Thursday 3rd of December 2020 10:04:16 AM

নিরাপত্তা কাজে রত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) বিভিন্ন হুমকির মাঝেই দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি যারা আমাকে নিরাপত্তা দেয় তাদের নিয়ে আমি চিন্তিত।’

আজ রোববার(১৫ জুলাই) দুপুরে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এর ৩২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা দায়িত্বরত তাদের নিরাপত্তা দেওয়া আমার কাছে চিন্তার বিষয়। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। যেহেতু যুগের পরিবর্তন হয়েছে, তাই এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন এবং আধুনিক সরঞ্জামাদি প্রয়োগ করে নিরাপত্তা বেষ্টনি আরও সুরক্ষিত করা হচ্ছে। শুধু যার নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে তার নয়, বরং যারা নিরাপত্তা দিচ্ছে তাদের বিষয়টা চিন্তায় থাকে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন তাদের দায়িত্ববোধ দেখে আমি ও হতবাক হয় কখন কখন তাদের প্রতি আমি ও রাগ করি আমরা তো রাজনীতি করি সবার প্রতিই খেয়াল রাখতে হয়।মানুষের জন্য কাজ করি মানুষের সাথে যাতে যোগাযোগ থাকে সেই দিকটা খেয়াল রাখতে হবে বললেন শেখ হাসিনা।

দেশ এগিয়ে যাক আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের দায়িত্ব এজন্যই বেশি। কারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশ স্বাধীন করবেন। এটা তার চিন্তা ভাবনায় ছিল। এবং তার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আর স্বাধীন এই দেশকে আমাদের উন্নত এবং সমৃদ্ধ করতে হবে।’

সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সবসময় একটি মর্যাদাপূর্ণ দেশ এবং জাতি হিসেবে এই দেশকে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান শেখ হাসিনা। এ সময় বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘৭৫’ এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা বাংলাদেশকে একটি একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে রাখতে চেয়েছে। বিদেশ নির্ভরশীল রাখতে চেয়েছে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল আমরা দেশ স্বাধীন করেছি রক্ত দিয়ে। আমরা মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চাই। জাতির পিতা বলেছিলেন, ভিক্ষুক জাতির কোনো ইজ্জত নেই। আমরা তাই ভিক্ষুক জাতি হয়ে থাকতে চাই না।’

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সমস্যাগুলো আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। দেশের উন্নয়ন যাতে ত্বরান্বিত হয় তার ব্যবস্থা করছি। সম্প্রতি প্রবৃদ্ধি অর্জনে আমরা বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছি। আন্তরিকতা এবং দেশপ্রেম থাকলে সব অসাধ্য সাধন করা যায়।’

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হয়েছে জানিয়ে এই সাফল্য ধরে রাখারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুন,ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা দিয়েছে সেনাবাহিনী সমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আদালত সেই রায়ে তাঁকে সাজা দিয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু নেই।

রোববার কানাডার টরন্টোতে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। গত শনিবার তিনি সেখানে বক্তব্য দেন। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জি-৭ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় কুইবেকের লা শ্যাতো ফ্রন্টেন্যাক হোটেলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি টরন্টোতে নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইমার্জেন্সিতে কারা এসেছে? খালেদা জিয়ার পছন্দের ইয়াজউদ্দিন রাষ্ট্রপতি, নয়জন জেনারেলকে ডিঙিয়ে জেনারেল মঈনকে খালেদা জিয়া সেনা প্রধান বানালেন। আর বিশ্বব্যাংকে চাকরি করতেন ফখরুদ্দীন সাহেব, তাঁকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানিয়েছিল ওই বিএনপি। তাদেরই পছন্দের ইয়াজউদ্দিন, ফখরুদ্দীন, মঈনউদ্দীন। তাঁরাই দিল মামলা, আমাদের দোষটা কী?’

‘এই মামলা ১০টা বছর চলল। এই ১০ বছরে বিএনপির আইনজীবীরা, কেউ কেউ তো ইংরেজি ছাড়া বাংলায় কথাই বলে না। তো তারা করলটা কী? এটুকু প্রমাণ করতে পারলেন না যে তাদের নেত্রী এতিমের টাকা মেরে খান নাই। এটা তারা প্রমাণ করতে পারল না। আদালতে রায় হয়েছে। রায় অনুযায়ী তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানে আমাদের সরকারের কী করার আছে?’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শুধু তাই না, একজন আসামি, সাজাপ্রাপ্ত, তাঁর জন্য আবার গৃহকর্মী দেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামির জন্য গৃহকর্মী দেওয়া হয়, এটা কি আপনারা কোথায় শুনেছেন বলেন?’

শেখ হাসিনা বলেন, “এটাও তো একদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন। একটা মানুষ কোনো অন্যায় করল না, অপরাধ করল না, কিন্তু তাঁকে জেল খাটতে হচ্ছে। মনিবের কথায়। সে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করল মনিবের কথায়।”

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এরপর পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc