Wednesday 21st of October 2020 04:36:39 AM

পীর হাবিবের দাবী গুজব রটিয়ে আমার বাসায় তারা হামলা চালিয়েছে

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানের উত্তরার বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নেয়। এই ঘটনায় রাতেই কয়েকজন হামলাকারীকে আটক করার তথ্য পাওয়া গেছে। উত্তরার-৪ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর সড়কের ৬তলা একটি ভবনের পঞ্চম তলায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকেন সাংবাদিক পীর হাবিব।তিনি দাবী করছেন গুজব রটিয়ে আমার বাসায় তারা হামলা চালিয়েছে,

জানা গেছে, গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরের পর এক গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা জড়ো হয় পীর হাবিবের বাড়ির সামনে। পরে ওই গৃহকর্মীর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা ওই ভবনের মূল ফটকে ভেঙে ঢুকে পড়ে গাড়ি ভাংচুর করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ডিএমপির বিমানবন্দর জোনের সহকারী কমিশনার খন্দকার রেজাউল হাসান জানান, অসুস্থ ওই গৃহপরিচারিকাকে তার স্বজনরা এসে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের ধারণা হয়েছিল, তাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে। যে কারণে লোকজন জড়ো হয়ে হামলা চালায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলিও ছুড়তে হয়। পাশাপাশি টিয়ারসেল এবং লাঠিপেটা করতে হয়। সর্বশেষ স্থানীয় জনগণকে বোঝাতে ওই গৃহপরিচারিকাকে এনে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। এরপর রাতেই মেয়েটিকে বনানীতে তার এক আত্মীয়ের বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়। হামলার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পীর হাবিব জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ওই গৃহকর্মী হোম আইসোলেশনে ছিলেন। ফলে বাসায় কেউ ছিল না। পুলিশের উপস্থিতিতে গৃহপরিচারিকাকে চিৎকারের কারণ এবং তাকে নির্যাতন করা হয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। সে চলে যাবে বলে এ ধরনের আচরণ করেছে বলে জানায়। তাকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি বলেও সে পুলিশকে জানায়।

পীর হাবিব গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ওই গৃহকর্মী যার মাধ্যমে এসেছিল, তাকে ডেকে এনে তার কাছে তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এসময় পুলিশও উপস্থিত ছিল। স্থানীয়রা জানায়, ২০ বছর বয়সের ওই গৃহকর্মী দুপুরের পর জানালা দিয়ে ‘বাঁচাও-বাঁচাও’ চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। ওই গৃহকর্মী একটি ফুলের টবও মাটিতে ফেলেছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পীর হাবিবের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:  সুনামগঞ্জের প্রাচীন সংঘটন সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানা রব্বানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদের সঞ্চালনায় শুক্রবার(১৮,০৯,২০২০)উকিলপাড়াস্থ প্রেসক্লাবে সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয়।
সভা সিনিয়র সহ সভাপতি বিজন সেন রায় গঠনতন্ত্রে আলোকে কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় সকল সদস্য অংশ নিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের মতামত প্রকাশ করেন।
সভায় সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট শাহানা রব্বানী, সিনিয়র সহসভাপতি পদে বিজন সেন রায়, সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদ, নির্বাহী সদস্য পদে রওনক বখত, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি, দপ্তর সম্পপাদক পদে শহীদ নূর আহমেদকে বীনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হন।
অন্যান্য ১০পদে নির্ববাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সহ-সভাপতি পদে মাহবুবুর রহমান পীর ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী  মিজানুর রহমান ১০ ও আল হেলাল পান ৩ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক পদে আমিনুল হক ১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী  সেলিম আহমদ পান ৯ ও হিমাদ্রী শেখর ভদ্র পান ৪ ভোট। কোষাধক্ষ পদে ১৫ ভোপ পেয়ে বিজয়ী হন ফোয়াদ মনি, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী একে কুদরত পাশা পান ১০ ও জসিম উদ্দিন পান ৭ ভোট।  ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন সিরাজুুুল ইসলাম শ্যামল, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী  শাহাব উদ্দিন পান ১২ ভোট, সদস্য পদে ২৪ ভোট পেয়ে মাসুুুম হেলাল, বিশ্বজিৎ সেন পাপন, ২১ ভোট পেয়ে অরুণ চক্রবর্তী ও ফরিদ মিয়া নির্বাচিত হন তাদের তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী  তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ ১৮ভোট।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট শাহানা রব্বানী, সিনিয়র সহসভাপতি পদে বিজন সেন রায়, সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদ।
নির্বাচন শেষে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট শাহানা রব্বানী জন্ম দিনের কেক কাটেন প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য,সুনামগঞ্জ জেলার উকিলপাড়াস্থ সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব সরকার অনুমোদিত ও রেজিষ্ট্রেশন ভুক্ত। ১৯৬২ সালে যা গঠিত হয়। যার এক মাত্র কার্যালয় শহরের উকিল পাড়ায়।

নড়াইল প্রাতিনিধি: কোন মাদক ব্যাবসায়ি ,মাদক সেবী বা এর সাথে জড়িতদের স্থান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে হবে না- নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান। রবিবার লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস।
সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক মোঃ আলা মুন্সির সভাপতিত্বে, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী সদস্য এস,এম কামাল হোসেন, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি , জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী সদস্য মোঃ আমিরুল আলম মিলন,পারভীন জাহান কল্পনা, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, সাবেক জেলা সম্পাদক অ্যাডঃ সৈয়দ মোহম্মদ আলী, লোহাগড়া পৌর মেয়র মোঃ আশরাফুল আলম, নড়াইল পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস।
জেলা আওয়ামীলীগ,লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের সবধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথকে

আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি স্বীকার করেছেন পংকজ দেবনাথও। একদিন আগে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় মোল্লা মো. কাওছারকে।

উল্লেখ্য, আগামী ১৬ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত  হবার কথা রয়েছে।


সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টার:দীর্ঘ ১৪ বছর পর আজ ১৩ অক্টোবর বহুল প্রত্যাশীত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা আ’লীগের কাউন্সিলে সভাপতি পদে অর্ধেন্দু কুমার দেব বেভুল,সম্পাদক পদে সহিদ হোসেন ইকবাল সর্ব সম্মতিতে নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মেলনের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় শ্রীমঙ্গল শহরের পুরান বাজারে।সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে প্রথম পর্ব শেষ হয় বেলা ৩ টায়।
তারপর মধ্যাহ্ন বিরতির পর সম্মেলনের ২য় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম শ্রীমঙ্গলে।বেলা সাড়ে ৩ টায় শুরু হয় ২য় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা।
দলীয় সুত্রে জানা গেছে ২য় অধিবেশনের সম্মেলনে সকল কাউন্সিলরদের সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছে অর্ধেন্দু কুমার দেব বেভুল এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সহিদ হোসেন ইকবাল। অপর দিকে  সাধারণ সম্পাদক পদে পদপ্রার্থী  সহ-সভাপতি পদে ইউসুফ আলী নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য,সর্বশেষ ২০০৫ সালে অনুমোদিত উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।তারপর থেকে দীর্ঘ ১ যুগেরও বেশী সময় ধরে সম্মেলন হয়নি এই কমিটির।বহু আগেই মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় এই কমিটির।তবে নানান জটিলতা ও অন্যান্য কারণে দীর্ঘ ১৪ বছর ভারপ্রাপ্তদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছিলো উপজেলা আওয়ামীলীগের এই কমিটি।
এবারের সম্মেলনে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়নের ৩১ জন করে মোট ৩১০ জন ভোটার উপস্থিত ছিলেন। গত উপজেলা কমিটি ছিলো ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট।বিগত ১৪ বছরে ১৯ জনের প্রবাসে চলে যাওয়া এবং মৃত্যু হওয়ায় এই কমিটির ভোটার ছিলো ৪৮ জন।

সাদিক আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার : দীর্ঘ ১৪ বছর পর আগামীকাল রাত পোহালেই ১৩ অক্টোবর রোজ রোববার বহুল প্রত্যাশীত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।এতে তৃণমূল নেতৃত্বের আকাংখা পূরণ হবে এমন আশা করছেন রাজনৈতিক সচেতন মহল।
শ্রীমঙ্গলে সর্বশেষ ২০০৫ সালে অনুমোদিত উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।তারপর থেকে দীর্ঘ ১ যুগেরও বেশী সময় ধরে সম্মেলন হয়নি এই কমিটির।বহু আগেই মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় এই কমিটির।তবে নানান জটিলতা ও অন্যান্য কারণে দীর্ঘ ১৪ বছর ভারপ্রাপ্তদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছিলো উপজেলা আওয়ামীলীগের এই কমিটি।
তবে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে দীর্ঘ ১ যুগ পর আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সম্মেলন।ইতোমধ্যে সম্মেলনকে সফল করার জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদ।সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এই প্রস্তুতি পরিষদের ৪ টি উপ-পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পড়েছে উৎসবের রব।পুরো শ্রীমঙ্গল জুড়ে ছেয়ে গেছে ব্যানার ফেস্টুনে।নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী পদ পাবার আশায় দৌড়ঝাঁপের শেষ পর্যায়ে প্রার্থীরা।রাজনীতির তৃণমূলের মাঠ থেকে শুরু করে দলীয় বড় নেতাকর্মীদের সংস্পর্শে এসে নিজের অবস্থান শক্ত করতে শেষ মুহুর্তের ব্যস্ততায় সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা।
এদিকে দীর্ঘ ১৪ বছর সম্মেলন না হওয়ায় ঝিমিয়ে পড়েছিল উপজেলা আওয়ামীলীগের এই কমিটিটি।অভিভাবকহীন এই কমিটির অবশেষে স্বপ্নের সেই সম্মেলন বাস্তবে রূপ নেয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যও বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাণ ফিরে পাবে নৌকার ঘাটি বলে পরিচিত শ্রীমঙ্গল উপজেলা।
দলীয় সুত্রে জানা যায়,সম্মেলনে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়নের ৩১ জন করে মোট ৩১০ জন ভোটার রয়েছে।এছাড়া উপজেলা কমিটি ছিলো ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট।বিগত ১৪ বছরে ১৯ জনের প্রবাসে চলে যাওয়া এবং মৃত্যু হওয়ায় এই কমিটির বর্তমান ৪৮ জন ভোটার রয়েছেন।এছাড়া বিগত নির্বাচনগুলোতে নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেছেন এমন ১৫ জন কাউন্সিলরও ভোট দিতে পারবেন।
দলীয় সুত্রে আরো জানা যায়,কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের পছন্দ ও নির্বাচিত প্রার্থীদের যদি সকল পদ প্রত্যাশীরা ও তৃণমূল সমঝোতার মাধ্যমে মেনে নেয় তবে ভোটাভুটি হবে না।আর যদি সমঝোতা না হয় তবেই ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবেন।
এদিকে আসন্ন সম্মেলনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ৬ জন করে মোট ১২ জন লড়বেন।
সভাপতি পদ প্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ:
মো: আছকির মিয়া, এম এ মান্নান, রণধীর কুমার দেব, শমসের খাঁন, অর্ধেন্দু কুমার দেব বেভুল, আবু শহিদ মো:আব্দুল্লাহ।
সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ:
মো: ইউসুফ আলী, শহীদ হোসেন ইকবাল, আকরাম খাঁন, শেখ মো: উপরু মিয়া, ছালিক আহমদ, তোফাজ্জল হোসেন ফয়েজ।
সভাপতি পদ প্রার্থীঃ 
 
১) আলহাজ্জ মো: আছকির মিয়া: বীর মুক্তিযোদ্ধা আছকির মিয়া আওয়ামীলীগের একজন নিবেদিত প্রাণ।আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে তার তুলনা কেবল তিনি নিজেই।আওয়ামীলীগে সুসময়ে যেমন দলের সাথে আছেন ঠিক তেমনি দুঃসময়েও দলের পাশেই থেকেছেন ছায়ার মতো।জনতা পার্টির রাজনীতি দিয়ে শুরু করা আছকির মিয়া হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের রাজনীতিতে একসময় বিশ্বাসী ছিলেন।জাতীয় পার্টি থেকে তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার চেয়ারম্যান হোন।পরে একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতি বাদ দিয়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং বর্তমানে আওয়ামীলীগের অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও ত্যাগী নেতা হিসেবে সমাদৃত তিনি।
২) এম এ মান্নান: পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আছেন বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান। তিনিও আওয়ামীলীগের অন্যতম একজন নেতা।এম এ মান্নান শ্রীমঙ্গল মুক্তিযোদ্ধা  সংসদের সাবেক কমান্ডার ছিলেন।তিনি ৩নং শ্রীমংগল ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।এছাড়া বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।প্রবীণ ও আওয়ামী পরিবারের একজন বিশ্বস্থ নেতা হিসেবে বেশ খ্যাতি আছে এম এ মান্নানের।পুরো শ্রীমঙ্গল জুড়েই বেশ সুপরিচিত তিনি তৃণমূলের কাছে।

৩) অর্ধেন্দু কুমার বেভুল: সাবেক ছাত্র নেতা,বর্তমান শ্রীমঙ্গল পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক  অর্ধেন্দু কুমার বেভুল আওয়ামীলীগের অন্যতম আরেকজন নিবেদিত প্রাণ। সদালাপী এই নেতা প্রচার বিমুখ হলেও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতাদের মধ্যে তিনি একজন।

৪) শমসের খান:আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রবীণ নেতাদের মধ্যে অন্যতম শমসের খান।বলা হয়ে থাকে শমসের খান নেতা হওয়া স্বত্বেও খুবই প্রচার বিমুখ।আওয়ামী পরিবারের রাজনীতিবিদ হিসেবে অত্যন্ত ক্লীন ইমেজের এই নেতা।সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বে আছেন।আওয়ামী রাজনীতির প্রতি বিশ্বস্ত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে বেশ কদর রয়েছে তার।
৫)আলহাজ্ব আবু সহিদ আব্দুল্লাহ: তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা,সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা,শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তি আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ নেতৃবৃন্দের একজন।
৬) রনধীর কুমার দেব:আওয়ামী রাজনীতিতে রণধীর কুমার দেব নামটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।রাজনীতি জীবনের শুরু থেকেই অদ্যবদী তিনি আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।রণধীর কুমার দেব ৯ নং সাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদেরর সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি বর্তমান শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।তিনিই একমাত্র চেয়ারম্যান যিনি টানা তৃতীয় মেয়াদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক।
সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী:
১) মো: ইউসুফ আলী: তিনি আওয়ামীলীগ শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।অত্যন্ত ন্যায় নিষ্ঠাবান ও বিচারিক হিসেবে মো: ইউসুফ আলী শ্রীমঙ্গলে সুপরিচিত।৭৫ পরবর্তী দলের ত্যাগী এই নেতা।
২) শহীদ হোসেন ইকবাল: তিনি শ্রীমঙ্গলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
৩) শেখ মো: উপরু মিয়া: ৫ নং কালপুর ইউপি আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো: উপরু মিয়া,বর্তমান কালাপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছেন। তিনি ও একজন আওয়ামী পরিবারের নিবেদিত প্রাণ।
৪) তোফাজ্জল হোসেন ফয়েজ: সাবেক এই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বর্তমান মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি।
৫) আকরাম খাঁন: সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আকরাম খাঁন বর্তমানে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে আছেন।
৬) ছালিক আহমদ: তিনি বর্তমান উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। যুবকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এই যুব নেতা।
 
শ্রীমঙ্গল উপজেলা আ’লীগের নেতৃত্বে ১৫বছর পর প্রাণচাঞ্চল্য তবে শেষ মুহুর্তে কারা আসছে এবারের উপজেলা কমিটিতে,কারা দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে বঙ্গ বন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে তা আগামীকালই নির্ধারণ হবে যা এখন শুধু কিছুটা সময়ের ব্যাপার।
উল্লেখ্য তৃণমূল আওয়ামীলীগের অনেকেই আমার সিলেটের প্রতিবেদকের মাধ্যমে মরহুম সাবেক সভাপতি এম এ মনিরসহ যারা এখন আর বেঁচে নেই অথচ জীবনের মল্যবান সময় পার্টির কাজে ব্যায় করেছে তাদেরকে যেন যথাযত মুল্যায়ন করেন দলের নতুন নেতৃত্বে যারা আসবেন তাদের প্রতি এই দাবী অনেকের।
এ ছাড়া কমিটিতে কারা আসছে, আসতে পারে বা আশা প্রয়োজন তা নিয়ে নানা আলোচনা পর্যালোচনায় সরব হয়ে উঠেছে নেতা কর্মিরা। তৃন মুলের সাধারন কর্মিরা মনে করেন গনতান্ত্রিক ভাবে ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন হলে যোগ্য নেতৃত্ব আসবে।

ফ্রান্স-বাংলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।  বুধবার (৩ এপ্রিল ২০১৯) বিকেলে প্যারিসের বাংলা ভিশন ব্যুরো অফিসে বিলুপ্ত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ দ্বীপের সভাপতিত্বে এবং  মোহা. আব্দুল মালেক হিমুর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়া, প্রবাসে বাংলার সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম, ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন সেলিম, বাসুদেব গোস্বামী, জামিল আহমদ সাহেদ প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এটিএন বাংলার ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়াকে সভাপতি এবং এসএ টিভির ফ্রান্স প্রতিনিধি মোহা. আব্দুল মালেক হিমুকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
এছাড়াও সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক অপু আলম, সহ-সভাপতি কানাইঘাট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি দেলওয়ার হোসেন সেলিম নির্বাচিত হন। সাবেক আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ কে নতুন কমিটির ১নং সদস্য করা হয়। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ফ্রান্স-বাংলা প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা ঘোষণা করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।প্রেস বার্তা

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসতে সম্মত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।

এরপর রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি টেলিফোন করেছেন। রাত ৮টার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুকে তিনি ফোন করেন।সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একটি অনুষ্ঠানে ঐক্যফ্রন্ট এর সাথে  সংলাপের ব্যাপারে বলেন “রাজনীতিতে সুবাতাস বইছে”।

এ বিষয়ে মোস্তফা মহসিন মন্টু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ফোনে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের কতজনের প্রতিনিধি দল অংশ নেবে তিনি জানতে চেয়েছেন। আমি ১৫/২০ জনের প্রতিনিধি দলের কথা বলেছি। সংলাপ কখন হবে তা নির্ভর করবে দু দিকের আলোচনার উপর।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ “শিল্প-সংস্কৃতি-সংগ্রাম, আমাদের যুদ্ধ অবিরাম” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠি কমলগঞ্জ উপজেলা সংসদের চতুর্দশ সম্মেলন সোমবার দুপুর ১টায় কমলগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন  শেষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
উদীচী কমলগঞ্জ শাখার সভাপতি অধ্যাপক মঞ্জুশ্রী রায়ের সভাপতিত্বে ১ম পর্বের আলোচনা সভায় অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী মৌলভীবাজার জেলা সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গণসঙ্গীত শিল্পী মীর ইউসুফ, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আহমেদ আফরোজ, লেখক-গবেষক আহমদ সিরাজ, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিংহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী হাজী জয়নাল আবেদীন, কমলগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী সালাউদ্দিন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারীনেত্রী বিলকিস বেগম, প্রধান শিক্ষক বীরেন্দ্র চন্দ, মণিপুরী ললিতকলা একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা প্রভাস সিংহ, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ, কমলগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এস, এ, চৌধুরী, শিক্ষক ভূবন মোহন সিংহ, সাংবাদিক শাব্বির এলাহী, কমলকুঁড়ি সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, সংস্কৃতিকর্মী রঞ্জিত অধিকারী, মোনায়েম খান প্রমুখ।
সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠি কমলগঞ্জ উপজেলা শাখা সংসদের শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলন শেষে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যাপক মঞ্জশ্রী রায়কে পূণরায় সভাপতি ও সাংবাদিক শাব্বির এলাহীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কমলগঞ্জ উপজেলা শাখা সংসদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সন্ধ্যায় নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি ও শপথ বাক্য পাঠ করান উদীচী মৌলভীবাজার জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গণসঙ্গীত শিল্পী মীর ইউসুফ।
আলোচনা সভায় বক্তারা এ সময় বলেন,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য এ দেশে জঙ্গীবাদ, মৌলবাদের উত্থান রোধে প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান। গণমানুষের সংস্কৃতির চেতনা উদীচী জন্ম থেকেই বহন করে চলছে এবং চলবে।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সাংস্কৃতিক পর্যায়গুলো সঠিকভাবে চর্চা এবং বিকাশলাভ করেনি বলেই ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটেছে । সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে একমাত্র উদীচীই সেই ধারণাগুলো অনুসরণ করছে এবং আরো বেশি চর্চার মাধ্যমে একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে হবে।

ডেস্ক নিউজঃ দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে সম্পাদক পরিষদের সভা গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। সাইবার স্পেস ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা সম্পাদক পরিষদ সমর্থন করে সভায় তা তুলে ধরা হয়। তবে সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষরিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩-এর মতো বিতর্কিত ধারাগুলোকে মুক্ত সংবাদমাধ্যমের পরিপন্থী, বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরোধী এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে বিরোধ বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ।
এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপনে তিনজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর দেয়া সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় সভায় গভীর হতাশা ব্যক্ত করা হয়। সভাশেষে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগের কথা মন্ত্রিসভায় উত্থাপন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি সংশোধিত খসড়া প্রণয়নের ব্যাপারে তিনজন মন্ত্রীর দেয়া সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি রক্ষা না হওয়ায় সম্পাদক পরিষদ গভীর হতাশা প্রকাশ করছে।

সম্পাদক পরিষদ বিষয়টিকে তিনজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতিতে সংগঠনের আস্থা ও বিশ্বাসের লঙ্ঘন মনে করে। স্মর্তব্য, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর উদ্যোগে; যিনি প্রস্তাবিত আইন নিয়ে নতুন এক দফা আলোচনা শুরুর প্রতিশ্রুতি দেন এবং সম্পাদক পরিষদকে তাতে আমন্ত্রণ জানান। একই প্রতিশ্রুতি ওই সভায় আইনমন্ত্রী এবং তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও দেয়া হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি আলোচনা শুরুর একটি সুযোগ ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে প্রেসিডেন্ট সম্মতির মাধ্যমে হারিয়ে গেছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে।

সাংবিধানিক এখতিয়ারবলে প্রেসিডেন্ট বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠালে ওই আলোচনা হতে পারত।
সম্পাদক পরিষদ অচিরেই শুরু হতে যাওয়া বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি জানাচ্ছে। সম্পাদক পরিষদের মতে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিকে বাকস্বাধীনতার প্রতি গুরুতর হুমকি বিবেচনা করে সাংবাদিক ও নাগরিক সম্প্রদায় যে উদ্বেগ জানিয়েছে, তা নিরসনের এটাই শেষ সুযোগ।
সম্পাদক পরিষদের সভায় পুলিশি হস্তক্ষেপ ও খেয়াল-খুশিমতো গ্রেফতারের কবল থেকে বাকস্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের সুরক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করতে সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সম্পাদক পরিষদ তাদের অবস্থান এবং উদ্বেগ গণমাধ্যমকে জানানোর জন্য ১৩ অক্টোবর শনিবার বেলা ১২ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সম্পাদক পরিষদের পক্ষে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলা হয়, আমরা আগেও বলেছি এবং আবারো বলছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিকে আমরা ১. সংবিধানের ৩৯ (ক) ও (খ) ধারায় প্রদত্ত বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা; ২. আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জড়িয়ে থাকা মূল্যবোধ ও স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার; ৩. জাতিসংঘ সনদ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তিতে সুরক্ষিত গণতন্ত্র, মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা ও মৌলিক অধিকারের নীতি; এবং ৪. নৈতিক ও স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌল মূল্যবোধগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করছি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ,মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দীন, আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, করতোয়া সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক, দ্য ইনডিপেনডেন্ট সম্পাদক এম শামসুর রহমান, সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনিরুজ্জামান, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, বনিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপেসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শহীদুজ্জামান খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নাইম নিজাম।

“সৈয়দ শাহাব উদ্দীন সভাপতি,হাজী কামাল হোসেন সাধারণ সম্পাদকসহ নব-নির্বাচিত সকলকে শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন”

হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।গোপন ভোটের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের সৈয়দ শাহাব উদ্দীনকে সভাপতি ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাজী মোঃ কামাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন জাপার দলীয় ভোটাররা ৷
গত কাল বৃহস্পতিবার (৩০) আগস্ট দুপুর ২ ঘটিকা থেকে রাত ৮ ঘটিকা পর্যন্ত মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউজে গোপন ব্যালেটের  মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।সৈয়দ শাহাব উদ্দীন সভাপতি পদে  ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং নিকটতম প্রতিদন্ধী এ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম শামীম পেয়েছেন ১১ ভোট ও অপর সভাপতি প্রার্থী নূরুল হক পেয়েছেন ৩ ভোট।হাজী মোঃ কামাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদন্ধী মাহমুদুর রহমান পেয়েছেন ৭ ভোট ও অপর সাধারণ সম্পাদক প্রাথী আহমদ রিয়াজ পেয়েছেন ২ ভোট।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাপার মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার, সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় জাতীয় পার্টির এমপি ইয়াহিয়া ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ।

মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় পার্টির নব-নির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে “শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থকে অভিনন্দন জানিয়েছেন “।শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আনিছুল ইসলাম আশরাফী,সম্পাদক মনসুর আহমদ, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল মজিদ ও যুগ্ন সম্পাদক হৃদয় দাস শুভ এক যৌথ বার্তায় নব-নির্বাচিত জাতীয় পার্টির মৌলভীবাজার জেলা নেতৃবৃন্দদেরকে কল্যাণকর রাজনীতির মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহবান জানান।

২৯ অাগস্ট ২০১৮: পাবনা থেকে প্রচারিত অনলাইন পোর্টাল ‘দৈনিক জাগ্রত বাংলা’র সম্পাদক ও প্রকাশক এবং আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের রাধানগর মজুমদারপাড়া এলাকায় সুবর্ণার ঘরে তাকে খুন করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পৌর সদরের রাধানগর মহল্লায় আলীয়া মাদরাসার পশ্চিম পাশের একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন সুবর্ণা।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান বলেন, “বাসার কলিং বেল টিপে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডেকে বের করে। সুবর্ণা নদী গেইট খোলার সাথে সাথে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।”

স্থানীয়রা গুরুতর আহত সুবর্ণাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান। সুবর্ণাকে কারা খুন করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শামিমা আকতারসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা। গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে সুবর্ণা নদী হত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে আমাদের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছেন প্রকৃত ঘটনা উদ্ধারের জন্য।”

জানা গেছে,সুবর্ণা নদীর ৫-৬ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। পাবনার এক ব্যবসায়ীর ছেলে রাজিব ছিলেন সুবর্ণার স্বামী। সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদ হয়। এনিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলছে বলে স্থানীয়রা জানান। সুবর্ণা হত্যার ঘটনায় পাবনায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী বাবলা বলেন, “প্রত্যক্ষদর্শীরা আমাদের জানিয়েছেন, ১০/১২ জন সন্ত্রাসী কয়েকটি মোটর সাইকেলে এসে তাকে কুপিয়ে দ্রুতবেগে চলে যায়। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি আওয়াল কবির জয় সাংবাদিক সুবর্ণা খুনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আনিসুল ইসলাম আশরাফী ও সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর আহমদ সাংবাদিক ও সম্পাদক সুবর্ণা আক্তার নদীকে খুনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। খুনি সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও করেছেন তারা।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবীণ সাংবাদিক গোলাম সারোয়ারের মৃত্যুতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শহরের হবিগঞ্জরোডস্থ নিউজ কর্ণারে আয়োজিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার ইমজা (ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ ফারুক মিল্লাদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, দৈনিক সমকাল পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি শামীম আক্তার হোসেন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার দে, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক সুমন বৈদ্য, বাংলাটিভির প্রতিনিধি বিক্রমজিত বর্ধন, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি এস কে দাশ সুমন প্রমুখ।

শোকসভায় গোলাম সারোয়ারের আত্মার মাগফেরাত করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। শোকসভায় বক্তারা গোলাম সারোয়ারের দীর্ঘ কর্মজীবনের আলোকউজ্জ্বল দিক গুলো তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।

ডেস্ক নিউজঃ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দেশবরেণ্য সাংবাদিক, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি এবং প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক সফল সাংবাদিকের জীবনের সমাপ্তি ঘটল। নিভে গেল এদেশের সাংবাদিকতার উজ্জ্বল বাতিঘর।

গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পৃথক শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে সমকালের প্রকাশক এ. কে. আজাদসহ সমকাল পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। সহকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

৭৫ বছর বয়সী গোলাম সারওয়ার মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সমকাল পরিবার সুত্রে জানা গেছে,সোমবার দুপুরের পর থেকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন গোলাম সারওয়ারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। বিকেল ৫টায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় তাকে। তখন চিকিৎসকরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছিলেন। রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করে।

জুড়ী (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতাঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কামিনীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গত শুক্রবার স্থানীয় মদিনা কমিউনিটি সেন্টারে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আম্বিয়া

জায়ফরনগর ইউ.পি চেয়ারম্যান হাজী মোঃ মাছুম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জুড়ী উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মনি, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা দূর্নিতী প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ তাজুল ইসলাম, পূর্ব জুড়ী ইউ.পি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমেদ, আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ সাজু, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাকির আহমেদ কালা, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

পরে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মেসার্স কামাল ট্রেডার্স এর স্বত্তাধিকারী হাজী কামাল উদ্দিনকে সভাপতি, মেসার্স হাজী আব্দুস শহীদ গ্লোসারী সপের স্বত্তাধীকারী মোঃ নূরুল আম্বিয়াকে সাধারন সম্পাদক মনোনীত করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ঘোষনা করা হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc