Thursday 29th of October 2020 08:39:31 PM

গত ১ মে বুধবার অনলাইন পত্রিকা দৈনিক হবিগঞ্জের সংবাদ ও আমার সিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকমসহ বিভিন্ন ফেসবুক আইডিতে “চুনারুঘাটে প্রতারকের সাথে বিবাহ পন্ড করে অন্যের সাথে সম্পন্ন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, আমার নাকি শাহনাজ পারভিন নামে একজন স্ত্রী রয়েছে এবং ২টি কন্যা সন্তানও নাকি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমি এখন পর্যন্ত কোন বিবাহই করিনি। আমার সন্তান আসবে কোথা থেকে।

আমার মান-সম্মান ও ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য তথাকথিত শাহানাজ পারভিন নামে একটি মেয়ে আমাকে স্বামী ও দুই সন্তানের জনক বলে দাবি করছে এবং এলাকার কিছু কুচক্রী মহলের মাধ্যমে আমার বিবাহ অনুষ্ঠানটি বানচাল করে এবং ষঢ়যন্ত্রমূলকভাবে ছবি এডিটিং ও ভূয়া কাবিনের মাধ্যমে আমার মান-সম্মান ও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ করার লক্ষ্যে যে মিথ্যা সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে আমি তাহার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ বিষয়ে আমি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

আমি চুনারুঘাট উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক পদে সম্মানজনক চাকুরী করার কারণে আমার একই এলাকার কিছু কুচক্রী মহল আমার এই সফলতার প্রতি ইর্ষান্বিত হইয়া আমার মান-সম্মান নষ্ট সহ আমাকে আর্থিক ও মানসিকভাবে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার মান-সম্মান নষ্ট করার পায়তারা করিয়া সাংবাদিক ভাইদেরকে ভুল তথ্য দিয়ে উক্ত অনলাইন পত্রিকাগুলোতে ভূয়া সংবাদটি প্রকাশ করে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

(মোঃ মামুনুর রশিদ)

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক

পিতা- মৃত আব্দুল হাই

গ্রাম- গোবিন্দপুর

১০নং মিরাশী ইউপি

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

(নোটঃপ্রতিবাদটিতে একটি পত্রিকার নাম শুদ্ধসহ বাকি গুলো হুবহু প্রকাশিত হলো)

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২সেপ্টেম্বর গত ১২ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার ১ম পাতায় ও অনলাইন দৈনিক শায়েস্তাগঞ্জ এ “চুনারুঘাটে কিশোর মামুন হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আটক সুনাইকে পুলিশে সোপর্দ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

উক্ত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। কে বা কারা সাংবাদিক ভাইদের ভূয়া তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে।

প্রকৃত ঘটনা হল, উপজেলার ৭নং উবাহাটা ইউনিয়নের কেউন্দা গ্রামে জমি সংক্রান্ত ও মারামারির ঘটনায় সবুজ মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং- ২৮, তাং-১৪/০৭/১৭।

উক্ত মামলার এজাহারভূক্ত আসামী ছগির মিয়া ও সোনাই মিয়া। আমি প্রতিপক্ষকে বন্দুক দিয়ে হত্যার চেষ্টা ও কিশোর মামুন মিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত নহে। সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয় যে, উপজেলার কেউন্দা গ্রামে জমি-জমা নিয়ে গ্রামের বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বশির মাষ্টার ও তার ভাই ছগির মিয়ার সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গ্রামে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা বিচারাধীন রয়েছে। আমি কোন পক্ষের হয়ে মারামারির ঘটনায় জড়িত নই।

উক্ত মামলায় ছগির মিয়া জামিনে বেড়িয়ে আসে। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, গত সোমবার রাত ৮টায় চুনারুঘাট পৌরসভার নতুন বাজার থেকে আমাকে গ্রামবাসীরা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। প্রকৃত পক্ষে, আমাকে উক্ত মারামারি মামলায় এজাহারভূক্ত আসামী হিসেবে পুলিশ গ্রেফতার করে। আমার মান-সম্মান নষ্ট করার জন্য একদল কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুচক্রী মহলটি আমাকে কিশোর মামুন হত্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা করছে। আমার ধারনা এলাকায় আমার বিরোধী কুচক্রী মহলই আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানহানি করার হীন উদ্দেশ্যে লিপ্ত রয়েছে।

আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে কেউন্দা গ্রামের আশ্রব, মুক্তার,বাবুল, আলতা, আরব আলী, জাহাঙ্গীর গংরা মামুন হত্যা মামলার আসামীদের ভাই-ভাতিজা হয়।

উক্ত কুচক্রী মহলটি আমাকে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য উঠে পড়ে লেগে আছে। উক্ত কিশোর মামুন হত্যা মামলার মূল খুনিদের গ্রেফতার করলেই প্রকৃত তথ্য বেড়িয়ে আসবে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

মোঃ সোনাই মিয়া

পিতা- মৃত আঃ হাসেম

গ্রাম- কেউন্দা

৭নং উবাহাটা ইউপি

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মেঃ  গত ২৮ মে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি পত্রিকার ১ম পাতা ও দৈনিক আমার সিলেট ২৪.কম ও দৈনিক শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন পত্রিকায় “চুনারুঘাটের মুছিকান্দি শাহ মাদার মোকামে মদ গাঁজার আসর” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

উক্ত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। কে বা কারা সাংবাদিক ভাইদের ভূয়া তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হল, গত ২০ মে আমার ছেলে কনস্টেবল হাবিবুর রহমান ছুটিতে বাড়িতে আসলে এসময় মুছিকান্দি শাহ মাদার মোকামে মিলাদ ও জিয়ারত করতে গেলে মুছিকান্দি এলাকার মাজার বিরোধী প্রভাবশালী প্রকৃতির লোক মানিক মিয়া ও তার সহযোগিরা আমার ছেলে কনস্টেবল হাবিবুর রহমানের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমি আঃ কদ্দুছ তালুকদার মাজার ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং- ২৮, তারিখ- ২১/০৫/২০১৭ইং।

সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের মুছিকান্দি গ্রামের শাহ মাদার মোকামে মদ গাজার আসর বসানো হয়। সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। সংবাদে এমনও বলা হয়েছে, শাহ মাদার দরবার শরীফের মসজিদ নাকি তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক ভূয়া ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত পক্ষে শাহ মাদার মোকামের খাদেম আব্দুল কদ্দুছ তালুকদার শাহ মাদারের মসজিদ ও মাজার দরবার শরীফ দীর্ঘদিন যাবত ধরে হেফাজত করে আসছেন। উক্ত মসজিদটি কোন তালাবদ্ধ নহে। পূর্ব পুরুষ থেকে দুই যুগ ধরে শাহ মাদার দরবার শরীফের দায়িত্ব পালন করে আসছেন আঃ কদ্দুছ তালুকদার খাদেম।

আমার ধারনা এলাকার মাজার বিরোধী কুচক্রী মহলই আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানহানি করার হীন উদ্দেশ্যে লিপ্ত রয়েছে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। স্থানীয় এলাকার চেয়ারম্যান মোঃ রমিজ উদ্দিন, মেম্বার আব্দুল কাদির ও  সাধারণ মানুষ পূর্ব থেকেই শাহ মাদার দরবার শরীফ দেখে শুনে আসতেছেন। এলাকাবাসী এখনও সচেতন।

উক্ত বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান। আমি দীর্ঘদিন যাবত প্রতি বৎসরের ন্যায় পবিত্র ওরস মোবারক পালন করে আসছি। এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বি হিসেবে আমার অনেক সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে। একদল কুচক্রী মহল আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্য আমাকে ও আমার ছেলে ও মতিনকে জড়িয়ে সাংবাদিক ভাইদেরকে ভূয়া তথ্য দিয়ে উক্ত সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

আব্দুল কদ্দুছ তালুকদার

খাদেম

শাহ মাদার দরবার শরীফ

মুছিকান্দি, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৬মেঃ গতকাল ১৫/০৫/২০১৭ইং  তারিখ সিলেটের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ইজারা  সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে  বিভিন্ন গনমাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগকে জড়িয়েযে সংবাদ প্রকাশিত  হয়েছে এই সংবাদের তীব্র  প্রতিবাদ জানিয়ে সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ, সাধারন সম্পাদক খন্দকার মহশিন কামরান, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আলম খান মুক্তি, যুগ্ন আহবায়ক মুশফিক জায়গীরদার ও সেলিম আহমদ সেলিমএক যুক্ত প্রতিবাদ লিপিতে তারা  বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন, সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগেরসুনাম, ক্ষুন্ন করার জন্য অতিতের ন্যায় একটি কুচিক্র মহল সবসময়  তৎপর রয়েছে গতকালের বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ তারই একটি অংশ বলে আমরা মনে করি।

দীর্ঘাদিন থেকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগ সুনামের সহিত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সিলেটের সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে  রাজনৈতিক মহল ও  আপনারা সচেতন সাংবাদিকবৃন্দের কাছে যুবলীগের সুনাম রয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। বিগত দিনে  বিভিন্ন সময়ে সিলেটের সাধারন মানুষকে জিম্মি করে সিলেটের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার লক্ষ্যে বি.এন পি, জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীরা এই কাজ করে যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতায় এই কুচক্রি মহল গতকিছু দিন আগে সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুর রহমানের গাড়িতে ন্যাক্ষার জনক হামলা চালায়।

এরই  ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৫/০৫/২০১৭ইং  সিলেট সিটি কর্পোরেশনের একটি ইজারা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে যুবলীকে জড়িয়ে তথাকতি মুক্তিযোদ্ধাকে সামনে রেখে তাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জামায়াত বি.এনপির প্রভাবশালী ও পেশী শক্তিধর নেতাদের ইন্ধনে গতকাল সিলেট সিটি কর্পোরেশনে যুবলীগকে জড়ানো হয়।

উল্লেখ্য, গতকাল সিলেট সিটি কর্পোরেশন থেকে যুবলীগের একজন কর্মী ফোন করলে আমরা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষনিক সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখি তখন আমাদের কর্মী আমাদেরকে বলে যে,জামায়াত বিএনপির দালাল সেলিম আহমদ ফলিক আমাদের রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সিলেটের সফল অর্থমন্্রীকে নিয়ে কটুক্তি করেছে। এই কথা শুনে আমরা উপস্থিত পুলিশ প্রসাশনকে বিষয়টি অবহিত করলে প্রসাশন তথাকিত ফলিক’কে  প্রসাশন তাদের হেফাজতে নিয়ে আমাদেরকে আশ্বস্থ করে যে বিষয়টি তারা গুরুত্তব সহকারে দেখবে। সংবাদ মাধ্যম কর্মীদের কাছে আমাদের অনুরোধ আপনরা সচেতন সাংবাদিকবন্ধুরা সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রচার করে,  যারা এই  হযরত শাহজালাল (রাঃ) হযরত শাহপরানের পূণ্য ভ’মি সিলেট বার অশান্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে তাদের মুখোশ উম্মোচন করুন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০২মে,সদেরা সুজন,সিবিএনএ কানাডা থেকেঃ গত ২৪ এপ্রিল  বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক জনকন্ঠের প্রথম পাতায় ‘পার্বত্য এলাকায় নতুন অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টায় ‘ভাবনা কেন্দ্র’ শীর্ষক সাংবাদিক ফিরোজ মান্না’র প্রতিবেদনে একপর্যায়ে মহামানব গৌতম বুদ্ধকে সন্ত্রাসী বলার প্রতিবাদে  মন্ট্রিয়লের  কোট্ দ্যানেইজের ডি  ন্যান্সি সড়কে গতকাল রোববার দুপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনকন্ঠে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে এবং প্রতিবেদক সাংবাদিকের দুষ্টান্তমূলক  বিচারের দাবিতে  ব্যানার-ফেষ্টুন নিয়ে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীরা উপস্থিত হয়ে মানববন্ধনে প্রতিবাদ জানান। বিশেষ করে ছোট ছোট শিশুদের হাতের ফেষ্টুন মূলধারার মানুষকে দৃষ্টিগোচর করে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কানাডা-বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের সভাপতি জয়দত্ত বড়ুয়া। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুশান্ত বড়ুয়া। মহামানব গৌতম বুদ্ধকে সন্ত্রাসী বলার প্রতিবাদে জাতীয় দৈনিক জন্কন্ঠের সাংবাদিক ফিরোজ মান্নার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি নেতা শ্যামল দত্ত, ড. আদিত্য দেওয়ান, ধর্মলংকার ভিক্ষু, আনন্দপ্রিয় ভিক্ষু, দিলীপ কর্মকার, বিদ্যুৎ ভৌমিক, জিয়াউল হক জিয়া, পরিতোষ বড়ুয়া, রাজীব বড়ুয়া, রনজয় বড়ুয়া,  বেসান্তর বড়ুয়া, রিংকন বড়ুয়া, অন্যতমা বড়ুয়া, শিপ্রা বড়ুয়া, রত্নাপাল বড়ুয়া, কুসুম বড়ুয়া, শরণ বড়ুয়া, ডালিম বড়ুয়া,  সুকান্ত বড়ুয়া, আশীষ বড়ুয়া, বাবলু বড়ুয়া, প্রমোদ বড়ুয়া, সুরজিৎ বড়ুয়া, বিনয় চাকমা, প্রমুখ।

বক্তারা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার  বলে দাবীদার  ক্ষমতায় থাকাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীল ঘরানার জাতীয় দৈনিকে হঠাৎ করেই মহামানব গৌতম বুদ্ধকে ‘সন্ত্রাসী’ বলায় প্রবাসীরা বিস্মিত-হতবাক হয়েছেন। বক্তারা বলেন যিনি ‘অহিংসা পরম ধর্ম’ ‘প্রাণী হত্যা মহাপাপ’ বিশ্বের সকল প্রাণী  সুখি হউক’ শত্রুতা নয়; বরং মিত্রতা দিয়েই শত্রুকে জয় করতে হবে’ এসব মহাবাণীর প্রবক্তা গৌতম বুদ্ধ কিভাবে সন্ত্রাসী হয়? ফিরোজ মান্নার মতো  একজন মুর্খ ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ এ ধরনের কথা বলতে পারেনা। পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের সংগ্রাম, তাদের ভাষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐহিত্য  ও অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। এটা কোন ধর্মীয় হুকমত প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নয়। এখানে গৌতম বুদ্ধকে টেনে এনে সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করা উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

বক্তারা বলেন ফিরোজ মান্নার প্রতিবেদনে আরো অনেক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়, তিনি লিখেছেন রাঙামাটিতে রাজবন বিহার ও বনবিহার, বাস্তবে রাঙামাটিতে শুধুমাত্র একটি রাজবনবিহার আছে। উনি আরো লিখেছেন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন ও আল হায়াকিনের মত সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামেই ইউ,পি,ডিএফ ও জনসংহতি সমিতির মতো সংগঠনগুলোকে সহায়তা দিচ্ছে অথচো আমরা জানি রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন ও আল ইয়াকিন এগুলো বার্মার রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রামরত সংগঠন এবং তারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। তারা কিভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ আদিবাসীদেরকে সাহায্য করবে তা মোটেই বোধগম্য নয়। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়নি।

মহামানব গৌতম বৌদ্ধকে  সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করার অর্থ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টির অপচেষ্টা করা। বক্তারা আরো বলেন, এ প্রতিবেদন ছাপার কারণে বাংলাদেশে যদি কোন সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটে তার জন্যে জনকন্ঠ ও প্রতিবেদক ফিরোজ মান্না দায়ী থাকবে। বক্তারা ফিরোজ মান্নার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ভবিষ্যতে কেউ যাতে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করতে না পারে সেদিকে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বক্তারা রোমেল চাকমা হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২মার্চঃ গত ২৮ মার্চ দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার ১ম পাতায় “চুনারুঘাটে গোবরের খাদ পাকা করে মাজার নির্মাণ মিশ্র প্রতিক্রিয়া” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। কে বা কারা সাংবাদিক ভাইদের ভূয়া তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হল, সৈয়দ কলিম শাহ (রঃ) ও সৈয়দ কালা শাহ ওরফে কালা পীরানি ও সৈয়দ ছিদ্দিক শাহ (রঃ) দরবার শরীফের ১৬৪ তম বাৎসরিক ওরস মোবারক গত ২২ ফেব্র“য়ারী ২০১৭ইং সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে আমি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অনুমতির মাধমে উক্ত ওরসটি সম্পন্ন করা হয়েছে। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের লাতুরগাও গ্রাম উল্লেখ করে ২টি মাজার ভূয়া ও গোবরের খাদে মাজার নির্মাণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কাল্পনিক ভূয়া ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে সৈয়দ কলিম শাহ (রঃ) ও সৈয়দ কালা শাহ ওরফে কালা পিরানী ও সৈয়দ ছিদ্দিক শাহ (রঃ) দরবার শরীফ মিরাশী ইউনিয়নের বড়াব্দা কালাশাহ ফকির বাড়িতে অবস্থিত। কিছুদিন পূর্বে একটি কুচক্রী মহল আমার কাছে চাঁদা চায়। চাঁদা না দেওয়াতে আমাকে জড়িয়ে ও আমার সঠিক তথ্য না পেয়ে লাতুরগাঁও গ্রাম উল্লেখ করে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। আমার ধারনা ওই কুচক্রী মহলই আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানহানি করার হীন উদ্দেশ্যে লিপ্ত রয়েছে।

আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। স্থানীয় এলাকার সাধারণ মানুষ পূর্ব থেকেই ওই বড়াব্দা কালা শাহ ফকির বাড়িতে সৈয়দ কলিম শাহ (রঃ) ও সৈয়দ কালা শাহ ওরফে কালা পিরানী ও সৈয়দ ছিদ্দিক শাহ (রঃ) দরবার শরীফ দেখে শুনে আসতেছে। এলাকাবাসী এখনও সচেতন।

উক্ত বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান। গোবরের খাদে মাজার একথা শুনতে ও দেখতে এলাকাবাসীরা জানেননি। উক্ত দরবার শরীফটি বহুদিন যাবত ধরে চিহ্নিত মাজার হিসেবে একনামে পরিচিত। আমি দীর্ঘদিন যাবত প্রতি বৎসরের ন্যায় পবিত্র ওরস মোবারক পালন করে আসছি। আমি প্রতি বৎসরই ওরস পালন শেষে আমার নিজের পরিবারের কাছে প্রবাসে চলে যাই। এলাকায় আমার অনেক সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে।

একদল কুচক্রী মহল আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্য আমাকে জড়িয়ে সাংবাদিক ভাইদেরকে ভূয়া তথ্য দিয়ে উক্ত সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারীঃ

পীরজাদা শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন

খাদেম-বড়াব্দা (কালা শাহ ফকির বাড়ি)

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মার্চঃ  বিগত ১৭মার্চ ২০১৭ইং অনলাইন নিউজ পত্রিকা টুডে সিলেট২৪.কম, সিলেট মিডিয়া.কম ও বজ্র কন্ঠ.কমে “জুড়ীতে ভূমি দখলে ব্যর্থ হয়ে হত্যা চেষ্টা ও লুটপাট শিরোনামে” একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাতে আমার সম্পর্কে যা প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

এলাকায় আমিসহ আমার পরিবার বিভিন্ন সামাজিক কাজে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছি। পত্রিকায় উল্লেখিত পঙ্কিসহ একটি কুচক্রিমহল আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সম্পদ লুন্ঠনে উঠেপড়ে লেগেছে। আমি এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-আব্দুল হামিদ (হাসিম),সহ-সভাপতি,চাক্কাটিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গ্রাম : চাক্কাটিলা, ৩নং পশ্চিম জুড়ী ইউপি,উপজেলা : জুড়ী, জেলা: মৌলভীবাজার।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩মার্চঃ চলতি মাসের ৬ তারিখে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগ, সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ ও পৌর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।এতে নতুন কমিটিতে উপজেলা ছাত্রলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন আসিফ চৌধুরী নাঈম।

নব কমিটি ঘোষনার পরেই অভিযোগ উঠে যে,নাঈম চৌধুরী বিবাহিত।যেহেতু ছাত্রলীগের কমিটিতে বিবাহিতরা আসতে পারে না ফলে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদও প্রকাশিত হয়।সে সকল সংবাদের প্রতিবাদে সোমবার (১৩ মার্চ) রাতে নাঈম চৌধুরী লিখিত এক বার্তায় শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেস ক্লাবকে জানান যে,তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন যে “অভিযোগ প্রমাণ স্বরুপ যে ছবিটি ব্যবহার করা হয় তা একটি পারিবারিক আংটি বদলের ছবি।কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই আংটি বদল ও বিবাহের পার্থক্য জানেন।”

প্রতিবাদ বার্তায় তিনি আরও বলেন,”আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। আমি উক্ত কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানাই এবং আপনাদের মাধ্যমে উক্ত বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।”

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc