Wednesday 21st of October 2020 11:22:15 AM

জুড়ী (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতাঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন রাছনা বেগম (৩৩)। তিনি উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের শুকনা ছড়া গ্রামের মবশি^র আলীর মেয়ে। তার স্বামী সাগরনাল ইউরিয়নের পূর্ব সাগরনাল গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র, “সার্কাস লাকি সেভেন” পরিচালক রফিক মিয়া (৪৩)। নির্যাতনের শিকার গৃহবধু রাছনা তার প্রতিকার চেয়ে বিগত ১৭ অক্টোবর ২০১৮ইং তারিখে স্বামী রফিক মিয়া, ১ম স্ত্রী সুফিয়া বেগম ও শাশুরী আয়মুনা বেগমের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড ৫নং আমলী আদালতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

যা প্রি-কেইছ নাম্বার ৯৫/২০১৮ নাম্বার ভূক্ত হয়। লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের পূর্ব সাগরনাল গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র রফিক মিয়ার সাথে ৮৫ হাজার টাকা দেন মোহরে রাছনার বিয়ে হয়। এ বিয়ে রফিকের ১ম স্ত্রী ও তার মাকে না জানিয়ে এবং রাছনার নিকট গোপন রেখে হয়। রফিকের ১ম স্ত্রী ও মা এ বিয়ের খবর শোনে তা মেনে নিতে পারেননি। এরপরও রফিক নববধু রাছনাকে নিয়ে বাড়িতে উঠেন। তার নবদম্পতিকে বাড়িতে জায়গা দিবেনা বলায়, রফিক স্থানীয় গন্যমান্যদের জানালে, তাদের মধ্যস্থতায় নবদম্পতি বাড়িতে স্থান পায় এবং ঘর সংসার শুরু করে। এরই এক পর্যায়ে রফিকের ১ম স্ত্রী ও মা সার্কাসের উন্নয়নে সরঞ্জাম কেনার জন্য রাছনার পিত্রালয় থেকে ৩ লাখ টাকা এনে দিতে চাপ দেন। রফিক তার ২য় স্ত্রী রাছনাকে যৌতুকের টাকার কথা জানালে, তিনি বলেন, আমার নিরীহ গরিব পিতার পক্ষে এতো টাকা দেয়া সম্ভব নয়। এরপর থেকে তার ওপর নেমে আসে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন।

স্বামীগৃহ শেষ আশ্রয় মনে করে রাছনা ঘর সংসার করতে থাকে। তাতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে কারণে-অকারণে রাছনার ওপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যান। এ খবর পেলে রাছনার পিতা স্থানীয় মুরব্বিদের মধ্যস্থতায় তাকে নিজ বাড়িতে এনে আলাদা ঘর নির্মাণ করে দিলে ওই ঘরে তার স্বামী রফিক আসা যাওয়া করতো। এমতাবস্তায় রাছনার গর্ভে পর পর ২টি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। যাদের বয়স যথাক্রমে ১২ ও ৯ বছর। গত ১৬ই অক্টোবর ১৯ইং যৌতুকের ৩ লাখ টাকা নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রফিক রাছনাকে মারপিট করে ফেলে চলে যায় এবং যাবার সময় বলে যায় যৌতুকের টাকা না দিলে তাকে নিয়ে আর ঘর সংসার করবেন না।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ও আইনীভাবে আপোষ মীমাংসা করার চেষ্টা করলেও তাতে কর্ণপাত করেনি রফিক গংরা। এরই এক পর্যায়ে রফিক দেশের অন্য জেলায় তথা রংপুর গিয়ে “সার্কাস লাকি সেভেন” চালিয়ে টাকা পয়সা রোজগার করে। কিন্তু তার পরিবারকে ভরণ পোষন দিচ্ছেন না। যার ফলে, ২ মেয়েকে নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটছে রাছনার। তার ওই ২ মেয়ের ভবিষ্যত কি হবে? এ ভাবনাই হর-হামেশা লেগে আছে তার। রাছনার পিতা মবশি^র আলী জানান, আমি নিরীহ গরিব মানুষ। আমার মেয়েকে যারা নির্যাতন করেছে, তাদের বিচার চাই। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, অভিযুক্ত রফিক, ১ম স্ত্রী সুফিয়া বেগম ও মা আয়মুনা বেগম তাদের ওপর আণীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাছনা ও ২ মেয়ের ভরণ পোষণে সব ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমাদের এ সুনামে ঈর্ষাম্বিত হয়ে একটি কুচক্রীমহন আমাদের বিরুদ্ধে ওঠে পড়ে লেগেছে।

“যৌতুক ও মাদকের অভিশাপ থেকে বাঁচতে সারা দেশে গণজাগরণ গড়ে তুলতে হবে যৌতুক দেয়া-নেয়া বন্ধে বিদ্যমান আইনকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করুন: আল্লামা নূরী”

 

আনজুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর এর উদ্যোগে রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে যৌতুক ও মাদকবিরোধী সেমিনার আজ ২০ অক্টোবর শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আনজুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ মোখতার আহমদ সিদ্দীকি।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমাযুন। উদ্বোধক ছিলেন নারিন্দা মশুরীখোলা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা শাহ্ মুহাম্মদ আহ্ছানুজ্জামান। যৌতুক ও মাদকবিরোধী সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, দেশে গরিবের সংসারে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। যৌতুক দিতে না পারায় দেশে প্রতিদিনই শত শত বিয়ে ভাঙছে।

কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা-মাতার আর্তনাদ ও আহাজারি থামাতে কেউ সত্যিকার অর্থে এগিয়ে আসছে না। মাদকের সহজলভ্যতা যুব তরুণদের বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবাসহ সর্বনাশা মাদক। যুব সমাজ ফেসবুক মোবাইল আসক্তিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থেকে নিজেদের সম্ভাবনাময়ী জীবনকে অর্থহীন করে তুলছে। বক্তারা বলেন, যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন ও অভিশাপ থেকে বাঁচতে সারা দেশে গণজাগরণ গড়ে তুলতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে এব্যাপারে সবাইকে সচেতন করে তোলার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আলেম-ইমাম-খতিবদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীদেরকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নির্দিষ্ট বিষয়ে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক-শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল। সেমিনারে পঠিত প্রবন্ধের ওপর বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, দিনাজপুর ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক ড. আল্লামা সৈয়দ এরশাদ আহমদ আল বোখারী, ঢাকা কাদেরীয়া তৈয়বীয়া আলিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যাক্ষ আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, মুফতী মোঃ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, মুফতী মোঃ এহসানুল হক মেজাদ্দেদী।

এতে প্রধান অতিথি এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমাযুন বলেন, যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স ভূমিকা পালন করছে। এই দুই অভিশাপ থেকে দেশবাসী ও বিশাল তারুণ্য শক্তিকে বাঁচাতে ঘরে ঘরে প্রতিরোধের বলয় তৈরি করতে হবে। যৌতুক ও মাদকবিরোধী আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ায় তিনি বরেণ্য আলেমে দ্বীন আল্লামা নূরীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। উদ্বোধক আল্লামা শাহ্ মুহাম্মদ আহ্ছানুজ্জামান বলেন, যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে আইন আছে। মাঝে মধ্যে আইনের প্রয়োগও আমরা দেখি।

কিন্তু সমস্যা কতোটা গভীর ও আশংকাজনক হয়ে উঠেছে তা আমরা ভেবে দেখছিনা। সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক মুফাস্সিরে কুরআন পীরে তরিকত আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মজিআ)। তিনি বলেন, যৌতুকের আগ্রাসন ও অশুভ হাতছানি থেকে গরিব পরিবারগুলোকে মুক্তি দিতে আমি এক যুগ ধরে সোচ্চার রয়েছি।

চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সভা-সম্মেলন-সেমিনার করে আসছি। আমাদের আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করছি। এখন যৌতুকমুক্ত বিয়ের প্রচলন জোরদার হচ্ছে। যুব সমাজ যৌতুক দেয়া-নেয়াকে অসম্মানজনক ও অপরাধ বলে বুঝতে শিখেছে। এতেই মূলত আমাদের আন্দোলনের সাফল্য।

আল্লামা নূরী যৌতুক দেয়া-নেয়া বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার এবং প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও বাস্তবানুগ করার দাবি জানান। তিনি যৌতুকমুক্ত বিয়ের প্রণোদনা হিসেবে যুবক-যুবতীদের সরকারি চাকরি অথবা সহজ শর্তে বিনা সুদে আর্থিক অনুদান দিতে সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আল্লামা নূরী বলেন, ইমানি ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি যৌতুক ও মাদক বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছি। এতে যারা আমার সাথে সম্পৃক্ত আছেন সবাইকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

বিশেষ অতিথি এম এ মতিন বলেন, যৌতুক ও মাদকের আগ্রাসন থামাতে হলে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনকে যুগোপযোগী, কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য করতে হবে। বিশেষ অতিথি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সচিব মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, যৌতুক দেয়া নেয়া বন্ধে গণঘৃণাবোধের বিকল্প নেই। যৌতুক দেয়া-নেয়া দুটোই সমান অপরাধ গণ্য করলে এই সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি মিলতে পারে।

বিশেষ অতিথি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, যৌতুক ও মাদকের ছোবল থেকে সত্যিকার অর্থে মুক্তি পেতে হলে পরিবার ও সমাজ থেকেই আন্দোলনের সূচনা করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলেই যৌতুকের অভিশাপে দেশে গরিবদের আহাজারি থামাতে পারছি না।

মাদক নির্মূলেও আমরা যথেষ্ট সোচ্চার নই। যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর ভূমিকার পাশাপাশি আলেম ও ইমাম সমাজকেও অগ্রণী ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি। মূল প্রবন্ধে অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল যৌতুক ও মাদকের নানা ক্ষতির দিক, এ ব্যাপারে কী করণীয়, মাদকের উৎস বন্ধ করা, মিয়ানমার টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা আসা থামাতে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়াসহ নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথি তিনি বলেন, মাদকের উৎসে হাত না দিলে এর থেকে নিস্তার মিলবে না। আর যৌতুকের ভয়াবহতা থেকে লক্ষ লক্ষ গরিব পরিবার থেকে বাঁচতে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা পালন করে যেতে হবে। সেমিনার প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল হাকিম এবং আবু নাছের মুসা এর যৌথ স ালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাষ্টার মোহাম্মদ আবুল হোসেন।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্ট এর সেক্রেটারি এডভোকেট আবদুর রশিদ দৌলতি, সংগঠনের কাতার সভাপতি কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল গণি, এডভোকেট ইসলাম উদ্দিন দুলাল, অধ্যক্ষ জাফর আলম হেলাল, অধ্যক্ষ মোস্তাক আল কাদেরী, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ আবু আজম, মদিনা স্টার গ্রুপ এর চেয়ারম্যান গোলাম মাহমুদ ভূইয়া মানিক।

আরও উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট ইকবাল হাসান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা সভাপতি এইচ এম শহীদ উল্লাহ, হাজী সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, মুহাম্মদ আবুল হাসান, সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, অধ্যাপক এমরানুল ইসলাম, নুরুল্লাহ রায়হান খান, মুহাম্মদ ইমরান হোসেন তুষার, মোঃ মিয়া জোনাইদ, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল কাদের রজভী, মোঃ জাহিদুল হাসান রুবাইত, মোঃ তারেক আজিজ, মোঃ ফরিদুল আলম, রজভীয়া নূরীয়া ইসলামি সাংস্কৃতিক ফোরাম এর সভাপতি শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, এস এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মোঃ সাইফুলসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

“আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার উদ্যোগে ২০ অক্টোবর ঢাকা বিএমএ অডিটটোরিয়ামে যৌতুক ও মাদক বিরোধী সেমিনারের সর্বশেষ প্রস্তুতি সভায় আল্লামা নূরী বাংলাদেশে যৌতুক ও মাদক সামাজিক মহামারী আকার ধারণ করছে”

আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আগামী ২০ অক্টোবর শনিবার বেলা ২টা হতে ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাব সংলগ্ন বিএমএ অডিটোরিয়ামে যৌতুক ও মাদক বিরোধী সেমিনার সফল করার লক্ষ্যে আজ ১৫ অক্টোবর সকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সেমিনার প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক শাহজাদা সৈয়দ মুখতার আহমদ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ.)।

তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে যৌতুক ও মাদক একটি সামাজিক মহামারী আকার ধারণ করছে। সাম্প্রতিককালে এ প্রথাগুলো জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ন্যায়-নীতি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম। এ ধর্মে অন্যায় নেই, প্রবণতা নেই, উগ্রতা নেই। নেই জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন। আত্মসাৎ, প্রতারণা ও অনধিকার চর্চা এ ধর্মে নেই। নেই যৌতুকের মতো অমানবিক প্রথা ও অন্যায় দাবি-দাওয়ার কোন স্থান। নেই মাদকের মত নেশার কোনো সুযোগ।

প্রত্যেক নেশা জাতিয় দ্রব্য ইসলামে হারামের বিধান রয়েছে। তাই দেশবাসীকে এ দু’মহামারী থেকে রক্ষা করতে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। অন্যথায় দেশ ধ্বংসের শেষপ্রান্তে চলে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। আর জনগণকে এ মহামারী থেকে রক্ষা করতে গত ১০ বছর যাবত দেশের প্রত্যন্ত অ লে যৌতুক ও মাদক বিরোধী সেমিনার-মহাসমাবেশ করে আসছে আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ অক্টোবরও ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তিনি রাজধানীর বুকে যৌতুক ও মাদক বিরোধী এ সেমিনারকে সফল করার জন্য দেশবাসীকে বিশেষভাবে আহবান জানান।

ছাত্রনেতা মুহাম্মদ ইমরান হোসেন তুষারের স ালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনার প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব জননেতা মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কাতার আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, যুবনেতা গোলাম মাহমুদ মানিক ভুঞা, ডা. মুহাম্মদ সরওয়ার, যুবনেতা মাওলানা আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা, কাযী মাওলানা মুহাম্মদ মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সচিব শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, শায়ের মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন কাদেরী, মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, মুহাম্মদ রবিউল প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর নেতৃবৃন্দ।

আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আগামী ২০ অক্টোবর শনিবার বেলা ২টা হতে ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাব সংলগ্ন বিএমএ অডিটরিয়ম হলে যৌতুক ও মাদক বিরোধী সেমিনার সফল করার লক্ষ্যে আজ ১০ অক্টোবর বুধবার সকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ.)।

তিনি বলেন, গত ১০ বছর যাবত আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রাম লালদীঘি, পটিয়া, চন্দনাইশ, রাউজান, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং কুমিল্লা জেলাসহ দেশের প্রত্যন্ত অ লে যৌতুক বিরোধী মহাসমাবেশ করা হয়েছে। তবে রাজধানী ঢাকায় গত বছর থেকে সেমিনার করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ অক্টোবরও ঢাকায় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তবে এবছর থেকে যৌতুকের পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য যৌতুক ও মাদক বিরোধী সমাবেশ করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিনি রাজধানীর যৌতুক ও মাদক বিরোধী সেমিনারকে সফল করার জন্য দেশবাসীকে আহবান জানান।

সংগঠনের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সচিব শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর স ালনায় প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ নুরুল হক, আল্লামা ইউনুচ রজভী, মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, আলহাজ্ব এডভোকেট মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ দৌলতী, কাতার শাখার সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেযা, হাজ্বী সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ জহির সওদাগর, আবু ছালেহ আঙ্গুর, মুহাম্মদ মিয়া জুনায়েদ, দপ্তর সািচব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল কাদের রেজভী।

উপস্থিত ছিলেন,মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন খাঁন মামুন, মুহাম্মদ জাহিদুল হাসান রুবাইত, মুহাম্মদ তারেক আজিজ, মুহাম্মদ ওমর ফারুক, এস এম এম সোবায়ের, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, মুহাম্মদ আবুল হাসান, মুহাম্মদ জাকারিয়া, হাফেজ আবুন নূর মুহাম্মদ হাস্সান নূরী, এস এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী, মুহাম্মদ ওসমান, সাফওয়ান নূরী, মুহাম্মদ জাহেদ, মুহাম্মদ রুহুল আমীন, মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ ইব্রাহীম, মুহাম্মদ শাকিল, মুহাম্মদ বরাত প্রমূখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১অক্টোবর,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ যৌতুক দাবিতে মারপিট এবং গর্ভের সস্তান নষ্ট করার অভিযোগে রানীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকি আমীন টেমস (৪৭) কে আটক করেছে আত্রাই থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় আত্রাই থানা পুলিশ রানীনগর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটক জাকি আমিন জেমস রানীনগর বাজারের মৃত আমজাদ মাষ্টারের ছেলে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলার মহাদিঘী গ্রামের জহুরুল ইসলাম বুলুর মেয়ে জাকিয়া সুলতানা বর্নালী (৩০) ২০০২ সালে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী রানীনগর উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকি আমিন টেমসের সাথে। ঠিকাদারী ব্যবসা নামে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবিতে বর্নালীকে মারপিটসহ নানা ধরনের নির্যাতন করেন জাকি আমিন। বাধ্য হয়ে কয়েক দফায় বর্নালী পিতার বাড়ি থেকে ৮ লক্ষ টাকা এনে দেন। কিছু দিন পরেই আবারও ১০ লক্ষ টাকার দাবিতে শারীরিক ও মানষিক ভাবে নির্যাতন করে এক বস্ত্রে বাড়ী হতে বের করে দেয় এবং তালাক প্রদান করে।
গত ২৪/০৭/২০০৯ তারিখে নিজে ভুল স্বীকার করে পূণরায় বর্ণালীকে স্ত্রী রুপে গ্রহন করে ঘর সংসার করতে থাকাবস্থায় ঐ একই কায়দায় যৌতুকের ১০ লক্ষ টাকা দাবি করলে বর্ণালী দিতে অস্বীকার করায় গত ০৬/০৭/১৭ ইং তারিখ শারীরিক ও মানষিক ভাবে মারপিট ও নির্যাতন করে চুলের মুটি ধরে বর্ণালীর সারা শরীর ও তল পেটে সজোরে লাথি মারিলে মাটিতে পরে যায় এবং প্রবল বেগে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। প্রতিবেশি লোকজন বর্নালীকে নওগাঁয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে দেয়। চিকিৎসায় সুস্থ হলেও গর্ভের ৩ মাসের সস্তান নষ্ট হয়ে যায়।
যৌতুক ও গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগে গত ২৭.০৯.১৭ তারিখে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল নওগাঁর নিকট জাকিয়া সুলতানা বর্ণালী মামলা করেন।
এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোবারক হোসেন জানান, আসামী জাকি আমীন টেমস কে গত বৃহস্পতিবার রাণীনগর বাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে এবং গতকাল শুক্রবার তাকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০২এপ্রিল,কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধিঃ কানাইঘাট ৫নং বড়চতুল ইউনিয়নে ব্যাতিকর্ম ধর্মী আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উৎসব মূখর পরিবেশে হত দরিদ্র পরিবারের ১০জন নবদম্পতির যৌতুক বিহীন গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে যৌতুক বিহীন বিবাহ কার্যক্রমের আওতায় এবং কানাইঘাট ৫নং বড়চতুল ইউপির চেয়ারম্যান মাও. আবুল হোসাইন চতুলীর ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় গত ১লা মার্চ শনিবার সকাল ১১টায় চেয়ারম্যানের নিজবাড়ী রাউতগ্রাম (মাদানীনগর) গ্রামে এ যৌতুক বিহীন গণবিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মসজিদ ই আনিসুল ইসলাম ব্লাকর্বোন ইউকে’র আর্থিক সহযোগীতায় ও মুসলিম ওয়েল ফেয়ার ইনস্টিটিউট ইউকে’র ব্যবস্থাপনায় এবং ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ বাংলাদেশ’র তত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠানে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-উলামা এবং উক্ত গণবিবাহের পাত্র-পাত্রীদের আত্বীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে আনন্দগণ ও উৎসব মূখর পরিবেশে দুপুরের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পাত্র-পাত্রীদের উপস্থিতিতে ১০ জোড়া যৌতুক বিহীন বিবাহ সম্পাদন করা হয়। হত দরিদ্র পরিবারের এসব নবদম্পতি’র প্রত্যেককে তাদের পরিবারের বরণপোষনের জন্য একটি সেলাই মেশিন, একটি ছাগল এবং সংসার সাজানোর জন্য বিবাহ উপহার সামগ্রী ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ বাংলাদেশ এর পক্ষথেকে প্রদান করা হয়। যৌতুক বিহীন বিয়ের আয়োজনের পাশাপাশি তাদেরকে আর্থিক ভাবে সাবলম্বি হওয়ার জন্য বিভিন্ন সহযোগীতা প্রদান করায় হত দরিদ্র পরিবারের ১০ জোড়া নবদম্পতি ও তাদের আত্বীয় স্বজনরা এসময় আনন্দে অনেকে কেঁদে ফেলেন। এলাকার সর্বস্থরের মানুষ এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এসময় নব দম্পতিরা বলেন, আমরা বিবাহ করতে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ছিলাম, ঠিক এই মুহুর্তে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ বাংলাদেশ এর পক্ষথেকে আমাদেরকে যৌতুক বিহীন বিবাহ দিয়ে সহযোগীতা করায় তারা এ সংগঠন আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। যৌতুক বিহীন উক্ত বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী মাও. আব্দুল্লাহ বাহার, মাও. বদরুল আলম, মাও. নুরুল ইসলাম নোমানী, মাও. আব্দুল কুদ্দুছ, হাজী আব্দুল হেকিম, আ’লীগ নেতা আব্দুর রশিদ, মিলেনিয়াম টিভি’র কানাইঘাট প্রতিনিধি আলিম উদ্দিন আলিম, ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন, ইউপি সদস্য আলা উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, মুহিবুল হক বাবুল, কবির আহমদ, আলাউদ্দিন, ইউপি সদস্যা মার্জিয়া বেগম ও ছায়ারুন নেছা প্রমূখ। যৌতুক বিহীন এ গণবিবাহের জোড়া পাত্র-পাত্রীরা হচ্ছেন, সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নয়াখেল পুর্ব গ্রামের শাহীন উদ্দিন ও কানাইঘাট উপজেলার বড়চতুল গ্রামের মাসুমা আক্তার, কানাইঘাট ভিত্রিখেল গ্রামের আলমাছ উদ্দিন ও জৈন্তাপুর উপজেলার ছাতারখাই গ্রামের শামীমা বেগম, কানাইঘাটের রাঙ্গারাই গ্রামের সাকির আহমদ ও জৈন্তাপুরের ছাতারখাই গ্রামের রশনা বেগম, জৈন্তাপুরের মহালিখলা গ্রামের আব্দুশ শুকুর ও কানাইঘাট রাঙ্গারাই গ্রামের মারুফা বেগম শিবলী, কানাইঘাটের বড়চতুল গ্রামের সেলিম উদ্দিন ও কুওড়ঘড়ি গ্রামের মার্জিয়া বেগম, কানাইঘাটের নিজ চাউরা উত্তর গ্রামের জামাল আহমদ ও কুড়ারপার গ্রামের বুশরা বেগম, জৈন্তাপুরের ভাউরভাগ দক্ষিণ গ্রামের রুবেল আহমদ ও রামপ্রসাদ পশ্চিম গ্রামের ইয়াসমিন বেগম, জৈন্তাপুরের পুর্ব গর্দনা গ্রামের জলাল উদ্দিন ও কানাইঘাটের ইন্দ্রকোনা গ্রামের আঙ্গুরা বেগম, জকিগঞ্জ উপজেলার বুরহান উদ্দিন ও কানাইঘাটের রায়পুর গ্রামের সেলিনা বেগম, গোয়াইনঘাট উপজেলার সজ্ঞি গ্রামের সিরাজ উদ্দিন এবং গোয়াইনঘাটের ইমরানা বেগম।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc