Sunday 25th of October 2020 03:06:55 AM

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান এর সাথে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাগত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছলম ইকবাল মিলন, সাবেক সভাপতি এম, মোসাদ্দেক মানিক, কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রামভজন কৈরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, রহিমপুর ইউপি চেয়রম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মুনিম তরফদার, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, শাব্বির এলাহী, শাহীন আহমেদ, আসহাবুর ইসলাম শাওন, মোনায়েম খান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নবাগত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, আমি আপনাদের লোক হয়ে সেবা করতে চাই। সাধারণ মানুষ যেন সেবা থেকে বি ত না হয় এবং হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি সুষ্ঠু ও গণমুখি প্রশাসন গড়ে তুলতে এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নসহ সকল বিষয়ে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় কমলগঞ্জ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে গুরুত্বারোপ করেন।

মতবিনিময় সভার শুরুতে নবাগত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানকে উপজেলা পরিষদ, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮জুন,আলী হোসেন রাজন ,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ    মৌলভীবাজার জেলায় বন্যায় ৫ উপজেলার ৩০ টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার মোট ৪০ হাজার ২০০ পরিবার ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। মৌলভীবাজারে বন্যায় আক্রান্তদের জন্য নগদ ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৭শ ৪৩ মেট্রিকটন চাল বরাদ্ধ করা হয়েছে। মজুদ আছে ১ হাজার ৩৭ মেট্রিকটন চাল। আরো বরাদ্ধ হয়েছে ৫০০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ১০ লক্ষ টাকা। ৩ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্ব পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে।

শহরের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিজিবির ৪ টি গাড়ি টহল দিচ্ছে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে ৭৪ টি মেডিকেল টিম বন্যাকবলিত এলাকায় কাজ করছে। সেনা বাহিনীর ৪টি টিম বন্যা দূর্গত এলাকায় কাজ করছে। তারা পানি বন্দিদের উদ্ধারের কাজে ১৮টি স্পীডবোট ব্যবহার করছে। আরো সংগ্রহ করা হচ্ছে।
১৭ জুন (রবিবার) বিকেল ৫ টায় মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসের মুন হলে জেলা প্রশাসনের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম ।
প্রেসব্রিফিংয়ে জানানো হয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সেনাবাহিনীর ২১ ইঞ্জিনিয়ার্স এর একটি ইউনিট, জেলা পুলিশ, ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, স্বাস্থ্যবিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, বিএনসিসি, রেডক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থাও নিয়োজিত আছে।

মৌলভীবাজারে বন্যায় আক্রান্তদের উদ্ধারে কাজ করছে, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়, জেলায় স্বরণ কালের মনু ও ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধের ২৫ স্থানে ভাঙংন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে বন্যাকবলিত এই জেলায় ৫০ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ৫৩৯০ জনকে উদ্ধার করে অশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদরে অশ্রয় কেন্দ্রে খোলা হয়েছে ৬ টি। এই আশ্রয় কেন্দ্র গুলোর মধ্যে আছে সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজ, পলিটেকনিক ইনসট্রিটিউট, পিটিআই। এছাড়াও বেসরকারি উদ্যোগে আরো কয়েকটি খোলা হয়েছে যেখানে বিএনসিসি, স্কাউটসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীরা বন্যা কবলিত মানুষের জন্য কাজ করছেন। এছাড়াও দুর্গত এলাকা থেকে জরুরী যোগাযোগের জন্য একটি (০১৭২৪৬৮৫৭৮৪) হটলাইন খোলা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিং এ আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল (বিপিএম), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আশরাফুর রহমান।
এদিকে আগামীকাল (আজ সোমবার) মৌলভীবাজার আসবেন দূর্যোগ, ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রী মোফজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি মৌলভীবাজার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করবেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সুনামগঞ্জের মহান মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহনকারী এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদের জেলা জুড়েই আলোচনার ঝড় বইছে। এই প্রতিবাদ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর নিজের স্বার্থে নয় জেলার প্রতিটি স্কুল,কলেজ নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস না হওয়ায় কারনে। অসচ্ছল এই মুক্তিযোদ্ধা অভাবের তাড়নায় পৌর শহরের তেঘরিয়া পীরবাড়ি এলাকায় কোন রখমে স্ত্রী,ছেলে ও মেয়ে নিয়ে দিন পার করছেন। সম্প্রতি তিনি সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়–য়া মেয়ে সানজিদার দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে তার কাছ থেকে জানতে চান পরীক্ষা কেমন হয়েছে। মেয়ে জানায় পরীক্ষা তেমন ভাল হয় নি। ভাল না হওয়ার কারনে জানতে চাইলে মেয়ে জানায়,ইংরেজী নন ক্রেডিট ও রসায়ন পরীক্ষা ভাল হয় নি। আরো জানায়,নিয়মিত ক্লাস করলেও এই দুই বিষয়ে কলেজে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে মেয়েকে প্রাইভেট পরাতে না পারায় মনের কষ্টে তিনি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১৫মিনিটে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলামের কার্য্যালয়ের সামনের মেঝেতে বসে ২ঘন্টা ব্যাপী অনশন শুরু করেন। জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয়ের সকল কর্মকর্তাগন অনশনের কারন জানতে চেয়ে অণশন ভেঙ্গে অফিসে এসে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি জেলা প্রশাসক ছাড়া কারো সাথেই কথা বলতে নারাজ।

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক সকল কাজ ফেলে মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীরের সাথে কথা বলার জন্য বেলা সাড়ে ১১টার সময় আসেন। পরে জেলা প্রশাসক তাকে অনুরোধ করে অনশন ভেঙ্গে তার কার্য্যালয়ে নিয়ে গিয়ে একান্তে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম মালেক হুসেন পীরের মুখ থেকে সব কথা শুনে তাকে একটি লিখিত আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়াও এই বিষয়ে গুরুত্বের সাথে তর্দন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর বলেন,আমার চলার মত একটাই অবলম্বন তা হল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। তা দিয়ে কোন রখমে আমার সংসার চালাই। ছেলে মেয়ের পড়া শুনার খরচ চালাতে গিয়ে আমি হিমসিম খাই। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়–য়া মেয়ের দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে সানজিদার কাছ থেকে জানতে গিয়ে জানতে পাই নিয়মিত ক্লাস করলেও ইংজেী ও রসায়ন কলেজে ক্লাস হয় না। মেয়েকে এই দু বিষয়ে প্রাইভেটও পড়াতে পারে নি। যার জন্য তার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। নিয়মিত ক্লাস হলে পরীক্ষা খারাপ হত না। তাই প্রতিবাদে আমি এমন অনশন শুরু করেছিলাম। জেলা প্রশাসক আমাকে লিখিত ভাবে আবেদন করার জন্য বলেছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে তর্দন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আমাকে আশ্বাস্ত করেছেন।

জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম বলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর আমার কার্য্যালয়ের দরজার সামনে অনশন শুরু করেন। আমার কার্য্যালয়ের কর্মকর্তাগন সবাই অনশন ভঙ্গ করে অফিসে বসে কথা বলার জন্য বলেন। তাতে তিনি রাজি হননি। আমি খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে এসে উনার অনশন ভাঙ্গিয়ে সব কথা শুনেছি। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়ুয়া মেয়ের দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার ইংরেজী ও রসায়ন পরীক্ষা খরাপ হয়েছে কলেজে পাঠদান না হওয়ায়। আমরা এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুস ছাত্তার বলেন,আমার কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে। রসায়ন বিভাগে ক্লাস হয় না শিক্ষক সংকট থাকার কারনে, কিন্তু ইংরেজী বিভাগে শিক্ষক আছে নিয়মিত ক্লাস ও হয়। ক্লাস হয়নি এই বিষয়ে আমাদের কাছে কখনো কেউ জানাইনি। আর শিক্ষকরা যদি ক্লাস না করে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪অক্টোবর,হাবিবুর রহমান খানঃ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, মঙ্গলবার,৩ অক্টোবর সকালে সরকারী সফরের অংশ হিসেবে জুড়ী উপজেলা পরিষদে সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারী, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, রাজনীতিবীদ, সাংবাদিক সহ বিশিষ্ট গুনীজনদের নিয়ে জুড়ী উপজেলা পরিষদের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে যোগ দিলে নবগঠিত জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রধান অথিতিকে ফুলের তুড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আজির উদ্দিন আহমদ, উপদেষ্টা কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন, সালেহ উদ্দিন আহমদ চেয়ারম্যান, শাহাব উদ্দিন আহমদ লেমন চেয়ারম্যান ও শিক্ষক রিংকু রঞ্জন দাসের নের্তৃত্বে জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সভাপতি জুড়ী অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সিইও এস.এম. জালাল উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেন মনির, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শাহীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুন নাহার হোছনা, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সবুর, সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবা সম্পাদক এ আর সাজেদ, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাওন ও কোষাধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম প্রধান অথিতিকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

নেতৃবৃন্দ নবগঠিত জুড়ী অনলাইন প্রেসক্লাবের সার্বিক কর্মকান্ডে মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করলে অনলাইন প্রেসক্লাবের সকল কর্মকান্ডে সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক দিনভর জুড়ী উপজেলার ২নং পূর্বজুড়ী ইউপির ছোটধামাই, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মক্তদীর গার্লস স্কুল, ভোয়াই বাজার সহ পুরো উপজেলায় বিভিন্ন অনুস্টানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩অক্টোবরঃহাবিবুর রহমান খান:জুড়ীতে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী,সেবাগ্রহীতা, জনপ্রতিনিধি এবং স্তানীও গণ্যমান্য ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময় করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক জনাব মো:তোফায়েল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার (৩অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ তোফায়েল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,জনাব জালাল উদ্দিন।
মতবিনিময় সভায় ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,২৬এপ্রিল,হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৌলভীবাজারের বোরো ফসল হারানো দুর্গত মানুষদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম।

মঙ্গলবার কুলাউড়া উপজেলার ভূকশিমইল ইউনিয়নে হাকালুকি হাওরে ফসল হারানো ৩০০ জন কৃষকের মাঝে ১৫ কেজি করে চাউল তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নে কাউয়াদীঘি হাওরে ফসল হারানো ১২৫ জন কৃষকের মাঝে ২০ কেজি করে চাউল তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এ সময় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।পরে জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাকালুকি হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ফসল হারানো দুর্গত মানুষদের জন্য জিআর ২০০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা বিতরণ কার্যক্রম চলছে। এদিকে নতুন করে ৩ মাস ৮ দিনের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায়  ১ হাজার ভিজিএফ কার্ড বরাদ্ধ এসেছে। এর বিপরীতে ৯৮ মেট্রিক চাল ও ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ এসেছে। তা উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে পৌছে দেয়া হয়েছে।

এদিকে সাধারণ মানুষ আশা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্ধ আরো বৃদ্ধি করা হবে।

জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলায় বিভিন্ন স্তরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ।

 

চারখাইয়ে সরকারীরাস্তার গাছ কর্তন করে গেইট নির্মাণের অভিযোগ

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২মার্চঃ  বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের আদিনাবাদ ইসবখানী গ্রামের সরকারী রাস্তার গাছ কেটে ফেলে জোরপূর্বক গেইট নির্মাণের পায়তারা করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। গাছ ও রাস্তা কর্তনকারী আদিনাবাদ ইসবখানী  গ্রামের মৃত আনসার আলীর পুত্র জামাল আহমদ গংদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশের পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ। ফলে শত শত মানুষের চলাচলের এ রাস্তাটিতে জোরপূর্বক গেইট নির্মাণ করে প্রতিবদ্ধকতার চেষ্টা করছে ঐ চক্র।
আদিনাবাদ ইসবখানী গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর পুত্র জামাল আহমদ সরকারী রাস্তার গাছ কর্তন ও গেইট নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীনের নিকট লিখিত অভিযোগ দেন। জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি  সরেজমিন গিয়ে তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন। নির্দেশের প্রেক্ষিতে বিয়ানীবাজার উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রজত কান্তি দাস সরেজমিন তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান এবং এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে রিপোর্ট দেন।

ঘটনার প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযুক্ত জামাল, নাজিম, মানিক মিয়া, মুক্তা মিয়া,  রফিক মিয়া, আবুল আহমদ, মুনিম আলী, সুহেল, বাবুল, মখলিছ মিয়া, বদরুল, নোমান, ছালাহ উদ্দিন, জাবেদ ও কফিল আহমদ গংদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিতভাবে নির্দেশ দেন। কিন্তু ওসি কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন মৃত তজম্মুল আলীর পুত্র জামাল আহমদ। জামাল আহমদ বলেন, এটি একটি সরকারী রাস্তা। বিভিন্ন সময়ে সরকারী অনুদানে এ রাস্তার কাজ করা হয়েছে।

এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত লোক যাতায়াত করেন। তারপরও এই রাস্তায় লাগানো গাছ কর্তন করে জোরপূর্বক গেইট নির্মাণের চেষ্টা করছে জামাল আহমদ গংরা। সরকারী নির্দেশনার পরও বিয়ানীবাজার থানার ওসি আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য এসআই সাফিউলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc