Monday 26th of October 2020 10:39:21 AM

“ওরা আমার স্বামীকে কোরাণ পড়া অবস্থায় পূর্ব পরিকল্পনা করে মেরে ফেলেছে, আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই, ৪৮ ঘন্টায়ও থানায় মামলা হয়নি”

নড়াইল প্রতিনিধিঃ ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও নড়াইলের কামাল প্রতাপগ্রামের রাজ্জাক মলি¬ক (৭৫) হত্যা ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর জায়নামাজে বসে কোরাণ শরীফ পড়া অবস্থায় অবস্থায় ওই বৃদ্ধ খুন হন। তিনি সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের কামালপ্রতাপ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রাজ্জাক মলি¬ক সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পূর্ব পাশের ঘরে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি জায়নামাজে বসে কোরাণ পড়ছিলেন। তার স্ত্রী পাশের বাড়ি পানি আনতে গেলে ওই সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করে তাঁকে।

রাজ্জাক মল্লিকের ছোট ছেলে রফিকুল বলেন, আমাদের এখানে তিন গ্রাম নিয়ে দলাদলি  আছে, আমার বাবা  এলাকার মুরর্বি হওয়ায় তার কথা একটি গ্রুপের লোকজন শুনতো, সেই কারনে  এলাকায় একটি হত্যা ঘটনায় আমাদের বাড়ী ভাংচুর চালায় অপর গ্রুপ,পরে ঐ হত্যা মামলায় আমাদের আসামী করে। তারাই আমার বাবাকে আমার ছোট ছেলের সামনে কোরণ শরীফ পড়া অবস্থায় জায়নামাজের পর খুন করেছে, আমার ছেলে ছোট হলেও সে কয়েকজনকে চিনেছে,নাম এখন বলবো না, মামলায় এজাহারে সব জানতে পারবেন। আমরা আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।

রাজ্জাক মল্লিকের স্ত্রী হাসনাহেনা (৬২) বলেন,আমার স্বামী নামাজ পড়ার পর প্রতিদিন কোরআন শরীফ পড়ে থাকেন। কোরআন শরীফ পড়াকালে তার গলা শুকিয়ে যায়। আমি তার জন্য প্রতিবেশি গিয়াসের বাড়ি থেকে পানি আনতে যাই। কিছু সময় পর আমার পুতা ছেলে এশারক (৬) দৌড়ে এস বলে দাদাকে কারা যেন কুপায়ে মারে ফেলতিছে। চিৎকার করতে করতে ঘরে গিয়ে দেখি সব শেষ। আমার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। তিনি দাবি করেন,আমাগে শত্রুরাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলিছে। গ্রামে দলাদলির কারণে আমার দুই ছেলেই বাড়ি ছাড়া, গ্রামেএকটা মার্ডারের পর আমার বাড়ীঘর সব ভেঙ্গে ফেলেছে,ছেলেদের নামে মামলা দিয়েছে,তাই তারা লোহাগড়ায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করে। তারাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে, আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।

জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের নামে পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্জাক মলি¬কের বড় ছেলে রবিউল মল্লিক,কামলা প্রতাপ গ্রামের রসিদ মল্লিকের ছেলে নাজমুল হোসেন এবং আমাদা গ্রামের অহিদার খানের ছেলে নাইচ খানকে থানায় নিয়ে গেছে। এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তারা।

এ ব্যাপরে সদর থানার ওসি মো.ইলিয়াছ হোসেন জানান,হত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্জাক মল্লিকের বড় ছেলে রবিউল মল্লিক,কামলা প্রতাপ গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন এবং আমাদা গ্রামের অহিদার খানের ছেলে নাইচ খানকে থানায় আনা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,এখনো থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তিনি বলেন,হত্যা ঘটনার তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাবে না।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুন,ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা দিয়েছে সেনাবাহিনী সমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আদালত সেই রায়ে তাঁকে সাজা দিয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু নেই।

রোববার কানাডার টরন্টোতে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। গত শনিবার তিনি সেখানে বক্তব্য দেন। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জি-৭ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় কুইবেকের লা শ্যাতো ফ্রন্টেন্যাক হোটেলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি টরন্টোতে নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইমার্জেন্সিতে কারা এসেছে? খালেদা জিয়ার পছন্দের ইয়াজউদ্দিন রাষ্ট্রপতি, নয়জন জেনারেলকে ডিঙিয়ে জেনারেল মঈনকে খালেদা জিয়া সেনা প্রধান বানালেন। আর বিশ্বব্যাংকে চাকরি করতেন ফখরুদ্দীন সাহেব, তাঁকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানিয়েছিল ওই বিএনপি। তাদেরই পছন্দের ইয়াজউদ্দিন, ফখরুদ্দীন, মঈনউদ্দীন। তাঁরাই দিল মামলা, আমাদের দোষটা কী?’

‘এই মামলা ১০টা বছর চলল। এই ১০ বছরে বিএনপির আইনজীবীরা, কেউ কেউ তো ইংরেজি ছাড়া বাংলায় কথাই বলে না। তো তারা করলটা কী? এটুকু প্রমাণ করতে পারলেন না যে তাদের নেত্রী এতিমের টাকা মেরে খান নাই। এটা তারা প্রমাণ করতে পারল না। আদালতে রায় হয়েছে। রায় অনুযায়ী তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানে আমাদের সরকারের কী করার আছে?’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শুধু তাই না, একজন আসামি, সাজাপ্রাপ্ত, তাঁর জন্য আবার গৃহকর্মী দেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামির জন্য গৃহকর্মী দেওয়া হয়, এটা কি আপনারা কোথায় শুনেছেন বলেন?’

শেখ হাসিনা বলেন, “এটাও তো একদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন। একটা মানুষ কোনো অন্যায় করল না, অপরাধ করল না, কিন্তু তাঁকে জেল খাটতে হচ্ছে। মনিবের কথায়। সে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করল মনিবের কথায়।”

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এরপর পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৩এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   কখনও কি গরুর পেটে কি আছে উঁকি মেরে দেখেছেন? কখনও ভেবেছেন গরুর পেটের মধ্যে হাত ঢোকানোর কথা? শুনতে অবাক হলেও সুইৎজারল্যান্ডের গ্রাঙ্গেনিউভের অ্যাগ্রোস্কেপের গবেষকরা নিত্য এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন। তাদের বক্তব্য, এই সমস্তটাই করা হচ্ছে গরুর স্বাস্থ্যের উন্নতির লক্ষ্যে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, সুইৎজারল্যান্ডের পশু বিজ্ঞানীরা গরুদের অজ্ঞান করে তাদের পেটের এক পাশে একটি ৮ ইঞ্চি ব্যাসের ছিদ্র বা নালীপথ তৈরি করে দিচ্ছেন। এই ছিদ্রের সাহায্যে গরুর অন্ত্রে পরিপাক ক্রিয়া কেমন চলছে, সেই সম্পর্কে ধারণা তৈরির চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
পরীক্ষামূলকভাবে গরুদের ওট এবং ঘাষের মিশ্রণ খাওয়ানো হচ্ছে। তারপর যখন সেই অর্ধ-পাচিত খাবার খাদ্যনালী বেয়ে রুমেন (অন্ত্রের প্রথমাংশ)-এ পৌঁছচ্ছে, তখনই গরুর পেটের ছিদ্রের ঢাকনা খুলে সেই অর্ধপাচিত খাবারের কিছুটা অংশ বিজ্ঞানীরা তুলে নিচ্ছেন পরীক্ষার জন্য। কখনও বা গরুর পেটের ঢাকনা খুলে নিছক তাদের পেটের মধ্যকার পরিপাক ক্রিয়ার প্রকৃত অবস্থা বুঝছেন।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এই পরীক্ষার মাধ্যমে গরুদের পক্ষে আরও স্বাস্থ্যকর ডায়েট নির্ধারণ সম্ভব হবে। তাদের দাবি, তারা গরুদের জন্য যে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করে দিচ্ছেন তা মেনে গরুদের খাবার খাওয়ানো হলে গরুর দেহ থেকে মিথেন গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমে যায়। পরিণামে বৃদ্ধি পায় গরুদের কার্যক্ষমতা।

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, এই পদ্ধতি নতুন কিছু নয়। ১৮৩৩ সাল থেকেই এই জাতীয় পদ্ধতিতে গরুর অন্ত্রে নজর রাখা হয়। যদিও বিষয়টি গবাদি পশুদের পক্ষে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক বলেই মনে করেন বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠনের সদস্যরা।

তাদের বক্তব্য, এই ভাবে গরুরদের স্বাস্থ্যোন্নতির নামে বরং তাদেরকে কষ্ট দেয়াই হচ্ছে।ওয়েবসাইট থেকে।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১২এপ্রিলঃ  নড়াইল প্রতিনিধিঃ পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি করায় নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম কামরুজ্জামানকে (৫২)কে মেরে জখম করা হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক প্রধান শিক্ষকে মেরে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষক মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামানকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তার নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক কোটাকোল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান শিক্ষক এবিএম কামরুজ্জামান জানান, বুধবার সকালে শিক্ষক মিলনায়তনে এসে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নামে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক তার কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেন।

এদিকে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বুধবার সকালে প্রধান শিক্ষকের কাছে ৩০০ টাকা দাবি করলে এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি (প্রধান শিক্ষক)। বিষয়টি জানার পর আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে টাকা দিতে অনুরোধ করি।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc