Tuesday 27th of October 2020 05:56:05 PM

নড়াইল প্রতিনিধি:  নড়াইল পৌর এলাকার উজিরপুর এলাকায় চার বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি, মিথ্যাচার ও হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগে দায়েরকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের ভুয়া কর্মকর্তা ও ‘টিম তারুণ্য-১০০’ এর প্রতিষ্ঠাতা রাসেল বিল্লাহকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার দুপুরে তাকে শহরের মহিষখোলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিকেলে সদর আমলী আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন বড়ালের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেন রাসেল বিল্লাহ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নড়াইল সদর থানার এসআই এনামুল হক জানান, দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দেয়ার পর রাসেল বিল্লালকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার মশিউর রহমান বাবু বাদী হয়ে রাসেলের বিরুদ্ধে সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করা হয়েছে।
মামলার বাদী ডাক্তার মশিউর রহমান বাবু জানান, গত ৩০ আগস্ট রাতে নড়াইল পৌর এলাকার উজিরপুর এলাকা থেকে চার বছরের একটি শিশুকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এরপর হাসপাতালের নারী চিকিৎসকের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। তবে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ এবং ‘টিম তারুণ্য-১০০’ নামে দু’টি সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে রাসেল বিল্লাহ নামে এক যুবক ধর্ষণের ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট দিতে সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়া চিকিৎসকদের নামে নানা মিথ্যাচার ও হেয় প্রতিপন্নমূলক কথাবার্তা বলে। মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেও নানা ধরণের অপপ্রচার চালায় রাসেল বিল্লাহ।
উল্লেখ্য, গত ৩০ আগষ্ট রবিবার দুপুরে নড়াইল পৌরসভার উজিরপুর প্রতিবেশী বখাটে অপু বিশ্বাস বেলা ১২টার দিকে শিশুটিকে মোবাইল ফোনে ছবি দেখানোর প্রলোভনে বাড়ির পাশের নির্জন বাগানের ঝোপে নিয়ে ধর্ষন করে। ঘটনার পর শিশুটি বাড়ি ফিরলেও ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায় নি, রাতে ভাত খাওয়ার সময় মাকে ঘটনা জানায়। খবর পেয়ে টিম তারুণ্য হানড্রেড এর সহযোগিতায় ঐ দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অভিযুক্ত বখাটে অপু বিশ্বাসকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।এ ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা হয়েছে।
পরবর্তিতে বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন জানানো হয়, শিশুকে হাসপাতালে ভর্তির সময় কর্তব্যরত ডাক্তার অভিজ্ঞ মহিলা নার্চের সহযোগীতায় প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে ধর্ষনের আলামত আছে বলে জানান। কিন্তু পরবর্তিতে তরিঘড়ি করে অপু বিশ^াসের পিতার অর্থের জোরে হাসপাতাল থেকে ধর্ষনের রির্পোট পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

হাবিবুর রহমান খান,জুড়ী প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে শেখ রাসেল মোটর সাইকেল এন্ড ফ্রিজ ফুটবল প্রতিযোগিতার সমাপনী খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্টান সম্পুন হয়েছে।
আজ শনিবার (২৭এপ্রিল) বিকাল ৪ ষটিকায় সময় গোয়ালবাড়ী বাজার মার্ঠে ‘জাগরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা’র আয়োজনে ‘অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের সার্বিক সহযোগীতায়
‘শেখ রাসেল মোটর সাইকেল এন্ড ফ্রিজ ফুটবল’ প্রতিযোগিতার সমাপনী ফাইনেলে ‘আশার আলো ফুটবল একাদশ’ বনাম ‘জুড়ী ফুটবল একাদশ এর মত্ত্যকার খেলা পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্টানে, ডা.গিয়াস উদ্দিন সিদ্দীকির সভাপত্তিত্বে সমাপনী ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সাধারন সম্পাদক ,এস,এম,জাকির হোসাইন। অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড এর সিইও/ব্যবস্হাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামসুউল ইসলাম।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসিম চন্দ্র বনিক।ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস। ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন লেমন,ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ,ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম রেজা প্রমুখ।
এতে জমকালো ফাইনাল ম্যাচে জুড়ী ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে পরাজিত করে আশার আলো ফুটবল একাদশ  গোয়ালবাড়ী চ্যাম্পিয়ন হয়।
এতে খেলায় সেরা দশক ও জাগরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা’র সকল সদস্যকে সম্মাননা প্রধান করা হয়।

সাদিক অাহমেদ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অযত্নে অবহেলায় ও সংস্কারের অভাবে দিনের পর দিন অবহেলিত ভাবে পড়ে অাছে শ্রীমঙ্গলের একমাত্র শিশু বিনোদন কেন্দ্র শেখ রাসেল শিশু উদ্যান।শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের হাত ধরে ১৯৮৪ সালে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ সংলগ্ন প্রায় অাড়াই একর জায়গা জুড়ে স্থাপিত হয় শ্রীমঙ্গলের একমাত্র এই শিশু বিনোদন কেন্দ্রটি।

স্থানীয় কয়েকজন প্রবীনদের সাথে কথা বলে জানা যায়,পার্কটি প্রতিষ্ঠার পর শ্রীমঙ্গলের জনগণের মধ্যে তৎকালীণ বেশ উদ্দীপনা বিরাজ করেছিলো।প্রতিষ্ঠা কালীন সময়ে উদ্যানটিতে শিশুদের জন্য বেশ কয়েকটি রড সিমেন্ট দিয়ে তৈরি বেঞ্চ স্থাপন করে কতৃপক্ষ।পার্কটিতে একটি পুকুর খনন করা হয়েছিলো।পার্কটির নাম তৎকালীণ শেখ রাসেল শিশু উদ্যান ছিলো না বলে অামাদের জানান তারা।পরবর্তীতে অাওয়ামীলিগ সরকার ক্ষমতায় এলে পার্কটির নামকরণ করা হয় “শেখ রাসেল শিশু উদ্যান”।
স্থানিয়রা আক্ষেপ করে বলছে যে,১৯৮৪ সালে স্থাপিত ও প্রতিষ্ঠিত এই পার্কটিতে বর্তমান ২০১৮ সাল অর্থাৎ প্রায় ৩৪ বছর ধরে লাগেনি কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া।
সরেজমিনে পার্কটি ঘুরে দেখা যায় সম্পূর্ণ বেহাল দশায় পড়ে অাছে এটি।পার্কটির মুল গেটটিও প্রায় নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।পার্কটির ভেতরের পুকুরটি ময়লা অাবর্জনা ও কচুরিপানায় ভরে সম্পূর্ণ অন্যরকম এক বিশ্রী পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে পার্কটিতে।অারোও লক্ষ্য করা যায় পার্কটি সংলগ্ন শ্রীমঙ্গল জয়নগর অাবাসিক এলাকার বসত বাড়ির ময়লা আবর্জনা ও উচ্ছিষ্ট এলাকাবাসীরা পার্কটির পশ্চিম দিকে পুকুরের পাশে ফেলছে।পার্কটির ভেতরের মাঠটিতে ঘাসগুলো বড় হয়ে ও বৃষ্টির পানিতে প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।মুলত শিশুদের জন্য স্থাপিত হলেও দিন রাত ২৪ ঘন্টা পার্কটির মুল গেটে তালা ঝুলে থাকে।যে কারণে শিশুরা পার্কটিতে খেলাধুলা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
স্থানীয় জনগণ অভিযোগ করে বলেন প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেও কোনো লাভ হয়নি।নানরকম প্রতিশ্রুতি দিলেও দিনের পর দিন অবহেলিত ভাবেই পড়ে অাছে পার্কটি।
বর্তমান শিশু বান্ধব অাওয়ামীলিগ সরকারের আমলেও উন্নয়নের বিন্দুমাত্র লেশ খুঁজে পাওয়া যায়নি  শেখ রাসেল নামের এই পার্কটিতে।অন্যদিকে একটি কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের কয়েকটি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে পার্কটির সীমানার ভেতরে অথচ কোনো ধরনের শিশু বিনোদন ব্যবস্থা নেই।
এ ব্যাপারে উপাধ্যক্ষ অাব্দুস শহীদ কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ অাহমেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন মানুষের কল্যানের জন্য করা হয় পার্কও তেমনি বিনোদনের জন্য করা হয়।এটা অামাদের অস্থায়ী ক্যাম্পাস।এটা পৌরসভার দায়িত্বে।যেহেতু এটা পৌরসভার দায়িত্বে তাই পৌরসভার অনুমতি সাপেক্ষে এটার চাবি সংরক্ষণ বা পার্কের দেখভাল করছি অামরা।মূলত পৌরসভার পক্ষে এটা কলেজ এডিশনাল কাজ করছে।এখানে পৌরসভার কোনো ওয়াচম্যান কিংবা দারোয়ান নেই।
তিনি অারও বলেন ”এটা অামাদের অস্থায়ী ক্যাম্পাস।অামরা অচিরেই এখান থেকে চলে যাব।ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে অামাদের নিজস্ব অর্থায়নে পৌরসভার সাথে স্যাটেলম্যান্টের মাধ্যমে কয়েকটি অস্থায়ী কক্ষ খোলা হয়েছে।শিশুপার্ক এটাও মানুষের বিনোদনের জায়গা এটাও দরকার।”

ঘুরে দেখা গেছে,পার্কটির ভেতরে বর্তমানে একটি মুক্তমঞ্চ রয়েছে।যেটি প্রতিবছর বিজয় মেলা ও বৈশাখী মেলার সময় হলে মঞ্চটি সংস্কার করা হয়।প্রতিবছর এই সময়টাতেই পার্কটি কিছুটা সংস্কার করা হয় মেলার উপযোগী করার জন্য।মেলা ব্যতিত অন্যান্য সময় পার্কটি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।
সম্পূর্ণ পার্কটি ঘুরে দেখা যায় পার্কটির পশ্চিম পাশে জয়নগর অাবাসিক এলাকার মুড়ে দেয়াল ভেঙে সুড়ঙ্গের মতো একটি রাস্তা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা  পার্কের সীমান্তবর্তি কলেজের একজন দাড়োয়ানের উপর অভিযোগ এনে বলেন”নিজের গরু ছাগলকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য সে নিজের সুবিধার জন্য দেয়াল ভেঙে রাস্তা তৈরি করেছে এখানে।”
এ ব্যাপারে কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ অাহমেদ এই প্রতিনিধিকে অাশ্বাস দেন এবং বলেন “অামাদের কলেজের দারোয়ানের উপর অানিত অভিযোগ প্রমাণ হলে অবশ্যই অামরা সেটা দেখবো।
পার্কের সম্পূর্ন বিষয় নিয়ে সদ্য বিদায়ী শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম এর সাথে ফোনালাপে গত (৯ সেপ্টেম্বর)  জানতে চাইলে তিনি জানান “এটা সম্পর্কে অামার বক্তব্য ক্লিয়ার। অামাদের জানামতে এটা পৌরসভা কতৃক একটা শিশু পার্ক করার কথা ছিলো।এটুকু অামরা জানি,এর বাইরে কিছু জানিনা।এটা সরকারি খাস জমি।
শেখ রাসেল শিশু উদ্যানের কতৃপক্ষ বর্তমানে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কিনা এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “না এটা অামাদের জমি।সরকারী খাস জমি।কোনো একসময় এখানে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছিলে এবং পৌরসভা কতৃক পার্ক করার কথা ছিলো।যেহেতু এটা পৌরসভার এরিয়ার ভিতরে তাই যেকোনো বিনোদন কেন্দ্র  করার দায়িত্ব হচ্ছে পৌরসভার।”
শিশু পার্ক অর্থাৎ শিশু বিনোদন কেন্দ্র যেখানে শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকার কথা ছিলো বিভিন্ন উপকরণ সেখানে অযত্নে অবহেলায় কালক্রমে হারিয়েই যাচ্ছে শ্রীমঙ্গলের এই পার্কটি।এভাবে আর কত কাল অযত্ন অার অবহেলায় পড়ে থাকবে এটি ? কবে আলোর মুখ দেখবে শেখ রাসেল নামের এই শিশু উদ্যানটি প্রশ্ন বিভিন্ন অভিভাবকের।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭মার্চ,নড়াইল প্রতিনিধি:  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে নড়াইলে শেখ রাসেল ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭মার্চ  দিনব্যাপী জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যাডমিন্টন কমিটির আয়োজনে  এবং বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন ও নড়াইল জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত টুর্ণামেন্টে বালক গ্রুপে ১২টি এবং বালিকা গ্রুপে ৮টি দল অংশগ্রহণ করে।

টুর্ণামেন্টে বালক গ্রুপে শহরের অগ্রণী সংঘষের তামিম খান ও অয়ন চ্যাম্পিয়ন এবং বরাশুলা ক্রিকেট ক্লাবের ইয়াজ ইদ্দিন শেখ ও বিলাশ রায় রানার্স আপ হয়েছে। বালিকা গ্রুপে মহিষখোলার তুষার স্মৃতি সংসদের সুমনা ইসলাম অন্তরা চ্যাম্পিয়ন এবং হিজলডাঙ্গার পিসিক্লাবের নাজমা আক্তার রানার্স আপ হয়েছে।

প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যাডমিন্টন কমিটির সভাপতি শাহ্ জালাল মুকুলের সভাপতিত্বে বক্ততা করেন ও পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি নড়াইল জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ কামরুল আরিফ, জেলা পরিষদের নারী সদস্য রওশন আরা কবির লিলি, নারী নেত্রী আঞ্জুমানআরা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ তরিকুল ইসলাম শান্ত ব্যাডমিন্টপ্রেমীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc