Monday 26th of October 2020 03:39:28 PM

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:  নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল হযরত শাহ মুশকিল আহসান (রা.) মাজার এলাকায় মজনু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেটে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার ভোর সকালে অজ্ঞান ও রক্তাক্ত অবস্থায় তার দেহ স্থানীয় একটি জমিতে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। মজনু মিয়া উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল মোকামবাড়ির মৃত রমজান আলীর পুত্র।

পরিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল মোকামবাড়ির মজনু মিয়া (৩৫) গত শুক্রবার রাতে কাজে পাশ্ববর্তী পানিউমদা বাজারে যান। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। সম্ভাব্য সকলস্থানে যোগাযোগ করার পরও মজনু মিয়ার কোনো সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার ভোর সকালে উপজেলার সাতাইহাল শাহ মুশকিল আহসান (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশে একটি জমিতে রক্তাক্ত অবস্থায় মজনু মিয়ার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ও পরবর্তীতে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ প্রেরণ করা হয়।

এলাকার লোকজনের ধারণা, রাতে কে বা কারা মজনু মিয়াকে হাত বা বেধে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাঁর শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মজনু মিয়ার পরিবারের লোকজন জানান, মজনু মিয়া এখনো অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন এবং থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চুনারুঘাট প্রতিনিধি:  চুনারুঘাট পৌরসভার হাতুন্ডা গ্রামের মৃত আ: কাদিরের পুত্র রিক্সা চালক সোহাগ মিয়া (১৭) নামে এক যুবক চুনারুঘাট শহর থেকে নিখোঁজ হয়েছে। জি.ডি সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ০৭টায় সোহাগ মিয়া বাড়ি থেকে রিক্সা চালানোর জন্য বের হয়ে যায়। দুপুর গড়িয়ে গেলেও সোহাগ মিয়া বাড়িতে না আসায় তার বড় ভাই জুয়েল মিয়া সহ পরিবারের লোকজন চুনারুঘাট শহর সহ আশপাশের সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুজি করেও সোহাগ মিয়ার কোন সন্ধান পান নাই।

সোহাগ মিয়ার সাথে তার ব্যবহৃত ফোন নং- ০১৭৪১-৮১২৮৫৬ ও ০১৯৫৭-৮২২০২২ ফোন করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে গেরেজে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় যে, রিক্সাটি গ্যারেজে রয়েছে। সোহাগ মিয়ার গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা অনুমান ০৫ ফুট হবে, মুখমন্ডল কিছুটা লম্বাটে আকৃতির, পরনে কাল রংয়ের প্যান্ট ও কাল ফুল শার্ট পরিহিত ছিল। এ বিষয়ে সোহাগের বড় ভাই জুয়েল মিয়া চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার ডায়েরী নং- ৪১৫, তাং- ০৮/০৭/২০২০ ইং।

কিশোর রিক্সা চালক সোহাগ মিয়া নিখোঁজের ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সোহাগ মিয়ার কোন সন্ধান মেলেনি। কোন সুহৃদয়বান ব্যক্তি যদি সোহাগ মিয়ার সন্ধান পেয়ে থাকেন তবে ০১৭৬৬-৯০৪৬২৫ নাম্বারে অবগত করার জন্য অনুরোধ করা হইল।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ স্বপনের লাশ তিনদিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার তারাইল উপজেলার কাজলা গ্রামের মোঃ কেরামত আলীর ছেলে স্বপন মিয়া (৩৮)। তার স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের চুনখলা হাওরে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হর। এর পূর্বে গত বুধবার বিকেল চারটার উপজেলার চুনখলা হাওরে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয়।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান-কিশোরগঞ্জ জেলার কাজলা এলাকার স্বপন এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত সয়াবিন ও সরিষা তেলের ব্যবসা করে আসছিলো। প্রতিদিনের মতো বুধবার সীমান্ত এলাকায় তেল বিক্রয় শেষে বিকাল চারটার দিকে সীমান্ত এলাকা লালঘাট থেকে একটি ছোট নৌকা নিয়ে বর্তমান ঠিকানা দুধের আউটা গ্রামে ফেরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে ঝড়ো বাতাসের কবলে পরে চুনখলা হাওরের মধ্য স্থলে পৌঁছার পর নৌকাটি ডুবে যায়। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় ডুবুরিরা হাওরে নামলেও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিখোঁজ স্বপনের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় ফায়ারসার্ভিসের একটি দল।
তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান-নৌকা ডুবিতে স্বপন নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ ছিল তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আফ্রিকার তিউনিসিয়া উপকূলের ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় হবিগঞ্জের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন।সোমবার দুপুরে নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের স্বজনরা এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। নিখোঁজরা হলেন- হবিগঞ্জ সদরের লোকড়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে আব্দুল কাইয়ুম ও আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল মোক্তাদির। তারা হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজে সম্মানে অধ্যয়ন করতেন।
আব্দুল কাইয়ুমের বাবা আলাউদ্দিন বলেন, বুধবার ইতালিতে যাওয়ার কথা জানায় কাইয়ুম। এরপর সহপাঠী মামুন নৌকাডুবির ঘটনায় কাইয়ুমের নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়েছে।
মুক্তাদিরের চাচা আব্দুল খালেক বলেন, ইতালির উদ্দেশ্যে যাওয়ার আগে বাড়িতে ফোন দেয় মুক্তাদির। এরপর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় হবিগঞ্জের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ সংবাদে তাদের পরিবারে শোক।

মামুনের বরাত দিয়ে আলাউদ্দিন ও আব্দুল খালেক আরো বলেন, ৯ মে রাতে দালালদের মাধ্যমে আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল মোক্তাদির ও মামুন মিয়া ইতালির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি হলে তিন জন পানিতে পড়ে যান। এ সময় স্থানীয় জেলেরা মামুনকে উদ্ধার করলেও কাইয়ুম ও মোক্তাদির নিখোঁজ রয়েছেন।

লোকড়া ইউপি সদস্য মো. জাহির মিয়া বলেন, মামুন সম্পর্কে আমার ভাগিনা। নৌকাডুবির পর মোক্তাদিরের সঙ্গে হাত ধরে সাঁতার কেটেছে সে। তবে হাত ছেড়ে দেয়ার পর সে মোক্তাদিরকে দেখতে পায়নি।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদুর রহমান বলেন, ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার খবর শুনেছি। পুলিশ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। এতে দালাল চক্রের হাত রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হবে।
৯ মে গভীর রাতে লিবিয়া উপকূল থেকে ৭৫ জন অভিবাসীবাহী একটি বড় নৌকা ইতালির উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। পরে নৌকাডুবিতে বেশির ভাগ মানুষ মারা যান।

নিউজ ডেস্কঃ  ইন্দোনেশিয়ার মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে কমপক্ষে ৪২০ জনের অধিক প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছে ৫৪০ জনের ও বেশি লোকের। হতাহতের এ সংখ্যা বাড়তে পারে। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় সুলাওয়াশি দ্বীপের পালু শহরে ৭.৫মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর গতকাল শনিবার সকালে প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার সুনামি সৃষ্টি হয়।

পালুর সাগরতীরে শুক্রবার এক বিচ ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের আগে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর থেকে ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে আসা কয়েক শ’ পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। সুনামির পর কয়েক হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। একই সঙ্গে পালুর কয়েকটি হাসপাতাল, হোটেল ও বিপণি বিতান ধসে গেছে। শহরটির বিদ্যুত ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। বিদ্যুত না থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভূমিধসের ফলে পালুর প্রধান সড়ক বন্ধ রয়েছে।

ফলে সময়মতো ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দফতরের মুখপাত্র সুতোপ পুরো নাগরোহো বলেন, সুনামির পর সমুদ্র তীরে অনেক মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঢেউ উঠে আসার সময় অনেকে দৌড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তিনি বলেন, সুনামি রাস্তায় গাড়ি, বাড়িঘর, কাঠের গুঁড়িসহ অন্যান্য কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তবে কিছু লোক উঁচু গাছে উঠে নিজেদের রক্ষা করতে পেরেছে।

শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সুনামিতে হতাহতের এ খবর প্রকাশ করে এবং জানানো হয় যে হাসপাতালে তিল ধারণের জায়গা নেই। আবহাওয়া খারাপ থাকায় উদ্ধারকর্মীদের উপদ্রুত এলাকায় যেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। খবর এএফপি ও বিবিসি ও সিএনএন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টার আগে ভূমিকম্পের এ ঘটনা ঘটে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ও পালু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

ইন্দোনেশিয়ার এক মন্ত্রী সুত্রে জানা যায়, ভূমিকম্প ও সুনামিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। এতে উদ্ধার তৎপরতায় বিঘ্ন ঘটছে। এ ছাড়া পালু বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্প ও সুনামির ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ঠিক ভূমিকম্পের কারণে নাকি সুনামির আঘাতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বেশির ভাগ নিহত হয়েছে পালু শহরে। শহরের বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে এবং স্থানীয়রা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞের পরপরই শুক্রবার উুঁচ উঁচু ঢেউ এলাকাটিতে আছড়ে পড়ে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩নভেম্বর,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে মোঃ আশেক আলী (৪০) নামের এক মানসিক রোগী গত প্রায় এক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিলেও তার কোন সন্ধান পায়নি। এ ব্যাপারে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। নিখোঁজ যুবক উপজেলার মদনডাঙ্গা গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে। তার শ্যামবর্ণ গায়ের রং, মুখমন্ডল লম্বাটে, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ।

এ ব্যাপারে নিখোঁজ আশেক আলীর বোন মোছাঃ আশেদা বিবি গত ১২ নভেম্বর আত্রাই থানায় জিডি করেন যার নং-৪৩৭। আদরের ভাইকে প্রায় এক মাস ধরে  তাদের কাছে না পেয়ে বাবা-মা  ও আতœীয় স্বজন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়ে পাগল প্রায়। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি ছেলেটির খোঁজ বা সন্ধ্যান পেয়ে থাকেন তাহলে স্থানীয় থানায় অথবা ০১৭৬২-৫৭৬৬৯০ নাম্বারে খোঁজ দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছে তার অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোবারক হোসেন জানান, নিখোঁজ আশেক আলীর সন্ধানের জন্য দেশের বিভিন্ন থানায় ছবিসহ পরিচয় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

কমলগঞ্জে রুবি বেগমের মানবেতর দিন কাটছে

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৫সেপ্টেম্বর,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   বিজিবি’র অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও প্যারালাইসড রোগে আক্রান্ত স্বামী নিখোঁজের ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ায় ব্যাংক থেকে স্বামীর বেতনের টাকা উত্তোলন করতে না পারায় সন্তানাদি নিয়ে চরম মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন রুবি বেগম। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের শিংরাউলী গ্রামের মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ (৫২) গত ২৮ মার্চ থেকে নিখোঁজ থাকায় পরিবারে মানবেতর এই অবস্থা দেখা দিয়েছে।
আব্দুল ওয়াদুদ এর স্ত্রী রুবি বেগম বলেন, স্বামী নিখোঁজের পর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোন সন্ধান পাইনি। ফলে সন্তানদের পড়াশুনা ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অভাব অনটনে দিন কাটছে। ব্যাংক থেকে স্বামীর বেতনের টাকাও তোলতে পারছি না। উপজেলা হিসাব বিভাগ মৃত্যু সনদ চেয়ে বসছে। এ অবস্থায় ইউপি চেয়ারম্যানও সেই সনদ দিতে পারছেন না। ফলে ধারদেনা করে সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে নিদারুন দু:খ-কষ্টে পরিবার চালিয়ে যেতে হচ্ছে। স্কুল পড়–য়া এক ছেলের নিয়মিত বেতনাদিও পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
নিখোঁজ আব্দুল ওয়াদুদ দীর্ঘদিন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তে চাকুরীরত ছিলেন। তিনি ৫ ফুট ৬ ইি উচ্চতা সম্পন্ন এবং শ্যামলা গড়ন ও গালে সাদা দাঁড়ি। অবসর নেয়ার পর অসুস্থ থাকালীন স্থানীয় শমশেরনগর বাজার থেকে তিনি হারিয়ে যান। হারিয়ে যাওয়ার পর গত ২৯ এপ্রিল কমলগঞ্জ থানায় একটি জিডি করা হয়। জিডিনং-১৫৫২। অসুস্থ নিখোঁজ এই ব্যক্তির সন্ধান পেলে ০১৭৯২-৩১৭৫৬৯/০১৭১৫-১৯৬০২৩ মোবাইল ফোনে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

 

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,২৩আগস্ট,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ   হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর পুরান হাটি গ্রামে নিখোঁজের ১৪ ঘন্টা পর সজিব আলী (৮) নামের এক স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ভোররাত ২টার দিকে উমেদনগর দেওয়ান মাহবুব রাজার মাজারের পুকুর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
সে ওই গ্রামের ফুল মিয়ার পুত্র ও স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের ২য় শ্রেণীর ছাত্র।
মঙ্গলবার দুপুরে ওই শিশুর লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের জিম্মায় দেয় পুলিশ। তবে লাশ উদ্ধারের সময় তাঁর গালে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল বলে জানায় পুলিশ।
সূত্র জানায়, সজিব সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোজাঁখুজি করেও তাঁর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে শহরে মাইকিং করা হয়। শিশু সজিব আলীকে না পেয়ে তাঁর পিতা ফুল মিয়া সদর থানায় গত সোমবার রাতে সাধারণ ডায়েরী করেন।
এরপর তাদের সন্দেহ হয় মাহবুব রাজার মাজারের পুকুরে গোসল করতে যায় সজিব আলী। সন্দেহের পর ওই পুকুরে জাল দিয়ে খুজতে থাকলে এক পর্যায়ে তাঁর লাশ উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ খবর শুনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন নবী ও সাবেক কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান লাশ দেখতে যান। এসআই পার্থ রঞ্জন চক্রবর্তী লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। বিকালে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে ওসি জানান, যেহেতু লাশের শরীরে আঘাত রয়েছে। সেহেতু ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এ মুহুর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১আগস্ট,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় নৌকা ডুবিতে শিশু সহ চারজন নিখোঁজ রয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে ২০জন। ঘটনাটি গঠেছে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের ধাওয়া বিলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিনকুল গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়ী থেকে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শান্তিপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে ধাওয়া বিলে যাওয়া মাত্রই দমকা হাওয়ার কবলে পড়ে প্রায় ৪০জন যাত্রীসহ নৌকাটি ডুবে যায়।

নৌকার অন্যান্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ৪জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারী ফহেতপুর শাহপুর গ্রামের বাসিন্ধা আসাদ হোসেন কাগজী।

তিনি জানান,আমি মটর সাইকেল দিয়ে আনোয়ারপুর থেকে ফতেহপুর যাওয়ার পথে দেখতে পাই একটি নৌকা ডুবে যাচ্ছে। সাথে সাথে রাস্তার পাশে থাকা একটি ছোট নৌকা নিয়ে উদ্ধার করতে যাই। নৌকার যাত্রীদের চিৎকারে শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।

সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের হাসিমপুর গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে সাজনা বেগম (৫) ও জুমা বেগম(৮),একেই ইউনিয়নের পাচঁগাও গ্রামের নেহের জামালের মেয়ে তানহা বেগম (১২) ও তাহিরপুর উপজেলার চিকসা গ্রামের বাসিন্দা হারুন রশিদ(৪৮) নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোজঁদের উদ্ধার তৎপরতায় রয়েছেন এলাকাসী ও তাহিরপুর থানা পুলিশ।সংবাদ লিখা পর্যন্ত  ঘটনাস্থলে থাকা তাহিরপুর থানার এসআই আমির উদ্দিন এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,নিখোজ ৪জন নিখোঁজ রয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩জুলাই,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  চুনারুঘাটে নিখোঁজের ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্র ইকরামুল আলম (১৪)। জানা যায়, চুনারুঘাট পৌরসভার পূর্ব বড়াইল গ্রামের খুর্শেদ আলমের পুত্র ইকরামুল আলম (১৪) গত ০৭ জুলাই শুক্রবার রাত ৮টায় পার্শ্ববতী বাসায় যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বাহির হয়ে আর বাসায় ফিরে নি।

তার মাতা চুনারুঘাট আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক শিউলী আক্তার জানান, তার একমাত্র ছেলে ইকরামুল আলম ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে। সে শায়েস্তাগঞ্জে একটি ওয়ার্কশপে কাজ করত। গত ৭ জুলাই শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সে পার্শ্ববতী বাসায় যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বাহির হয়ে আর বাসায় ফিরেনি। রাত অনেক পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তাকে না পেয়ে তার মাতা চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার ডায়েরী নং- ৫২৮/১৭, তারিখ- ০৯/০৭/২০১৭।

সন্তানকে হারিয়ে বাবা-মা সহ পরিবারের লোকজন পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছেন। নিখোঁজ ইকরামুল আলমের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা অনুমান ৫ ফুট ৪ ইি , হালকা পাতলা গড়নের অধিকারী, মাথার চুল কালো ছোট, মুখমন্ডল গোলাকার, পরনে ছিল হাফহাতা কালো গেঞ্জি ও জিন্সের প্যান্ট। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে মাতা শিউলী আক্তার- ০১৭২১-৯০৬৭১১ নম্বর মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার মাতা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭জুলাই,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের মইদাইল গ্রামের বীরেন্দ্র দেবনাথের মেয়ে হেপী রানী দেবনাথ (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী গত ১ জুলাই সকাল ৯টায়  বৃন্দাবনপুর হুরুন্নেচ্ছা খাতুন চৌধুরী কলেজে ভর্তি হওয়ার কথা বলে আর বাড়ী ফিরেনি। তার পিতা বীরেন্দ্র দেবনাথ সকল আত্মীয়-স্বজনের বাড়ী ও আশেপাশের সকল গ্রামে এবং কলেজে খোঁজাখুঁজি করে ছয়দিন পার হয়ে গেলেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিলো নীল রঙ্গের সেলোয়ার কামিজ, তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা, শারিরীক গঠন মাঝারি, মুখমন্ডল গোলাকৃতি, চোখে চশমা,সে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।

এদিকে গত ছয় দিনে অনেক খোঁজাখুঁজি করে কলেজ ছাত্রীর সন্ধ্যান না পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ ছাত্রীর মা মীরা রানী দেবনাথ কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। কোন সুহৃদয় বান ব্যক্তি তার খোঁজ পেয়ে থাকলে ০১৭৪৯-০১৪৮৪১ এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৮মে,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে ৭ দিন থেকে নিখোঁজ থাকা এক শিশুর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার ভোরে সদর উপজেলার ছোটবহুলা গ্রাম থেকে এ লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটকও করেছে পুলিশ। নিহত শিশু আকাশ (৭) ছোটবহুলা গ্রামের খুর্শেদ আলীর ছেলে।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছোটাবহুলা গ্রামের খুর্শেদ আলী এবং ইসমাইল মিয়ার মাঝে জমির ধান কাটা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। এনিয়ে তাদের মাঝে মামলা মোকদ্দমাও হয়। কয়েকদিন পূর্বে উভয় পরিবারের মাঝে ঝগড়া হয়।

এ সময় ইসমাইল মিয়ার স্ত্রীকে গালিগালাজ করেন খুর্শেদ আলী ও তার পরিবারের লোকজন। এরপরই তার ৭ বছর বয়সী ছেলে আকাশকে হত্যার পরিকল্পনা করে ইসমাইল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া। ৭ দিন পূর্বে আকাশ নিখোঁজ হলে তার পরিবার হবিগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্দেহভাজন হিসাবে ইসমাইল মিয়ার ছেলে সুমনকে শনিবার (৬ মে) দিবাগত রাতে আটক করে করা হয়। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তির তথ্য মতে রোববারে ভোরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী জমির পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় শিশুটির গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭মার্চ,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের জগদীশপুর চা বাগানের নিরেন শীলের স্ত্রী নিয়তী শীল (৪৫) নামে এক চা শ্রমিক গত ৮ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার পর ৮ দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে বিভিন্ন  অনলাইনে নিখোঁজের সংবাদ  পেয়ে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানার সোনাতুলা চা বাগান এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনরা তাকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে।

চুনারুঘাট থানা থেকে নিয়তী রানীর পুত্র জুয়েল ও ভাতিজা ঝন্টু শীলের জিম্মায় পুলিশ নিয়তী রানী শীলকে দিয়ে দেয়। নিয়তী রানী শীলকে ফিরে পেয়ে তার স্বামী ও সন্তানরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েছেন।

উল্লেখ্য যে, নিয়তী রানী শীলের বাড়ি মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর চা বাগানে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩মার্চ,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের জগদীশপুর চা বাগানের নিরেন শীলের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী নিয়তী শীল (৪৫) নামে এক চা শ্রমিক গত ৭ মার্চ চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া চা বাগানের বেলাবিল ফাঁড়ি বাগানে তার বোন ময়না রানী শীলের বাড়িতে বেড়াতে এসে এর পরদিন ৮ মার্চ সকাল ১০টায় পূনরায় তার বাড়ি জগদীশপুর চা বাগানে যাওয়ার জন্য তার বোনের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর তার বাড়িতে ফিরেননি।

তার পুত্র জুয়েল শীল তাদের আত্মীয় স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে তার মা নিয়তী শীলকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও তাকে না পেয়ে তার পুত্র চুনারুঘাট থানায় জি.ডি করেন। চুনারুঘাট থানার জি.ডি নং- ৬৭১/১৭, তারিখ- ১৩/০৩/২০১৭।

মাকে হারিয়ে তার ৩ সন্তানরা প্রায় পাগল হয়ে পড়েছেন। নিখোঁজ নিয়তী শীলের গায়ের রং শ্যামলা, মুখমন্ডল- গোলাকার, মাথার চুল অনুমান ০১ হাত লম্বা ও কালো, উচ্চতা অনুমান ৫ ফুট, বয়স ৪৫, পরনে নীল রংয়ের প্রিন্টের শাড়ী ছিল। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে তার পুত্র- ০১৭১০-৯৯৪৯৯৬, জন্টু শীল- ০১৭১৭-৫৪২৩৮৯ নম্বরে মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার পুত্র জুয়েল শীল।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩মার্চ,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নের বালিয়ারী গ্রামের অজিত সরকার প্রকাশ রিপন (৩৮) নামে এক কাঠমিস্ত্রী বিগত ১৭ ফেব্রুয়ারী হতে নিখোঁজ। তার স্ত্রী শেলী রানী দেবনাথ জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী তিনি কাজের উদ্দেশ্যে কাঠমেস্ত্রীর যন্ত্রপাতি নিয়ে উপজেলার আইতন গ্রামে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি।

উপজেলার আইতন গ্রামে খোঁজ নিলে আইতন গ্রামের স্থানীয়রা জানান, অজিত সরকার ওইদিন কাজের জন্য আসেননি এবং তাকে কেউ ঐ এলাকায় দেখতেও পায়নি। তার স্ত্রী শেলী রানী তার আত্মীয় স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে তার স্বামী অজিত সরকারকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী চুনারুঘাট থানায় জিডি করেন।

চুনারুঘাট থানার জিডি নং- ৬১৬, তারিখ- ১২/০৩/২০১৭। স্বামীকে হারিয়ে তার অবুঝ ৩ সন্তানকে নিয়ে তার স্ত্রী প্রায় পাগল হয়ে পড়েছেন। নিখোঁজ অজিত সরকারের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা অনুমান ৫ ফুট, বয়স ৪০, মাথার চুল কালো, পরনে ছিল সাদা চেক লুঙ্গি আকাশি রঙ্গের ফুলহাতা শার্ট। অজিত সরকারের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন নং- ০১৭৫৬-৫৮৩৬৯২। মোবাইল নাম্বারটি বর্তমানে বন্ধ দেখাচ্ছে। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে ছেলে- ০১৭৭১-৯৪১১২৩, ০১৭০৩-৫৬৪২১৩ নম্বরে মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার স্ত্রী।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc