Tuesday 20th of October 2020 06:31:37 AM

পিন্টু অধিকারী,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সম্পদের লোভে স্ত্রীকে লুকিয়ে রেখে স্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুম করার মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়ার পর বুধবার (২৬ আগষ্ট) স্ত্রী হামিদা বেগম বাদী হয়ে স্বামী আওয়াল মিয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কগ -৬ হবিগঞ্জে পাল্টা মামলা দায়ের করেন।

পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসমা বেগম বিষয়টি তদন্তের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাধবপুর থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

জানা যায়, উপজেলার রতনপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নাফের ছেলে আব্দুল আউয়াল মিয়া প্রায় ছয় বছর আগে ফরহাদপুর গ্রামের মোছা: হামিদা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে ভয়ভীতি ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আউয়াল মিয়া তার স্ত্রী হামিদা বেগমের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সম্পদ বিক্রি করে দেয়।সর্বশেষ গত বছর হামিদা বেগম তার পাঁচ শতাংশ জমি ছোট ভাইয়ের ছেলে ও স্বামীর নামে দলিল করে দেয়। এসময় সে মৌখিক শর্ত রাখে তার মৃত্যু পর্যন্ত তাকে দেখাশোনা করতে হবে। কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে ছোট ভাইয়ের ছেলের নামের আড়াই শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। এনিয়ে ভাই ইদ্রিস আলীর সাথে বোন হামিদা বেগমের মনোমালিন্য হয় এবং সালিশ বিচারের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলে।

এক পর্যায়ে আব্দুল আউয়াল তার স্ত্রীকে কৌশলে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা নিয়ে এক বাড়িতে রেখে এসে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও পূর্ব থেকে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসা তার মামার বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুম এর মামলা দায়ের করে। পরে হবিগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কগ- ৬ তদন্তের জন্য মামলাটি সি আই ডি হবিগঞ্জকে নির্দেশ প্রদান করে।

মামলার এক নাম্বার আসামি মো: ইদ্রিস আলী (৪০) জানান, এই মামলার কারণে আমি সপরিবারে ১১ মাস যাবত পলাতক ছিলাম। জমিজমা বিক্রি করে প্রায় ২৩/২৪ লাখ টাকা নষ্ট করে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। এই মিথ্যা মামলার ১০ নম্বর আসামি চিন্তায় চিন্তায় স্ট্রোক করে মারা গেছে। আমার বোন উদ্ধার হওয়ায় এখন সব আসামিরা বাড়ি ফিরে আসছে।

হামিদা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকে আমার স্বামী আওয়াল মিয়া আমার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে গেছে। এখন ভাইয়ের সাথে আমার বিরোধের সুযোগ নিয়ে আমাকে বড়লেখায় রেখে এসে আমার ভাই সহ আত্মীয় স্বজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুম করার মামলা করেছে। একপর্যায়ে আমি বাড়িতে চলে আসতে চাইলে আমার স্বামী আওয়াল মিয়া আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করে সিলেটে নিয়ে যায়।

বিষয়টি আমি বুঝতে পেড়ে সিলেটের জালালাবাদ থানার টুকের বাজার ইউনিয়নের নাজিরেরগাঁও গ্রামের আছির আলীর সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ করলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল খায়ের কয়েকজন মুরুব্বি নিয়ে আমাকে উদ্ধার করে আনে।

আছির আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হামিদা বেগম যখন আমাকে তাঁর সমস্যার কথা বলে, সাথে সাথেই আমি আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে মাধবপুর থানার তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাথে যোগাযোগ করি। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মুরুব্বিগন এসে তাকে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, এরকম একটি মামলা হয়েছিল বছরখানেক আগে, যা তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ প্রদান করছেন আদালত। পাল্টা মামলা বা আদালতের কোন নির্দেশ এখনো হাতে পাইনি। আদালতের নির্দেশ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯মার্চ,হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদক,মৌলভীবাজার থেকে:  মৌলভীবাজারে সন্ধান পাওয়া দু’টি জঙ্গি আস্তানার বাড়ি দু’টির মালিক সাইফুল ইসলাম লন্ডনে ট্যাক্সি চালান বলে জানা যায়। তার বয়স ৩৩ থেকে ৩৫ বছর।

বাবা থেকে পাওয়া সম্পত্তির বর্তমান মালিক তিনিই। টিনশেডের বাড়িটি প্রায় তিন একর জায়গার উপর নির্মিত। বড়হাটার বাড়িটি ডুপ্লেক্স।

আরও দেখুনঃ মৌলভীবাজারে কিছুক্ষণের মধ্যে অভিযান শুরু হতে পারে

তিনি লন্ডনপ্রবাসী হওয়ায় বাড়ি দুটি দেখাশোনার দায়িত্ব দেন দূর সম্পর্কের আত্মীয় জুয়েল। তিনি বাড়িভাড়া থেকে শুরু করে সব তত্ত্বাবধান করেন। জুয়েল থাকেনও ওই বাগান বাড়িতে।

এ বিষয়ে লন্ডন থেকে ফোনে সাইফুল বলেন, জুয়েল আমার বাড়ি দেখাশোনা করেন। বাড়ি ভাড়া দেওয়ার আগে আমাকে বলেছিলো ভাড়াটিয়া একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। লন্ডনে অনেক ব্যস্ত থাকায় বাড়ির দিকের বেশি খোঁজ-খবর নিতে পারি না।

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান সাইফুল সবশেষে বছর খানেক আগে দেশে আসেন বলে জানা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২মার্চ,হৃদয় দাস শুভ,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা দুটি বাড়ির মধ্যে একটি বাড়ি ভাড়া নেয়া হয় বেসরকারি কোম্পানির ম্যানেজার পরিচয়ে। তিন মাস আগে মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকার বাসাটি ভাড়া নেয়া হয়। ভাড়া নেয়ার সময় ওই জঙ্গি নিজের নাম বেলাল বলে বাড়ির কেয়ারটেকারকে জানিয়েছিল।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর এলাকার জঙ্গি আস্তানা ঘিরে রাখার সময় সেখানে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার রওশওউজ্জামান সিদ্দিকী এমন তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত জানুয়ারিতে বড়হাট এলাকার বাসাটি ভাড়া নেন বেলাল। বাড়ির কেয়ারটেকার জুয়েল মিয়ার কাছ থেকে তিনি মাসিক সাত হাজার ২০০ টাকায় বাসাটি ভাড়া নেন। এসময় বেলায় নিজেকে আরএফএল কোম্পানির ম্যানেজার পরিচয় দেন। বাড়িটিতে বেলালের সঙ্গে তার শ্বশুর ও তিন শিশু থাকতেন।

আরও দেখুনঃ মৌলভীবাজার জঙ্গি আস্তানার আশে পাশে ১৪৪ ধারা জারী– See more at:

পুলিশ কর্মকর্তা রওশনউজ্জামান আরও বলেন, বেলালের মাধ্যমে নাসিরনগরের গ্রামের বাড়িটি ছয় হাজার ৬০০ টাকায় ভাড়া নেন মাহফুজ নামে একজন। সেখানে তার সঙ্গে আছে শ্বশুর শাশুড়ি ও চার শিশু।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, পুলিশ, র্যাব ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে রেখেছে। অভিযান চালানোর জন্য সোয়াটের অপেক্ষা করা হচ্ছে। তারা পৌঁছলেই অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত রাত তিনটা থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়িটি ঘিরে রাখা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সকাল থেকে দুটি বাড়ি থেকে গোলাগুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরনের শব্দ শোনা যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই দুই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc