Wednesday 28th of October 2020 07:52:35 AM

মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ এবার বিমান চালাবেন সৌদি নারীরা! কিছুদিন আগে গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছেন সৌদি নারীরা। এবার বিমান চালানোর অনুমতি পেলেন তারা।
সৌদি আরবের পাঁচজন নারীকে পাইলট হিসেবে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা (জিএসিএ)।
মঙ্গলবার সৌদি এয়ারলাইন্সের জেনারেল অথরিটি (জিএসিএ) ওই পাঁচ নারীকে লাইসেন্স প্রদান করেছে। বিমান পরিবহন খাতে সৌদি নারীদের ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে সৌদি বিমান সংস্থা (জিএসিএ) এ উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি সৌদি বিমান সংস্থায় বিপুল সংখ্যক নারী কর্মকর্তা যোগ দিয়েছেন যারা কারিগরি সেবা প্রদান করবেন।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে ২০১৪ সালে হানাদি আল-হিনদি নামে এক নারীকে বিমান চালানোর লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। তিনি সৌদি প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালালের মালিকানাধীন হোল্ডিং কোম্পানির নিজস্ব বিমান চালাতেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৫জুন,মিজানুর রহমান,সৌদিআরব থেকঃ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কয়েক মিনিটনের  গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামেন সৌদি নারীরা; ২৪ জুন, ২০১৮। রয়টার্স দশকের পর দশক ধরে সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালনোর ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। রোববার থেকেই দেশটির নারীরা বৈধভাবে গাড়ির চালকের আসনে বসার অনুমতি পেয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় পর অনেক নারী রোববার (শনিবার মধ্যরাতের পর) গভীর রাতেই স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে বসে ছবি তুলেছেন, বৈধভাবে গাড়ি চালিয়ে ভেঙেছেন কয়েক দশকের অর্গল।

প্রত্যেক সৌদি নারীর জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত,” নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরপরই গাড়ির চালকের আসনে বসার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছেন টেলিভিশন উপস্থাপক সাবিকা আল-দোসারি।

গাড়ি চালকদের জন্য এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না বলে মন্তব্য করেন ২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী হাতুন বিন দাখিল।

আমাদের আর পুরুষদের প্রয়োজন পড়বে না,” বলেন তিনি।২৩ বছর বয়সী মাজদুলীন আল আতিক নিজের কালো লেক্সাস গাড়ি চালিয়ে প্রথমবারের মতো রাজধানী রিয়াদজুড়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন।তিনি বলেন, “অলৌকিক মনে হচ্ছিল, আমি অত্যন্ত খুশি। গাড়ি চালাতে পের আমি খুব গর্ব অনুভব করছি। নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়া নিয়ে গাড়ির কোম্পানিগুলো নাটকীয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রাইভেট পার্কিং গ্যারেজগুলোতে গোলাপি রংয়ের সাইনে ‘লেডিস’ লেখায় নারীদের পার্কিং এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেক সৌদি এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আনন্দ, উল্লাস প্রকাশ করেছেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় সমাজে কী ধরনের প্রভাব পড়বে তা নিয়ে কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বরেই সৌদি কর্তৃপক্ষ নারীদের গাড়ি চালনায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। নিবন্ধন পাওয়া নারীরা চলতি বছরের ২৪ জুন থেকে গাড়ি চালানোর অনুমতি পাবেন বলেও জানিয়েছিল তারা।

ওই ধারাবাহিকতাতেই চলতি মাসের প্রথম দিক থেকে নারী চালকদের জন্য লাইসেন্স ইস্যুও শুরু হয়।চলতি মাসের ৫ তারিখে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরের ১০ নারী তাদের বিদেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স বদলে সৌদি লাইসেন্স নেন। এরাই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া প্রথম সৌদি নারী। এরপর নিয়মিতভাবে লাইসেন্স ইস্যু শুরু হয়।   নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার আগেই প্রায় দুই হাজার নারী গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাবেন বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। রক্ষণশীলতার পরিবর্তে সৌদি সমাজের আধুনিকায়ন ও তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে সরে আসার লক্ষ্যে দেশটির বর্তমান ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ এর অংশ হিসেবেই নারীদের গাড়ি চালনায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য অনেক সৌদি পুরুষই এ ঘোষণায় সন্তুষ্ট নন; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরবিতে ‘তোমরা গাড়ি চালাতে পারবে না’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা।

শনিবার পর্যন্ত কট্টর ধর্মীয় শাসনে পরিচালিত সৌদি আরবই ছিল বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি ছিল না। পরিবারগুলোকে নারী সদস্যের জন্য আলাদা চালক ভাড়া করতে হতো।

নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি কর্তৃপক্ষ গাড়ি চালানোর অধিকার চেয়ে আন্দোলন করা নারী মানবাধিকার কর্মীদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়েছে। অন্তত ৮ নারী অধিকার কর্মী আটক রয়েছেন, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী আদালতে তাদের বিচারের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সক্রিয় আন্দোলনের জন্য অধিকার কর্মীদের দীর্ঘ কারাদণ্ড হতে হতে পার বলেও শঙ্কা মানবাধিকার বিষয়ক এ আন্তর্জাতিক সংগঠনটির।

আটককৃতদের মধ্যে নারীদের গাড়ি চালনার অধিকারের পক্ষে জোর প্রচারণা চালানো লুজাইন আল-হাথলৌলও আছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

সৌদি নারীদের পুরুষ অভিভাবকের ওপর নির্ভর করার বাধ্যতামূলক আইন বদলানোসহ বিস্তৃত সংস্কারে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

বেআইনীভাবে গাড়ি চালানোর কারণে ১৯৯০ সালেও রিয়াদে কয়েক ডজন নারী গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে এবং ২০১১ থেকে ২০১৪-র মাঝামাঝি পর্যন্ত অনেক নারীকেই স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে তাদের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতে দেখা গেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,মিজানুর সৌদি আরব থেকেঃ চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের বাদশাহ ঘোষণা করেছেন, আগামী বছরের জুন মাস থেকে দেশের নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমতি পাবেন। দেখে নিন কবে কি কি অধিকার পেয়েছেন সৌদি নারীরা।

১৯৫৫: মেয়েদের জন্য প্রথম স্কুল, ১৯৭০: মেয়েদের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এখন বিপুল সংখ্যক ছাত্রীকে স্কুলে যেতে দেখা যায়। কিন্তু আজ থেকে ৬২ বছর আগে চিত্রটা এমন ছিল না। সৌদি আরবে মেয়েদের প্রথম স্কুল দার আল হানান। আর রিয়াদ কলেজ অফ এডুকেশন সৌদি নারীদের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়, যেটি চালু হয় ১৯৭০ সালে।
২০০১: নারীদের জন্য পরিচয়পত্র
একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে এসে পরিচয়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। সৌদি আরবে নারীদের পরিচয়পত্র নিতে হলে পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি প্রয়োজন হতো। ২০০১ সালে সৌদি নারীরা পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই পরিচয়পত্র নেয়ার সুযোগ পান।
২০০৫: জোরপূর্বক বিয়ে নিষিদ্ধ
২০০৫ সালে সৌদি আরবে নারীদের জোরপূর্বক বিয়ে নিষিদ্ধ হয়।
২০০৯: প্রথম নারী মন্ত্রী ২০০৯ সালে বাদশাহ আব্দুল্লাহ সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় সরকারে প্রথম নারী মন্ত্রী নিয়োগ করেন।
নূরা আল কায়েজ নারী বিষয়ক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সে বছর সরকারে যোগ দেন।
২০১২: অলিম্পিকে প্রথম নারী অ্যাথলিট
২০১২ সালে প্রথমবারের মতো অলিম্পিকে অংশ নেন সৌদি নারীরা। তাঁদের মধ্যে সারাহ আত্তার নারীদের ৮০০ মিটার দৌড়ে লন্ডন অলিম্পিকের ট্র্যাকে নেমেছিলেন হিজাব পড়ে। আসর শুরুর আগে নারীদের অংশগ্রহণ করতে না দিলে সৌদি আরবকে অলিম্পিক থেকে বাদ দেয়ার কথা জানিয়েছিল আইওসি।
২০১৩: সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি
ঐ বছর সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি পান সৌদি নারীরা। তবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় এবং ইসলামি রীতিতে পুরো শরীর ঢেকে এবং কোনো পুরুষ আত্মীয়ের উপস্থিতিতে তা চালানোর অনুমতি দেয়া হয়।
২০১৩: শুরায় প্রথম নারী ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাদশাহ আব্দুল্লাহ সৌদি আরবের রক্ষণশীল কাউন্সিল ‘শুরা’য় প্রথমবারের মতো ৩০ জন নারীকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
২০১৫: ভোট দেয়া এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার অধিকার
২০১৫ সালে সৌদি আরবের পৌরসভা নির্বাচনে নারীরা প্রথমবারের মতো ভোট দেয়ার এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড নির্বাচনে নারীদের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করেছিল ১৮৯৩ সালে, জার্মানিতে তা চালু হয় ১৯১৯ সালে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের ঐ নির্বাচনে ২০ জন নারী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০১৭: সৌদি স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম নারী
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরব দেশটির স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারপার্সন হিসেবে সারাহ আল সুহাইমির নাম ঘোষণা করে আরেক ইতিহাস রচনা করে।
২০১৮: গাড়ি চালানোর অনুমতি
গত ২৬শে সেপ্টেম্বর সৌদি আরব নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করে। ২০১৮ সালের জুন মাসে এই আদেশ কার্যকর করা হবে। এর ফলে নারীদের আর কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে না এবং স্বতন্ত্র লাইসেন্স পাবেন তাঁরা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫মার্চঃ বৃহত্তর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার,হবিগঞ্জসহ সিলেট ও সুনামগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় বন-পাহাড়ে খাসিয়া আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস।খাসিয়া আদিবাসীদের পান চাষ এ দেশের সমতল অঞ্চলের পান চাষের চেয়ে ভিন্ন। খাসিয়া আদিবাসীরা সিলেট অঞ্চলের বন-পাহাড় এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে আদিপদ্ধতিতে প্রাকৃতিক বনগাছে বহু যুগ থেকে পান চাষাবাদ করে আসছে।

পানকে খাসিয়া ভাষায় “পাথা” বলে থাকে। আর এ পান শুধু খাসিয়া আদিবাসীরাই চাষাবাদ করছে বলে সবার কাছে খাসিয়া পান বলে পরিচিত।খাসিয়া পুরুষরা পান জুমে লতানো পানগাছের পরিচর্যা এবং বছরে একবার গাছের ডালপালা ও পাতা ছেঁটে দেয় এবং ছাঁটানো ডালপালা ও পাতা পানগাছের গোড়ায় দিয়ে থাকে। ডালপালা ও পাতা পচে প্রাকৃতিক জৈব সার তৈরি হয়।

বর্তমানে কেউ কেউ বাজার থেকে জৈব সার ক্রয় করে নিজেদের পান জুমে বেশি ফলানোর আশায় ব্যাবহার করে থাকে।খাসিয়া পুরুষরা লু-উ নামে (মই) এক ধরনের বাঁশের মই দিয়ে পান তুলে থাকেন।পান তোলার সময় এরা সাথে পান সংগ্রহ করার জন্য ঝুড়ি রাখে,ঝুড়ির ভেতরে পান তুলে রাখে এবং খাসিয়া পুরুষরা পান সংগ্রহ করে জুম থেকে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসে।আর খাসিয়া নারীরা ঘরে বসে পান গুছিয়ে(কান্তা বা ছলি বানিয়ে) বিক্রয় করে থাকে। খাসিয়া আদিবাসীরা মাতৃতান্ত্রিক পরিবার। তাই পরিবারে নারীদের অধিকারই বেশি।

১২টি পান পাতায় এক গুছি আর ১২টি গুছিতে এক কান্তা এবং ১২ কান্তায় এক কুড়ি। তাদের নিজেদের মধ্যে নারী শ্রমিকও আছে, তারা শুধু নিজের পুঞ্জিতে পান গুছি করে। এক কুড়ি গুছি করলে পারিশ্রমিক বাবদ ৩৫-৪০ টাকা পেয়ে থাকে।

মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া খাসিয়াপুঞ্জির গ্রামপ্রধান ফিলাপথমী(খাসিয়া মন্ত্রী) বলেন, প্রায় ২৫-৩০ বছর আগে খাসিয়া আদিবাসী নারীরাই এ এলাকার বাজারে নিয়ে নিজেদের পান বিক্রয় করত। বর্তমানে স্থানীয় বাঙালি ক্রেতারা খাসিয়া পুঞ্জিগুলোর বাড়িতে বাড়িতে এসে পান ক্রয় করে নারীদের কাছ থেকে।

খাসিয়া পানপাতায় সমতল অঞ্চলের পানের চেয়ে ঝাঁজ বেশি। খাসিয়া আদিবাসীরা পান জুমে কাজের সময় শরীরে ছোটখাটো ঘা হলে রক্ত বন্ধ করার জন্য বুনোওষুধ হিসেবে পানপাতা ব্যবহার করে থাকে।বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের জন্য পানের উৎপাদন বেশি হওয়ার ফলে পানের মূল্যও কম হয়ে থাকে।

কুড়িপ্রতি ৪০০-৫৫০ টাকা আর শুকনো মৌসুমে পানের উৎপাদন কম হওয়ায় কুড়িপ্রতি ২৫০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর পানের মূল্য অনেক কম।খাসিয়া পান বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি হয়ে থাকে এবং এ দেশের জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ভ্রমণ ও প্রকৃতি বিষয়ক লেখকঃশ্যামল দেব বর্মা। 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc