Friday 23rd of October 2020 12:38:14 AM

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে দিল্লীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ হায়দরাবাদ হাউসে সাক্ষাৎ করতে গেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী যৌথভাবে করার কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মোদি বলেন, ‘আমরা মনে করি জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হওয়া উচিত। কাজেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে আমরা এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো।’

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা শুধু বাংলাদেশের একার নয়। এটা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জন্য মারাত্মক হুমকি। দীর্ঘস্থায়ী ও দ্বিপক্ষীয় ঐতিহাসিক এবং ভ্রাতৃপ্রতিম দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মোদি বলেন, ভারত এবং এ দেশের জনগণ সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি হামিদ মোদিকে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় আছে।ভারতও অমীমাংসিত বিষয়টির সমাধান চায় উল্লেখ করে মোদি যৌথ নদী কমিশনের কার্যকারিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অংশিদারিত্ব বিকশিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি হামিদ দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ সম্পর্ক জোরদার ও সমৃদ্ধ হয়েছে বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্র নায়কোচিত নেতৃত্বের কারণে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের লক্ষ্যে তিন দিনের সফরে বুধবার নয়াদিল্লী পৌঁছেন।সুত্র,বাসস।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় রাখতে ভারত সব ধরণের সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে। আজ (বুধবার) মিয়ানমার সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আশ্বাস দিয়েছেন।

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি’র সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানের অশান্ত সময়ে মিয়ানমারের পাশেই থাকবে পুরোনো বন্ধু ভারত।

সুচি’র সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তির ক্ষেত্রে মিয়ানমারকে যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখে পড়তে হয়েছে, সে সম্পর্কে ভারত অবহিত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভারত মিয়ানমারের পাশেই আছে এবং শান্তির জন্য যথাসম্ভব সাহায্য করবে।

রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের জীবনহানি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেদেশের সরকার যখন জুলুম, নির্যাতন ও গণহত্যা চালাচ্ছে তখন ভারতের পক্ষ থেকে দেয়া এই আশ্বাস ‘বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এদিকে, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে ভারতকে পাশে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সু চি বলেছেন, ভারত এবং মিয়ানমার নিশ্চিত করছে যে তাদের দেশে সন্ত্রাসের শিকড় গাড়তে দেয়া হবে না। প্রতিবেশী দেশে নাশকতা চালানোর জন্য সন্ত্রাসীদের লালনও করবে না অন্যদেশ।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রোহিঙ্গাদের গণহত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবশ্য কোনো কথা বলেননি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিকবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। রোহিঙ্গাদের নির্মমভাবে হত্যা, ধর্ষণ ও গণহত্যার মতো অভিযোগ উঠেছে সেদেশের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে। এরফলে অং সান সু চি সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে।

সেখানে চলমান সহিংস পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে থাকা সত্ত্বেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসে মিয়ানমার সরকার অনেকটাই স্বস্তি পাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দু’দিনের সফর মিয়ানমারে পৌঁছান।পার্সটুডে

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে হায়দরাবাদ হাউজের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা খাতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তিসহ ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে আরো ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার ঘোষণাও এসেছে বৈঠক থেকে।

তবে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ঐকমত্য না হলেও নরেন্দ্র মোদী আবারো আশ্বাস দিয়েছেন, এই সমস্যা সমাধান একমাত্র আমাদের সরকারই করতে পারবে।

২০১০ সালের পর এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২০টির বেশি চুক্তি যার মধ্যে রয়েছে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি ও দুটি সমঝোতা স্মারক। বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী কলকাতা-খুলনা-ঢাকা বাস চলাচল এবং খুলনা-কলকাতা ট্রেন চলাচল, রাধিকারপুর-বিরল রেললাইন উদ্বোধন করেন।
এর আগে শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা গ্রহণের মাধ্যমে চারদিনের ভারত সফরে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে তাকে স্বাগত জানান মোদী। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার দেয়।
সকাল নয়টার দিকে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্টের অশ্বারোহী দল শেখ হাসিনার গাড়ি পাহারা দিয়ে অনুষ্ঠান মঞ্চের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে রাজঘাটে যান। সেখানে ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে দেন এবং কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক, সচিবগণ ও দেশের বিশিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা।
গতকাল শুক্রবার ভারতীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘আকাশ প্রদীপ’ নয়াদিল্লির পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছায়। সেখানে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর কথা ছিল ভারতের হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ এন্ড পাবলিক এন্টারপ্রাইজ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীর। কিন্তু সবাইকে অবাক করে প্রটোকল ভেঙে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির হন স্বয়ং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানের গেটে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তিনি। এ ঘটনাকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে ‘একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
দুই প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়ের পর শেখ হাসিনার হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন মোদী সরকারের বাঙালি প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এ সময় দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলাও উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর শেখ হাসিনাকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেন নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকে শেখ হাসিনাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয় রাইসিনা হিলে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে। এই সফরে সেখানেই থাকবেন তিনি। পরে শেখ হাসিনার হাতে ফুল তুলে দেয়ার ছবি টুইট করে মোদী লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত। আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমি সংকল্পবদ্ধ।ইত্তেফাক

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘বোয়িং ৭৭৭ আকাশ প্রদীপ’ পালাম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছায়। সেখানে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর কথা থাকলেও প্রোটকল ভেঙ্গে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদীই হাজির হন বিমানবন্দরে। যাকে বিরল সম্মাননা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই সফরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক সম্পর্ক আরো বহুমাত্রিক রূপ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে শেখ হাসিনার সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। বাণিজ্য, পরমাণু, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, বিদ্যুত্, জ্বালানি, সংযোগ, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসব চুক্তি সই হবে।

বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী যাবেন দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবনে। তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখাজির্র অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভবনে অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর উপলক্ষে দিল্লি শহরকে সাজানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়ক ও প্রান্তে উড়ছে দুই দেশের পতাকা।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে সম্মাননাপ্রাপ্ত ভারতীয়রা এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া ভারতীয় সৈনিকদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও একান্ত বৈঠক হবে আগামীকাল শনিবার। নয়াদিল্লির অতিথি ভবন হায়দ্রাবাদ হাউসের ওই বৈঠকে সাত বছর ধরে ঝুলে থাকা অভিন্ন তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি সই হচ্ছে না বলে আগেই জানানো হয়েছে। তিস্তা চুক্তির ক্ষেত্রে মূল বাধা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরোধিতা। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মমতাকে রাজি করিয়ে সহসাই এই চুক্তি সম্পন্ন করার পথে অগ্রসর হবে মোদী সরকার।

দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ চুক্তি, বিদ্যুত্-জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, আন্তঃযোগাযোগ তথা কানেকটিভিটি, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা, জনযোগাযোগ, গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, নদীর অববাহিকাভিত্তিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা সহযোগিতা, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচাররোধ বেশি গুরুত্ব পাবে।

আলোচনার পর দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ৩০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি দুই প্রধানমন্ত্রী বিরল-রাধিকাপুর রুটে মালামাল পরিবহনকারী রেল চলাচল, খুলনা-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী বাস ও রেল চলাচল এবং ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুত্ প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ সরবরাহ উদ্বোধন করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিসহ বাংলাদেশ সীমান্ত সংশ্লিষ্ট ভারতের রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর হিন্দী সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করবেন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব ভারতীয় সেনা সদস্য শহীদ হয়েছেন তাদের মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা প্রদান করা হবে। নয়াদিল্লির মানেক শ সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণোত্সর্গকারী ১৬৬১ জন ভারতীয় সেনা সদস্যের মধ্যে সাতজনের নিকটাত্মীয়ের হাতে প্রধানমন্ত্রী ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা পদক’ ও সম্মাননাপত্র তুলে দিবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বক্তব্য রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরে দ্বিপাক্ষিক সকল ইস্যুর মধ্যে নতুন সংযোজিত হয়েছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় তথ্য বিনিময়, যৌথ মহড়া, দুর্যোগ মোকাবিলা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরঞ্জাম সংগ্রহ, সামরিক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে চার থেকে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী রবিবার আজমির শরীফে যাবেন ও সেখানে মাজার জিয়ারত করবেন। এছাড়া ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রধান সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। রবিবার রাতে রাষ্ট্রপতির দেওয়া রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার ব্যবসায়ীদের একটি সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন। এর আগে সকালে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী এবং ওই বিকালে ঢাকায় ফিরে আসবেন।ইত্তেফাক

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc