Friday 4th of December 2020 05:31:32 AM

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বাগানে ও বাড়ির উঠানের লিচু গাছের শাখায় ঝুলছে থোকায় থোকায় লিচু। প্রতিটি গাছে শোভা পাচ্ছে থোকায় থোকায় লিচু। মিষ্টি ও রসালো স্বাদ আর বৈশিষ্ট নিয়ে বিভিন্নজাতের লিচুর মধ্যে বেদানা, বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-৩সহ দেশি জাতের লিচুর ভারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডালপালা।

এখন আম-লিচুর ভারে ছেয়ে গেছে চারপাশের গাছগুলো। লিচুর ছড়িয়ে যাওয়া মৌ মৌ গন্ধের টানে মধু আহরণে গাছে গাছে ছোটাছুটিতে ব্যস্ত খুদে মাছি ও মৌমাছিরা। আত্রাইয়ে লিচুর আবাদ তেমন একটা না হলেও এবার লিচুর সঙ্গে সমপ্রতিযোগী হয়ে উঠেছে আম। লিচুর পাশাপাশি আমগাছজুড়ে দেখা দিয়েছে থোকায় থোকায় আম।

বর্তমানে চারপাশের লিচু ও আমগাছের পাতা ঢাকা পড়েছে রসলো লিচু ও আমের ভারে। এবারে উপজেলার লিচু ও আমের গাছ গুলোতে লিচুর ফলন ভালো হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আত্রাইয়ে লিচুর বাম্পার ফলন হবে মনেকরছেন কৃষি অধিদপ্তর। আম-লিচুগাছে ব্যাপক আকারে ফল দেখা দেওয়ার আগ থেকে ফলন ভালো পাওয়ার আশায় পরিচর্যা শুরু করেছেন স্থানীয় বাগানি ও চাষিরা। খড়া মৌসুমে বৃষ্টিপাত দেখা না দেওয়ায় সেচের মাধ্যমে লিচু-আমগাছের গড়ায় পানি সরবরাহ করছেন তারা।

কোনো ধরনের ছত্রাক বা রোগে আক্রান্ত না হয় এজন্য কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিচ্ছেন স্থানীয় লিচুও আম চাষিরা। আগামীতে ফলন উঠা পর্যন্ত গাছ ও ফলের পরিচর্যা কাজ চালিয়ে যাবেন তারা।

এ ব্যাপারে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের লিচু চাষি খন্দকার বাবু জানান, পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগ-বালাই থেকে গাছ ও লিচুর গুটিকে মুক্ত রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে বালাইনাশক। গত দুই সপ্তাহের বৃষ্টিপাতের কারণে ঠিক মতো বালাইনাশক দেওয়া সম্ভব হয়নি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী বালাইনাশক দেওয়া হচ্ছে।

নাটোর থেকে আগত মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর লিচুর মৌসুমে আত্রাইয়ে আসেন। এবার লিচুর ফলনও ভালো হয়েছে। আশা করছি, সব ঠিক থাকলে এ বছর বাণিজ্য ভালো হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন জানান, আত্রাই উপজেলাতে তেমন একটা লিচু উৎপাদন হয়না। তবে এখন দিন দিন লিচুর গাছ বাড়ছে। মুকুল ধরা থেকে ফল আসা ও ফল উঠা পর্যন্ত সব ধরনের পরিচর্যা কাজে কৃষিবিভাগের কর্মকর্তারা সহযোগীতা করবেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবার আমের পাশাপাশি লিচুর ফলন হবে।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: উত্তরজনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বাগানে ও বাড়ির উঠানের লিচু গাছের শাখায় ঝুলছে থোকায় থোকায় লিচু। প্রতিটি গাছে শোভা পাচ্ছে থোকায় থোকায় লিচু। মিষ্টি ও রসালো স্বাদ আর বৈশিষ্ট নিয়ে বিভিন্নজাতের লিচুর মধ্যে বেদানা, বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-৩সহ দেশি জাতের লিচুর ভারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডালপালা।

এখন আম-লিচুর ভারে ছেয়ে গেছে চারপাশের গাছগুলো। লিচুর ছড়িয়ে যাওয়া মৌ মৌ গন্ধের টানে মধু আহরণে গাছে গাছে ছোটাছুটিতে ব্যস্ত খুদে মাছি ও মৌমাছিরা। আত্রাইয়ে লিচুর আবাদ তেমন একটা না হলেও এবার লিচুর সঙ্গে সমপ্রতিযোগী হয়ে উঠেছে আম।

লিচুর পাশাপাশি আমগাছজুড়ে দেখা দিয়েছে থোকায় থোকায় আম। বর্তমানে চারপাশের লিচু ও আমগাছের পাতা ঢাকা পড়েছে রসলো লিচু ও আমের ভারে। এবাওে উপজেলার লিচু ও আমের গাছ গুলোতে লিচুর ফলন ভালো হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আত্রাইয়ে লিচুর বাম্পার ফলন হবে মনেকরছেন কৃষি অধিদপ্তর।

আম-লিচুগাছে ব্যাপক আকারে ফল দেখা দেওয়ার আগ থেকে ফলন ভালো পাওয়ার আশায় পরিচর্যা শুরু করেছেন স্থানীয় বাগানি ও চাষিরা। খড়া মৌসুমে বৃষ্টিপাত দেখা না দেওয়ায় সেচের মাধ্যমে লিচু-আমগাছের গড়ায় পানি সরবরাহ করছেন তারা। কোনো ধরনের ছত্রাক বা রোগে আক্রান্ত না হয় এজন্য কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিচ্ছেন স্থানীয় লিচু-আম চাষিরা। আগামীতে ফলন উঠা পর্যন্ত গাছ ও ফলের পরিচর্যা কাজ চালিয়ে যাবেন তারা।

এ ব্যাপারে উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের লিচু চাষি মো. বাবু খন্দকার জানান, পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগ-বালাই থেকে গাছ ও লিচুর গুটিকে মুক্ত রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে বালাইনাশক। গত দুই সপ্তাহের বৃষ্টিপাতের কারণে ঠিক মতো বালাইনাশক দেওয়া সম্ভব হয়নি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী বালাইনাশক দেওয়া হচ্ছে।

নাটোর থেকে আগত মৌসুমি ফল ব্যবসায়ী মো. শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর লিচুর মৌসুমে আত্রাইয়ে আসেন। এবার লিচুর ফলনও ভালো হয়েছে। আশা করছি, সব ঠিক থাকলে এ বছর বাণিজ্য ভালো হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন জানান, আত্রাই উপজেলাতে তেমন একটা লিচু উৎপাদন হয়না। তবে এখন দিন দিন লিচুর গাছ বাড়ছে। আমরা মুকুল ধরা থেকে ফল আসা ও ফল উঠা পর্যন্ত সব ধরনের পরিচর্যা কাজে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা সহযোগিতা করবেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবার আমের পাশাপাশি লিচুর ফলন হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৯মে,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার হাট-বাজারে পাকা আম না দেখা গেলেও উঠতে শুরু  করেছে আধাপাকা দেশি প্রজাতির লিচু। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বাজারে এসব লিচু বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। এদিকে লিচুর দাম কম থাকায় ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। এ মধুমাসে এখন গাছে গাছে লিচুর সমারোহ। পাকা লিচুর সুগন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন বাড়িতে ও বিভিন্ন লিচুর বাগানগুলো। মৌমাছিরাও লিচুর ঘ্রাণ নিতে বাগানে ভোঁ ভোঁ শব্দ করে এ ডাল থেকে ও ডালে উড়ে বেড়াচ্ছে। এ যেন মনমুগ্ধোকর এক দৃশ্য। রসে টুইটম্বর। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়, খেতে সুস্বাদু, আকারে গোলাকার, বাতাসের তালে, গাছের পাতার ফাঁকে লাল হয়ে দোলছে আর দোলছে। দেখে যেন জিভে জল এসে যায়।

উপজেলার গাছমালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ অ লের সুস্বাদু লিচু মধু বৈশাখের ১৫ থেকে শুরু হলেও জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথমেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন জাতের লিচু। দেশি প্রজাতির বোম্বে ও অন্যান্য লিচু বাজারে উঠার অপেক্ষায় রয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বাগান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর অতিমাত্রায় ঝড় বৃষ্টিপাতের কারণে বহু বাগানে লিচুর গুটি ঝরে যাওয়ার পরও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা চাষিদের। এ আশায় বাগানমালিক ও বাগান ক্রেতা ব্যবসায়ীরা প্রচুর পরিচর্যা করেছে। লিচুর ফুল ও মুকুল আসা শুরু থেকেই তাদের গাছের গোড়ায়, ডাল ও আগায় পানি দিতে হয়েছে। গাছের খাবার হিসেবে জৈব ও রাসায়নিক সার এবং ফলগাছের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ স্প্রে নিয়মিত করতে হয়েছে।

আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমবেশি লিচুর গাছ রয়েছে। এসব গাছে এখন ছেয়ে গেছে মাদ্রাজি, চায়না, বোম্বাই, কাঁঠালি আর দেশি জাতের লিচুতে। বিগত বছরগুলোয় বাগান মালিকরা লিচু চাষে ব্যাপক লাভবান হওয়ায় এবারও অনেকে নতুন বাগান তৈরি করেছেন।

তবে কালবৈশাখী ঝড়ে বাগানগুলোতে লিচুর প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। চাষিরা ক্ষতির আশঙ্কা করছে। মাঝখানে তীব্রখরায়  চায়না থ্রি, চায়না ফোর ও বোম্বে জাতের লিচু গাছে ফেটে গেছে। ফেটে যাওয়া রোধ করতে লিচু গাছে নিয়মিত পানি স্প্রে করেছিল চাষিরা।

জৈষ্ঠ মাসে প্রথম দিকে পর্যায়ক্রমে সব ধরনের লিচু বাজারে আসতে শুরু করেছে। সবশেষে চায়না ও দেশি জাতের কাঁঠালি লিচু বাজারে আসছে। দেশি কাঁঠালি লিচু ও আঁঠি লিচু বর্তমানে বাজারে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা ‘শ’ বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হয় চায়না থ্রি ও চায়না ফোর জাতের লিচু।

উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের মিরাপুর গ্রামের মো: মুমিনুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া মোটামুটি লিচুগাছের অনুকূলে রয়েছে। ঢাকা, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা আগাম বাগান কিনে রেখেছেন।

উপজেলার বজ্রপুর গ্রামের মো: রফিকুল ইসলাম জানান, গতবারের তুলনায় এবারে লিচু তার বাগানে অনেকটাই বেশি হয়েছে। বৃষ্টি ঝড় বেশি হওয়ায় ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তা বিষয়ে বর্তমানে সমস্যা নেই, তবে এবার আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।

এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম কাউছার হোসেন জানান, আত্রাই উপজেলায় তেমন একটা লিচুর বাগান নেই তবে দিন দিন বাড়ছে। তিনি আরো বলেন, গত বছরের তুলনায় এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় দিন দিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  লিচু চাষ বাড়ছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc