Saturday 31st of October 2020 12:35:08 AM

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের সম্বন্ধকাটি গ্রামে স্বরূপজান বেগম (৫০) এক মাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে হত্যার চেষ্টা করেছে নেশাখোর ছেলে তৌহিদ মিয়া (৩৫) ।
জানা যায়, বুধবার বিকালে মায়ের কাছ থেকে নেশার টাকা না পেয়ে শারীরিক নির্যাতন করে বাড়ির পার্শ্বে মাটির গর্তের মধ্যে পলিথিন পেঁচিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। অসহায় ঐ মা সম্বন্ধকাঠি গ্রামের নুর মোহাম্মদ এর স্ত্রী।
এ ঘটনার পরে এলাকার লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে অবস্থা খারাপ হলে যশোর থেকে খুলনায় রেফার্ড করেন চিকিৎসকরা।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার ডিউটি অফিসার এএসআই কুদ্দুস মিয়া জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ছেলে তৌহিদ মিয়া (৩৫)কে আটক করা হয়েছে । তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:  প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ছেলের নামাজে জানাজায় অংশ নিলেন পিতা মুবাশ্বির মিয়া। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চার ঘন্টার জন্য তাকে হবিগঞ্জ কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। মুবাশ্বির মিয়ার পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মুবাশ্বির মিয়ার ছেলে জুবায়েল আহমেদ মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মুবাশ্বির মিয়ার বড় ছেলে জানান, প্রতিপক্ষ ঘাতকদের নির্যাতনে গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ভাইয়ের মৃত্যুতে তাদের বাবার প্যারোলে মুক্তি লচেয়ে আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেেিত মুবাশ্বির মিয়া মুক্তি পেয়ে গ্রামের বাড়িতে যান এবং জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নামাজে জানাজা শুরুর পূর্বে নিহত কিশোর জুবায়েল এর প্যারোলে মুক্তি পাওয়া পিতা মুবাশ্বির মিয়া জানাজায় অংশ গ্রহণকারী গ্রাম, এলাকা ও উপস্থিত পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ ঘাতকরা তাদের লোকজনের উপর হামলা ও পুত্র জুবায়েলকে কিভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এবং তাকে ও তার ভাইসহ বিনা অপরাধে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করে গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মাজহারুল ইসলাম কর্তৃক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে শারীরিকভাবে নির্যাতনের কথা কান্না জড়িত কন্ঠে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার ভাই ভাতিজা ও ছেলেদের প্রভাবশালীরা দলবেঁধে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করে। তিনি আহাজারি করতে করতে বলেন, ঘাতকের নির্যাতনে ঘটনাস্থলেই জুবায়েল জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তিনি সরকারের নিকট ছেলে হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি এবং তিনিসহ অন্যান্য ৪ জন নিরীহ লোককে গ্রেফতার এবং পুলিশ কর্তৃৃক নির্মম নির্যাতনের বিচার দাবী করেন।
এছাড়াও ফুটারচর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযার নামাজের পূর্বে নবীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ আজিজুর রহমান চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুল রহমান নিহত জুবায়েলের বাবা মুবাশ্বির মিয়াকে স্বান্ত্বনা দিয়ে বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এসময় তিনি সবাইকে শান্তির আহবান জানান। জানাজা শেষে ফের কারাগারে নেওয়া হয় মুবাশ্বির মিয়াকে। এদিকে, নিহত জুবায়েলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় হৃদয় বিদারক দৃশ্য। নিহত জুুবায়েলের মা-বোনসহ স্বজনরা মাটিতে লুুটিয়ে পড়ে আর্তনাদ করতে দেখা যায়। নিহত জুবায়েলরা ৪ ভাই ও ১ বোন। ভাই-বোনদের মধ্যে সে ছিল ৩য়।
উল্লেখ্য যে, উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের ঝিটকা গ্রামের মসুদ মিয়া গ্রামের পঞ্চায়েতী কবরস্থানের পার্শ্বঘেঁষে এবং কবরস্থানের কিছু জায়গা বেঁধ করে তার বীজতলায় বেড়া দিলে একই গ্রামের মশাহিদ মিয়া গংরা সহ গ্রামের লোকজনের কবরস্থান সহ সর্বক্ষেত্রে যাতায়াত ও চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে বলে বাধা প্রদান করলে মসুদ ও জবেদ গংরা দলবলে মিলিত হয়ে মুবাশ্বির ও মশাহিদ গংদের উপর হামলা চালায়। এ সময় গ্রামের কিছু লোকজনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। পরবর্তীতে মশাহিদ মিয়া ও মুবাশ্বির মিয়ারা গ্রামের পঞ্চায়েত পক্ষকে বিষয়টি অবগত করলেও পঞ্চায়েতের কোন সুরাহা করতে পারেনি। এরই জের ধরে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় গোপলার বাজার স্ট্যান্ডে মশাহিদ মিয়া ও মসুদ মিয়ার লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা পাল্টা হামলা হয়। এ সময় মশাহিদ মিয়ার পরে কিশোর জুবায়েল সহ প্রায় ৭ জন গুরুতর আহত সহ উভয় পক্ষে প্রায় ১০ জন আহত হয়। সংঘর্ষস্থলে আহত জুবায়েল জ্ঞান হারিয়ে পরে থাকলে তাকে সহ মারাত্মক আহতদের সেখান থেকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টায় তিনি মারা যান। পরদিন সেখানে পোস্টমর্টেম ও ছুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর নবীগঞ্জ থানায় লাশ নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে বিকেল ৪টায় জুবায়েলের লাশ নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসলে নবীগঞ্জ থানা অফিসার্স ইনচার্জ আজিজুর রহমান, ইউ/পি চেয়ারম্যান আব্দুল মোহিত চৌধুরী,নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি দেওয়ান শাহেদ গাজী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুল করিম সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে পরিবারের লোকজনকে স্বান্ত্বনা দেন। এদিকে বুধবার সন্ধা ৬ টায় ফুটারচর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযার সময় নির্ধারিত থাকলেও নিহত জুবায়েলের পরিবার এবং গ্রামবাসী জানাযা এবং দাফনকার্য স্থগিত রেখে লাশসহ মিছিল সহকারে গোপলা বাজার ষ্টান্ডে যেতে চাইলে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে লাশ বাড়িতে রেখে বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধা সাতটা পর্যন্ত বিুব্ধ জনতা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এবং জুবায়েল হত্যাকারীদের গ্রেফতার সহ ফাঁসি দাবী করে এবং জুবায়েলের পিতা সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করায় বিােভে ফেঁটে পড়ে এবং এসআই মাজহারুল এর বিচার দাবি করা হয়। পরবর্তীতে এস,পি হবিগঞ্জ এর ফোনে জুবায়েল হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাসের প্রেেিত অবরোধ প্রত্যাহার করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা জুবায়েলের পিতাসহ জেলহাজতে বন্দি ৪ জনের মুক্তি ব্যতিরেখে লাশ দাফনে অস্বীকৃতি জানিয়ে লাশ দাফন কার্যক্রম স্থগিত রাখে। পরবর্তীতে জুবায়েলের পিতা কে
প্যারোলে মুক্ত করে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এদিকে রাত ১২ টায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে ১৮ জনকে আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

চাঁদা না পেয়ে যুবকের দুই পায়ে ড্রিল করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার শমসেরপাড়া রেলগেইট এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

আমজাদের চাচাতো ভাই মো. নাসির জানান, হাদু মাঝির দোকান এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আজিম। তার কাছে একমাস আগে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে কথিত যুবলীগ নেতা এসরামুল হক এসরালের অনুসারী শমসের পাড়া এলাকার সন্ত্রাসী জালাল, মিলতাত, রাশেদ, নিশান ও দিদার। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা ওই সময় দোকানে হামলা চালায়। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন আজিম। বিষয়টি সন্ত্রাসীরা জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্বপরিবারে হাজীরপুল এলাকায় দাওয়াত খেতে যান মো. আজিম। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের রেখে একা সিএনজি অটোরিকশা করে বাসায় ফিরে আসছিলেন মো. আমজাদ। শমসের পাড়া রেলগেইট এলাকায় পৌঁছালে সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তাকে টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে মারধর করা হয়। এরপর তার বাবাকে ফোন করে টাকা নিয়ে আসতে বলে সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মো. আজিম। টাকা না আনায় বাবার সামনে ছেলেকে ড্রিল মেশিন দিয়ে পায়ে ড্রিল করে তারা। তাকেও মারধর করা হয়। ভাই ও বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বেধড়ক মারধরের শিকার হন আরাফাত হোসেন। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তারা আহত বাবা ও দুই ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চান্দগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) আবদুর রহিম বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাবা ও দুই ছেলেকে মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। একজনকে পায়ে ড্রিল করা হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।’ইত্তেফাক

“বিরামহীন কাজ করে শিল্পসম্মত ও নিপুণভাবে বাসা তৈরির কাজ শেষ করে”

আক্কেলপুরে কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির অপরূপ শিল্প বাবুই পাখির বাসা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২০মে,নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) থেকে: ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়ুই, কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে’ কবি রজনী কান্ত সেনের এই অমর কবিতাটি এখন এদেশে ৩য় শ্রেণীর বাংলা বইয়ে পাঠ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকের কবিতা পড়েই এখনকার শিক্ষার্থীরা বাবুই শিল্পের অলৌকিক কথা জানতে পারছে। এখন আর চোখে পরেনা বাবুই পাখি ও তার নিজের তৈরী দৃষ্টিনন্দন সেই ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য।

হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির বয়ন শিল্পী, স্থপতি এবং সামাজিক বন্ধনের কারিগর বাবুই পাখি ও তার বাসা। খড়, তালপাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে। সেই বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা পরে যেতনা। বাবুই পাখির শক্ত বুননের এ বাসাটি শিল্পের এক অনন্য সৃষ্টি যা টেনেও ছেঁড়া সম্ভব নয়।

একসময় বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামা লে সারি সারি উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। এখন তা আর সচরাচর চোখে পরেনা। কালের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেই দৃষ্টি ভোলানো পাখিটিকেও তার নিজের তৈরী বাসা যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে আরও ফুটিয়ে তুলত, তা আজ আমরা হারাতে বসেছি। বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য নানাভাবে ভাব-ভালবাসা নিবেদন করে এরা। বাসা তৈরির কাজ অর্ধেক হলে কাঙ্খিত স্ত্রী বাবুইকে সে বাসা দেখায়।

বাসা পছন্দ হলে কেবল সম্পর্ক গড়ে। স্ত্রী বাবুই পাখির বাসা পছন্দ হলে বাকী কাজ শেষ করতে পুরুষ বাবুই পাখির সময় লাগে চারদিন। স্ত্রী বাবুই পাখির প্রেরণা পেয়ে পুরুষ বাবুই মনের আনন্দে শিল্পসম্মত ও নিপুণভাবে বিরামহীন কাজ করে বাসা তৈরির কাজ শেষ করে। প্রেমিক বাবুই যত প্রেমই দেখাক না কেন, প্রেমিকা ডিম দেয়ার সাথে সাথেই প্রেমিক বাবুই আবার খুঁজতে থাকে অন্য সঙ্গী। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে ছয়টি বাসা তৈরি করতে পারে। ক্ষেতের ধান পাকার সময় হলো বাবুই পাখির প্রজনন মৌসুম। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবার পরপরই বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য স্ত্রী বাবুই ক্ষেত থেকে দুধ ধান সংগ্রহ করে।

বর্তমানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে গ্রামা ল থেকে হারিয়ে যেতে বসছে প্রকৃতির এক অপরূপে সৃষ্টি বাবুই পাখি। প্রকৃতির বয়ন শিল্পী, স্থপতি ও সামাজিক বন্ধনের কারিগর নামে সমধিক পরিচিত বাবুই পাখি ও তার অপরূপ শিল্পসম্মত বাসা এখন আর চোখে পরেনা।

এ বিষয়ে উপজেলার সচেতন মহল মনেকরেন , প্রকৃতির বিরুদ্ধে মানুষের আগ্রাসী কার্য্যকলাপের বিরুপ প্রভাবেই আজ বাবুই পাখি ও তার বাসা হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে দেশের কিছু কিছু জায়গায় এখনো চোখে পড়ে বাবুই পাখির বাসা। বাবুই পাখি ও তার বাসা টিকিয়ে রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১০জুন,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ বিদেশ যাওয়ার জন্য ২ লক্ষ টাকা না দেয়ায় প্রতিবন্ধী স্ত্রী স্বপ্না ও শাশুরী রেজিয়াকে হাতুড়ী দিয়ে পিঠিয়ে মারাত্মক আহত করেছে কাউছার মিয়া নামে এক পাষান্ড। ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের রাখী গ্রামে। সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে জীবন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন।

প্রতিবন্ধী স্ত্রী স্বপ্না ও শাশুরী রেজিয়া বেগম মামলা করেও কোন সুফল পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিত পরিবারটি। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শাশুরী রেজিয়া বেগমের ছেলে সন্তান না থাকায় পার্শ্ববর্তী গ্রামের কাওছার মিয়াকে ঘর জামাই করে নিয়ে আসেন বছর ১০ এক আগে। তাদের ২ ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে কাওছার বিভিন্ন সময় টাকা দাবী করে এবং টাকা না দিলে জোর জুলুম করে আসছে। ক’দিন পূর্বে মালশিয়ায় যাওয়ার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবী করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।

এক পর্য্যায়ে কাওছার হাতুড়ী নিয়ে তার প্রতিবন্ধী স্ত্রী ও শাশুরীকে পিঠিয়ে মারাত্মক আহত করে। এলাকাবাসী উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে বিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের কে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।

এ ব্যাপারে রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯মার্চ,চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের ছাতকে তালিকায় নাম থাকার পর ১০টাকা কেজির চাল না পেয়ে নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেছে ৩০জন হতদরিদ্র উপকারভোগি। পরে আইনগত প্রতিকার চেয়ে উপজেলার বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার কালারুকা ইউনিয়নের ডিলার জাহাঙ্গীর আলমের সাব-ডিলার উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মচারি আব্দুল আউয়াল ৭নং ওয়ার্ডের ৩০জন উপকারভোগিকে নানা অজুহাতে চাল না দিয়ে খালি হাতে ফেরত দেন। এতে হতদরিদ্র লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বোবরাপুর গ্রামের মৃত জাহির আলীর পুত্র গোলাম মোস্তফা, মৃত আইয়ূব আলীর পুত্র আখল আলী, মৃত মনোহর আলীর পুত্র ফয়েজ আলী, মৃত মখলিছ আলীর পুত্র নূর উদ্দন, মৃত আসলম আলীর পুত্র কাঁচা মিয়া, মৃত সাদক আলীর পুত্র ফয়ছল আহমদ, মৃত রাহিম আলীর পুত্র শুকুর আলীও আলা উদ্দিন, আঞ্জব আলী পুত্র আব্দুস শহীদ, আকলুছ আলীর স্ত্রী আফরোজুন নেছা, মৃত ইদ্রিছ আলীর পুত্র বসির আলী, মৃত আজর আলীর পুত্র করম আলী, মৃত সিদানীরাম দাসের পুত্র মো. ইসলাম খা, মৃত হারিছ আলীর পুত্র ছৈয়দুর রহমান, আরতানপুর গ্রামের আব্দুল মালিকের স্ত্রী চটকমালা, আলীম উদ্দিনের স্ত্রী সাহানারা বেগম, মৃত এরশাদ আলীর পুত্র আবুল কালাম, মৃত খলিছুর রহমানের স্ত্রী মিছিরা বেগম, মৃত হাসিম আলীর পুত্র ফজর আলী, মৃত মজমিল আলীর পুত্র আব্দুল মজিদ, মৃত ওয়াহাব আলীর পুত্র আব্দুল হাই আজাদ ও সিকন্দরপুর গ্রামের জহির মিয়ার পুত্র কছির মিয়া, মৃত রইছ আলীর পুত্র ফখর উদ্দিন, শুকুর আলীর পুত্র নূর আলমসহ ৩০জন উপকারভোগি চাল না পেয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সাব-ডিলার আব্দুল আউয়াল ইউপির ৩, ৪, ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড এবং ৬নং ওয়ার্ডের আংশিক এলাকায় তিনি চাল বিক্রির দায়িত্বে রয়েছেন। এরই ধারাবাহিতায় এসব এলাকায় অনেক ক্রেতা চাল প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। কাগজে-পত্রে ডিলার হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম থাকলেও ক্রেতারা আব্দুল আউয়ালের কাছ থেকেই চাল ক্রয় করছেন। এব্যাপারে আরতানপুর গ্রামের আব্দুল হাই আজাদ বি তদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সাব-ডিলার আব্দুল আউয়াল বলেন, নতুন তালিকায় ৩০জনের নাম বাদ পড়েছে। শুক্রবার (৩১মার্চ) নতুন এই ৩০জনকে চাল দেয়া হবে। নাম রাখা এমনকি বাদ দেয়ার এখতিয়ার ডিলারের নয়, ইউনিয়ন পরিষদের। ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার কবির আহমদ বলেন, চাল বিক্রির ক্ষেত্রে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি তালিকা মোতাবেক গরিবের হাতে চাল পৌছে দিতে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছেন বলে জানান। উপজেলা খাদ্য অফিসার শাহাব উদ্দিন জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে লিখত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc