Friday 4th of December 2020 05:39:53 AM

পিন্টু অধিকারী,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  মাধবপুর বাজারগুলোতে আগাম শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। তবে বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

অসময়ে অতিবৃষ্টির প্রভাবে বাজারে সব ধরণের শাক-সবজির দামই বৃদ্ধি পাচ্ছে হু হু করে। সব রকম সবজিই কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। এক কথায় সবজির মূল্য নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাজারে আগাম শীতের সবজি সীম ও ফুলকপি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পাতাকপি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় বেড়েছে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা। আজ মঙ্গলবার তেলিয়াপাড়া, শাহপুর, নোয়াপাড়া, জগদীশপুরসহ বেশ কয়েকটি বাজার সরেজমিনে ঘুরে এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান বাজারে সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য আকাশছোঁয়া ।

কাঁচামালের মূল্য সপ্তাহের ব্যবধানে ২০/২৫ টাকা বেড়েছে। কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৫০/২৮০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। আলু ৪৫/৫০ টাকা, করলা ৮০/১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৮৫/৯০, কাকরুল ৫০/৫৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, দেশী টমেটো ৮০ টাকা, হাইব্রীড টমেটো ১২০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, দেশী আলু ৫৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ঝিঙা ৭০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, পটল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লালশাক ৫০, পুঁই শাক ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারের কাঁচামাল খুচরা বিক্রেতা সমিরন পাল জানান, দেশের সবজি উৎপাদনের স্থানে বন্যায় সবজি বাগান তলিযে যাওয়ার কারণে বাজারে সবজির আমদানি কম।

যে কারণে প্রতিদিন সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানি বৃদ্ধি পেলে বাজার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। নোয়াপাড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা করিম হোসেন বলেন, কৃষি ক্ষেত্র অনেক নষ্ট হওয়াতে সবজিগুলো বাজার আসে না। সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়তি চলছে। এলাকার সবজি বিভিন্ন পাইকারী বাজারে চলে যাচ্ছে। তাই সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা

নূরুজ্জামান ফারুকীঃ কুমিল্লায় চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পড়ে সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রী সম্ভ্রম রক্ষা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পদুয়া খামাচাড়া এলাকায় রবিবার দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন (৩৫) নামে এক সিএনজি চালককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে বিকালে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেন ব্রা‏হ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বাড়ানী গ্রামের মুকবল হোসেন মোহন মিয়ার ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন সিএনজি চালিত একটি অটোরিকশার মালিক ও চালক। রবিবার অটোরিকশাটি অন্যচালকের কাছে ভাড়া দিয়ে নিজে যাত্রীর আসনে বসে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদর থেকে থেকে চান্দলা গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উপজেলার ছোটধুশিয়া এলাকা থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে মাদরাসায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য ওই সিএনজিতে উঠে পেছনের খালি সিটে বসে। পাশের সিটে বসা ছিল বিল্লাল হোসেন। পথিমধ্যে পদুয়া খামাচাড়া এলাকায় পৌঁছলে একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন মাদরাসা ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করলে সে সম্ভ্রম রক্ষা করতে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

এ সময় স্থানীয় লোকজন সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ বিল্লাল হোসেনকে আটক করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি ব্রা‏হ্মণপাড়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, যাত্রীবেশে চালক বিল্লাল হোসেন সিএনজিতে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী করার কথা ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে স্বীকার করেছে। তাই তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ব্রা‏হ্মণপাড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নতুন আক্রান্ত-৭,নমুনা সংগ্রহ-২৬,আইসোলেসনে -২

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: জৈন্তাপুর উপজেলা কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার সরকারি-বেসরকারি ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, সেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলায় এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫জন। একই পরিবারের ৩জন সহ নতুন আক্রান্ত ৭জন, বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১জন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেসন ওয়ার্ডে ভর্তি ২জন, সুস্থ্য হয়ে বাড়ীতে অবস্থান করছে ১জন, মৃত্যুবরণ করছে ১জন। নতুন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৬জনের।
উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সূত্রে জানায়, কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসটি জৈন্তাপুর উপজেলায় ১৬ এপ্রিল প্রথমে ১জন পরিবহন শ্রমিকের শরীরে সনাক্ত হওয়ার পর হতে এখন পর্যন্ত সনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫জনে। বিশেষ করে ২২ মে হতে ক্রমাগত হারে আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্ত হতে চলছে নতুন নতুন করোনা আক্রান্ত রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হতে প্রকাশিত তালিকা সূত্রে জৈন্তাপুরে আরও ৭জন নতুন রোগী সনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন নিহত ইউপি সচিব মোঃ আবুল হোসেনের স্ত্রী ইমরানা বেগম(২৩), ১৯ মাসের শিশু সন্তান হাসান আহমদ আদিল, ছোট ভাই মোঃ কামরুল ইসলাম, এছাড়া জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার অফিসের প্রধান হিসাব সহকারী আলী আকবর, বিছনাটেক কমিউনিটি ক্লিনিক, দরবস্ত এর সিএইচসিপি মোঃ আতিকুল হক, উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় কর্তৃক মনোনিত সেচ্ছাসেবী সংগঠন বাতায়নের সেচ্ছাসেবক সাংবাদিক রাশেল আহমদ মাহফুজ একই সংগঠনের সেচ্ছাসেবী মোঃ সাজ উদ্দিন সাজু। তারমধ্যে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত আলী আকবর, সেলিম আহমদকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার প্রতিবেদককে জানান, আজ আমরা জৈন্তাপুর হতে ২৬জনের নমুনা সংগ্রহ করেছি। নতুন ২৬জনের নমুনা সহ মোট ১১৯জনের রেজাল্টের অপেক্ষায় আছি। আক্রান্ত ২জনকে আমাদের কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc