Friday 23rd of October 2020 02:13:24 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১এপ্রিল,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শাহ-আরফিন ও অদৈর্ত মৈত্রী সেতু ১২এপ্রিল উদ্ভোধনের সকল কার্যক্রমের প্রস্তুতি মঙ্গলবার দুপুরে পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ ১আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন।

এসময় সাথে ছিলেন,সুনামগঞ্জ এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলী ইকবাল মাহমুদ,তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব,তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)নন্দন কান্তি ধর,তাহিরপুর উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন,বাদাঘাট ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন,উপজেলা আ,লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন পলাশ,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রায়হান উদ্দিন রিপন,সামায়ুন কবির,উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি জুমুর কৃষ্ণ তালুকদার,ছাত্রলীগ নেতা রাহাদ হায়দার প্রমুখ।
উত্তর বড়দল যুবলীগ আহবায়ক মাসুক মিয়া ও বাদাঘাট ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ও বাদাঘাট বাজার বনিক সমিতির সভাপতি সেলিম হায়দারসহ এলাকাবাসী জানায়,এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)এর বাস্থবায়নে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও অন্যান্য সেতুর মধ্যে সবচেয়ে বড়,দৃষ্টি নন্দন,আকর্শনীয় সীমান্ত এলাকা ও উপজেলাবাসীর স্বপ্নের সেতু হবে শাহ-আরেফিন ও অদৈর্ত মৈত্রী সেতু।

সেতুটি নির্মিত হলে মেঘালয় পাহাড়,যাদুকাটা নদীর ও বারেক টিলার অপরুপ সৌন্দর্য ছাড়াও ৩টি উপজেলার (তাহিরপুর,ধর্মপাশা,বিশ্বম্বরপুর) ও মধ্যনগড় থানার সাথে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। আর সড়ক পথে বাগলী,চারাগাওঁ ও বড়ছড়া শুল্কষ্ঠেশন থেকে চুনাপাথর ও কয়লা লাউড়েরগড়-সুনামগঞ্জ জেলা দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশে এবং এখানকার উৎপাদিক বিভিন্ন পন্য দেশের নানান প্রান্তে পরিবহন সহজ হবে।

সাথে সাথে সীমান্ত এলাকা লাউড়েরগড় শাহ আরেফিন (রাঃ) আস্তানা,যাদুকাটা নদী,শিমুল বাগান,বারেকটিলা,ট্যাকেঘাট সীমান্ত লেক,বড়ছড়া,চারাগাঁও,বাগলী জিরো পয়েন্ট,টাংগুয়ার হাওর,মেঘালয় পাহাড়ের নয়ানাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পর্যটকদের আগমনে মিলনমেলায় পরিনত হবে।

উল্লেখ্য,সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেললা সীমান্তে যাদুকাটা নদীর উপর এলজিইডির নির্মানাধীন ৭৫০মিটার দৈর্ঘ্যরে বহু প্রত্যাশিত শাহ-আরেফিন ও অদৈর্ত মৈত্রী সেতুটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার কথা ছিল ১৫মার্চ ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু সেই তারিখ পরিবর্তন করা হয়। ১২এপ্রিল ভিত্তি প্রস্তর উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,এম ওসমান, বেনাপোল: বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর পরীক্ষামূলক ভাবে চালু খুলনা-কলকাতা ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস-২’ বেনাপোল ছেড়ে গেছে। শনিবার বেলা ১টা ৫৪ মিনিটে দিলি থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধন করেন। ওই সময় সেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বেনাপোল রেলস্টেশনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
উপস্থিত অন্যরা হলেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, রেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, স্থানীয় সাংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য, বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান, পশ্চিমা লীয় জিএম খায়রুল আলম, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম প্রমুখ।
যশোর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার পুষ্পল কুমার চক্রবর্তী বলেন, সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মৈত্রী এক্সপ্রেস-২ খুলনা স্টেশন থেকে কলকাতার উদ্দেশে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করে। যশোর জংশনে যাত্রা বিরতি শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোলের পৌঁছায়।
“খুলনা থেকে ৫টি বগি নিয়ে পরীক্ষামূলক এ যাত্রায় কোনো সাধারণ যাত্রী ছিল না। বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় কাজে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ৩৬ জন ব্যক্তি এ ট্রেনের যাত্রী হন, যার নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান যন্ত্রকৌশল প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন।”
খুলনা ও কলকাতার মধ্যে নিয়মিত ট্রেন যোগাযোগ চালু ভারত ও বাংলাদেশের ‘কানেক্টিভিটিতে’ নিঃসন্দেহে বড় একটি মাইলফলক হতে যাচ্ছে বলে মনে করেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
তিনি বলেন, ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত এই রুটে ট্রেন সার্ভিস চালু ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তরকারী একটি সিদ্ধান্তের ফলে ৪৩ বছর পর আবার চালু হলো কলকাতা-খুলনার মধ্যে ট্রেনের এই সেবা। বাসের চেয়ে ট্রেনের যাত্রা অনেক বেশি আরামদায়ক এবং সময় সাশ্রয়ী বলে বাসের চেয়ে খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিস অনেক বেশি জনপ্রিয় হবে বলে মনে করেন এই মন্ত্রী।
স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, এই ট্রেনে বেনাপোল হয়ে সাড়ে তিন ঘন্টায় নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে রোগী, পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা কলকাতায় যেতে পারেবেন। এতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে। আন্তর্জাতিক এই ট্রেন যাত্রায় সীমান্তে কাস্টমস-ইমিগ্রেশনের ঝামেলাটা কমানোর বিষয়টি বিবচনা করার আহ্বান জানান তিনি।
“এসব কড়াকড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে গেলে মানুষ অবশ্যই বিরক্ত হবেন। ট্রেনের ভেতরেই মোবাইল কাস্টমস চেকিং সেরে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে ঝামেলা ও সময় দুটোই বাঁচবে।”
ঢাকা-কলকাতা রুটে আগে থেকেই চালু রয়েছে আরেকটি ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ যা সপ্তাহে চারদিন চলাচল করে।
এ ট্রেনটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন থেকে যায় শুক্রবার, শনিবার, সোমবার ও বুধবার এবং কলকাতা থেকে আসে শুক্রবার, শনিবার, রোববার ও মঙ্গলবার।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc