Sunday 25th of October 2020 12:30:16 AM

নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:  বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর গত কয়েক দিন থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘর খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন পর পাহাড়পুর জাদুঘর খুলে দেওয়ায় দর্শনার্থী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা খুশি হয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের টিকিট কাউন্টার খোলার পর কর্মকর্তা, কর্মচারী, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ-আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রথম ভাগে অল্প সংখ্যক দর্শনার্থী এসেছেন। তারা কাউন্টারে গিয়ে টিকিট সংগ্রহ করে বৌদ্ধবিহারের ভেতরে ঢুকেছেন। দোকান পাটগুলোতে বেড়েছে কেনাবেচা।

আজ মঙ্গলবার সকালে বৌদ্ধবিহারের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, শ্রমিকেরা বাগানের পরিচর্যা ও রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়েকজন দর্শনার্থী ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সাপাহার উপজেলা সদর থেকে আসা কাওছার আহম্মেদ বলেন, করোনায় পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বন্ধ রয়েছে ভেবেই তিনি পরিবার নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এখানে এসে জানলেন, বৌদ্ধবিহার খুলেছে। এখন নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে।

পোরশা উপজেলা সদর থেকে আসা দর্শনার্থী জুঁই বলেন, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার খুলে দেওয়া হবে, আমরা তা আগে জানতাম না। এখানে আসার পর জানলাম। তবে বৌদ্ধবিহারের মূল মন্দিরের সিঁড়ি ভাঙা থাকায় সেখানে যেতে পারিনি।

পাহাড়পুর বাজারের দোকানি জুয়েল হোসেন বলেন, করোনায় দীর্ঘদিন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বন্ধ ছিল। এ কারণে কেনাবেচাও কমে গিয়েছিল। বৌদ্ধবিহার খোলার পর দোকানে বেচাকেনা আগের চেয়ে একটু বেড়েছে।

মূল গেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাহেলা বেগম বলেন, দর্শনার্থীদের মাক্স পরা বাধ্যতামূলক। তারা মাক্স ছাড়া কোনো দর্শনার্থীকে ভেতর যেতে দিচ্ছেন না। তা ছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দর্শনার্থীদের ভেতরে ঘোরাঘুরি করতে বলা হচ্ছে। পাহাড়পুর ইউপির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার দর্শনার্থীদের খুলে দেওয়ায় আমরা সবাই খুশি।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের টিকিট কাউন্টারের বুকিং সহকারী সরজিত পাল জানান, এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। জনপ্রতি টিকিট ২০ টাকা। বুধবার ৪ হাজার টাকার বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে।

মঙ্গলবার আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে দর্শনার্থী একবারেই কম। এ দিন দুই হাজার ৪০০ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। পাহাড়পুর জাদুঘরের অফিস সহকারী বরুণ কান্তি বলেন, গত ১৯ মার্চ থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বন্ধ ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে ভূমি অধিগ্রহনের নকশা পরিবর্তন করে মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবীতে এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ  জৈন্তাপুর উপজেলার সর্ববৃহত আসামপাড়া সামাজিক কবরস্থান রক্ষার দাবীতে জৈন্তাপুরে শান্তিপূর্ণ মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করে মৌজার সর্বস্থরের জনসাধারণ। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের আসামপাড়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় আসামপাড়া মসজিদ ও সামাজিক কবরস্থান পরিচালনা কমিটির ডাকে চাললেন ভূমি অধিগ্রহনের নকশা পরিবর্তন করে মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবিতে জৈন্তাপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভাবে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

এই সেই কবরস্থান।

মানব বন্ধন কর্মসূচী চলাকালে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতা সাইফুল ইসলাম বাবু পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম লিয়াকত আলী, ২নং জৈন্তাপুর ইউপি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিরন মেম্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা হরমুজ আলী, সাবেক জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজের অধক্ষ্য আবু সুফিয়ান বেলাল, ব্যবসায়ী নূর মিয়া, আব্দুল মতিন, সেলিম চৌধুরী, মস্তাক চৌধুরী, মহসিন মিয়া, ময়না ড্রাইভার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুস সালাম, আব্দুল মন্নান, শাহজাহান মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য কবির আহমদ, রহমত মেম্বর, কবির আহমদ, আফতাব ড্রাইভার, সাইফুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম, মানিক মিয়া, ছাত্রনেতা মফিজুল ইসলাম, রফিক মিয়া, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ সামাজিক কবরস্থান হল আসামপাড়া কবরস্থান। এই কবরস্থানে শায়িত আছেন বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম প্রায় ২০ জনের অধিক সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

এছাড়া কবরস্থানে শায়িত রয়েছে একটি মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম গণকবর। স্বাধীনতার পূর্ব হতে এই কবরস্থান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সম্প্রতি সরকার বাহাদূর জনসাধারনের চলাচলের এবং ব্যবসা বানিজ্য সুবিধার্থে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কটি চাললেন সড়কে উন্নিত করে। যার ফলে চারলেন মহাসড়কের পূরো নকশাটিতে আমাদের ঐহিত্যবাহী স্বাধীন যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত গণকবর সহ ২০মুক্তিযোদ্ধার অধিক মুক্তিযোদ্ধা সহ অত্রা লের ৮ মৌজার কয়েক লক্ষ্য মৃত ব্যক্তির কবরস্থানের উপর দিয়ে নকশা তৈরী করে ভূমি অধিগ্রহনের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন কাজে আমাদের কোন বাঁধা নেই, আমরাও চাই সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দ্রুত বাস্তবায়ন করা হউক।

কিন্তু ঐহিত্যবাহী আসামপাড়া মসজিদ ও সামাজিক কবরস্থানের ভূমি বাদ দিয়ে রাস্তা বিপরীত পার্শ্বে অধিগ্রহন করার জন্য জোর দাবী জানাই। আমরা প্রাণ দিয়ে হলেও ঐতিহ্যবাহী কবরস্থানটি রক্ষার আজ এই শান্তিপূর্ণ মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করেছি। ইতোমধ্যে আমরা সিলেট জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেট, মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি মহোদয়ের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করেছি।

আমাদের এই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন পালন করে এটাই জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি গণকবন ও বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ এলাকার হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের কবরস্থান রক্ষা করে চারলেন সড়ক নির্মাণ করা হউক। সামাজিক কবরস্থান রক্ষায় আমরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত রয়েছি। আমরা কোন অবস্থায় কবরস্থানের উপর দিয়ে চারলেন সড়ক যেত দেব না।

সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে গাড়ি চাপায় প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন্য প্রাণী। অন্যান্য বন্য প্রাণীদের মত এবার এক শিয়ালের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির নিচে চাপা পরে এই শিয়ালের মৃত্যু হয়। লাউয়াছড়া জীববৈচিত্র রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক কাজী সামছুল হক মৃত শিয়ালটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে রাস্তা পাশে নিয়ে রাখেন। তিনি জানান, ১০/১৫ দিন আগেও  একটি শিয়াল গাড়ির নিচে চাপা পরে মারা যায়।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে উদ্ভিদ ও প্রাণীবৈচিত্র্যে ভরপুর এ রকম একটি বনের ভেতর দিয়ে চলে গেছে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট রেলপথ এবং শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়ক। রেল ও সড়কপথের দুপাশেই উদ্যান। বন্য প্রাণীরা সড়কের এ-পাশ থেকে ও-পাশে নিয়মিত আসা-যাওয়া করে। রাতের বেলাতেই বন্য প্রাণীর বিচরণ বেশি। রাস্তা পারাপারের সময় হঠাৎ করে সামনে চলে আসা দ্রুতগামী যানবাহনের আলোতে বন্যপ্রাণীরা হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। তখন দ্রুতগামী গাড়ির আঘাতে অনেক বন্য প্রাণী মারা পরছে। প্রায়ই পথচারীরা সড়কের উপর বা পাশে বিভিন্ন বন্য প্রাণীর মৃতদেহ পরে থাকতে দেখছেন।
স্থানীয়রা জানান , এই রাস্তা যখন তৈরি হয়, সে সময় যানবাহন কম ছিল। এখন প্রতিদিন গড়ে এই সড়কে সহস্রাধিক যানবাহন চলাচল করে। প্রতি মাসেই কোনো না কোনো বিরল প্রজাতির প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে এই সড়কে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়ার জোড় দাবি জানান সচেতন মহল।

সানিউর রহমান তালুকদার,নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকেঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বেপরোয়া বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তন্ময় বৈষ্ণ (৮) নামে এক দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর। এঘটনায় ঘাতক বাসকে আটক করেছে পুলিশ। শরিবার দুপুর ১২টার দিকে নবীগঞ্জ-আউশকান্দি সড়কের কুর্শি ইউনিয়নের বাজকাশারা এলাকায় এঘটনা ঘটে। নিহত তন্ময় সোনার বাংলা মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র এবং বাউসা ইউনিয়নের বাউসা গ্রামের সুমিত বৈষ্ণ একমাত্র পুত্র।
জানা যায়, উল্লেখিত সময় সিএনজি যোগে নবীগঞ্জ থেকে বাংলা বাজার ফিরছিলেন তন্ময় বৈষ্ণ। পথিমধ্যে নবীগঞ্জ-আউশকান্দি সড়কের কুর্শি ইউনিয়নের বাজকাশারা এলাকায় পৌছাঁমাত্রই শেরপুর থেকে নবীগঞ্জগামী বেপরোয়া দ্রুত গতির যাত্রীবাহী বাস সিলেট মেট্রো (ব- ১১-০০৭৫) অপর একটি গাড়িকে ওভারটেক করে সিএনজিকে মারাত্মকভাবে ধাক্কা দেয়।

এসময় সিএনজিটি ধুমড়ে মুচড়ে গেলে সিএনজিতে থাকা তন্ময় ছিটকে পড়েন। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তন্ময়কে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার এস আই কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি আটক করতে সক্ষম হলেও ঘাতক চালক পালিয়ে যায়।

বেনাপোল প্র‌তি‌নি‌ধি: বেনাপোলে বিদ্যুৎ বিভাগ ও মার্কেটের মালিকের খামখেয়ালিপনার কারণে একের পর এক মৃত্যু ঘটনা ঘটছে। এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যুর পরও এবার মৃত্যু হলো এক কলেজ ছাত্রের। তবুও টনক নড়েনি তাদের। আর তাদের বোধদায় হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর।

যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের আবিদুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল (২০)। নাভারণ ডিগ্রি কলেজের অনার্সের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র। গত ১৫ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখার জন্য টুটুল ও তার ভাই বেনাপোলের গাতিপাড়া সড়কে বাবুর মার্কেটের ছাদে ডিস-লাইনের সংযোগ ঠিক করছিল। এ সময় ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের মেইন তারে জড়িয়ে টুটুল গুরুতর আহত হন।

আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৬০ ভাগ ঝলসে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেলের দিকে তার মৃত্যু হয়। শনিবার তার মরদেহ বেনাপোলের বাড়িতে এসে পৌঁছায়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে। বিকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নিহতের মা শাহিনুর বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর এ মার্কেট নির্মাণ করার সময় এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এবার মৃত্যু হলো আমার ছেলের। শ্রমিক মৃত্যুর পর যদি বিদ্যুৎ ও মার্কেট কর্তৃপক্ষ বিদ্যুতের তারে কাভার লাগাতেন তাহলে হয়তো এ দুর্ঘটনা ঘটতো না।

এদিকে নিহতের পরিবারের সেবায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি। খবর পেয়ে সমিতির সদস্যরা টুটুলকে দেখতে ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিট যায় এবং তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। তার মায়ের হাতে আর্থিক সাহায্যও তুলে দেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকল কার্যক্রম শেষে অ্যাম্বুলেন্সও ভাড়া করে দেন তার মরদেহ বেনাপোলে আনার জন্য। তাদের কার্যক্রমে খুশি নিহতের পরিবারসহ বেনাপোলবাসী।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮জুন,নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত প্রাণ গ্রুপের ডিএসআর আব্দুল আজিজের স্ত্রীকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। রবিবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে নিহত আব্দুল আজিজের স্ত্রী পপি খাতুনের হাতে নগদ সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন প্রাণ গ্রুপের রিওজিনাল ম্যানেজার (সেলস) মোহাম্মদ মারুফুজ্জামান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবীর টুকু,সাধারন সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলাম,মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সেলিম, আউড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোহাম্মদ বাসার মন্ডল, কৃষকলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান,প্রাণ বেভারেজ এর পরিবেশক প্রণব কুমার ভট্ট প্রমূখ।
প্রাণ গ্রুপের রিওজিনাল ম্যানেজার (সেলস) মোহাম্মদ মারুফুজ্জামান জানান, নিহত আব্দুল আজিজের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রাণ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ও নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামের সন্তান আনিসুর রহমান টুটুল মন্ডল।এর আগে নিহতের দাফন কাফন সম্পন্নের জন্যে প্রাণ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালকের পক্ষ থেকে ১০হাজার টাকা নগদ সহযোগিতা প্রদান করেছিল বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ডিএসআর আব্দুল আজিজ (৩৭) ইঞ্জিন চালিত নসিমন যোগে প্রাণ গ্রুপের মালামাল বিভিন্ন দোকানে সরবরাহের লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় শহরের নড়াইল-যশোর সড়কের ভাদুলিডাঙ্গায় মৎস বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের সামনে বাস চাপায় নিহত হন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৩জুন,ডেস্ক নিউজঃ   রাঙ্গামাটির মানিক ছড়িতে পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আশেপাশের মানুষ পাহাড় ধসের কারনে যখন চরম ভোগান্তিতে পড়েন তখন পাহাড় ধসের এলাকার পাশে থাকা সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী এসে উদ্ধার কাজ চালান। কিন্তু স্থানীয়দের উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ দিলেন ৬ সেনা।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে যায় শতশত মানুষ। এ সময় পাশে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, উদ্ধার করতে এস তারাই মাটির নিচে চাপা পড়ে যান।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৬ জনের লাশ আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মেজর মাহফুজ, ক্যাপটেন তানভির, করপোরাল আজিজ, সৈনিক শাহিন। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহত আরও ৬ সেনাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হলেও প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় তা সম্ভব হয় নি। অন্যদিকে মানিকছড়ি থেকে রাঙ্গামটিতেও নেওয়া যাচ্ছে না আহতদেরকে। তাদেরকে স্থানীয়ভাবেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭মে,নড়াইল প্রতিনিধিঃনড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় আজিজুর রহমান (৩৫)নামে প্রাণ কোম্পানীর ডেলিভারীম্যান নিহত হয়েছেন। আজ সকাল ১০টার দিকে নড়াইল শহর সংলগ্ন নড়াইল-যশোর সড়কে মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যশোার থেকে ছেড়ে আসা দ্রুত গামী একটি যাত্রীবাহী (ফরিদপুর জ-১১-০০২০) বাস নড়াইল শহরের মৎস্য প্রজনন অফিস এলাকা পৌছালে সামনে থাকা প্রাণ কোম্পানীর পণ্য বোঝাই একটি নছিমনকে ধাক্কা দেয়। এসময়  নছিমন চালক কাম প্রাণ কোম্পানীর ডেলিভারী ম্যান  শহরের লস্করপুর গ্রামের আজিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা  তাকে দ্রুত নড়াইল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে চিকিৎসা প্রদানকালেই তার মৃত্যু হয়।

নড়াইল সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, বাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪মার্চ,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জেলার শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে প্রাণ কোম্পানীতে কাজ করতে গিয়ে বিল্লাল হোসেন (৩৫) নামে এক ক্রেন চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় কোম্পানীর ভিতরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল ঢাকা জেলার দোহার এলাকার আদিল উদ্দিন বেপারীর ছেলে।

জানা যায়, উল্লেখিত সময়ে কোম্পানীর ক্রেন চালক বিল্লাল হোসেন ক্রেন দিয়ে স্টীলের প্লেইট উপরে তুলার কাজ করছিল। এ সময় প্লেইট উপর থেকে তার উপর পরে যায়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। আশংকাজনক অবস্থায় কোম্পানীর অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

এদিকে, হাসপাতালে বিল্লাল হোসেনের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে কোম্পানীর লোকজন তড়িঘড়ি করে লাশ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে সদর থানা পুলিশ লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc