Wednesday 28th of October 2020 07:59:18 PM

শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্য নাজমুল ইসলাম মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত টমটমে মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়। গত শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধা ৭ টা র সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মৌলভীবাজার রোডস্থ ইসবপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মোটর সাইকেল আরোহী নাজমুল শহরে আসার পথে নিষিদ্ধ ব্যাটারী চালিত টমটমের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা নাজমুলকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে প্রেরণ করেন পরে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে মৌলভীবাজার জেলা সদরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহন করেন। তার হাতের একটি আঙ্গুলে অপারেশন করা হয়। আহত নাজমুলের দ্রুত সুস্থতার জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া ও আর্শিবাদ কামনা করেছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে শ্রীমঙ্গল সড়কের মোকামবাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশী করে ৩ হাজার পিছ নেশাজাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তিন মাদক ব্যবসায়িকে আটক করেছে পুলিশ। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯ লক্ষ টাকা।
২৪ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় প্রেস বিফিং করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাশেদুল ইসলাম পিপিএম এসব তথ্য জানান। আটকৃতরা হলেন, কুলাউড়া উপজেলার সাদেকপুর এলাকার মৃত খন্দকার শামসুর রহমানের ছেলে খন্দকার নূর এ জামান প্রকাশ রাহেল(৩৭), মৌলভীবাজার শহরের গোবিন্দ্রশী এলাকার আলী আকবর এর ছেলে রাসেল আহমদ (২৯) ও উত্তর কলিমাবাদ এলাকার মৃত মাসুক মিয়ার ছেলে মুরাদ আলী মিলন (৩৭)।
প্রেস বিফিংয়ে জানানো হয়, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সুহেল আহমদ ও এসআই মো: তোফাজ্জল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল সড়কের মোকামবাজার এলাকায় একটি নিশান নেবী ব্লু প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ক- ১১-০২৫৯) নম্বারের গাড়িটি আটক করে তল্লাশী করলে তাদের কাছে ৩ হাজার পিছ নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

তাদেরকে আটকের পর জানা যায় এদের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন থানায় অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মাদক মামলা রয়েছে ,এরা দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত, তারা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত মায়ানমার থেকে মাদকের বড়বড় চালান বাংলাদেশে এনে মাদকের ব্যবসা করতো। তাদের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে।তাদের সাথে মাদক ব্যবসায় আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে।
প্রেস বিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহমদ, পুলিশ পরিদর্শক (অপাঃ)মো: হারুন-অর-রশিদ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাশেদুল ইসলাম পিপিএম।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের পাগুরিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন মিয়া হত্যার ৯ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে।

আটককৃতরা হলেন, শেখ আবেদ আহমদ (৩৩) পিতা শেখ মো: মদন,মাতা সমিতা বেগম, সাং-মিরপুর।জায়েদ আহমদ আলাল (৩০) পিতা আব্দুর রহিম,মাতা কবিরূন্নেচ্ছা,সাং-জগৎপুর,ও মিনহাজ মিয়া (৩২ )পিতা মৃত মধু মিয়া, মাতা মৃত আলেয়া বেগম,সাং পাগুরিয়া।

তাদের বাড়ি একই ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানায়। তাদের দুজনকে আখাইলকুড়া এলাকা ও এক জনকে মৌলভীবাজার শহর থেকে আটক করে পুলিশ।

আজ ১০এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ১টায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় এক প্রেস বিফিং করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাশেদুল ইসলাম পিপিএম জানান, আবেদ ও রিপন মিয়া তারা দুজনই এলাকায় দাদন ব্যবসা করত এলাকার অনেকেই রিপনের কাছ থেকে দাদন হিসেবে টাকা নিত কিন্তু আবেদর কাছ থেকে দাদনের টাকা কম নিত মানুষ। এর জের ধরে আবেদ রিপনকে খুন করার প্রস্তুতি নেয়। পরে টাকার বিনিময়ে রিপন মিয়াকে সে খুন করায়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহম্মদ,পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (অপাঃ)মো: হারুন-অর-রশিদ।
গত সোমবার ৯ এপ্রিল বিকেলে আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দীতে মিনহাজ এই হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল রোরবার শেষ রাতে মুদি দোকানি ও দাদন ব্যবসায়ী রিপন মিয়া প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে দোকানের দরজা লাগিয়ে ভেতরে ঘুমান। সকালে এলাকাবাসী দোকানের দরজা ভাঙ্গা দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রিপনের লাশ উদ্ধার করে।

তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। রিপন মিয়ার একই এলাকায় বাড়ি হলেও নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চোরের হাত থেকে রক্ষা করতে ৮ থেকে ১০ বছর যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা শেষে দোকানের ভেতর তিনি রাত্রিযাপন করতেন।

নিহত রিপন একই এলাকার কাছন মিয়ার বড় পুত্র।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪ফেব্রুয়ারী,চান মিয়া, ছাতকঃ ছাতকে জাউয়া বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযানে মদ ও গাজা ব্যবসায়ি পুরুষ মহিলাকে মালামালসহ আটক করা হয়েছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় এদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো, জাউয়াবাজার ইউনিয়নের লক্ষণসোম (মাঝপাড়া) গ্রামের মনু মিয়ার পুত্র জুয়েল মিয়া (২৫) ও সিংচাপইড় ইউনিয়নের জিয়াপুর গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৩৮)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আবু আফসার ভূইয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত পৃথক দু’টি অভিযানে এএসআই মাহবুব, এএসআই সমীরন, এএসআই সাইফুল ও এএসআই মাফিজ অংশ গ্রহন করেন।

অভিযানে আটককৃত জুয়েলের লক্ষণসোম গ্রামের বসত ঘর থেকে ২লিটার চোলাই মদ উদ্ধার এবং জিয়াপুর গ্রামের রেজিয়া বেগমের বসত ঘর থেকে  কেজি গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসআই আবু আফসার ভূইয়া জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। এদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc