Saturday 31st of October 2020 03:46:30 PM

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের ১০টাকা কেজি দরের চালের তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও সুবিধাভোগীদের চাল আত্মসাতের দায়ে (বরখাস্তকৃত) চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুলের কর্মকান্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
দলীয় সূত্র বলছে-নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমদাদুর রহমান মুকুলকে দলীয় সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়ে তা কার্যকর করার জন্য জেলা আওয়ামীলীগের নিকট সিদ্ধান্ত প্রেরণ করা হয়। ইমদাদুর রহমান মুকুলকে বহিষ্কার করার জন্য হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ থেকে সুপারিশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নিকট প্রেরণ করা হবে।
এদিকে বিশ্বস্থ সূত্র জানিয়েছে- দুর্নীতির অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। প্রভাবশালী এই নেতার এহেন অনিয়মের কান্ড নিয়ে আলোচনায় সরব নবীগঞ্জ উপজেলা। সুশীল সমাজ মনে করছেন বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। অপরদিকে দুর্নীতির দায়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইমদাদুর রহমান মুকুল বাঁচতে বিভিন্ন মহলে দৌঁড়ঝাপ করছেন।
সূত্রে প্রকাশ, চেয়ারম্যান পদ হতে স্থায়ীভাবে অপসারণ থেকে বাঁচতে ও চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেতে বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগে দুর্নীতিবাজদের টাই নেই বলে মনে করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
জানা যায়, চাল আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গত ৭ জুলাই গজনাইপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদ থেকে মুকুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর ১৫ জুলাই বুধবার নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতা। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে ইমদাদুর রহমান মুকুলকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বর্তমানে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ।
এদিকে দলীয় সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত ইমদাদুর রহমান মুকুল আজ রবিবার দলীয় সভার আহ্বান করেছেন। তবে আওয়ামী লীগের প্রথমসারির নেতাকর্মীরা বলছেন এটি মুকুলের ব্যক্তিগত সভা।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। যে দুর্নীতি করবে তাকেই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের অব্যাহতি ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের প্রেক্ষিতে ইমদাদুর রহমান মুকুলকে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদকে দুর্নীতির একটি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম একেএম মইনুদ্দিন সিদ্দিকী উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

এর আগে কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম।

অপরদিকে কুতুব উদ্দিন আহমেদের পক্ষে আইনজীবী শাহনাজ আক্তারসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে আবুল হাসান জামিনের বিরোধিতা করেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে দুদক তাকে গ্রেপ্তার করে।

সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে রোবারই তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।

দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম বাদী হয়ে গুলাশন মডেল থানায় ওই মামলাটি দায়ের করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২নভেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে কৃষকদের দেওয়া ভিজিএফ কার্ডে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ ভিজিএফের তালিকাভুক্ত কৃষকদের সরকারের দেওয়া বরাদ্দকৃত ৩০ কেজি চাউল ও ৫০০শ টাকা না দিয়ে নিজের দলীয় লোকদের মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন বলে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ। ইউনিয়নের সানুয়া গ্রামের আরাধন সরকার জানান, এবারের ফসলহানিতে আমরা কৃষকেরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমাদের বেঁচে থাকার তাগিদে সরকার উন্মোক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণ করার সুযোগ দিয়েছেন। সরকারের এই নির্দেশে আমরা মাছ আহরণ করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেছিলাম।

কিন্তু চেয়ারম্যানের লোকেরা বৈয়ারকুড়ি জলমহালে সীমানা অতিক্রম করে জেলেদের মারধর করে মাছ আহরনের জন্য নিষেধ দেয়। এরই প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ ক্ষুব্দ হয়ে ভিজিএফ কার্ডের তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও আমাদের বিল বন্ধ করে রেখেছে। একই গ্রামের রাখাল ভৌমিক জানান, কষ্ট করে হাওড়ে জমি করছিলাম, তাও পাইনে নিয়া গেছে। কৃষকদের জন্য সরকারী অনেক অনুদান আইছে, আর এই অনুদানে আমরারে তালিকাভুক্তও করা হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুধীতা হওয়ায় আমাদের ভিজিএফ কার্ডের বিল না দিয়ে এই বিল তার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে দিয়ে দিছে। যারা জমি করছে না, তারা ভিজিএফ কার্ড পায় আর আমাদের জন্য বিল আসলেও এই বিল চেয়ারম্যান লুটেপুটে খায়। অকাল বন্যায় হাওড়ে জমি তলিয়ে গেলে সহায়তার তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও সানুয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা সহায়তা সরকারি সহায়তা থেকে বি ত। কৃষকদের অভিযোগ, দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার শৈলেন সরকারের স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিতে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারী সুযোগ-সুবিধা থেকে বি ত। তালিকাভুক্ত কৃষকদের ভিজিএফ বিল না দিয়ে এই বিল তার নিজ নিজ লোকদের মাঝে বিলীয়ে দেয়। চেয়ারম্যানের সাথে কৃষকদের বিরুধীতা হলেই ভিজিএফের বিল থেকে বি ত হতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক জানান, চেয়ারম্যান প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আর কিছু বলতে পারিনি। চেয়ারম্যানের স্বজনপ্রীতির কারণে একই পরিবারে তিন চারজনে ভিজিএফ কার্ড পেয়েছে। এ বিষয়ে মেম্বার শৈলেন সরকার জানান, যারা অভিযোগ করেছে আসলেই তারা ভিজিএফের তালিকাভুক্ত। তবে এইগুলো কার্ড চেয়ারম্যান দিয়েছেন। বিল না পাওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান এই বিলগুলো অন্যজনদের মধ্যে বন্টন করে দিয়েছে। তবে তারা পাবে না কেন এটা আমি জানি না?

বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ জানান, ভিজিএফের ৫ টি বিল দেওয়া হয়েছে। আর তালিকাভুক্ত কেউ যদি বিল না পেয়ে থাকে তাহলে এগুলো মেম্বারের বিষয়। আমি মেম্বারকে বলব অভিযোগকারীরা বিল না পাওয়ার কারন কি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খন্দকার জানান, লিখিত ভাবে এমন অভিযোগ পেলে আমরা দুর্নীতিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০নভেম্বর,মিজানুর রহমান, সৌদি আরব থেকেঃ সৌদি আরবের এক শীর্ষ আইন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকার দেশটির ২০৮ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি ও আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছে। সৌদি আরবের অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সৌদ আল-মোজেব জানান, গত শনিবার রাত থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২০৮ জনের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব ও ব্যবসায়িক লেনদেন তিন বছর ধরে তদন্ত করা হয়।

এর মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বাকি ২০১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে কাদের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে, সে সম্পর্কে কোনো কিছু বলেননি সৌদি সরকারের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা। কিন্তু তাঁদের মধ্যে রাজপুত্র, মন্ত্রী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী রয়েছেন

‘দুর্নীতির এই অভিযোগ গুলোর শক্ত প্রমাণ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।এ ধরনের ধরপাকড়ের ঘটনায় সৌদি আরবের সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ, যেসব হিসাব জব্দ করা হচ্ছে, তার সবই ব্যক্তিগত। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ১১ রাজপুত্র, চারজন বর্তমান মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। সৌদি আরবভিত্তিক টেলিভিশন আল-আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, জেদ্দায় ২০০৯ সালের বন্যা ও ২০১২ সালে সৌদিজুড়ে মার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে নবগঠিত কমিটি। দুর্নীতিবিরোধী এই কমিটি যে কারো বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং কোনো ব্যক্তির ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবে।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কড়া নজর রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কিছু সূত্র। সরকারি অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বিমানে কেউ দেশত্যাগ করতে পারবে না বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা ব্যক্তিদের নামের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবে দুর্নীতি দমন অভিযান বর্তমানে ‘প্রথম ধাপে’ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সৌদ আল-মোজেব। তিনি বলেন, শনিবারের ধরপাকড়ে কেবল প্রথম ধাপ। এটা চলবে। গ্রেপ্তারের আওতা আরো বাড়ানো হবে।
শক্তিশালী দুর্নীতির একটি বড় অংশই এখনো সামনে আসেনি উল্লেখ করে শেখ সৌদ আল-মোজেব বলেন, ‘গত তিন বছরের দুর্নীতির তদন্তের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দশকে দুর্নীতিবাজরা প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের মতো দুর্নীতি বা আত্মসাৎ করেছে।’এ ধরনের অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে দুর্নীতিবিরোধী কমিটির সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি রয়েছে বলেও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। পাশাপাশি যাঁরা আটক হয়েছেন, তাঁরা সৌদি আইন অনুযায়ী সব ধরনের আইনগত সহায়তাও পাবেন বলে জানান তিনি। তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিছু জানানো না হলেও আটকদের দেশটির অভিজাত হোটেলে রাখা হয়েছে।
আটক যাঁদের নাম এখন পর্যন্ত জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—বিলিয়নেয়ার প্রিন্স আলওয়ালেদ বিন তালাত, ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক প্রধান প্রিন্স মিতেব বিন আবদুল্লাহ, তাঁর ভাই রিয়াদের সাবেক গভর্নর তুর্কি বিন আবদুল্লাহ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫নভেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ  সৌদি আরবে দুর্নীতির অভিযোগে ১১জন রাজপুত্রসহ বর্তমান ও সাবেক ডজন খানেক মন্ত্রীকে আটক করেছে দেশটির নব গঠিত একটি দুর্নীতি দমন কমিটি। এছাড়া ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে সৌদি ন্যাশনাল গার্ড এবং নৌবাহিনী প্রধানের পদেও।

সৌদি যুবরাজ, মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রধান করে, শনিবার সৌদি বাদশাহ নিজে একটি দুর্নীতি দমন কমিটি গঠন করেন।

সদ্য গঠিত এই কমিটিই ১১জন রাজপুত্র, চারজন বর্তমান মন্ত্রী এবং প্রায় ডজন খানেক সাবেক মন্ত্রীকে আটক করেছে বলে জানা যাচ্ছে। আটককৃতদের নাম এবং তাদেরকে আটক করার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছুই স্পষ্ট করা হয়নি।

তবে, সৌদি গণমাধ্যম আল-অ্যারাবিয়া জানিয়েছে, ২০০৯ সালে সৌদিতে যে বন্যা হয়েছিল এবং ২০১২ সালে মার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার যে ঘটনা ঘটেছিল এই বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নতুন এই কমিটি গঠন করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করার ঘটনা ঘটলো।

সৌদি আরবের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যুবরাজকে প্রধান করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে সেখানে যুবরাজ চাইলে যে কাউকে গ্রেফতার করার এবং যে কারো উপরে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেবার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সৌদি ন্যাশনাল গার্ড এবং নৌবাহিনী প্রধানের পদেও রদবদল আনা হয়েছে।

যুবরাজ সালমান ন্যাশনাল গার্ড মন্ত্রী প্রিন্স মিতেব বিন আব্দুল্লাহকে এবং নেভি কমান্ডার এডমিরাল আব্দুল্লাহ বিন সুলতান বিন মোহাম্মদ আল সুলতানকে বরখাস্ত করেছেন বলে জানিয়েছে এসপিএ।

তবে, তাদের কেন পদচ্যুত করা হয়েছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।সংবাদ মাধ্যম

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুলাই,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের হাওরে ফসলরক্ষা বাধ নির্মাণে অনিয়ম- দুর্নীতির দায়ে ৬১জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরখাস্তকৃত নির্বাহি প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনকে।

রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় দুদকের সহকারি পরিচালক ফারুক আহমদ বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ৫(২) ধারা ১০৯, ১৬৬/১০৯/৪০৯/৫১১/১০৯ মামলাটি রজু করা হয়।

মামলা নং ০২/১৯৫ ২০১৭ ইং। মামলায় আফসার উদ্দিন ছাড়াও আসামী করা হয়েছে, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সিলেট পওর সার্কেল মো. নুরুল ইসলাম সরকার, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (উত্তর পূর্বাঞ্চল) আব্দুল হাই, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস, খলিলুর রহমান, সেকশন কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লা, ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ খান, খন্দকার আলী রেজা, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শাহআলম, মো. বরকত উল্লাহ ভূইঁয়া, মো. মাহমুদুল করিম, মো. মোছাদ্দেক, সজিব পাল, মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ঠিকাদার ও পিআইসির সদস্যদের উপর এ মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসব কর্মকর্তারা ঠিকাদার ও পিআইসির সদস্যদের সাথে হাত মিলিয়ে উদ্দেশ্য ও প্রণোদিতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। তারা ব্যাক্তিগত লাভের জন্য বাঁধের কাজে এমন দুর্নীতি করেছে। ফলে কাজ না হওয়ায় পাহাড়ী ঢলে জেলার শতভাগ হাওর তলিয়ে যায়।

মামলা দায়েরের পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও পিআইসি সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। হাওরে বাধ নির্মাণের নামে লুটপাটের অভিযোগ তদন্তে এর আগে হাওর পরিদর্শন করে দুদকের একটি প্রতিনিধি দল। তারা কৃষকদের নানা অভিযোগ তদন্ত করে দেখেন।

গত এপ্রিল মাসে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও পিআইসিদের দুর্নীতিতে জেলার শতভাগ হাওর অকাল বন্যায় তলিয়ে যায়। হাওরবাসীর দুঃখ দুর্দশার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তারা যত বড়ই ক্ষমতাশালী হোক আইনী ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতি ও গাফিলতির বিষয় নিয়ে দুদকের পরিচালক বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল তদন্ত করার জন্য সরজমিনে হাওর পরিদর্শন করেন। কৃষকদের অভিযোগের সাপেক্ষে কয়েকটি তলিয়ে যাওয়া বাঁধও পরিদর্শন করেন দুদক প্রতিনিধি দল। পরে কৃষকের আনা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন দুদক প্রতিনিধি দল। অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় দুদকের সহাকরি পরিচালক সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

এবং একই সাথে ১৪ কর্মকর্তার বিরুেেদ্ধ বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে দুদক। সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান জানান, বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির দায়ের দমন কমিশন(দুদক) সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্ত করবেন দুদক কর্মকর্তারা। আর দুদক আইনে এই মামলা করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 

হাওরাঞ্চলে এই দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছে,সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সুলতানা কামাল

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৯মে,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  কেবল প্রাকৃতিক কারণেই নয় মানব সৃষ্ট দুর্নীতির কারনেই এই দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যেমন হানাদারদের হাতে দেশ ছেড়ে দেইনি তেমনি দুর্নীতিবাজদের হাতে এই দেশকে ছেড়ে দিতে পারি না। পাহাড়ি ঢল ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলহানি শুধু একটি মহা সংকটই নয়,বরং এটি একটি জাতীয় দুর্যোগ। আমরা চাই দুর্নীতির কারণ গুলো সঠিকভাবে চিহিৃত করা হোক।

উপস্থিত জনগণের একাংশ

যাদের কারণে কৃষকরা এই মহাদুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৪টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে শনির হাওর পাড়ে পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা আয়োজিত কৃষক সমাবেশে তত্ত্ববধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এডভোকেট সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন।

সমাবেশে অন্যানের মধ্যে এসময় বক্তব্য রাখেন,নিজেরা করি সংগঠনের প্রধান নির্বাহী খুশি কবির,এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী সম্পাদক মুন্নি সাহা,এএলআরডি-এর প্রধান নির্বাহী শামসুল হুদা,মানবাধিকারকর্মী এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী,তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল প্রমুখ।

এছাড়াও  অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষক সানজব উস্তার,শাহীন রেজা,আব্দুল আহাদ,আব্দুল শহীদ,কৃষাণী অজুফা বেগম,শিক্ষক গোলাম সারোয়ার লিটন,সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, ব্যবসায়ী রতন গাঙ্গুলী,আলমাছ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা আগামী ফসলরক্ষা বাঁধ সংস্কারে তদারকির জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত করা,হাওর মন্ত্রণালয় স্থাপন করা,নদী খননসহ বিভিন্ন দাবি উত্তাপন করেন।

এসময় উপজেলার হাওরপাড়ের ক্ষতিগ্রস্থ হাজার হাজার কৃষক পরিবার ও সর্বস্থরের জনসাধারনে অংশ গ্রহনে জনসমদ্রে পরিনত হয় উপজেলা প্রাঙ্গন।

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,৩০এপ্রিল,জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, হাওর এলাকায় যাতে আর দুর্যোগ না নামে তার একটা বিহীত করতে হবে। সেজন্য নদী খনন জরুরী। তাই সুনামগঞ্জের রক্তি, যাদুকাটা, আবুয়া ও বিবিয়ানা নদী অচিরেই খনন করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য নদী খনন করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) হাওররক্ষা বাঁধ নিয়ে ক্ষুদ্রতম ক্রুটি পাওয়া গেলে কিছুতেই ছাড় নয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। দুর্নীতি আমরা করতে দেব না। আমাদের মন্ত্রণালয়ে গত সাড়ে ৩ বছরে ১২ জনকে চাকরীচ্যুত করেছি। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্চতার বিকল্প নেই।

গত শুক্রবার রাতে সুনামগঞ্জের সার্কিট হাউজে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে শুক্রবার দিনভর সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, কোন ঠিকাদার যদি বলেন তার কাজ হয়ে গেছে আমি মানব না, কাজ বুঝেই পরবর্তীতে তার প্রাপ্য পাওনা শোধ করা হবে। দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রী সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করতে পারেন। তদন্তে প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কথা দিলাম আপনাদের পরিচয় পাবলিস্ট না করে গোপন রাখা হবে।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের এমপি পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর স ালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীরপ্রতিক, সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমদ খান, দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আলী বীরপ্রতিক, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক আল-হেলাল, শাহজাহান চৌধুরী, সেলিম আহমদ তালুকদার  প্রমুখ।

উল্লেখ্য, অকাল বন্যায় বাঁধ ভেঙে কোথাও কোথাও বাঁধ না হওয়ায় গত ৩০ মার্চ থেকে একের পর এক হাওর তলিয়ে যাওয়ার পর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার লাখ লাখ বোরো চাষি নিঃস্ব হয়ে যায়। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্থ হাওরবাসীর পক্ষ থেকে ‘দুর্গত এলাকা’ ঘোষণার দাবি করা হলেও আইন বলে সরকার তা আমলে নেয়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে হাওরবাসীকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে জেলায় শতভাগ ফসলহানি হলেও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে বার বার দাবি করা হচ্ছে ক্ষতির পরিমাণ ৯০ ভাগ। এছাড়া বোরো ফসল ডুবে যাওয়ার পর সেখানে শুরু হয় মাছ, হাঁস ও অন্যান্য জলজ প্রাণির মড়ক। ফলে বিভিন্ন স্থানে মাছ ধরা নিষিদ্ধের পাশাপাশি পানিতে চুন ফেলে বিষক্রিয়া কাটানোর চেষ্টা করা হয় সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে।

গীতিগমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ   ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের ৩ নং খনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ কাউসার আলীর বিরুদ্ধে গত সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে ইউপির ১১ জন সদস্য অভিযোগ প্রদান করেন। অভিযোগে জানা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কাউছার আলী তার নিজ ইচ্ছা মত ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদে বসে বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন ও অবৈধ কার্যকলাপ করছেন বলে জানা যায়। এই নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে এডিবি বরাদ্দের টাকা কাউকে না জানিয়ে বিনা রেজুলেশনে নিজ গ্রামে বরাদ্দ দিয়েছেন। বয়স্ক ভাতা ভিজিডি কার্ডের টাকা নিয়ে নিজ ইচ্ছা মত পছন্দ ব্যাক্তিকে দিয়েছে।

ট্রেড লাইসেন্সের নামে তিনশত টাকা নিলেও ট্রেড লাইসেন্স বইয়ে একশ টাকা দেখান।

এছাড়া গত ২৮/০১/১৭ ইং তারিখে ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশ ডিউটি থাকা অবস্থায় কাউন্সিলের চুরি ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে ১১ জন ইউপি সদস্য অভিযোগ করেন।এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান কাউছার আলী জানান, “যারা অভিযোগ এনেছে তারা প্রমাণ করে দেখাক।”

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc