Monday 26th of October 2020 12:35:44 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা নেওয়ার আগে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার পরামর্শ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক।

পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহসান বলেন, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে দেশে ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই সময় কর্মকর্তাদের আইজিপি নির্দেশনা দেন যে, ৫৭ ধারায় মামলা নিতে হলে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার পরামর্শ নিতে হবে।’
এই কর্মকর্তা আরো জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইনের ৫৭ ধারায় মামলা প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দফতর থেকে সারাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের কিছু নির্দেশনা দিয়ে আইজিপি স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এ ধারায় মামলা নিতে হলে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে হবে। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ৫৭ ধারায় সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্তে মামলা রুজুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অভিযোগ সম্পর্কে কোনোরূপ সন্দেহের উদ্রেক হলে তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করতে হবে।’
এছাড়া আরো বলা হয়, ‘মামলা রুজুর আগে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার সঙ্গে আইনগত পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। এমতাবস্থায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধ সংক্রান্তে মামলা রুজুর আগে উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে নির্দেশ প্রদান করা হলো।’সুত্রঃইত্তেফাক

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মার্চ,হৃদয় দাশ শুভ,মৌলভীবাজার থেকে: বড়হাটের জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের কারনে বুধবার থেকেই চলছে আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা। এ দুই দিন থেকেই র্যাব, পুলিশ, ফায়ারসার্ভিস কর্মী ও অন্যন্য বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশের বিশেষ ক্রাইম রেসপন্স টিমের (সিআরটি) সদস্যরা ওই বাড়িটি ঘিরে রেখেছেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সোয়াতের অভিযানকালে পুরো কুসুমভাগ এলাকা জুড়ে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। আর শহর জুড়ে বিভিন্ন প্রবেশ পথে পুলিশের তল্লাশিতে বন্ধ হয়ে যায় গাড়ি চলাচল। গেল তিন দিন থেকে বড়হাট এলাকার লোকজন নিরাপত্তা জনিত কারণে কার্যত বন্দি অবস্থায় আছেন।

এ নিয়ে নানা শঙ্কায় উদ্বিগ্ন বড়হাট এলাকাসহ আশপাশ এলাকার লোকজন। অনেকেই নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আশপাশে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিয়েছেন আশ্রয়। এমন দূর্ভোগের মধ্যেও কিন্তু জীবন থেমে নেই। বিয়ে বলে কথা। তাই শুক্রবার সকালে অভিযান চলাকালে গুলি ও বোমার শব্দের মধ্যেও দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। বড়হাটের এক বর হেঁটে চলেছেন তার জীবন সঙ্গীনি ঘরে আনতে। জঙ্গি অভিযানে ভয়াভহ অবস্থার মধ্যে নব বধূবরণ করতে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন তিনি।

কথা বলে জানা গেল বরের নাম মো. আশিকুর রহমান শুকুর। মৌলভীবাজার পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের বড়হাট জঙ্গি আস্তানার কিছুদূরে তার বাড়ি। বিয়ে করতে যাচ্ছেন সদর উপজেলার কাগাবলা গ্রামে। তিন মাস আগে থেকেই এই বিয়ের দিন ঠিক করা ছিল। সব আয়োজনও সম্পন্ন, আত্মীয় স্বজন সবাই এসেছেন। এর মধ্যে বাড়ির পাশেই মিলল জঙ্গি আস্তার সন্ধান। এর পর থেকেই আত্মীয় স্বজনসহ সকলেরই ঘুম নেই নানা শঙ্কায়। সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ায় কারণে তাই বিয়ে পেছানো যায়নি।

বর শুকুর জানান, বিয়েতে আয়োজন-ধুমধামের কোনো কমতি ছিল না। বরযাত্রীদের জন্য দুটি বাস আর দুটি মাইক্রোবাসও ভাড়া করা হয়েছি। কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সবাইকে আলাদাভাবে হেঁটে বাড়ি থেকে বের হতে হয়েছে। বরের এক নিকট আত্মীয় জানান, এই জঙ্গি অভিযানের কারণে বাড়ির নারীরা বিয়েতে যেতে পারছেন না। কোন উপায়ান্ত না পেয়ে নির্দিষ্ট সময়ে কনের বাড়িতে পৌঁছাতে তারা বরসহ যাত্রীরা পায়ে হেঁটে শহর পাড়ি দিয়ে গাড়িতে উঠেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc