Wednesday 21st of October 2020 04:19:40 AM

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী মোঃ আব্দুল হালিম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (১২সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। আব্দুল হালিম পৌর শহরের কাজীরগাঁও এলাকার  বাসিন্দা ।

মোঃ আব্দুল হালিম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।আব্দুল হালিমের মৃত্যুতে ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে তার মাগফেরাত কামনা করে বলেন হালিম ভাই খুব ভালো মানুষ ছিলেন।

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:  নওগাঁর আত্রাইয়ে প্রেমের টানে প্রেমিকার ঘরে গিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামি হয়ে এখন শ্রী ঘরে এক বালক। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১ টার দিকে উপজেলার বাঁকিওলমা গ্রামে।
জানা যায়, ওই গ্রামের নূরুল ইসলামের মেয়ে নবাবেরতাম্বু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রীর সাথে বেশ কিছু দিন পূর্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র বিপ্রবোয়ালিয়া গ্রামের প্রবাসী আমান খলিফার ছেলে তারিকুল ইসলাম (১৬)।
এদিকে প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কিশোরী মেয়ের সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে তারিকুল। এরই এক পর্যায় গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে তারিকুল ওই মেয়ের বাড়িতে গিয়ে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক মেয়ের সাথে দৈহিক মেলামেশা করে। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে দিনভর বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা এবং রফাদফা করতে ব্যার্থ হওয়ায় অবশেষে পুলিশকে সংবাদ দিলে শনিবার বিকেলে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
আত্রাই থানার ওসি (তদন্ত) মোজাম্মেল হক বলেন, এ ব্যাপারে মেয়ের মা আমেনা বেগম বাদি হয়ে আত্রাই থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করেছেন। এ মামলার ভিত্তিতে আমরা মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরন করেছি। রোববার প্রেমিক আসামি তারিকুলকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পিন্টু অধিকারি মাধবপুর  (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের মাধবপুরে নাদিয়াতুল জান্নাত নামে ৬ষ্ট শ্রেণীর এক ছাত্রীর  ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। ১১ জুলাই শনিবার বিকালে মাধবপুর উপজেলা উত্তর শাহপুর নতুন বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্বার করা হয়। সে ডাঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্র।
নাসিরনগর উপজেলার গুকর্ন  গ্রামের  হাসানুজ্জামানের মেয়ে। হাসানুজ্জামানও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার  মাধবপুর উপজেলার শাহপুর নতুন বাজার এলাকায় একটি কোম্পানীতে  কাজ করেন। এ সুবাদে  স্থানীয় সিরাজ মিয়ার বাড়িতে প্রায় দু বছর যাবত ভাড়া থাকেন।  শনিবার সকালে  মা ও বাবা কর্মস্থলে  চলে যান।  বিকালে এসে দেখে ঘরের ভিতর থেকে বন্ধ। সারা শব্দ না পেয়ে  ঘরের পাক দিয়ে  দেখতে পান  মেয়ে  জান্নাতের ঝুলন্ত লাশ।
খবর পেয়ে মাধবপুর থানার উপ পরির্দশক ইসমাইল  হোসেন ভুইয়া  তার লাশ উদ্ধার করে  ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। মেয়ের মা পুলিশ কে জানান তার মেয়ের কিছুটা মানুষিক সমস্যা ছিল।  তবে এ মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন দেখা দিয়েছে। মাধবপুর থানার ওসি তদন্ত  গোলাম দস্তগীর আহমেদ  জানান বিষয় টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ময়না তদন্ত রিপোর্ট  আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

“২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও আদালতে অপরাধীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান”

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: গত কাল মঙ্গলবার (১৪-০১-২০২০) সকাল অনুমান সাড়ে ১০ ঘটিকায় শ্রীমঙ্গল থানাধীন বধ্যভূমি ৭১ এর পাশে ভাড়াউড়া চা বাগানের ভিতরে কড়ই গাছ এর সাথে কালো রঙের চাদর দিয়ে গলায় বাঁধা অবস্থায় একটা ছেলের লাশ পাওয়া যায় লাশের সার্বিক অবস্থা দেখে বুঝা যায় তাকে খুন করে গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান এর নেতৃত্বে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুস সালেক পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ সোহেল রানা, পুলিশ পরিদর্শক অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং নয়ন, এসআই মোঃ আব্দুল মালিক পিপিএম, এসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন,এ এসআই এনামুল হক এএসআই বাসুকান্তী দাস ও একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্তকরণে মৃতদেহের সাথে থাকা চাদর ও ব্যবহারকারী এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হয়। পরে শ্রীমঙ্গল শহরের সিন্দুরখান রোড, স্টেশন রোড, মৌলভীবাজার রোডে অভিযান পরিচালনা করে স্টেশন রোড এলাকা থেকে সাব্বির মিয়া এবং খাসগাও এলাকা থেকে ফয়সাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। জবানবন্দি অনুযায়ী জানা যায় ভিকটিম মোঃ ইব্রাহিম মিয়া রকির সাথে সাব্বির (১৭) মিয়া পিতা আবুল মিয়া সাং জয়নগর ১ নং লোকরা ইউপি থানা ও জেলা হবিগঞ্জ বর্তমান পশ্চিমগাঁও সিন্দুরখান রোড শ্রীমঙ্গল পরস্পরের বন্ধু ছিল। বিগত এক মাস পূর্বে ভিকটিম মোহাম্মদ ইব্রাহিম রকি ও সাব্বির মিয়া দুজনের মধ্যে সিনিয়র জুনিয়র নিয়ে ঝগড়া বাধে। এরপর হইতে সাব্বির মিয়া প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকে। ঘটনার পর থেকে গত একমাস যাবত তাদের দুজনের মধ্যে কোন যোগাযোগ ছিল না।
অবশেষে গত সোমবার (১৩-০১-২০২০) সন্ধ্যা ছয়টার সময় ইব্রাহীম মিয়া রকি কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে সেই মোতাবেক সাব্বির তাহার আরেক বন্ধু মোঃ ফয়সাল মিয়াকে নিয়ে শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোডে একত্রিত হয়। রাত অনুমান সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় সাব্বির মিয়া ইব্রাহিম মিয়াকে ফোন করিলে ভিকটিম রকি জানাই সে রেলগেটে আছে, সাব্বির মিয়া ও ফয়সাল মিয়া শ্রীমঙ্গল ভানুগাছ রোডস্থ রেল গেটে গিয়ে ভিকটিম মোঃ ইব্রাহিম মিয়া রকিকে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে দক্ষিণ ভাড়াউড়া চা বাগানে নিয়ে সাব্বির মিয়া মুখে হাত দিয়ে চেপে ধরে মাটিতে শুয়ে দেয়। সাথে সাথে ফয়সাল মিয়া সাব্বির মিয়া ভিকটিমের হাতে ধরে। মুখে রেকসিন সদৃশ্য স্কচস্টেপ দিয়ে মুখে ও গলায় পেচিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ভিকটিমের গলায় হাত দিয়ে চেপে ধরে বুকের উপরে বসে থাকে। তখন ভিক্টিমের পা চেপে ধরে রাখে ভিকটিম রকি। নিস্তেজ হওয়ার পর তারা দুইজন মিলে ভিকটিমের জ্যাকেটের সাহায্যে টেনে অনুমান ৭/৮ হাত দূরে অবস্থিত করই গাছের সাথে সাব্বির মিয়ার কালো রঙের চাদর দুইভাগ করে এবং ভিকটিমের পরিহিত প্যান্টের বেল্ট গলায় পেঁচিয়ে বেঁধে রাখে। পরে তারা ২জনে বাড়িতে চলে আসে এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার মামলা নং ২২ তারিখ ১৫-০১-২০২০ খ্রিস্টাব্দে ধারা ৩০২/৩৪পেনাল কোড করা হয়েছে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করিলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে শ্রীমঙ্গল পুলিশ আমার সিলেট কে জানান। 

 

পুর্বের নিউজ লিংকঃ-

শ্রীমঙ্গলে ছাত্র হত্যা কাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক ২বন্ধু

শ্রীমঙ্গল থেকে এক নবম শ্রেণির ছাত্রের লাশ উদ্ধার

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮নভেম্বর,এম ওসমানঃ যশোরের শার্শায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষনের স্বীকার হয়েছে। সে উপজেলার বড় মান্দারতলা গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে (১০) ও বড় মান্দারতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তাকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় শার্শা উপজলার বড় মান্দারতলা গ্রামের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীর বাড়ী থেকে বাড়ীতে ফেরার সময় প্রতিবেশী মৃত: ইব্রাহীম এর লম্পট ছেলে শুকুর আলী শিশুটিকে মুখ চেপেধরে পাশে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে বাড়ী থেকে তার মা ছুটে আসছে বুঝতে পেরে লম্পট ইব্রাহিম পালিয়ে যায়।
শিশুটির মা মাছুরা খাতুন জানান, আমার মেয়ের চিৎকার শুনে আমি ছুটে যেয়ে বাড়ীর পাশের বাগানে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ এসএম আক্তার ফারুক জানান, শিশুটির অবস্থা খুব খারাপ। অতিরিক্ত রক্ত খরন হওয়ার কারনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মশিউর রহমান জানান, ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে এসআই মামুন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনা স্থলে পাঠানো হলে সেখানে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক শুকুর আলীকে আটক করা হয়েছে। এবং এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং ১৫। আটককৃত আসামীকে বুধবার সকালে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫মার্চ,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর: জৈন্তাপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী পিয়াঙ্কা বিশ্বাস(১৪) ফাঁস দিয়ে আত্ম হত্যার করেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- গতকাল ১৫ মার্চ বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় হতে লাে র সময় বাড়ী যায় সারীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী পিয়াঙ্কা বিশ্বাস(১৪)। দুপুর সাড়ে ১২টায় বাড়ী ফিরার পথে বিদ্যালয় সংলগ্ন বাড়ীতে প্রবেশ করে গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সে জৈন্তাপুর উপজেলার ছৈলাখেল গ্রামের নিপুল বিশ্বাসের মেয়ে। এলাকাবাসীর ধারনা প্রেম ঘটিত কারনে সে আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিয়েছে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেদককে জানান- প্রতিদিনের ন্যায় বিদ্যালয় হতে মেয়েটি দুপুরের ছুটিতে খাওয়ার জন্য বের হয়। কিছুক্ষনের মধ্যে খবর আসে সে বিদ্যালয় সংলগ্ন বাড়ীতে গাছের সাথে ফাঁস লেগেছে। এলাকাবাসী সহ বিদ্যালয়ের লোকজন তাকে দ্রুত জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃতদেহ জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সফিউল কবির বলেন- ঘটনার সংবাদ পেয়েছি এবং আমি জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিষয়টি খোঁজ খবর নেবেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc