরকার,জাকির হোসেন রাজু,আবু সায়েম সুমন,আব্দুল্লাহ আল মামুন,মোহাম্মদ জুম্মন হোসেন,জেবল হক জাবেদ,ফেরদৌস অমি,মুন্নি চৌধুরী,মিতা কাদরী,মোহাম্মদ ইউসুফ,মোঃআবুল কাশেম,আনিসুর রহমান,সালাম মিয়া,নজরুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,মোঃরাশেদ খান,হুমায়ুন কবির,আব্দুল করিম,মিজানুর রহমান,রিপন মিয়া,ইয়াসির আরাফাত অপু প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৯এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   ২৫তম কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠক (সিএইচওজিএম) লন্ডনে শুরু হয়েছে। বৈঠকের উদ্বধোন করেছেন ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বাকিংহ্যাম প্যালেসে শুরু হওয়া দুদিনব্যাপী এ শীর্ষ সম্মেলনে কমনওয়েলথের ৫৩টি দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।।

পরে কমনওয়েলথ নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে ও কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসির ল্যাংকেস্টার হাউসে দেয়া আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।

এ ছাড়া তাদের বিকালে সেন্ট জেমস প্রাসাদে কমনওয়েলথ মহাসচিব আয়োজিত অপর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে ল্যাংকেস্টার হাউসে কমনওয়েলথ নেতৃবৃন্দ তিনটি কার্যনির্বাহী সেশনে অংশ নেবেন।

এবার সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- সাধারণ ভবিষ্যতের দিকে (টুয়ার্ডস কমন ফিউটার)। এতে বিশেষ মনোযোগ থাকবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর জন্য উন্নতি, নিরাপত্তা, ন্যায্যতা ও স্থায়িত্ব অর্জনে।

নিয়মানুসারে সিএইচওজিএম বৈঠকের আয়োজক দেশই এর সভাপতিত্ব করে। সিএইচওজিএম বৈঠকে আয়োজক দেশের কাছে কমনওয়েলথের সভাপতিত্ব স্থানান্তর করা হবে। মাল্টার প্রধানমন্ত্রী ড. জোসেপ মাসকাটের কাছ থেকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের কাছে এ সভাপতিত্ব স্থানান্তর হবে এবং ২০২০ সালে ২৬তম সিএইচওজিএম বৈঠক পর্যন্ত তিনি এ পদে থাকবেন।

২৫তম সিএইচওজিএম বৈঠকটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াটুতে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দ্বীপরাষ্ট্রটি ঘূর্ণিঝড় পাম আক্রান্ত হওয়ায় এটি পরে ব্রিটেনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রথম সিএইচওজিএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে এবং এ পর্যন্ত এর ২৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ বৈঠকটি হয় মাল্টার ভ্যালেটাতে। সাধারণত প্রতি দুই বছর অন্তর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭মার্চ,ডেস্ক নিউজঃ    বাংলাদেশজুড়ে নির্বাচিত মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে দুই হাজার মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রত্যেকটি সংসদীয় আসনের জনপ্রতিনিধি (এমপি) কমপক্ষে ছয়টি করে মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পাবেন।

জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা। বাস্তবায়ন হবে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে। প্রকল্পের ২ হাজার মাদ্রাসার মধ্যে সারাদেশের ৩০০ এমপি দায়িত্ব পাবেন কমপক্ষে ছয়টি করে মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণের। বাকি মাদ্রাসাগুলোর ভবন নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও এমপিরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা অনুযায়ী বাকি মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণের কাজ এমপিদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে ভবনগুলোতে সব ধরনের আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির ব্যবস্থা করা হবে। তথ্য ও প্রযুক্তির বিষয়ে শিক্ষা দানে প্রতিটি নতুন ভবনে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম ও কম্পিউটার ল্যাব থাকবে। প্রতিটা ভবন হবে পাঁচতলা। তবে ফাঁকা থাকবে নিচতলা। শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ওপর নির্ভর করবে ভবনের আকার-আয়তন।

ইতোমধ্যে মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত এ প্রকল্পের প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর। এর সম্ভাব্যতা ও প্রযোজনীয়তা নিয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

পরিকল্পনা কমিশনের শিক্ষা উইংয়ের সহকারী প্রধান মুনিরা ইসলাম পিইসি সভা প্রসঙ্গে বলেন, মাদ্রাসা ভবনের উন্নয়নে একটি প্রকল্পের বিষয়ে পিইসি সভা হয়েছে। সভায় প্রাথমিকভাবে এটা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পের ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এগুলো ঠিক করে নিয়ে এলেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।

প্রকল্প সূত্রে আরো জানা যায়, মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের জন্য ৩০০ এমপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে ডিও (ডিমান্ড অব অর্ডার) লেটার বা চাহিদাপত্র দেন। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকার মাদ্রাসার দৈন্যদশা ও জরাজীর্ণতার কথা উল্লেখ করে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যমান মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের জন্য এ চাহিদাপত্র দিয়ে আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে দুই হাজার মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বিল্লাল হোসেন প্রকল্পটির বিষয়ে বলেন, মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়ে সারাদেশের সংসদ সদস্যরা মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠিয়েছেন। তাদের চাহিদার আলোকেই মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তুত করেছি। চাহিদা অনুযায়ী এমপিরা বিদ্যমান মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের বরাদ্দ পাবেন।

আগে, দেশের ৩০০ সংসদীয় এলাকার প্রত্যেকটিতে ১০টি করে মোট ৩ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরিকল্পনায় একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ নামে ১০ হাজার ৬৪৯ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটির আওতায় প্রত্যেক এমপি ১০টি করে স্কুল ভবন নির্মাণ কাজ বরাদ্দ পান। ওই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ‘সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে।’ জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের এই মেয়াদের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভাষণে আশা ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে।
তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশন ইতিমধ্যে ২টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।

কোনো কোনো মহল আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করতে পারে বলেও প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জনগণ অশান্তি চান না। নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করবেন-এটা জনগণ মেনে নেবে না।

তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারাই সকল ক্ষমতার মালিক। কাজেই লক্ষ্য আপনাদেরই ঠিক করতে হবে-আপনারা কী চান? আপনারা কি দেশকে সামনে এগিয়ে যাওয়া দেখতে চান, না বাংলাদেশ আবার পেছনের দিকে চলুক তাই দেখতে চান। একবার ভাবুন তো মাত্র ১০ বছর আগে দেশের অবস্থানটা কোথায় ছিল? আপনারা কি চান না আপনার সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে স্বাবলম্বী হোক? আপনারা কি চান না প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে যাক? আপনারা কি চান না প্রতিটি গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হোক? মানুষ দুবেলা পেট পুরে খেতে পাক? শান্তিতে জীবনযাপন করুক?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হতে চলেছে। আমরা আর দরিদ্র হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাঁচতে চাই। এসব যদি আপনাদের চাওয়া হয়, তাহলে আমরা সব সময়ই আপনাদের পাশে আছি। কেননা আমরাই লক্ষ্য স্থির করেছি যে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করব। শুধু লক্ষ্য স্থির করেই কিন্তু আমরা বসে নেই। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২২ডিসেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ  জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশে যেন আর কোনোদিন সামরিক সরকার, অস্বাভাবিক সরকার, রাজাকারের সরকার ক্ষমতায় না আসে তার জন্য গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তি-মহল-ব্যক্তিকে সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ছাত্র-শ্রমিক সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ শাজাহান সিরাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত ধর্মের নামে জনগণের মধ্যে ভাগাভাগি, রক্তারক্তি, খুনাখুনি, অশান্তির যে রাজনীতি করছে তা শুধু বর্জন না সমূলে উৎপাটন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে একজন ছাত্রের আত্মত্যাগ ইতিহাসের অনন্য ঘটনা। এ ঘটনার পরবর্তী বছর থেকে দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসমূহ ২২ ডিসেম্বর ছাত্র-শ্রমিক সংহতি দিবস হিসাবে পালন করে আসছে।

এর আগে তথ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, জাতীয় যুব জোট, জাতীয় শ্রমিক জোট, জাতীয় নারী জোটের নেতৃবৃন্দ শহীদ শাজাহান সিরাজের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, সহ-সভাপতি শফি উদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের চৌধুরী, শওকত রায়হান, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ-এর সহ-সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, শাজাহান সিরাজ স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী খান, জাতীয় নারী জোটের সৈয়দা শামীমা সুলতানা হ্যাপী, ঢাকা মহানগর পূর্ব জাসদের সধারণ সম্পাদক এ কে এম শাহ আলম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাসদের সভাপতি ইদ্রিস ব্যাপারী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেল স্টেশন চত্বরে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ আহুত ৪৮ ঘন্টার শ্রমিক-ধর্মঘট এবং ১৫ দল, ৭ দল, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সমর্থিত ৪৮ ঘন্টার হরতালে পিকেটিং করতে গিয়ে তৎকালীন বিডিআর বাহিনীর লক্ষ্যভেদী গুলিবর্ষনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা ও জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ নিহত হন।আমাদের সময়

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬ডিসেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ বলেছেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পুনরায় সরকার গঠন করবে। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় অাসার পর বাংলাদেশের যে উন্নয়ন করেছে জনগণ সে জন্য আবারও আওয়ামীলীগকে ভোট দেবে। তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে এই সরকার কাজ করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান একমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারই দিয়েছে। তিনি বলেন মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তারা জীবন বাজি রেখে আমাদের দেশকে স্বাধীন করেছেন। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য তিনি আহবান জানান। ১৬ ডিসেম্বর শনিবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমের সভাপতিত্বে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সিরাজুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল আহমদ, এ.এস.পি আমিনুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহী সম্রাট, এখলাছুর রহমান, শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা মুহিবুর রহমান মেম, আতাউর রহমান বাবুল, আবুল হাসনাত চৌধুরী, আব্দুল কাদির, সিরাজুল ইসলাম, কামরুজ্জামান চৌধুরী, জাকারিয়া মাহমুদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, শাহীনুর রহমান, যুবলীগ নেতা সুমন আহমদ, নিক্সন রায়, ছাত্রলীগ নেতা পাপলু দে, শাহীন আহমদ, মাহবুবুর রহমান সবুজ, মইনুল ইসলাম ভীর।
অপরদিকে ভোর ৬.৩১ মিনিটে সূর্ষউদয়ের সাথে সাথে জৈন্তাপুর বাস ষ্টেশন সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা বিজয় স্তম্বে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শহীদের সম্মান জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়৷ পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জৈন্তাপুর পুলিশ প্রশাসন, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন প্রতিষ্টান, বিভিন্ন বিদ্যালয় সমুহ পুষ্পস্তবক অর্পন করে৷

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪অক্টোবর,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ  গড়ে তুলতে এবং উন্নত অাধুনিক রাষ্ট্র গঠনে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, বর্তমান সরকারের আমলে জৈন্তার শিক্ষা, যোগাযোগ, কৃষি, স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। জৈন্তার মানব সম্পদ উন্নয়নে ও বেকারত্ব দুর করতে খুব শীঘ্রই জৈন্তাপুর উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কার্যক্রম শুরু হবে।

এতে শিক্ষিত বেকার যুব, যুবাদের কর্মসংস্থান হবে। তিনি আরও বলেন একটি উন্নত আধুনিক রাষ্ট্র গঠন করতে হলে আগামীতে ও শেখ হাসিনার সরকার প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে যুবলীগকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন।

স্থানীয় ৪নং বাংলাবাজারে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য এবাদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শাহিনুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামাল আহমদ, উপজেলা অাওয়ামীলীগ নেতা ও জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর  ররহমান, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আফতাব মিয়া, উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, আব্দুল কাদির, মুক্তিযোদ্ধা মিরন মিয়া, ছয়ফুল আলম মতি, সিরাজুল ইসলাম, শরীফ আহমদ, কামরুজ্জামান চৌধুরী, জাকারিয়া মাহমুদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাসুদ আহমদ, নাছির আহমদ, নাসির উদ্দিন রাসেল, সুমন অাহমদ, নিক্সন রায়, মোতাহার হোসেন শিমুল, নির্মল দেবনাথ, জালাল উদ্দিন, শামীম আহমদ, বাদশা মিয়া, জুয়েল আহমদ ডালিম, কামরান আহমদ, লুৎফুর রহমান,  সুলতান মাহমুদ টিটন, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা আকবর আলী, নজির আহমদ, শফিক আহমদ, কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক শামীম আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদ আহমদ, যুবলীগ নেতা রাহেল আহমদ, নজরুল ইসলাম, শামীম আহমদ, আমীন আহমদ, আব্দুল কাদির, সোহরাব হোসেন, শাহীন ফেরদৌস, ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আহমদ, মির্জান আহমদ রুবেল, মাহবুবুর রহমান সবুজ, জাহিদুল ইসলাম জায়েদ প্রমুখ৷
সভাশেষে যুবলীগের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ করা হয়।

অত্যাচার,নির্যাতনের প্রতিবাদে কাজিটুলাবাসীর উদ্যোগে বিশাল মানববন্দন

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,মোহাম্মদ জুমান হোসেনঃ মায়ানমার রোহিঙ্গা মুসলমানদের গনহত্যা, অত্যাচার, ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বৃহত্তর কাজিটুলাবাসীর উদৌগে এক বিশাল মানববন্দনের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত মানববন্দনে অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেসন মাননীয় মেয়র জনাব আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক মেয়র জনাব বদরউদ্দিন আহমদ কামরান,মহানগর আওয়ামিলীগ সাধারন সম্পাদক জনাব আসাদ উদ্দিন আহমদ, মহানগর বিএনপির সভাপতি জনাব নাসিম হোসাইন, সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, ১৭ নং ওয়াড সাবেক কাউন্সিলর জনাব ফয়জুল আনোয়ার আলায়োর, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব দিলয়োর হোসাইন সজীব,ও আরো অনেকে।
মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ূন কবির শাহীনের সভাপতিত্বে এবং রুহুল আমিন ও এম বরকত আলীর পরিচালনায় মানববন্ধ্যনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাহী ঈদগাহ জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লি জহির বখত,জাতীয় পার্টি সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান চৌধুরী, এলাকার মুরুব্বি বাবুল খান, হিরা মিয়া, সুয়েব আহমদ, আব্দুল কবির কিবরিয়া, মহসিন আহমদ চৌধুরী, রাশেদ আহমদ, নুরুল মোমিন খোকন, আনা মিয়া, ফারুক খান, আমির হোসাইন, ফরহাদ উদ্দিন বাবলু, মন্তাজ হোসেন মুন্না, ইয়াসিন আহমদ, গিয়াস আহমদ, ফয়েজ আহমদ, আতাউর রহমান, নাঈম আহমদ, শামীম মিয়া, মুর্শেদ মিয়া, মুন্না মিয়া, নাসিম আহমদ প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭সেপ্টেম্বর,নজরুল ইসলাম তোফা:   যুগে যুগে কিছু মানুষ সৃষ্টি হয়েছে, তাদের রয়েছে কোটি কোটি টাকা, ভোগ-বিলাস, ধন-সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি তারাই জীবন স্বপ্নে বিভোর। কিন্তু এমন কিছু বিকল্প চিন্তা চেতনার মানুষকে খোঁজে পাওয়া যায়, জীবনে কোন কিছুর মোহ নেই, নেই নূন্যতম মনের ইচ্ছা পূরণের উচ্চাকাঙ্খা। জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনার উদ্দেশ্য তাদের অতীব ক্ষিন। অর্থের লোভ না থাকলেও প্রয়োজন আছে মনের তৃপ্তি মিটানোর ইচ্ছা। তাই বলা যায় এই সরল, প্রতিভাবান, কোমল মনের মানুষ, শুধুই স্বপ্ন দেখেন গানের জগৎ। এই জগতে বহুগুনের অধিকারী মানুষটি, সবাইকে অবাক করে দেয়ার মতোই রেখেছেন প্রতিভা। স্বরচিত গানের নেশাটা নিত্য দিনের জীবন সঙ্গী। নাম তার মো: মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি সরকার।

ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তার সঙ্গে বিস্তর কথা বার্তা হয়েছে। ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সংঘর্ষ নাকি মানুষের যথেষ্ঠ সন্ধিহান রয়েছে। কোন কোন ধর্মের সাথে রক্তা রক্তির ঘটনাও আছে ইতিহাসের পাতায়। তবে পবিত্র কুরআন থেকে উৎসারিত ধর্ম, ইসলামের সাথে প্রকৃত বিজ্ঞানের বিরোধ ছিলনা অতীতে, বর্তমানেও কোন বিবোধ নেই এবং ভবিষ্যতেও হবেনা তা তিনি বললেন। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথার প্রতিফলনেই তিনি লিখেন স্বরচিত গান। আর তা নিয়ে নজরুল ইসলাম তোফা লিখলেন তার জীবন কাহিনী। প্রাকৃতিক জগতকে জানার এটাই একটা বিনোদন মাধ্যম তার। সঠিজ ভাবে বিজ্ঞানের জ্ঞান ও কর্মের মাঝে রয়েছে যে সব জ্ঞান তাকেই কাজে লাগিয়েই গান লিখেন।

উক্ত বিষয়ের ওপর কোন ব্যক্তির যথাযথ জ্ঞান থাকে তাহলেই তা সে রপ্ত করতে সক্ষম। কোন ব্যক্তি যদি বিজ্ঞানের আলোকে এ পন্থায় সংগীত চর্চায় অগ্রসর হন তাহলে তাঁদের বিদ্যা বুদ্ধির স্বীকৃতি স্বরূপ অনেক বুদ্ধিজীবী, বিজ্ঞানী, প্রগতিশীল, সুশীল ও আরো অনেক শিহরণ সৃষ্টিকারী লোক গানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধি করতে পারবেন বলে তার ধারনা। তার সৃষ্টি গানের সুর ও শব্দ ফোক গানের অাদলে সমৃদ্ধ রয়েছে। সমাজে তার অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, বিজ্ঞানের মূল কথাই হচ্ছে যুক্তি ও প্রমাণ। তাই তিনি গানের সুরেই বলেন,
চলছে গাড়ী পজেটিভ,
ব্রেক মারিলে হয়রে নেগেটিভ।
গানের কথায় শফিকুল,
বিজ্ঞানীদের বাজাই ঢোল।
আলোক বর্ষ গেছে কতদূর।
ঐ দর্শন হইতে দার্শনিক হয়,
যুক্তি বিদ্যা নাম সপ্তম আসমান।
কত দূরে নবীর হাদীস টান,
আলোক বর্ষ কে বুঝে।
বিজ্ঞানীদের খবর দে।
সপ্তম আসমান পরে আছে কে?

তিনি লেখাপড়া বাদ দিয়ে অত্যন্ত ব্যথিত চিত্তে কৃষি কাজে নেমেছিলেন। বিকেলে তার আড্ডা স্হান কুলার বিল থেকে পদ্মা নদীতে প্রবাহিত মধ্যবর্তী এক ‘শিবো’ নদীর পাশেই ধানুরা গ্রামে। সেই শিবো নদীর পাড়ে বসে সূর্য্যাস্তের লগ্নে মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি সরকার আকাশ দেখেন আর বিজ্ঞান জগৎ ভাবনায় জাগ্রত থাকেন। তার অত্যন্ত জনপ্রিয় স্বরচিত গান। যেমন:
মহাশূন্যের রকেট ঘাঁটি দেখতে যাব নাকি,
বিজ্ঞান বেটা কর্মের সাথী হাতে লাগাও তালি। তোমরা কেন বুঝনা মঙ্গল গ্রহের ঘটনা,
কর্ম ছাড়া ধর্ম হবে না।

তার সৃষ্টিশীল স্বরচিত গানের বাঁকে বাঁকে সুরের মুর্সনা ও কথার ভেতর দিয়ে ভুবনকে দেখার যে আনন্দ, মহান আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের আসল দিক, মানুষের মাঝে প্রকৃত মানুষ খোঁজার এক আদর্শীক দৃষ্টান্ত, প্রকৃতির রূপ বদলের নান্দনিক ও ভয়ানক দুর্যোগ, দূর্ঘটনার ইতিবাচক বা নেতিবাচক দিক তোলে ধরার প্রবনতা রয়েছে। কৃষি কাজ করতে গিয়ে কৃষক-শ্রমিকদের আচার আচরন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় গান লিখা ও তা গেয়ে গ্রামের অগনিত মানুষদের আনন্দ জুগিয়েছন। তাঁর গানে যে কমল ফোক সুরের ছোঁয়া ধানুরা গ্রামবাসি ও তানোর থানার মানুষকে অবাক করিয়েছেন। জেনে নিই এমন মানুষটির পরিপূর্ণ জীবন কাহিনীর আদ্যোপান্ত।

রাজশাহী জেলার তানোর থানায় ছয় নম্বর কামার গাঁ ইউনিয়নের ধানুরা গ্রামে তার জন্ম। বাবা স্কুল মাষ্টার মোঃ আব্দুর রহমান এবং তার মাতা মোছা: শুরভান বেওয়া একজন পর্দাশীল গৃহিণী মহিলা। বাবা সারা জীবন শিক্ষার গর্ভে গ্রামে অজস্র মানুষকে পরিচালিত করেছেন। আবার ভাল ছাত্রকে ভালো করে পড়িয়েও বৃত্তি ধরিয়েছেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও তার বাবা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। এ থেকেই মোঃ শফিকুক ইসলাম শফি সরকার উদ্বোধ্য হয়েই গানের জগতে আসে। আর বড় ভাই মোঃ শহিদ মাষ্টার নিজ প্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। একমাত্র বোন মোছাঃ শামসুন নাহার হেলেনা সহ দুই ভাইকে নিয়ে বাবার এক ছোট সংসার। তার বাবার আঠার বিঘা পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারার মধ্যে শফি সরকার পান সাত বিঘা। বড় ভাই তিরিশ বিঘা সম্পত্তি ক্রয় করলেও তিনি কোনই সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেননি। সহধর্মিণী মোছাঃ রহিমা বিবি ও এক পুত্র সন্তান মোঃ রাজুকে নিয়ে তিনি গ্রামেই থাকতেন। পরে তিনি গ্রাম থেকে শহরে আসেন জীবন জীবিকার উদ্দ্যেশে রাজশাহী। তবুও স্বরিত গান রচনায় থেমে থাকেনি তার মেধা। তিনি চাকরী পেলেন রংপুরের রহিমদ্দীন ভরসার সিগারেট কোম্পানীতে। কর্মরত থাকেন রাজশাহী সিটি করর্পোরেশন অর্থাৎ বিভাগীয় এলাকা জুড়ে। সে কোম্পানীর বিভিন্ন পন্য বাজারজাত করনের সৌজন্যে প্রতি মাসে পান প্রায় আট নয় হাজার টাকা। অর্থ কষ্টেই চলেন তাই তো তার চেহারা দেখলেই টের পাওয়া যায়। তিনি সারাদিন কর্ম ব্যস্ততায় কাটান এবং ভর দুপুরে বর্নালীর মোড়ে শরিফ টি গার্ডেন অর্থাৎ শরিফ চা স্টলে একটু জিরিয়ে নেন। আর সে সুবাদেই তিনার সহিত সেখানেই নজরুল ইসলাম তোফার হঠাৎ সাক্ষাৎ হয়। তার জীবন কথা সহ স্বরচিত গানের এক বৃহৎ ভান্ডার রয়েছে জানতে পারেন নজরুল ইসলাম তোফা। স্টলের টেবিল বাজিয়ে শুনিয়েও দিলেন অনেক গুলো গান। মুগ্ধ হওয়ার মতো একটি গান তা হলো:
ডিপটিউবলে ফসল ফলায় আসমান ছাড়া জমিনে,
কি যুগ আসিলো গুরু মনে পড়ে তোমারে।
আকাশেতে মেঘ ভাসেরে এক ফসলেই জ্বালা,
বৃষ্টি ছাড়া ভালো ফসল যায়না ঘরে তোলা।
অনাবৃষ্টি ধুধু খরাই ফসল কত মইরাছে,
কি যুগ আসিলো গুরু মনে পড়ে তোমারে।

তরুণ প্রজন্মের প্রতিভাবান তারুণ্যের প্রতিক, স্বল্প ভাষী, মিউজিক ম্যান ও স্বরচিত গানের শিল্পী মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি সরকার অল্প বয়সেই জয় করেছেন অসংখ্য শ্রোতা ও দর্শকের হৃদয়। ধানুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম স্বরচিত গান গেয়ে দর্শকপ্রিয় হন। এখন তার বয়স প্রায় ৪১ বছর হবে। তিনি এখন রাজশাহী এক মনোরম পরিবেশ অর্থৎ উত্তর বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী আম নিয়ে নির্মিত ‘আম চত্ত্বর’ ভাস্কর্য্যের পূর্ব দিকে জিয়া পার্কের পার্শ্ববর্তী নওদা পাড়া প্রামে নিজ সন্তান ও সহধর্মণীকে নিয়ে বর্তমানে অবস্হান করেন। ভাড়া বাসায় ছেলেকে লেখাপড়ার খরচ যোগাতে হিমসিম খাচ্ছেন। বাবার দেয়া সাত বিঘা সম্পত্তিই এখন তার জীবন চলার মুল পাথেও। নবম শ্রেনীতে লেখা পড়া করা ছেলেকে মোবাইল ফোন কিনে দিতে নারাজ। ছেলে নাছড় বান্দা হয়ে বাবার সঙ্গে জেদ করলে তাকে এ যুগের হালচাল ও অতীতে প্রেমের হালচালে স্বরচিত গান গেয়ে শুনান। তা হলো:
আধুনিক যুগ আর মড়ান যুগে,
প্রেম আলাপে জমায় রে,
কে বানাইলো মোবাইল ফোনটা রে।
আগে আমরা প্রেম করিতাম চিঠি দিয়া হাতে,
যাওয়া আসা অনেক দুরে,
প্রেমের আলাপ হয় না রে।

সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেই তার বেড়ে ওঠা। বাল্য বয়সে মস্তিষ্কের কোষে কোষে গেঁথে যায় যাত্রা দলের গান ও যাত্রার মিউজিক। কৈশরে স্বরচিত গানের সহিত মিউজিক বাজানোর উৎসাহ এবং পরিচিতিটা ছিল অনেক উর্ধে। সব কিছু ছাপিয়ে যাত্রার যে ডুগী তবলা মিউজিক তা নিয়ে মাতিয়ে তোলে মন্ত্রমুগ্ধ বাদ্যের ঢংঙে। তরুণ বয়সে নিজ গ্রামের স্কুলে প্রতি বছর যাত্রা গানে দল আসতো। মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে শফি সরকার শৈশব থেকেই তার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন। যশোহরের জি,এস অয়েল অপেরা যাত্রাদল ধানোরা প্রামে এলে তাদের সঙ্গে মিউজিক বাজিয়েছেন এবং শৈশবে মনেও করেছেন দলটির সঙ্গে চলে গেলে মন্দ হয় না। কিন্তু বাস্তবতায় বাবার কারণে সে সিদ্ধান্তের কবর হয়েছিল। তবে বাড়ির পাশে এক সুদক্ষ প্রবীণ ব্যক্তি উস্তাদ তাসির উদ্দীনের সঙ্গে হারমোনিয়াম, ডুগী-তবলা নিয়ে স্কুল জীবন ফাঁকি দিয়ে তার সঙ্গী হয়েই দূরদূরান্তে গানের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। বারো বছর বয়সে উস্তাদের সঙ্গে যাত্রার সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতায় এ জগতে কাটে সাত আট বছর। গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছে গান ও মিউজিক বাজানোটা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল। কিন্তু তার সে কংগো ও ডুগী-তবলার সহিত স্বরচিত গানের আধিক্যটাই ছিল খুব বেশী। তানোর থানার বিভিন্ন এলাকায় তার সুর ও গানের জন্য বায়না এসেছিল। কিন্তু এখন মিউজিক নিয়ে তার কোনই পরিকল্পনা নেই, তবে মনের ইচ্ছা পূর্ণ করার বাসনা সর্বদাই জাগ্রত তাহলো স্বরচিত গান লেখা আর গান গাওয়া। সুতরাং বিজ্ঞান চেতনায় মানুষটি অনেক ভাবনায় অগ্রসর হয়েছেন এবং বর্তমানেও ভাবছেন। তারই প্রতিফলন এই গানটি।
কিতার পড়ে বিজ্ঞান হলে
সব কিছুতে মিল দেখায়,
গানের কথা শফিকুল বানার।
আবার বিজ্ঞানীরা কি দেখায়,
গানের কথা শফিকুল বানায়।
হাত বোমা তৈয়ারী করে
খেলছে কত খেলা,
মসজিদ ঘরে বোমা মারে,
নাস্তিক হয়া সারারে দেখ নাস্তিক হয়া সারা।
কিতাব পড়ে বিজ্ঞান হলে,
বোমা মারা কি দেখায়?
গানের কথা শফিকুল বানায়।
মহাশূন্যে বসত বাড়ি
বিজ্ঞানের তৈয়ারী,
দেশ বিদেশে আকাশ পথে,
দিচ্ছে তারা পাড়িরে দেখ দিচ্ছে তারা পাড়ি।
ওরে চাঁদের দেশে মানুষ গেছে,
হাদীসেতে তার প্রমান নাই।
গানের কথা শফিকুল বানায়।
চাঁদ আছে আর কতদূরে,
বিজ্ঞান তার উপরে।
ভিন্নগ্রহে জীবের সন্ধান,
বিজ্ঞানীরা বলেরে দেখ বিজ্ঞানীরা বলে।
মঙ্গলগ্রহে মানুষ যাবে,
আর বেশী দিন দেরি নাই।
গানের কথা শফিকুল বানায়।

এই ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষটিকে আরো পরে স্বরচিত গানের সহিত হারমোনিয়ামে গান শিখেছেন তানোর থানার বড় গানের উস্তাদ মোঃ রেজাউল ইসলাম বাবু। উনার ডাকে বিয়ে-বাদি, কিচ্ছা-কাহিনী, যাত্রা-পাটি এবং স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানে স্বরচিত গান গেয়েছেন। একটু বলে রাখি, নেশা ও পেশার মধ্যে খেলাধুলার প্রতি তার আগ্রহটা কম ছিলনা। গ্রামীণ খেলা হাডুডু পাশাপাশি একই ভঙ্গিতে স্বরচিত গান লেখার চিন্তা যৌবনে মাথায় নিয়েছিল অত্যন্ত তীব্র ভাবে। কিন্তু তখন কাগজে কলমে লিখা হয়নি, শুরু হয়েছিল কলেজে ভর্তী হবার পরে। বলা দরকার যে, তিনি লেখাপড়ায় অনেক ভালো ছাত্র ছিলেন। এস, এস, সিতে ছয় মার্ক পেলে অবশ্যই প্রথম স্হান অধিকার করতেন। তবে তার কলেজ জীবনেই নেমে আসে অমানিশার ঘোর আঁধার, পড়া শোনা আর হয়নি। কাল হয়ে দাঁডিয়েছিল ‘হুচি’। এইচ, এস, সিতে হুচি’ নামের মেয়ের সঙ্গে ব্যর্থ প্রেমিক হয়ে যান। কিরের আর লেখা পড়া, খুব কষ্ট পেয়েছিলেন। বাবা তাকে অনেক চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। হুচিকে নিয়ে অনেক গানও লিখেছেন।
যেমন: কৃষ্ণচূড়া গাছেরে হুচি আজো বেঁচে আছে, ভালোবাসার দিনগুলো সে কোথাই চলে গেছে। পাড়ার যত তরুন মেয়ে খেলতো কতো খেলা, হাত ধরিয়া গোল্লাছুট আর কানা মাছির খেলা। ওরাই আমার সঙ্গের সাথী কোথাই চলে গেছে, তাদের দেখতে মনে আমার বড়ই সাধ যে জাগে।

তার আপন ভাতিজা অর্থাৎ বড় ভাইয়ে ছেলে মোঃ আব্দুর রব স্বচক্ষে দেখেছেন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তার উপলব্ধি, সত্যিই চাচা সংগীত রচয়িতা। প্রত্যক্ষদর্শীরাই উৎসাহ যুগিয়েন চাচাকে স্বরচিত গানে জগতে। তাকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তারাই উঠিয়েছেন। দর্শকনন্দিত স্বরচিত গানের শিল্পী নজরুল ইসলাম তোফাকেও অনেক গান শুনিয়েছেন। তার ভাতিজার ভাষ্য মতে, আমি চাচা একজন ভক্ত, আমার চাচা অত্যন্ত একজন গুনি ব্যক্তি। তার স্বরচিত গানে আমি মনে করি, সংগীত জগতের এক তৃনমূল বীর, আমি তার লিখিত গান, সুর এবং মিউজিক বাজানোর পারদর্শীকতায় সত্যিই একজন খাটি ভক্ত। পছন্দ করি চাচার অনেক স্বরচিত গান এবং গাইতেও চেষ্টা করি তার নিজস্ব স্টাইলে। আব্দুর রব আরো বলেন, সব গুলো গানই বিজ্ঞান চৈতন্য বোধের ফোক সংগীত। ফোক সংগীতের রচয়িতা শফিকুল ইসলাম শফি প্রায় ৫০/৫৫ টি গান রচনা করেছেন। সুতরাং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাষ্টার্স পড়ুয়া ভাতিজার তত্ত্ব মতে অনেক ঘটনার প্রমান মিলে।

শৈশব থেকেই তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজের ভক্ত। শিল্পী মমতাজকে পেলে তাঁকে গান শুনানোর ইচ্ছে পোষন করেন। তাঁর মোবাইল নম্বর পেলেও মোবাইলে গান শুনানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন। তাই তার ০১৭১৭৬৬৪১৪০ এই মুঠোফোন নম্বর দিয়েও দিলেন নজরুল ইসলাম তোফাকে। গান গুলো রেকডিং হোক সে ইচ্ছাও তার। সব গুলোতে নিজের সুর দেওয়া ও গাওয়া রয়েছে।কোন সংগীত প্রিয় ছেলে বা বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসলে তাদের গাওয়া ও রেকডিং করায় কোন বাধা সৃষ্ট করবেন না। উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে ধর্ম এবং বিজ্ঞান উভয়ের প্রতি গভীর সমর্থনের এক বিশাল জনগোষ্ঠীর আস্থা যেন থাকে তার রচিত গানের কথা ও সুর। হয়তো কালের আবর্তনে মহাবিশ্বের শুরু থেকে ধ্বংস পর্যন্ত মোঃ শফিকুল ইসলাম শফির স্বরচিত গান যেন অক্ষন্য থাকে সে স্বীকৃতি ও আশা আকাঙ্খা পোষন করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১ আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার সময় পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে দেশের সরকার। কোরবানির গরুর চামড়া প্রতি ফুট ঢাকার ভেতরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে দেশের সর্বত্র ফুটপ্রতি দাম হবে ২০ থেকে ২২ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম প্রতি ফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা।কোরবানির পশুর চামড়ার দর সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

রোববারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই সভা হয়। এতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এম আবদুল্লাহ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সুভাশিষ বোস, পুলিশের আইজির প্রতিনিধি, র‌্যাবের ডিজির প্রতিনিধি, চামড়া শিল্পের ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের বরাত দিয়ে মন্ত্রী জানান, এ বছর মোট কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা এক কোটি ১৫ লাখ ৫৭ হাজার। এর মধ্যে কোরবানিযোগ্য গরুমহিষ ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার এবং ছাগল ভেড়া ৭১ লাখ। তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের দাবির কারণে কাঁচা চামড়া ঢাকা জেলার বাইরে যেতে পারবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, “চামড়াকে ইয়ার অব দ্য প্রোডাক্ট ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে চামড়া খাতকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ট্যানারি শিল্প হাজারিবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরের জটিলতায় সেটি হবে না। তবে আমরা আশা করছি অন্তত ৩ বিলিয়ন ডলার আয় করবো। এ বছর চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে ১.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “চামড়া যেন নষ্ট না হয় এজন্য ৫ লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানির নির্দেশ দিয়েছি। আমাদের লবণের ঘাটতি ৩ লাখ টন। কিন্তু আমদানির অনুমতি দিয়েছি ৫ লাখ টন। ২৩২টি লবণ মিল মালিকের প্রত্যেককে ২ হাজার ১১৬ টন করে লবণ আমদানির অনুমতি অতিরিক্ত দিয়েছি।”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২২জুন,ডেস্ক নিউজঃ  তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, গণমাধ্যমের  স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণ তথা গণমাধ্যমের বিকাশে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি আজ বৃহস্পতিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বজলুল হক হারুনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যম বান্ধব। সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বাক , ভাবপ্রকাশ ও সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
হাসানুল হক ইনু বলেন, গত ৭ বছরে সাত শতাধিক পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩১টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, ২৪টি এফএম বেতার এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিওর অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি ৩টি টেলিভিশন চ্যানেল, ২১টি এফএম বেতার এবং ১৭টি কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, ২০১৪’ প্রণয়ন করেছে। সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট গত ৭ বছরে ১৬ হাজার ১ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট একই সময়ে ২ হাজার ২৫৫ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।
ইনু বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য একটি দায়বদ্ধ ‘সম্প্রচার কমিশন’ গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘সম্প্রচার আইন ২০১৬’ এর খসড়ার চূড়ান্ত পরিমার্জন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৩মে,ডেস্ক নিউজঃ   বিদেশে টাকা পাচার রোধে সরকার জমির মূল্য নির্ধারণ করে দেবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সচিবালয়ে শনিবার (১৩ মে) অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।

সরকার এলাকাভেদে ন্যূনতম জমির দাম নির্ধারণ করে দেয়। প্রকৃত অনেক বেশি দামে জমির বিক্রি হলেও জমির মালিকরা সরকারি নির্ধারিত ন্যূনতম দাম ধরে কর পরিশোধ করে থাকেন। অতিরিক্ত টাকা কালোটাকা হিসেবে বিদেশে পাচার হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টাকা পাচার হচ্ছে জানি। টাকা পাচারের বিভিন্ন কারণ রয়েছে। আমরা একটা ল্যান্ড প্রাইস ফিক্সড করে দিই কিন্তু একচুয়াল প্রাইস অনেক বেশি হয়। এই টাকা কী করবে, এটা এ দেশে ব্যবহার করতে পারে না কারণ কালোটাকা। আমরা এখন চিন্তা করছি, কোনো ল্যান্ড প্রাইস রাখব না।  বাজারই দাম নির্ধারণ করবে। এটা টাকা পাচার প্রতিরোধে কাজ করবে।’

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো বলেছেন, আমাদের দেশে এখন বিনিয়োগ পরিবেশ ভালো। ২০১৫ ও ২০১৬ দুটি বছর পেয়েছি শান্তিপূর্ণ। দুটি বছরে আমাদের শ্রমিকরা প্রমাণ করেছেন তারা দেশে হরতাল ও অন্যান্য ধরনের শান্তির ব্যাঘাত সহ্য করবে না। এর ফলে একটা আস্তা এসেছে, এর সাড়াও  আমরা দেখতে পাব।’ তবে গতকালই রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিআইডিএস মহাপরিচালক কেএএস মুর্শিদ বলেছেন, দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থার অভাবে বিনিয়োগ বাড়ছে না। একই কারণে বিদেশে অর্থপাচার হচ্ছে বলেও তিনি  মন্তব্য করেছেন।

এ প্রসংগে ঢাকার একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর জেনারেল ম্যানেজার  মফিজ আলম রেডিও তেহরানকে বলেন, সরকারের এ ঊদ্যোগ  টাকা পাচার রোধে তেমন একটা কাজে আসবে না। তিনি মনে করেন জমি বা তৈরী ফ্লাট কেনা বেচার ক্ষেত্রে রেজিষ্টেশেন ফি কমালে সাধারন বা মধ্যম আয়ের ক্রেতারা ঊপকৃত হতে পারে।

ওদিকে, আবাসন শিল্পের  সঙ্কটাবস্থায় কাটাতে  সরকারের আশু পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেছে আবাসন শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন (রিহ্যাব)। রিহ্যাব আসন্ন বাজেটে এ সেক্টরে স্বল্প সুদে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের দাবি করেছে। রিহ্যাব একইসাথে এপার্টমেন্টের রেজিস্ট্রেশন ব্যয় কমানোরও আহবান জানায়।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া  জানান, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ রেজিস্ট্রেশন ব্যয়। অন্যান্য দেশে রেজিস্ট্রেশন ব্যয় চার থেকে সাত শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বেশি বলে অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করতে চাচ্ছেন না। ফলে অপ্রদর্শিত আয়ের সমস্য থেকেই যাচ্ছে।পার্সটুডে

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,২২এপ্রিলঃ গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাসির উদ্দিন এডভোকেট, যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব জননেতা মকসুদ হোসেন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান এক যুক্ত বিবৃতিতে গণমত উপেক্ষা করে গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সংবাদে গভীর উদ্বেগ-উৎকন্ঠা ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়ানোর অজুহাত দেখিয়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির উদ্যোগ অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক কমেছিল তখন সরকার বিদ্যুতের দাম কমানো হলো না কেন? গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের বেশী খরচের যে হিসাব তুলে ধরা হইতেছে তা প্রকৃত সত্য নয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১০ সালের ১লা মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকার পাইকারী ও খুচরা পর্যায়ের বিদ্যুতের দাম ৭ বার বৃদ্ধি করেছেন। অন্যদিকে গ্রাহকগণ ঐক্যবদ্ধ না থাকার ফলে বার বার গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ক্রমেই বাড়ানো হচ্ছে। অথচ এক শ্রেণীর রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, পীর মাশায়েখ নামধারীরা দেশের এই জনগুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সমস্যা সমাধানকল্পে যেমন-দুর্নীতি, বাস ভাড়া, রেল ভাড়া, দ্রব্যমূল্য, যানজট ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে রাজপথে তাদের দৃশ্যমান কোন কর্মসূচি নেই। নির্বাচন, ভাস্কর্য ও দলীয় গোষ্ঠী ইজম ও পীরবাদ সহ ব্যক্তিতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা খুবই ব্যতিব্যস্ত এই চক্র থেকে জনগণকে হুশিয়ার থাকার আহবান জানিয়ে তারা বলেন, আল্লাহর ওয়াস্তে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের জ্বালানি তেলের দামের সমন্বয়ে করা গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমে আসবে। জনগণ গ্যাস ও বিদ্যুতের আর বাড়তি দাম দিতে অক্ষম।
নেতৃবৃন্দ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মুষ্টিমেয় দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশের জনগণের উপর ট্যাক্সের বোঝা কমিয়ে বড় বড় দুর্নীতিবাজদের বিষয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাজস্ব ভান্ডার শক্তিশালী করার আহবান জানান।প্রেস বার্তা

মৌলভীবাজারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫মার্চ,শিমুল তরফদারঃ প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন যে কোন জাতিকে মানব সম্পদে পরিনত করতে গেলে প্রথমেই দরকার শিক্ষা। এদেশের প্রতিটি মানুষকে মানব সম্পদে পরিনত করতে সরকার শিক্ষা খ্যাতকে গুরুত্বর দিয়ে কাজ করছে। কোন দল কোন মতের মানুষ সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয় প্রত্যেক কমিউনিটির প্রজন্মকে শিক্ষিত করতে সরকার যেখানে যা প্রয়োজন তা করে যাচ্ছে। তাই প্রত্যেকটা মসজিদ ও মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছে গনশিক্ষা কর্মসূচীর। বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন প্রাইমারী স্কুল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন শিক্ষক সল্পতায় মৌলভীবাজারের কিছু স্কুলে হিন্দু শিক্ষক কর্তৃক ইসলাম শিক্ষা পড়ানোর বিষয়টি সাধারন মানুষের সামনে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, যত ভালো কাজই আপনি করেন না কেন কিছু ভূত তা টানাটানি করবেই। কত রকমের ভুত আছে আমাদের সমাজ ব্যাবস্তায়। তবে আমাদের দেশের মানুষ তা বুঝে। অল্প কিছু মানুষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। আর যারা এটা করে বুঝে নিতে হবে তাদের জাল দুর্বল এদের খলই এর তলা নেই।

স্কুল পরিদর্শন কালে মন্ত্রীর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলিম, এডিপিও মো. আলী আহসান ও কিশোলয় চক্রবর্তীসহ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। পরে মন্ত্রী মৌলভীবাজার সরকারী স্কুল মাঠে প্রাথমিক শিক্ষদের এক সামাবেশে যোগ দেন।

পরিদর্শন কালে মন্ত্রী শিক্ষকদের আরো মনোযোগী হয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের আহবান জানান।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc