Sunday 25th of October 2020 05:20:51 PM

ডেস্ক নিউজঃ তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি’র সাথে ঐক্য করে ড. কামাল হোসেনের খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এবং জামাত বর্জনের ঘোষণা “জলে নেমে চুল না ভেজানোর মতোই অবাস্তব।”

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিন এমন কথা বলেন।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ড. কামালের দেয়া বক্তব্যের সূত্র ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “ড. কামাল দুধের শিশু নন। তিনি ঠিকই বোঝেন যে, বিএনপি’ও খোঁয়াড়ে ঢুকে খালেদা-তারেক-জামাতের সাথে এক থালায় না খাওয়ার ঘোষণা যে জলে নেমে চুল না ভেজানোর মতোই অবাস্তব,” তারপরও তিনি তাদের সাথেই ঐক্য করছেন।”

ময়মনসিংহের ফুলাবাড়ীয়ার আছিম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ময়মনসিংহ-৬ আসনে জাসদ মনোনীত ১৪ দলের সম্ভাব্য প্রার্থী সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টুর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন হাসানুল হক ইনু।

এসময় তিনি বলেন, বিএনপির সাথে “ঐক্য করে ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গড়ার কথা বলে ড. কামাল লোক হাসালেন। তার একথা বাংলা প্রবাদ কাঁঠালের আমসত্ত্বের মতোই অসম্ভব।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ড. কামাল দুধের শিশু না, বিএনপি-জামাত-জঙ্গী-খালেদা-তারেক যোগসূত্র-সমীকরণ জেনেই তিনি ঐক্য ফ্রন্ট করেছেন। নিরপেক্ষ নির্বাচন না, নির্বাচন বানচাল করে অস্বাভাবিক সরকার এনে বিএনপি-জামাত পুনর্বাসনই ড. কামালের আসল লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের সকল ষড়যন্ত্র অপচেষ্টা মোকাবেলা করে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে, বাংলাদেশকে পাকিস্তানের পথে নয়, রক্তারক্তি খুনোখুনির পথে নয়, বাংলাদেশের পথে, উন্নয়ন ও শান্তির পথে রাখতে হবে।’

উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়নের বাগান তৈরি করেছেন, সেই বাগান বিএনপি-জামাতের হাতে দিয়ে তছনছ করার সুযোগ দেবেন না। বিএনপি জামাতকে ক্ষমতা দেয়া মানে খাল কেটে কুমির আনা। উন্নয়ন ও শান্তির জন্য শেখ হাসিনা, ১৪ দল-মহাজোটের বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।

প্রবীণ রাজনীতিক আব্দুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে আধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, এডভোকেট সাদিক হোসেন, রতন সরকার, এডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু, শফিউদ্দিন মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।আলোকিত বাংলাদেশ

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ “দ্য জাঙ্গল বুক”-এর মোগলির কথা নিশ্চয় মনে আছে ? মানবসন্তান হয়েও জঙ্গলে পশুদের মধ্যে থেকে পশুদের মতোই আচরণ ছিল তার। মানুষও হয়েছিল জঙ্গলের পশুদের মধ্যেই।
গল্পের মোগলি নয়, এবার বাস্তবের ‘মোগলি’-র খোঁজ মিলল ভারতের উত্তর প্রদেশের বরাইচে কাটরানিয়াঘাট অরণ্যে। তবে এ ছেলে নয়, একটি ১০ বছরের মেয়ে।

কী ভাবে এই ‘মোগলি’র খোঁজ মিলল?

মাস দুয়েক আগে স্থানীয় গ্রামবাসীদের কয়েক জন কাটরানিয়াঘাট অরণ্যে কাঠ কাটতে গিয়ে একটি দৃশ্য দেখে থমকে যান। একটি বছর দশেকের মেয়েকে ঘিরে রয়েছে এক দল হনুমান। সম্পূর্ণ নগ্ন, বড় বড় চুল, অনেকটা পশুর মতোই দেখতে লাগছিল মেয়েটিকে। সে নির্বিকারে ওই হনুমানের দলের সঙ্গে ‘কথা বলছে’! গভীর অরণ্যে এ রকম অবস্থায় একটি বাচ্চা মেয়েকে দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। হনুমানগুলোর কাছ থেকে তাঁরা মেয়েটাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই হনুমানগুলো তেড়ে আসে তাঁদের দিকে। কয়েক জনকে আক্রমণও করে বলে জানান গ্রামবাসীরা। এ রকম কয়েক বার মেয়েটিকে আনতে গিয়ে হনুমানের তাড়া খেয়ে ফিরে এসেছেন গ্রামবাসীরা।
অবশেষে তাঁরা স্থানীয় পুলিশ থানায় বিষয়টি জানান। পুলিশের একটি দল মেয়েটির খোঁজে বেরিয়ে তার খোঁজ না পেয়ে ফিরে আসে। এক দিন পুলিশের ১০০ পরিষেবার একটি টহলরত গাড়ি কাটরানিয়াঘাট অরণ্যের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশকর্মীরা মেয়েটিকে হনুমানের দলের সঙ্গে দেখতে পায়। মেয়েটিকে হনুমানের দলের কাছ থেকে কোনও রকমে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায়। এক পুলিশকর্মী জানান, মেয়েটিকে আনার সময় হনুমানের দল গাড়ির পিছন পিছন তাড়া করছিল।
মেয়েটিকে পরে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিত্সক ডি কে সিংহ জানান, মেয়েটির গায়ে ও হাতে ক্ষত ছিল। মনে হচ্ছিল অনেক দিন খেতে পায়নি। হাসপাতালেও সে চার হাত-পায়ে হাঁটছিল। খেতে চাইছিল না। নখ, চুল বিশাল বড় হয়ে গিয়েছিল। মেয়েটি কথা বলে না, শুধু আওয়াজ করতে পারে।
প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, মেয়েটিকে কেউ জঙ্গলে ছেড়ে গিয়ে গিয়েছিল। অনেক দিন ধরে হনুমানের দলের সঙ্গে থাকতে থাকতে তার স্বভাবে পরিবর্তন আসে। মেয়েটিকে সুস্থ করে আপাতত হোমে পাঠানের চেষ্টা চলছে। খোঁজ চালানো হচ্ছে মেয়েটির পরিবারেরও।আনন্দবাজার

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc