Saturday 24th of October 2020 03:49:40 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫অক্টোবর,নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স.ম ওয়াহিদুজ্জামান মিলুসহ ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১৫০ জন বিএনরি নেতা-কর্মীকে আসামী করে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাতে কালিয়া থানার এস আই অখিল রায় বাদী হয়ে কালিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানাগেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছোট কালিয়া মোড় এলাকায় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা নাশকতার চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ককটেল, গাছের গুড়ি ও ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় রাতেই কালিয়া থানার এস আই অখিল রায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন (মামলা নং-১১)।

তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলম এই মামলাকে স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রতিফল ও রাজনেতিকভাবে হয়রানী মূলক মামলা বলে দাবি করেছেন। নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ  জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে ঘিরে রাখা মিরপুরের মাজার রোডের বাসাটিতে প্রচুর বিস্ফোরক ও কেমিক্যাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেন, ধারণা করছি ওই বাসায় জঙ্গি সদস্যরা অবস্থান করছে। সেখানে প্রচুর বিস্ফোরক ও কেমিক্যাল রয়েছে। ওই বাসার মোট ২৪টি ফ্লাটের মধ্যে ২৩টির বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অবস্থানকারী জঙ্গি সদস্যের নাম ‘আবদুল্লা’। সাথে তার স্ত্রী সন্তানসহ মোট সাতজন সদস্য রয়েছে। তাদেরকে আত্মসমর্পণের জন্য আমরা আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তারা কোনো সাড়া দেয়নি। আমরা অপেক্ষা করছি। ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।
এক প্রশ্নের উত্তরে বেনজির আহমেদ জানান, সেখানে ৫০টি আইইডি রয়েছে।
মিরপুরের মাজার রোডের ভাঙ্গা ওয়ালের গলির ২/৩-বি নম্বর বাসায় এক জঙ্গি অবস্থান করছে সন্দেহে ঘিরে রেখেছে র‌্যাব। র‌্যাব জানিয়েছে, ছয়তলা ওই বাড়ির পাঁচতলায় আবদুল্লাহ নামে এক জেএমবি নেতা সপরিবারে অবস্থান করছেন। তাকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আগে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় মরসুন্দি গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই জেএমবি সদস্যকে আটক করে র‌্যাব। সোমবার রাতের ওই অভিযানে আটক হওয়ার পর তাকে তাদের কাছ থেকে মিরপুরের এই জঙ্গির অবস্থানের কথা জানতে র‌্যাব। সোমবার রাত ১২টা থেকে র‌্যাব সদস্যরা ওই বাড়িটি ঘিরে ফেলে। এ সময় পরপর তিনটি বোমার বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। এতে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ইত্তেফাক

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মার্চ,হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদক,বড়হাট মৌলভীবাজার থেকেঃমৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাটের জঙ্গি আস্তানায় পরিচালিত অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে “অপারেশন ম্যাক্সিমাস”।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘বড়হাটের আস্তানায় প্রচুর বিস্ফোরক রয়েছে। আর এর আশপাশে অনেক উঁচু ভবন রয়েছে। ফলে ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শেষ হতে সময় লাগবে।’
মনিরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে, জঙ্গি আস্তানার পার্শ্ববর্তী সিলেট-মৌলভীবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল সীমিত রয়েছে।
সোয়াত ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর শুক্রবার সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান শুরু করে সোয়াত। এরপর থেকে ওই এলাকায় থেমে গুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগে ভোর থেকে আবু শাহ (রহ.) দাখিল মাদ্রাসার পার্শ্ববর্তী জঙ্গি আস্তানা ঘিরে রাখে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকার একটি দোতলা বাড়ি এবং সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুরের একতলা একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় আইনশৃংখলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার বিকালে মৌলভীবাজারের নাসিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় সোয়াতের `অপরাশেন হিটব্যাক’ শেষ হয়। এখানে ৭-৮ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মার্চ,হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদক ,মৌলভীবাজার থেকে: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আতিয়া মহলের বিস্ফোরণ,ঢাকা বিমানবন্দরের সামনে বিস্ফোরণ ও মৌলভীবাজারের বিস্ফোরক গুলো একই রকমের বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের জঙ্গি বিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার বিকালে ফতেহপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল বলেন, ফতেহপুরে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরণে সাত থেকে আট জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
নিহতরা সবাই নব্য জেএমবির সদস্য বলে মনে হচ্ছে। ওই বাড়ির ভেতরের দৃশ্যগুলো বীভৎস। সেখানকার ছবি কেউ তুললে তা গণমাধ্যম প্রচার করতে পারবে না। প্রতিটি মরদেহই ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাদের হাত পা, মাথা ও শরীরের বাকি অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পুরো বাড়ি জুড়েই।
এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলেন, তাদের কাছে মনে হয়েছে, সিলেটের আতিয়া মহলে যে জঙ্গিরা ছিল, এখানেও তাদের অনুসারীরাই ছিল। তবে এই আস্তানাটি জঙ্গিরা লুকানোর কাজে ব্যবহার করতে বলে ধারণা করছেন তারা।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান জানান, ভেতরে যেভাবে মরদেহের অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাতে তাদের ধারণা সেখানে সাত থেকে আট জন থাকতে পারেন। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। তারা মরদেহগুলোর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অংশ জোড়া দিয়ে বোঝার চেষ্টা করবেন, এরপর বোঝা যাবে সেখানে আসলে কতজনের মরদেহ ছিল। মনিরুল বলেন, মরদেহের ছিন্নবিচ্ছিন্ন অংশ দেখে তাদের মনে হয়েছে এই আস্তানার ভেতরে যেমন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছিলেন, তেমনি ছিলেন নারী এবং অপ্রাপ্তবয়স্করাও।
মনিরুল ইসলাম বলেন, সোয়াট যখন অভিযান শুরু করে, তখন তারা যখন দেখে পালানোর পথ নেই তখন তারা আত্মহনন করে। ভেতরে আমরা যে দৃশ্য দেখেছি সেটি ছিল বীভৎস । মাংস ছড়ানো আছে গোটা কক্ষে। এই দৃশ্য ধারণ করলে আপনারা প্রচার করতে পারতেন না ।
আরেক প্রশ্নের জবাবে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “এই আস্তানায় যারা ছিলেন তাদেরকে স্থানীয় কেউ চিনতেন না। তারা বাড়ি ভাড়া নেয়ার পর সেখান থেকে বের হতেন না তেমন”।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc