Thursday 26th of November 2020 10:06:54 PM

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার সকালে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে তিনি মারা যান বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে। এর আগে তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের বরাত দিয়ে শুক্রবার রাতে আদ-দ্বীন হাসপাতালের মহাপরিচালক ডা. অধ্যাপক নাহিদ ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

রাতে ডা. অধ্যাপক নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে এখনও লাইফ সাপোর্টেই রাখা হয়েছে। তার অবস্থা অপরিবর্তিত। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত তিনি। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
রক্ত শূন্যতা ও প্রস্রাবের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত জটিলতা দেখা দেয়ায় গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল। কিন্তু গত শনিবার ১৭ অক্টোবর তিনি কিছুটা সুস্থবোধ করলে সকালের দিকে বাসায় ফিরে যান। দুপুরের পরপরই ফের তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল)। ২০১৭ সালে বাম পায়ের হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের পর থেকে তার চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়ে। এ কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেতেন না।
বয়োবৃদ্ধ খ্যাতিমান এ মানুষটির বিছানায় শুয়েই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটতো। চলাফেরা করতে হুইল চেয়ার আর কর্মচারীরাই ছিল তার সঙ্গী।hajarika

মিনহাজ তানভীর:  শ্রীমঙ্গল শহরে একসময়ের স্টেশন রোডস্থ মান্নান টি হাউজের স্বত্বাধিকারী বর্তমানে পোস্ট অফিস রোডস্থ বীজ ব্যবসায়ী হাজী সীড হাউসের স্বত্বাধিকারী, মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সের ডিরেক্টর ও লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হান্নানের বড় ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী এম এ মন্নান (৬৩) ইন্তেকাল করেছেন -ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার দিবাগত রাত্র সাড়ে তিন ঘটিকার সময় পৌর শহরের শান্তিবাগ আবাসিক এলাকার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীসহ তিন ছেলে ও এক মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।। তার নামাজে জানাযা আজ (৯ আগস্ট) রবিবার বাদ-জোহর শাহীবাগ বায়তুন নূর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে হাজী এম এ মন্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক চীফ হুইপ ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের সাংসদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড.মো.আব্দুস শহীদ
পৌর মেয়র মহসিন মিয়া মধু, ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মীর এম এ সালাম, ও শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনিসুল ইসলাম আশরাফী।
স্মৃতির পাতা থেকে আনিসুল ইসলাম আশরাফী বলেন, হাজী মান্নান ভাই অত্যন্ত পরিশ্রমী ও উদ্যোগী ও সদালাপী মানুষ ছিলেন। তিনি এক সময়ে প্রবাসে থাকতেন সেখান থেকে আসার পরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিভিন্ন ব্যবসার শেষ পর্যায়ে কৃষকদের জন্য সীড ব্যবসা বেছে নিয়ে উন্নত জাতের বীজের সরবরাহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তার জন্য জান্নাত কামনা করছি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন এবং তাঁর পরিবারবর্গকে সবরে জামিল দান করেন।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ   করোনা দুর্যোগের কারণে সরকারি নির্দেশে দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে কর্মহীন হয়ে পড়েছে সকল শিক্ষকরা। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যশোরের শার্শা উপজেলার কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের পরিবারে চলছে নীরব দুর্ভিক্ষ।
শিক্ষার্থীদের বেতনের টাকায় চলা এসব শিক্ষকদের সহায়তায় কেউ এগিয়ে না আসায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে এ সমস্ত শিক্ষকদের।
যশোরের শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা মিলে প্রায় ৫৬ টি কিন্ডারগার্টেনে ৫ শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োজিত রয়েছেন। এরা প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।
এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের বেতনের টাকায় পরিচালিত হয়। এমনকি শিক্ষার্থীদের বেতনের টাকায় শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। এটা দিয়ে আর প্রাইভেট টিউশনের ফি দিয়ে চলত শিক্ষকদের অস্বচ্ছল পরিবারের ভরণপোষণ।
কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের বেতন যেমন বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে প্রাইভেট টিউশন। ফলে কোনোদিক দিয়েও তারা উপার্জন করতে পারছে না। পারছেন না মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলতে।
এমতাবস্থায় সরকারী ভাবে আর্থিক অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ পেতে অবস্থান ধর্মঘট ও মানববন্ধন করতে রাস্তায় দাড়িয়েছেন তারা।
শিক্ষকরা বলেন, আমরা কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়িয়ে কোন রকম পরিবার নিয়ে চলতাম। এমনিতেই ঠিকমতো বেতন পাই না, তার উপর করোনায় লকডাউন। পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপদে রয়েছি।
অভিভাবকরা জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা বাড়িতে লেখা পড়া করছেনা। এজন্য যে সমস্ত এলাকায় শুধুমাত্র রেড জোন এলাকা হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে।
সে সমস্ত এলাকা বাদে অন্যান্য এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে বিশেষ ভাবে আহবান করছি।
কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের শার্শা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহারাব হোসেন জানান, একদিকে যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে শিক্ষকরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শত শত পরিবার।
কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের শার্শা উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা কোনো বেতন দিচ্ছে না। ওরা বেতন না দিলে তো শিক্ষকদেরও বেতন হবে না। তাছাড়া কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষকরা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পাইনা।
এই দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি বা বেসরকারি ভাবে কোনো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় আমাদের পরিবারে হাহাকার বিরাজ করছে। অবিলম্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সরকারি অনুদান এবং সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে আবেদন করছি।

মানুষ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সঠিক রুপরেখা ইসলাম ও কুরআন সুন্নাহর আদর্শ ভুলে মানবগড়া মতবাদকে লালন করার কারনেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনসহ সকল ক্ষেত্রে চরম আশান্তি ও হতাশা বিরাজ করছে। তাই কুরআন সুন্নাহর সঠিক আদর্শ বাস্থবায়নের মাধ্যমে সুন্নী দর্শনের আলোকে সুন্দর সমাজ বিনির্মানের জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সাংগঠনিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ হলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ঈমানদার মুসলমানগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রেমের চেতনা উদ্ভুদ্ধ হয়ে ঐক্যের সূদীর প্রাচীর গড়ার মাধ্যমে সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠাই মুসলমানদের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব জননেতা আলহাজ্ব এম এ মতিন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা শাখার বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
অদ্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা  সভাপতি অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন আল-ক্বাদরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সচিব আলহাজ্ব স উ ম আব্দুস সামাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন- মাদক, জোয়া, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা এবং দলীয়করন আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। যার কারনে আজ সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের কোথাও মানুষের নিরাপত্তা নেই।  সামাজিক এ অবক্ষয় হতে উত্তোরনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব আলহাজ্ব আ ন ম মাসউদ হোসাইন আল কাদেরী, সিনিয়র যুগ্ম-সাংগঠনিক সচিব সৈয়দ মোজাফ্ফর আহমেদ মোজাদ্দেদী, যুগ্ম-সাংগঠনিক সচিব মাওঃ জসিম উদ্দিন আশরাফী, সহকারী দপ্তর সচিব মাওঃ আব্দুল হাকিম, শ্রম ও কৃষি সচিব মাওঃ শাহ জালাল আহমদ আকঞ্জি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সচিব মাওঃ সোলাইমান খান রব্বানী, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সচিব মাহমুদুল হাসান আনছারী।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ মহি উদ্দিন মোল্লা, সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ হাবিবুর রহমান, অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল হক আল আজাদ, অধ্যাপক গোলাম মাওলা, পৌরসভা সভাপতি এড. সৈয়দ ছাইদুর রহমান আওলাদ, সদর উপজেলা সভাপতি মাওলানা সাদেকুল ইসলাম, বিজয়নগর উপজেলা সহ সভাপতি মাওঃ দেওয়ান আব্দুল কাদির, আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওঃ নুরুল ইসলাম আল-ক্বাদরী, সরাইল উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওঃ আতিকুল ইসলাম, নাছিরনগর উপজেলা সাংঠনিক সম্পাদক মীর জাকির হোসাইন, আখাউড়া উপজেলা সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মাওঃ হাবিবুর রহমান, কসবা উপজেলা সভাপতি মাওঃ আবুল খায়ের, নবীনগর উপজেলা সভাপতি এম কে গাজী মোবারক আলী, বাঞ্চারামপুর উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওঃ আব্দুল ওয়াদুধ, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মিজানুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জাফরুল কুদ্দুস গালেব, অর্থ সম্পাদক মাওঃ সায়েদুজ্জামান জাবের, সৈয়দ আবুল বাসার, মাওঃ মনির হোনাইন, মাওঃ আবু রায়হান, আবুল বাইয়ান, মাওঃ ছফিউল্লাহ, মাওঃ মাছুম বিল্লাহ, যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মাওঃ আবু নাছের মোঃ মুছা, ঢাকা নগর সহ সাধারন সম্পাদক মাওঃ মাসউদ হোসাইন, যুবসেনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মাওঃ নুরুল ইসলাম খান শাহীন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, লিয়াকত আলী,শাহাদৎ হোসাইন, ছাত্রসেনার জেলা সভাপতি শাহ মোঃ ইকবাল হোসাইন বাবুল, জোবাইর আহাম্মদ রানা, সৈয়দ বাকি বিল্লাহ নুরী, মোঃ আমান উল্লাহ, মাজহারুল ইসলাম, নূরে আলম রেজা, জিলন, উজ্জল, শফিক, ইমাম হোসাইন সহ প্রমূখ। উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব ও জেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ্যাডঃ মোঃ ইসলাম উদ্দিন দুলাল।

ভারতের বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব বলেছেন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি নিয়ে হিন্দুদের ভয়ের কিছু নেই, যাদের নাম এনআরসি থেকে বাদ পড়েছে তাঁদের সুরক্ষার দায় কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে বর্তাবে।

গতকাল শুক্রবার অসমের শিলচরে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি ওই মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে তিনি ‘অনুপ্রবেশকারীদের ভারত ছাড়তে হবে’ বলে সাফ জানিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে সরকার কোনও নমনীয় মনোভাব নেবে না বলে তিনি জানান।

রাম মাধব বলেন, এনআরসি থেকে যে ১৯ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের অনেকের ক্ষেত্রে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যেসব উপজাতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতা করছেন, তাঁদের বোঝানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিজেপির তাত্ত্বিক নেতা রাম মাধবকে। তিনি নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নেমেছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন ও পার্সিদের ভারতে আশ্রয় দিতে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন করে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) পাসের মধ্য দিয়ে তাঁদের নাগরিকত্ব দিতে চাচ্ছে। কিন্তু নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হলে এই অঞ্চলের স্থানীয় মানুষের জীবনে চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মেঘালয়, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ সম্পর্কে সম্পর্কে আজ শনিবার অসমের সাবেক বিধায়ক মাওলানা আতাউর রহমান মাজারভুঁইয়া রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘ওটা বিজেপির অ্যাজেন্ডা। ওঁরা ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে হিন্দু নাগরিকদের এ ধরণের ভুয়া প্রতিশ্রুতি বেশ কিছুদিন ধরে দিয়ে আসছে। তাঁদের ওই ভুয়া প্রতিশ্রুতি এনআরসির তালিকা প্রকাশের পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। যার জন্য বিজেপির অনেক বাঙালি নেতৃত্ব এই এনআরসিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সুতরাং রাম মাধব যেটা বলছেন সেটা কোনও অবস্থাতেই তা করতে পারবেন না।

নাগরিকত্ব বিল ধর্মীয়ভিত্তিতে পাস করাতে পারবেন না। যদিও বা ভোটের জোরে পাস করিয়েও নেন তাহলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করলে ওটা বাতিল হয়ে যাবে। কারণ ভারতের সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে কোনও আইন পাসের অধিকার সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে দেয়নি। এজন্য কেবলমাত্র হিন্দুদের জন্য নাগরিকত্ব বিল পাস করলেও তা আইনে টিকবে না। এটা ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে এবং তাঁদের মুসলিম বিদ্বেষী হীনষড়যন্ত্র।

এর মধ্যদিয়ে তাঁরা হীন মনোভাব, নিম্ন মানসিকতা ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবের পরিচয় দিচ্ছে বলেও অসমের সাবেক বিধায়ক মাওলানা আতাউর রহমান মাজারভুঁইয়া মন্তব্য করেন। সুত্রঃইরনা

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল পোর্টথানাধীন  ছোট আঁচড়া গ্রামে স্কুল ছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। দিন-রাত পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত আসামীক এখনো পর্যন্ত আটক করতে পারেনি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে তার দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে  বেনাপোল পোর্ট থানায় উক্ত মামলাটি দায়ের করেন।
ছাত্রের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষক আপেল তার পোতা ছেলেকে কোরআন ও হাদিস শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে বলাৎকার করে। এসময় তার চিৎকারে আশে-পাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে লম্পট আপেলকে মারধর করে তার পোতা ছেলেকে উদ্ধার করেন। এ অপকর্মের সময় আপেলের স্ত্রী বাড়িতে ছিল না। এ ব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি বলাৎকারের চেষ্টা মামলা করেছেন। একই সাথে তিনি লম্পট আপেলের শাস্তি দাবি করেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই পিন্টু লাল দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীকে আটকের চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকালে একই গ্রামের আখের আলী ওরফে আপেল হাদিস কোরআন শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে ৯ম শ্রেনীর স্কুল পড়ুয়া এক ছাত্রকে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর সে ঘরের দরজা বন্ধ করে ওই কিশোরকে জোর করে বলাৎকার করে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন যায়েদ আল নাহিয়ান বলেছেন, ওমান সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর ব্যাপারে ইরানকে দায়ী করার মতো পরিষ্কার, বৈজ্ঞানিক ও সন্তোষজনক কোনো প্রমাণ নেই।

ওই হামলার জন্য আমেরিকা ও সৌদি আরব ইরানকে দায়ী করে আসছে। তাদের এ বক্তব্যের সুস্পষ্ট বিপরীত অবস্থান ঘোষণা করল আমিরাত। ইরান মার্কিন ও সৌদি দাবি নাকচ করে হামলাকে সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছে।

গতকাল (বুধবার) রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শেখ আবদুল্লাহ বিন যায়েদ আল নাহিয়ান বলেন, তার দেশ কোনো দেশকে হামলার জন্য দায়ী করতে পারছে না কারণ যে তদন্ত হয়েছে তাতে পর্যাপ্ত প্রমাণ উঠে আসে নি। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, “আসলে আমরা কাউকে দায়ী করতে পারছি না কারণ আমাদের হাতে প্রমাণ নেই।”

গত মাসে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর কাছে ফুজায়রা বন্দরে চারটি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়। এরপর চলতি মাসের মাঝামাঝি দিকে ওমান সাগরে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটে। সব ঘটনার জন্যই সৌদি আরব ও আমেরিকা ইরানকে দায়ী করেছে তবে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারে নি।পার্সটুডে

ফারুক মিয়া,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) থেকে: চুনারুঘাটে এবার কৃষকের ঘরে নেই ঈদের আনন্দ। কৃষকদের উৎপাদিত বোরো ধান বাজারে বিক্রি করতে পারছেন না। উৎপাদন খরচের অর্ধেক দরে ধান বিক্রি করা হচ্ছে। তাই তাদের ঘরে এবার ঈদের কেনাকাটা নেই। উপজেলার কেউন্দা গ্রামের ছালেক মিয়া জানান, ১ মণ ধান উৎপাদন করতে ৮/৯ শ’ টাকা খরচ হয়। অথচ বাজারে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৪ শ’ টাকা দরে।

একই গ্রামের ছিদ্দিক আলী জানান, উৎপাদন খরচ ও পরিশ্রম করে ফলানো ধান মাত্র ৪ শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। শুনেছি সরকার ১ হাজার ৪০ টাকা দরে ধান ক্রয় করছে। কিন্তু চুনারুঘাটে এখনো সরকারিভাবে কোন ধান ক্রয় করা হচ্ছে না। এছাড়া অনেক কৃষক জানান, এবার ঈদুল ফিতরের আনন্দ আমাদের কপালে নেই। কারণ ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করা যাচ্ছে না। ছেলে-মেয়েকে ঈদের জামা-কাপড় ক্রয় করা তো দূরের কথা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসার জালাল উদ্দিন সরকার জানান, চলতি বোরো মৌসুমে চুনারুঘাটে ৯ হাজার ৩শ; ৪০ হেক্টর জমি চাষ করা হয়। উৎপাদন করা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। চুনারুঘাটের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় অর্ধেক ধান উদ্বৃত্ত থাকবে। এসব ধান জেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। ধানের উপযুক্ত মূল্য না পেয়ে কৃষকরা হতাশ।

কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান, ইতিমধ্যে কৃষকদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ধান ক্রয় করা হবে।

এস এম সুলতান খান, চুনারুঘাট থেকে: চুনারুঘাট-উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্টান ডিসিপি হাই স্কুলের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা বিএনপি’ র সহসভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ মাস্টার(৭০) আর নেই, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের সময় ঢাকা সমরিতা হাসপাতাল পান্থপথ চিকিৎসারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মৃতু কালে তিনি ছেলে, মেয়ে নাতী নাতনী সহ আত্তীয় স্বজন রেখে গেছেন। তিনি চুনারুঘাট উপজেলার রহমতাবাদ গ্রামের বাসীন্দা।

নিউজ ডেস্কঃ মিথ্যা তথ্য দিয়ে যারা সংবাদ প্রচার করবে না তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তবে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করবে তাদের শাস্তি পেতে হবে। কেউ তথ্য দিলে তার সত্যতা তাকে প্রমাণ করতে হবে।

জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বুধবার বিকেল ৪টায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

আগামী নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে কেউ পরামর্শও দেয়নি। বরং উৎসাহ পেয়েছি। যেসকল রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানের সাথে কথা হয়েছে, তারা চায় আবার দেখা হবে। জনগণ ভোট দিলে আছি। না দিলে নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, ৬ হাজারেরও বেশি নির্বাচন হয়েছে। কোনো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা হয়নি।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমায়ের সাথে চুক্তি হয়েছে। তারা ফিরিয়ে নিতে চেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

শেখ হাসিনা গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন।

তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

সপ্তাহব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সোমবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন তিনি।আলোকিত বাংলাদেশ

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের লাতুরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মতলিবের পুত্র সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মহিবুল হোসেন (৪০) হত্যাকান্ডের ০১ মাস ০৫ দিন পেরিয়ে গেলে হত্যা মামলার আসামীদেরকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের লাতুরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মতলিবের পুত্র সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মহিবুল হোসেন (৪০) কে একই গ্রামের মৃত আঃ জাহির ওরফে করম আলীর পুত্র সাবেক মেম্বার আঃ নূর, আঃ কাদির, আঃ খালেক, করিম হোসেনের পুত্র মারাজ মিয়া, মধু মিয়া, ফারুক মিয়া, মৃত নূর হোসেনের পুত্র জাহাঙ্গীর মিয়া, আলী হোসেনের পুত্র আক্তার মিয়া, আলতা মিয়ার পুত্র জুয়েল মিয়া, কাউছার মিয়া, মোত্তাকিন মিয়া, আলী হোসেন, দুলাল মিয়া, মনাফ, রহমান, করিম হোসেন, নূর উদ্দিন সহ একদল দূর্বৃত্তরা পূর্ব জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উত্তেজিত হয়ে তাহাদের সাথে থাকা দা দিয়ে মহিবুল হোসেনের মাথায় কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে দূর্বৃত্তরা।

গুরুতর আহত অবস্থায় মহিবুল হোসেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ০৩ দিন থাকার পর গত ১৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল অনুমান ৪.১০ মিনিটে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক মিয়া বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় ২০ জনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

যার মামলা নং- জি.আর ২৪৫/১৮ ইং। হত্যাকান্ডের ০১ মাস ০৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আসামীরা ধরা ছোয়ার বাইরে। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন যাবত ধরে লাতুরগাঁও গ্রামের নূরা বাহিনীর প্রধান ও একাধিক মামলার পলাতক ওয়ারেন্টের আসামী সাবেক মেম্বার নূরা, আব্দুল কাদির, আঃ খালেক, মধু মিয়া, মারাজ মিয়া গংদের সাথে মহিবুল হোসেনের পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এখনো নিহত মহিবুল হোসেনের পরিবারের সদস্যদের কান্নার আহাজারি থামেনি। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের এম.পি এড. মাহবুব আলী, চুনারুঘাট পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু তাহের মহালদার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান চৌধুরী, মিরাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলতা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ মাষ্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মানিক সরকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুস সামাদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রিপন সহ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ নিহত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মহিবুল হোসেনের বাড়ি লাতুরগাঁও গ্রামে উপস্থিত হয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদেরকে শান্তনা দেন ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আলী আশরাফ। মামলা দায়েরের পর থেকে মামলার বাদী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মহিবুল হোসেনের খুনীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি দাবি করেন মামলার বাদী নিহতের বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক মিয়া ও এলাকাবাসী।

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ছানাউল ইসলাম বলেছেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা এবং ব্যাপকভাবে পরিবেশের বিপর্যয় রোধে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই। আগামী প্রজন্মের জন্য বসবাস উপযোগী পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপনের কথাা উল্লেখ করে তিনি বলেন বৃক্ষ আমাদের অকৃতিম বন্ধু।

বৃক্ষহীন পৃথীবিতে প্রাণের অস্থিত্ব কল্পনাও করা যায় না। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনে অধিকহারে ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপন করতে হবে। বৃক্ষ মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ।

তিনি শনিবার সকালে উপজেলার শুকটিগাছা কেডি স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বত্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছানাউল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ মো: আব্দুল জব্বার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আক্তারুজ্জামান, অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধে উপস্তিত ছিলেন, ভবানীপুর জিএসউচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহার হোসেন, আত্রাই প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নাজমুল হক নাহিদ, ওয়াসেক আলী বিল্লা প্রমূখ।

জুড়ী প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হাকালুকি নিউজ সম্পাদক এমএম সামছুল ইসলামের দাদা পাতিলাসাঙ্গন নিবাসী প্রবীণ মুরব্বী আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার (১২১) গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার সময় নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল হয়েছেন।

পরদিন বুধবার বিকেল ২টার সময় পাতিলাসাঙ্গন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১২১বছর। পরে তাকে পারিবারিক কবরন্থানে দাফন করা হয়। তিনি স্ত্রী, সন্তান, সন্ততি, নাতি-নাতনি ও পতœী সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন, মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী বড়লেখা) আসনের এমপি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক এমপি ও ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএম শাহীন, জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কিশোর রায় চৌধুরী মনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রঞ্জিতা শর্মা, গোয়ালবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন, পুর্বজুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ।

পশ্চিম জুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাস, জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, সাগরনাল ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী লিয়াকত, ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাংবাদিক মাহবুব আলম রওশন, জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি জুড়ী উপজেলা সভাপতি এবিএম নুরুল হক প্রমুখ।

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। বিএনপি তিন সিটিতে সেনা মোতায়েনের দাবি জানানোর পর তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সোমবার (২৩ জুলাই) নির্বাচন ভবনে বৈঠক করে সেনা মোতায়েনের দাবি জানায় বিএনপি।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিশন সন্তুষ্ট কি-না জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, এখন পর্যন্ত যা আছে তাতে সন্তুষ্ট বলা যায়।

খুলনা বা গাজীপুরে যে অনিয়ম হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি তিন সিটি না হওয়ার জন্য কমিশন কি ব্যবস্থা নিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই নির্বাচনে অনিয়ম হয়নি এটা বলবো না। অনিয়মের কারণে কয়েকটি ভোটকেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে। অনিয়মের কারণ খুঁজে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে তিন সিটি নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম তিনজন নির্বাচন কমিশনার তদারকি করছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী,সিলেট,বরিশাল সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে চায় কমিশন। এ জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে জানান তিনি।

“একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও চোর চক্র ধরা ছোঁয়ার বাইরে”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুন,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইল শহর থেকে  গত চার মাসে ১১টি মটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে।  মটরসাইকেল চুরির ঘটনায় সাইকেলের মালিকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। নড়াইলে একটি শক্তিশালী মটরসাইকেল চোরা চক্র গড়ে উঠলেও তারা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। অভিযোগ উঠেছে, শহরে অনেক নম্বর প্লেট বিহীন এবং চোরাই মটরসাইকেল চলাচল করলেও পুলিশ হয় নিরবতা পালন করছে না হয় অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিচ্ছে।

জানা গেছে,  শুক্রবার (৮জুন) দুপুর ৩টার দিকে নড়াইল প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নড়াইল প্রতিনিধি মীর্জা নজরুল ইসলামের টিভিএস এপাসি মটরসাইকেল বাসার সামনে থেকে চুরি হয়ে গেছে।  বুধবার (৬জুন) পুলিশ লাইনের পূর্ব পার্শ্বে একটি বাসার সামনে থেকে বিকেল ৪টার দিকে চাকরিজীবী আঃ হাকিমের ডিসকভারি মটরসাইকেল  চুরি হয়।  এ বাসায় ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মটরসাইকেল থাকলেও তাদের সাইকেল চুরি হয়নি। ১মে সরকারি মহিলা কলেজ এলাকার বাসিন্দা সেনা সদস্য হামিমুর রহমান হিট্টুর টিভিএস আর.টি.আর মটরসাইকেল পার্শ্ববর্তী আলাদাতপুর এলাকার একটি বাসার সামনে থেকে চুরি হয়ে যায়।

১২মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে রূপগঞ্জ টাউন ক্লাবের গ্যারেজ থেকে জেলা যুব লীগ নেতা মনিরুজ্জামান বাবুর টিভিএস এপাসি মটরসাইকেল চুরি হয়। ১৮ মে রূপগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী প্রদ্যোৎ বিশ্বাসের  হিরো হোন্ডা মটরসাইকেল বিকেল ৪টার দিকে মুচিরপোল এলাকা থেকে চুরি হয়। ২৭মে রূপগঞ্জ স্বর্ণ পট্টি থেকে রাত ১০টার দিকে ব্যবসায়ী তোফায়েল সিকদারের টিভিএস এপাসি মটরসাইকেল চুরি হয়। গত মে মাসের মাঝামাঝি দক্ষিন নড়াইল এলাকার নজরুল ইসলামের ডিসকভার-১৩৫ মটরসাইকেলটি সদরের মুলিয়া বাজার থেকে চুরি হয়। গত ৭ এপ্রিল শহরের কুরিগ্রাম এলাকার মোঃ মোস্তফার বাসার সামনে থেকে বিকেল ৪টার দিকে বাসার সামনে থেকে ডিসকভার-১২৫ মটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। এর একদিন পর দক্ষিন নড়াইল এলাকার প্রাক্তন শিক্ষক অনিল বিশ্বাসের ডিসকভার-১২৫ নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের গেটের সামনে থেকে বিকেল ৩টার দিকে খোয়া যায়। গত মার্চ মাসে সদরের মুলিয়া গ্রামের তারক প্রামান্য নামে এক রাজমিস্ত্রীর ডিসকভার-১২৫ মটরসাইকেল শহরের চরেরঘাট এলাকা থেকে চুরি হয়। একই মাসে মুলিয়া গ্রামের জীবন বিশ্বাসের বাজাজ প্লাটিনা মটরসাইকেল সীতারামপুরের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে চুরি হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার(৭জুন) বিকেলে রূপগঞ্জ বাসষ্টান্ডের পার্শ্বে তেতুলতলা এলাকা থেকে বিকেল বেলা  টিএসআই মোঃ পান্নু শেখ এক মটরসাইকেল চালকের চোরাই মটরসাইকেলের কথা বলে বাজাজ সিটি-১০০ মটরসাইকেল আটক করে। তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও  ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি ওই সাইকেল ছেড়ে দেন। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর হাজিবাইক চালকদের মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে টিএসআই পান্নু শেখের বিরুদ্ধে এসপি অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে ইজিবাইক বহুমুখী সমবায় সমিতি।

এ ব্যাপারে টিএসআই মোঃ পান্নু শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কখনও কারো কাছ থেকে এক টাকাও নেইনা।

একুশে পদকপ্রাপ্ত লোক  করি বিজয় সরকার স্মৃতি সংসদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আকরাম শাহীদ চুন্নু বলেন, গত দু’বছর পূর্বে বাসার ভেতর থেকে ২টি মটরসাইকেল চুরি হলেও আর পাওয়া যায়নি। শহরে একের পর এক মটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটছে। সদর হাসপাতাল এলাকা, ইসলামাী ব্যাংক এলাকা ও নড়াইল সোনালী ব্যাংকের আশ্বে-পার্শ্বে একটি চক্র গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, এর সাথে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।  তারা সক্রিয় হলে সাধারন মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হতো না।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন পিপিএম বলেন, হটাৎ করে মটরসাইকেল চুরি বেড়ে গেছে বিষয়টি সত্য নয়। তবে যারা এর সাথে জড়িত তাদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আর টিএসআই যার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন, সে যদি আমাদের কাছে এসে অভিযোগ করে তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc