Sunday 25th of October 2020 04:13:44 PM

সুনামগঞ্জ  প্রতিনিধি:  সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলায় ১৫ই আগষ্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছ।
এ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা পরিষদ,সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব(উকিলপাড়া),
জেলা আওয়ামী লীগ,জেলা যুবলীগ, শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা কালো ব্যাজ ধারণ করে বঙ্গবন্ধর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শনিবার (১৫ আগষ্ট) সকাল ৯টায় পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী যাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের নেতৃত্বে প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তারা।
এছাড়াও সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ,পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাড.আপ্তাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার মজ্ঞুর আহমদের নেতৃত্বে যুবলীগের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
 বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ করা হয়।

ভাবনা” বিষেয়ক আলোচনা সভা নড়াইলে অনুষ্ঠিত

 

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা নিয়ে ভাবনা” বিষেয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজের সম্মেলন কক্ষে কলেজের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা।

কলেজ অধ্যক্ষের প্রফেসর ড. মোঃ মহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইমরান শেখ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন খান নিলু,কলেজের শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করে কারিগরী শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থাসহ সকল শিক্ষা ব্যাবস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদুর প্রসারি পরিকল্পনার ভাবনা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। এউপলক্ষে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ,উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে র‌্যালী,আলোচনা সভা ও কাঙ্গালি ভোজনের আয়োজন করা হয়।

এসময় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় এসময় সভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ,জীবনী নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় বক্তারাগন আরো বলেন,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সন্তানদের উপজেলা আ,লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্য পদ না দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা গণমিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইমতিয়াজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুনা সিন্দু চৌধুরী বাবুল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার(ভুমি) মুনতাসির হাসান,তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজী আবুল হোসেন খান,উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হাজী আব্দুছ ছোবাহান আখঞ্জি,সিনিয়র সহসভাপতি আলী মর্তূজা,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম,থানা অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান,উপজেলা সদর ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন,উপজেলা আ,লীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর খোকন,উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন প্রমূখ।

এর আগে সকাল ১০টাড উপজেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্রছাত্রী,শিক্ষক শিক্ষিকা,সরকারি পবসরকারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহনে একটি পশাক র‌্যালী উপজেলা সদরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ পশষে উপজেলা পরিষদ প্রঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্প স্থবক অর্পন করা হয়।

অন্যদিকে,তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে র‌্যালি,আলোচনা সভা ও কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার সময় একটি র‌্যালি বের করে বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাদাঘাট ইউনিয়ন আ,লীগের দলীয় কার্যালয়ে এসে আলোচনা সভার মিলিত হয়। এসময় সভায় বাদাঘাট ইউনিয়ন আ,লীগ আহবায়ক অধ্যক্ষ জুনাব আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,যুগ্ম আহবায়ক সুজাত মিয়া,তাহিরপুর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রায়হান উদ্দিন রিপন,বাদাঘাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদ মানিক প্রমুখ।

পরে আলোচনা সভা শেষে বাদাঘাট ইউনিয়ন বাদাঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে কাঙ্গালি ভোজন করানো হয়।

দেওরগাছ ইউনিয় চ্যাম্পিয়ন: রানার্স আপ গাজীপুর

এম এস জিলানী আখনজী,চুনারুঘাট থেকেঃ উপজেলা পর্যায়ে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিববুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নাামেন্ট এর ফাইনাল খেলা শুক্রবার স্থানীয় ডিসিপি হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলায় দেওরগাছ ইউনিয়ন একাদশ ১-০ গোলে গাজীপুর ইউনিয়ন একাদশকে হারিয়ে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

খেলায় ম্যান অবদা টুর্নামেন্ট হয়েছেন দেওরগাছ একাদশের মধুসুধন বাকতী। সেরা খেলেয়ার নির্বাচিত হন গাজীপুরের ইমন এবং সেরা গোলাদাতা হয়েছেন দেওরগাছ একাদশের শাফী। খেলা পরিচালনা করেন বাফুরের রেফারী ফেরদৌস আহমেদ, আ রহমান ও আনোয়ার আলী। খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন ইকবালের সভাপতিত্বে ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অসীম করের পরিচালনায় পুরস্কার বিতরনী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান, কাজী সাফিয়া আক্তার, অফিসার ইনচার্জ কে এম আজমিরুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, আলহাজ্ব শামছুন্নাহার চৌধুরী, হুমায়ূন কবির খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডঃ আকবর হোসেন জিতু, উপজেলা কৃষি অফিসার জালাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি আনোয়ার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাশ, কৃষি সম্পাদক শফিউল আলম তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র চন্দ্র দেব, আ সামাদ মাষ্টার, আব্দুল মালেক, নুরুল ইসলাম মাষ্টার, মুক্তিযোদ্ধা আঃ সামাদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল আলম রুবেল, মোস্তাফিজুর রগমান রিপন, উপজেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক খন্দকার কবির, সিলেট মহানগর হাসপাতালের ম্যানেজার ও সিলেটস্থ চুনারুঘাট সমিতির সভাপতি মাসুদ আহমেদ, কাউন্সিলর আঃ হান্নান।

পুরো খেলায় ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শফিউল আলম শাফি ও আঃ মান্নান মহসিন।

টুর্নামেন্টে ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা অংশ নেয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের, সহকারি কমিশনার তাহমিনা আক্তারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান. খেলোয়ারসহ নানা পেশার ও শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাকিস্তানি আমলের গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সঙ্কলিত “সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অফ দা নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন তারই মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকেলে গণভবন প্রাঙ্গণে বইটির প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করত পাকিস্তানের ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (আইবি)।

দীর্ঘ ২৩ বছরের সেইসব গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৪ খণ্ডের এই সঙ্কলন প্রকাশ করছে হাক্কানী পাবলিশার্স।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ।

তরুণ শেখ মুজিব নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে কেমন করে বাংলার অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হলেন- সেই পথচিত্র যেমন এই বইয়ে এসেছে, সেই সঙ্গে এসেছে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগিয়ে চলার মানচিত্র। এসব কারণে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই সঙ্কলনকে বিশেষজ্ঞরা বর্ণনা করছেন ‘অমূল্য সম্পদ’ হিসেবে।

১৪ খণ্ডের সঙ্কলনে ভাষা আন্দোলন, জমিদারি প্রথা বিলুপ্তকরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন, আওয়ামী লীগের জন্ম, শেখ মুজিবুর রহমানের চিঠিপত্র, বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ, বক্তব্য-বিবৃতি, গ্রেপ্তার, কারাবরণ, কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আত্মীয়-স্বজন ও নেতাকর্মীদের সাক্ষাতের বিষয়গুলো উঠে এসেছে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের বয়ানে।

ইংরেজি ভাষায় লেখা পুরনো এসব নথি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) রেকর্ড রুমেই পড়ে ছিল অযত্ন আর অবহেলায়। বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী এসবি প্রধানের দায়িত্বে থাকার সময় প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহে সেসব নথি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন এবং ৬০৬-৪৮ ফাইল নম্বর দিয়ে বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে যেসব ক্লাসিফায়েড তথ্য সেখানে ছিল, সেগুলোর পাঠোদ্ধার ও সঙ্কলিত করার ব্যবস্থা করেন।

‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অফ দা নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধাদের উদ্দেশে। ৫৮২ পৃষ্ঠার প্রথম খণ্ডের দাম রাখা হয়েছে ৯০০ টাকা। একই নকশায় প্রতিটি খণ্ডের প্রচ্ছদ করেছেন সমর মজুমদার।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে মঞ্চে ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং হাক্কানী পাবলিশার্সের প্রকাশক গোলাম মোস্তফা।

বঙ্গবন্ধুর ছাট মেয়ে শেখ রেহেনা, স্পিকার শিরীন শারিমন চৌধুরী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদও ছিলেন অনুষ্ঠানে।

এছাড়া অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ আলী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক আইিজপি এ কে এম শহীদুল হক, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা ও চার নির্বাচন কমিশনার, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, দেশি-বিদেশি অতিথি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও নানা শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে।

ডেস্ক নিউজঃ শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের শোকাবহ এই কালোদিবসে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সেনা সদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।

ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্ত, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুইকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ  মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৫ আগস্টকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এবারও সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে দিবসটির বিভিন্ন কর্মসূচি। দিবসটিকে এরইমধ্যে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করছে। এছাড়া ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

পরে ঢাকার বনানী কবরস্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার পরিবারের শাহাদত বরণকারী সদস্য ও অন্য শহিদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া করবেন।

সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সেখানে ফাতেহা পাঠ, সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদান এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি সমাধিস্থলে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারা দেশে মসজিদসমূহে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে।

জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার স্থাপিত হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিশু একাডেমি এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জীবনী ভিত্তিক বক্তৃতার আয়োজন করছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে তারা কর্মসূচি পালন করছে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিস্থলে এবং ঢাকায় ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা করছে।

দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করছে।

তথ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থা ও দপ্তরের মাধ্যমে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংগতি রেখে আলোকচিত্র প্রদর্শনী, নিরীক্ষা, নবারুণ, সচিত্র বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কোয়ার্টারলির বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ, স্মরণিকা ও বিশেষ নিবন্ধন প্রকাশ, আলোচনা সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। গণযোগযোগ অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দযন্ত্র সরবরাহ করবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থ দুটির পাঠ আগস্টে মাসব্যাপী প্রচারের ব্যবস্থা করবে এবং কিউরেটর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

দুই দিনব্যাপী আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন।

সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৭টা ৩০মিনিটে বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। সকাল ১০টায় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। এতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষে জাতীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। দুপুরে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ।

বাদ আছর বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া শোকদিবসের পরের দিন বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দলটি।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামি লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারী (পিএ) এ এফ এম মোহিতুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর করেন।

১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনিদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে এবং একই বছরের ১২ মার্চ ছয় আসামির উপস্থিতিতে আদালতে বিচার শুরু হয়।

১৯৯৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বিচারক বিব্রত হওয়াসহ স্বাধীনতা-বিরোধী চক্রের নানা বাধার কারণে আটবার বিচার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।

অন্যদিকে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় প্রদান করে। বিচারক এম রুহুল আমিন অভিযুক্ত ১৫ আসামির মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বজায় রাখেন। কিন্তু অপর বিচারক এ বি এম খায়রুল হক অভিযুক্ত ১৫ জনকেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।

পরবর্তী সময়ে ২০০১ সালের অক্টোবরের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে বিচারকাজ বন্ধ থাকে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের মুখ্য আইনজীবী বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সুপ্রিম কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদান করেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ২৭ দিনের শুনানি শেষে ৫ আসামিকে নিয়মিত আপিল করার অনুমতিদানের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর- ২৯ দিনের শুনানির পর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওই দিন (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদ্বণ্ড প্রাপ্ত ৫ আসামির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে দায়মুক্ত করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭জুন,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালন উপলক্ষে নড়াইলে শোভাযাত্রা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে শোভাযাত্রাটি নড়াইল প্রেসক্লাব চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে নড়াইল পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।

এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নিলয় রায় বাধন, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান রোজসহ জেলা ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মি উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০মার্চ,স্টাফ রিপোর্টার,নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৪দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের করতে পারেনি ধর্ষিতার নিরীহ পরিবার। অপকর্মের ইন্ধনদাতা মুজিবুর ও তার নাতি জাফরের হুমকির ভয়ে তারা হাসপাতাল থেকে বেরুতে পারছেনা।

গতকাল আলাপকালে এ অভিযোগগুলো তোলে ধরেন ধর্ষিতার পিতা আব্দুল ওয়াহিদ মিয়া। তিনি বলেন, আমরা ৪দিন যাবৎ হাসপাতালে আছি। কিন্তু ধর্ষক মুজিবুর ও তার নাতি জাফরসহ একের পর এক বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। আর বলছে আমি যদি হাসপাতাল থেকে বের হই, তার বাহিনী দিয়ে আমার উপর হামলা চালানো হবে।

ধর্ষক মুজিব বাহিনীর একের পর এক হুমকীতে আমরা আতঙ্কে অাছি। থানায় কী কোনো মামলা দায়ের করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভাই থানায় মামলা করবো দূরের কথা তাদের হুমকির ভয়ে হাসপাতাল থেকে বেরুবার সাহস-ই পাচ্ছিনা। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন,  আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করি।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকেলে তার কন্যা স্থানীয় দিনারপুর উত্তর লামরোহ এবতেদায়ী মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত (১৬) ওই সময় বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি মাঠে গরু চড়াতে গেলে একই ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামের মুজিবুর রহমান তাকে একা পেয়ে ঝাঁপটে ধরে ধর্ষণ করে। এসময় তার অত্মচিৎকার শোনে ধর্ষিতাকে বাঁচাতে তার ফুফু তকমিনা আক্তার এগিয়ে আসলে তিনিও ধর্ষকের হাতে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে অভিযুক্ত ধর্ষক মুজিবুর রহমান ও তার প্রভাবশালী বাহিনী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাত ৯টার দিকে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম আতাউর রহমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মার্চ,আলী হোসেন রাজন ,মৌলভীবাজার: বঙ্গবন্ধুর জম্ম দিন বাংলাদেশের খুশির দিন এই প্রতিবাদ্যের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারে পালিত হয়েছে  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস।

এ উপলক্ষে দিন ব্যাপি নানা কর্মসূচির আযোজন করা হয়। আজ শুক্রবার সকাল ৮টা ৩০মিনিটে জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে মৌলভীবাজার শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন,আওয়ামীলীগ,মুক্তি যোদ্ধা,জেলা পরিষদ,মৌলভীবাজার পৌরসভা,ছাত্রলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ ,স্কুল,কলেজ সহ সর্বস্থরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

পরে শহিদ মিনার থেকে একটি  আনন্দ শোভা যাত্রা নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে শেষ হয় ।

সেখানে বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জম্মদিনের কেক কেটে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।  মো জসিম আহমদ এর পরিচালনায়  ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আজিজুর রহমান,জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাহ্ জালাল,মৌলভীবাজার পৌর মেয়র মো: ফজলুর রহমান,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদ,সাবেক মহিলা এমপি হোসনে আরা ওয়াহিদ।

আলোচনা সভা শেষে শিশু একাডেমির আয়োজনে সাংকৃতিক অনুষ্টান ও শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগীতার পুরুস্কার প্রধান করা হয়।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭মার্চ,ডেস্ক নিউজঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস-২০১৭ উপলক্ষে সারা দেশসহ টুঙ্গিপাড়ায়ও নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচীতে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন।

সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন এবং সকাল ১০টায় তারা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধি বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করবেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল তাদের গার্ড অব অনার প্রদর্শন করবে। এরপর দু’জনে সেখানে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করবেন। এরপর বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ টুঙ্গিপাড়া ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

এরপর বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মধ্যাহ্ন বিরতি ও নামাজের জন্য বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী কাজী নিশাত রসুল স্বাক্ষরিত এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়েছে, বেলা সাড়ে ৩টায় তিনি জাতির পিতার জন্ম দিবস এবং জাতীয় শিশু দিবস উদ্্যাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজিত শিশু সমাবেশ, অলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং সেখানে বইমেলার উদ্বোধন ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এছাড়াও ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে একটি আলোকচিত্র পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ উৎসব-আমেজ। বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সসহ আশপাশের এলাকায় উন্নয়নমূলক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সারা গোপালগঞ্জে নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য তোরণ।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান জানিয়েছেন, টুঙ্গিপাড়া মাজার কমপ্লেক্স ও আশপাশ এলাকাসহ গোপালগঞ্জে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc