Thursday 29th of October 2020 04:48:43 PM

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুরে লাল শাপলার রাজ্যের ভ্রমন পিপাসুদের কথা চিন্তা করে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মৌরিন করিম ডিবিবিলের ইজারা বাতিল সহ নানা উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহন করেন। যাতে ভ্রমন পিপাসুরা একটু সাচ্ছন্দে আনন্দ উপভোগ করে। মৌরিন করিমের উদ্যোগে সম্প্রতি লাল শাপলার বিলে ৬টি স্থায়ী বে বসানো হয়। এছাড়া বিলটিতে যাথায়াতের জন্য রাস্তা মেরামত করা হয়। লাল শাপলার ৪টি বিল বিশ্ববাসীর নিকট আধুনিক সুযোগ সুবিধার পৌছে দেওয়ার জন্য তিনি নানা কর্মকান্ড হাতে নিয়েছেন।

ইতোমধ্যে রাস্তা মেরামত শেষে রাস্তাটি পাকা করনের উদ্যোগ গ্রহন, পর্যটকের বসার জন্য বিলের বিভিন্ন অংশে স্থায়ী চেয়ার, ছাতা, গোলঘর, শৌচাগার, নিরাপদ পানি পানের জন্য গভীর নলকুপ বসানোর পরিকল্পনা গ্রহন করেন। পরিকল্পনার সমুহের মধ্যে রাস্তা মেরামত ও ব্রীজ সংস্কার কাজ সমাপ্ত করেন। পর্যটক বসার জন্য ৬টি স্থায়ী চেয়ার স্থাপন করেন। জৈন্তা রাজ্যের অন্যতম রাজা বিজয় সিংহের মাজার পরিচ্ছন্ন করেন। সম্প্রতি বিলটির সরকারি ইজারা বন্ধ করেন। বিলের পানি স্থায়ী ভাবে ধরে রাখার জন্য নালা বন্ধের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কথা চিন্তাকরে এবং পরিবেশবাদীদের দাবীর প্রেক্ষিতে এবং খনিজ সম্পদ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ৪টি বিল রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহনকে স্থানীয় পরিবেশবাদীরা ও পর্যটকরা সাধুবাদ জানায়।

এদিকে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সমূলে ধ্বংস করতে ভূমি খেকু, মৎস্য খেকু চক্র, চোরাকারবারী চক্র সদস্যরা বিলটিতে পর্যটকদের জন্য নির্মিত ৬টি স্থায়ী বসার চেয়ার উপড়ে ফেলে তাদের শক্তির জানান দেয়। গত ১২ মার্চ জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের আইন শৃঙ্খলা বৈঠকে পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য সাংবাদিক মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর করে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী তুলেন।

কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে এই মৌসুমে বিলের পুরো এলাকা জুড়ে লাল শাপলার গাছ বেড়ে উঠে। কিন্তু ভূমি, মৎস্য ও চেরাকাবারী চক্রের সদস্যরা বিলে গাবাদী পশু মহিস নামিয়ে লাল শাপলার গাছ বিনষ্ট করেছে, মৎস্যজীবিরা জ্বাল দিয়ে শাপলা গাছগুলো উপড়ে ফেলছে। যার ফলে বিলটি তার সৌন্দর্য্য হারিয়ে ফেলে এবং পর্যটক বিমূখ হয় এবং কোন প্রকার বাঁধা ছাড়াই তাদের চেরাকারবার, বিলের জমি দখল করতে পারে।
জৈন্তিয়া পুরাকীর্তি সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি ইমরান আহমদ সরকারী মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুল ইসলাম বলেন- একটি চক্র বিলটির সৌন্দর্য্য ধ্বংস, ভূমি দখলের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। জৈন্তাপুরের প্রাকৃতি, প্রতœতত্ত্ব নির্দশন রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন সহ উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত পূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) প্রতিবেদককে জানান- আইন শৃঙ্খলা বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপনের পর পর্যটকদের জন্য নির্মিত চেয়ার উপড়ে ফেলার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যান্য বিষয়গুলো আমরা যাচাই বাছাই করছি। এঘটনায় জড়িতদের খুঁজে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নজরুল ইসলাম তোফা: মিডিয়া জগতের জনপ্রিয় এবং দক্ষ নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকারের তিনটি গান বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে শুরু হয়েছে। এ তিনটি গান ক্রিকেটের মজা উপভোগ করার মতো বলা যায়। বাংলাদেশের পুরো জাতি অধীর আগ্রহে বসে রয়েছে সেরাটা দেখার জন্য। তাই “টেলিভিশন চ্যানেল অনলাইন” গুলোও বসে নেই। যে যার মতই বিশ্বকাপের আয়োজন সাজাচ্ছে। আবার ‘স্পোর্টস’ এর দোকানে দোকানেও বাংলাদেশের “লাল সবুজ” জার্সি কেনার ভিড় । আর এই আয়োজনকে মাথায় রেখে জনপ্রিয় তরুণ নির্মাতা শিমুল সরকার নির্মাণ করেছেন তিনটি জনপ্রিয় গান । ‘রাজশাহী’, ‘নাটোর’ আর ‘ঢাকার’ বিভিন্ন লোকেশানে করেছেন এমন এ গানের দৃশ্য ধারন। এ গান তিনটির শিল্পী- উন্নয়ন ও থিয়েটার কর্মী ‘আরিফ সিদ্দিকী পিন্টু’, উথসব খান, নিজাম উদ্দিন জাহিন ও অনন্যা ইয়াসমিন অংকন।
দুটি গানের কথা লিখেছেন ‘শিমুল সরকার’ নিজেই। অন্যটির কথা ‘তালহা জুবায়ের’। দুটি গানের সুর ও কপোজিশান ‘অভিজিত জিতু’। একটির সুর শিমুল সরকারের। গান তিনটির শিরোণাম- “জিতবে এবার জিতবে টাইগার, এবারের এই বিশ্বকাপে ও দেখবে বিশ্ববাসী দেখাবে বাংলাদেশ।” মডেল হিসেবে কাজ করেছেন ‘সাহিত্য’, ‘সিয়াম আহমেদ খা’ ও থিয়েটার দল নাট্যদুয়ারের সদস্যরা। এই গান তিনটি জনপ্রিয় “অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেল লাভ টিভির” জন্যেই নির্মিত হয়েছে। এই লাভ টিভির পাশাপাশিও পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে দুটি গান- “মাছরাঙা টেলিভিশন” ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হচ্ছে।

এই গানগুলো দেখতে চাইলে নিম্নে দেয়া অনলাইনে ক্লিক করুন www.youtube.com/lovetv24। দক্ষ নির্মাতা শিমুল সরকার বলেছেন, “আমি আশা করি গান গুলো দর্শকদের ভালো লাগবে। তিনটি গানের একটি “হাট্টিমাটিম টিম” একেবারেই ফানি হিসেবেই তৈরি হয়েছে। যেখানে বলাও হয়েছে এবারের এমন এই বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের দাবিদার শুধুমাত্রই যেন বাংলাদেশ, অন্য কেউ নন। আবার অন্য দুইটি দেশ প্রেমের আবেগ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ব কাপে টাইগারদের পাশে থাকার আহবান জানান জনপ্রিয় নির্মাতা শিমুল সরকার।লেখক: নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪জুলাইঃমহাবিশ্বের স্রষ্টার প্রতি ভক্তি বা ভালোবাসাকে মানব জাতি যে নজরেই দেখুক না কেন, তাকে কি মানুষের প্রেমের সর্বোত্তম প্রতিভাসের বহিঃপ্রকাশ হিসাবে ব্যাখ্যার সুযোগ থাকেনা? হোক না স্রষ্টা বা ঈশ্বর, ভগবান বা আল্লাহ, জাতিতে হিন্দু বা মুসলিমদের, জৈনের বা খ্রিস্টানের, পরমাত্তায় বিশ্বাসীদের বা একেশ্বর বাদীদের, বহুশ্বরবাদীদের বা নিরীশ্বর বাদীদের, সর্বেশ্বর বাদীদের বা পৃথিবীর সকল আস্তিক বা নাস্তিকবাদীদের হৃদিপদ্মে বিরাজ করে শুধুই এক স্রষ্টা, কিন্তু ডাকা হচ্ছে বিভিন্ন নামের মাধ্যমে এবং ধর্মীয় পরিচয়ে। তাঁর প্রতি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ভক্তি প্রকাশের ভাষাটি ভিন্ন হতেই পারে কিন্তু প্রেমের গভীরতাটুকুকে তুলনা করে কাউকে আঘাত দিতে চাওয়াটাই হবে চরম ভুল।

সাধক সন্ন্যাসীর জীবন কাহিনীর সমন্বয়ে তাঁদেরই গভীর আত্মার প্রেম ও ভালোবাসা কতটুকু সমৃদ্ধ বা শক্তিশালী তা গভীর ভাবে অভিনেতা ও নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা তাঁর রচিত নাটকে তুলে ধরেছেন। সাধুরুপী আধ্যাতিক চেতনার পুরুষ সাধন ভজনের লক্ষে এক গ্রামে প্রবেশ করলে সৃষ্টি হয় অনেক ঘটনা। সে গ্রামের এক মেয়ে সেই আধ্যাতিক সাধক পুরুষের কর্মকান্ডে হয়ে উঠে সাধন ভজনে বিভোর। কারণ মেয়েটি ছিল কীর্ত্তনিয়া অর্থাৎ কীর্ত্তন গান করে সেহেতু সাধুজীর আধ্যাতিক ভক্ত হয়ে উঠেন।

আধ্যাতিক আসলে কি? তা জানা যাবে এই নাটকে। সামান্য একটু ধারনা দিয়ে পরিচালক শিমুল সরকার বলেন, দৃষ্টি, শ্রবণ, ঘ্রাণ, স্বাদ ও স্পর্শ এই পাঁচ ইন্দ্রিয় শক্তির বাইরেও কিছু ঘটনা ঘটে থাকে মানব জীবনে। স্বাভাবিক বুদ্ধি বা কার্য-কারণ তত্ত্ব দিয়ে তার বিশ্বাস যোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। কিন্তু মানব জীবনে এরকম বহু ঘটনা ঘটে। যেমন: একজন স্বপ্নে দেখেছেন, তিনি মরা মানুষ জীবিত করতে পারেন; কেউ কেউ রাতের অন্ধকারে গায়েবি আওয়াজ শুনতে পান; কারো কারো নজর লাগে বা মুখ লাগে যার ফলে অন্যের ক্ষতি হয়; কেউ কেউ ভবিষ্যতে কোথায় কি ঘটবে তার পূর্বাভাস পান, ইত্যাদি। এরূপ ঘটনা পাঁচ ইন্দ্রিয় শক্তি বা ক্ষমতার বাইরে। তাই এসবের নামই অতীন্দ্রিক বা আধ্যাত্মিক ঘটনা।

বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে বহু উদাহরণ আছে যারা এসব আধ্যাত্মিক বা অতীন্দ্রিক চর্চা করে সফল হন। তারা সমাজে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হন। এই উপমহাদেশে সভ্যতার উষালগ্ন থেকে আধ্যাত্মিক বা অতীন্দ্রিক চর্চা হয়ে আসছে। সাধু-সন্ত-সন্যাসী, আউল-বাউল, পীর-ফকির, আউলিয়া-কুতুব-দরবেশ, মরমি-সুফি, ভিক্ষু-শ্রমণ, পুরুত-ঠাকুর, তান্ত্রিক-যোগী-পরমহংস প্রমুখ পদ-নাম এর সঙ্গে জড়িত। এঁরা অতীন্দ্রিক বা আধ্যাত্মিক কেরামতি প্রদর্শনের মাধ্যমে যুগে যুগে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন, যার যার ধর্ম বা আদর্শিক মতবাদ প্রচারের কাজ করেছেন এবং ভক্তি-শ্রদ্ধা কুড়িয়েছেন।

আবার জাদুকর, ডাকিনী, গুণিন, ওঝা, বৈদ্য, বাজিকর প্রমুখ ঝাড়ফুঁক, জাদু টোনা, বান মারা, বশ করা, ভুত ছাড়ানো প্রভৃতি তেলেসমাতি দেখিয়ে লোকজনকে বশীভূত বা সম্মোহিত করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করেন। আর যারা ব্যর্থ হন তারা উন্মাদ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও লাঞ্চনা-গঞ্জনার শিকার হন। বলা বাহুল্য, ধর্ম সম্বন্ধে আমাদের অজ্ঞতা, কুসংস্কার এবং গোঁড়ামিই তাদের মত ধোঁকাবাজদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবার সুযোগ করে দেয়।

এই নাটকের নাটকীয়তায় রয়েছে চরম আধ্যাতিক বিনোদনে ভরপুর। পরিচালক শিমুল সরকার এই নাটক নির্মাণে কোথায়ও রাখতে চান না এতটুকু মেকি ক্লাইমেকস্। প্রেম ভালোবাসার মধুর হাঁসিতে, জন্মের পর যখন প্রথম কাঁদি–সেই কান্নায়, পাহাড়ের ঝর্নায় বহমান ধারায়, সমুদ্রের উথাল পাথাল ঢেউ-এ, পাখীর ডাকে, কীর্ত্তনীয়া নারীর কীর্ত্তন গানের সুরে, দক্ষীনা বায়ুপ্রবাহে আন্দলিত বৃক্ষপত্রের মর্মরধ্বনিতে, বৃষ্টির বর্ষণে, বিশ্বপ্রকৃতির মাঝে সর্বত্র স্বত:সিদ্ধ হয়ে উঠে এই নাটক, সর্বদা বিদ্যমান রয়েছে চিত্রনাট্যের সুনিপুণ নির্মাণ। চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় আছেন, সুদক্ষ নির্মাতা শিমুল সরকার।

বাংলাদেশের প্রথম পে চ্যানেল (love tv) লাভ টিভি। অর্থাৎ www.lovetv24.com এ আগামী ঈদুল আযহা থেকেই সম্প্রচারের ইচ্ছা পোষণ করেন। তাছাড়াও অন্য চ্যানেলে নাটকটি প্রচারের কথা চলছে। নাটকের নামটি পরিচালক ইচ্ছা করেই গোপন রেখেছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১০এপ্রিল,বিশেষ প্রতিনিধিঃ   চুনারুঘাট উপজেলার আহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে আমু-নালুয়া সড়কের বটেরতল এলাকায় প্রায় পঞ্চাশ  লাখ টাকা ব্যয়ে ১ কি.মি রাস্তায় ৩টি ব্রীজের এপ্রোচ নির্মাণের প্রায় ১ মাসের আগেই ধেবে গেছে। ব্রীজের দু’পাশে ১ ফুট পরিমান গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ওই রাস্তায় যান চলাচলে দূর্ঘটনার আশঙ্খা বিরাজ করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চুনারুঘাট উপজেলা প্রকৌশলী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর.ই.আর.এম.পি প্রকল্পের মহিলা কর্মী দিয়ে ব্রীজের দু’পাশের গর্তে মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। সাধারণত রাস্তা থেকে ব্রীজ উঁচুতে থাকে। কিন্তু একটি ব্রীজ রাস্তা থেকে প্রায় এক ফুট নীচে রয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, অনিয়ম ও নিম্মমানের কাজে ব্রীজ তৈরী করায় এমনটি হয়েছে।

জানা যায়, নিম্নমানের রাস্তা ও ব্রীজের কাজ চলাকালীন সময়ে প্রতিবাদ করে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই কাজটি বন্ধ করে দেন। মানসম্মত কাজ করার আশ্বাস দিয়ে ঠিকাদার পুনরায় কাজ শুরু করেন। কিন্তু তিনি পরেও নিম্মমানের কাজ করা বহাল থাকে। এছাড়াও তিনি প্রকল্পে চাকুরী নেই উপ-সহকারী ডালিম কুমার দত্তকে কাজের তদারকী ও এম.বি লেখার দায়িত্ব দেন। যা সম্পূর্ণরূপে অনিয়ম।

আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু বলেন, তিনি উক্ত কাজের অনিয়ম হওয়ার কথা উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছেন। জানানোর পরও চুনারুঘাট উপজেলা প্রকৌশলী ওই ব্রীজ নির্মাণে অনিয়ম থাকা সত্বেও রহস্যজনক কারণে কোন পদক্ষেপ নেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, আওয়ামীলীগের এক প্রভাবশালী নেতা ও প্রকৌশলী মো. রাশেদুল আলমকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আতাত করে ওই কাজটি তরিঘরি করে সম্পন্ন করেন বাহুবলের ঠিকাদার আব্দুল কাদির।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে বিহীত ব্যবস্থার দাবি জানান এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাশেদুল আলম এর সাথে এ প্রতিনিধি যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অতি বৃষ্টির কারণে ব্রীজ তিনটির এপ্রোচ ধেবে গেছে। তিনি আরো বলেন ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রীজদ্বয় সংস্কার করে দেবেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc