Tuesday 1st of December 2020 08:24:56 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪মে,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ     চুনারুঘাটে একটি সড়কের পাকা করণে খড়ের উপর করা হলো কার্পেটিং। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের একজন সাইট অফিসার থাকার পরও ঠিকাদারের এহেন কর্মকান্ড সাধারন মানুষের মাঝে বিশ্ময়ের সৃষ্টি করেছে। আলোচিত এ ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন ইকবালের নজরে এলে তিনি মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং রাস্তা পাকা করণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

চুনারুঘাট স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ ও স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি উপজেলার শানখলা-দেউন্দি সড়কে পাকা করণে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ করে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল বিভাগ। কাজটি বি-বাড়িয়ার ঠিকাদার আমিনুল ইসলামের কাছ থেকে কিনে নেন শায়েস্তাগঞ্জ যুবলীগ নেতা কবির মিয়া। গত সপ্তাহ খানেক সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।

রাতের আঁধারে কাজ করার কারনে স্থানীয় মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয় এবং গত মঙ্গলবার এলাকাবাসী দলবদ্ধ হয়ে রাস্তার কার্পেটিং তুলেন এবং কার্পেটের নিচে খড় আবিষ্কার করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

এ বিষয়ে ঠিকাদার পক্ষের কেউ কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তবে এলজিইডি বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যে সমস্ত স্থানে কাজের গাফিলতি ধরা পড়েছে সেগুলো ঠিকঠাক করা হবে।

তবে ঠিকাদারদের ব্যাপক এই দূর্নীতির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না তা তিনি এই মুহূর্তে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কাজটি কত তারিখ থেকে কত তারিখের মধ্যে শেষ হবে তাও তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঈন উদ্দিন ইকবাল বলেন, রাস্তায় এ ধরনের দূর্নীতি খুবই নেক্কারজনক। এই দূর্নীতির বিষয়ে তিনি চীফ ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলেছেন বলে জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২২মে,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ   মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক দ্রুত গতিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে তথা কথিত ঠিকাদার কর্তৃক লাইন সংযোগ দিতে গ্রাহকদেরকে নানাভাবে হয়রানি করছে।

চুনারুঘাট উপজেলার ১০নং মিরাশী ইউনিয়নের আমতলা আংশিক পীরপুর গ্রামে সরকারী বিদ্যুৎ লাইন নির্মানে ঠিকাদার ফরিদ হাসান কর্তৃক গ্রাহকদের নিকট চাঁদাদাবীসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে বিদ্যুতের গ্রাহক আব্দুল মন্নান কর্তৃক একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এর অনুলিপি সংসদ সদস্য, হবিগঞ্জ-৪; প্রকৌশলী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বি-বাড়ীয়া; জোনাল ম্যানেজার, হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি; চুনারুঘাট জোনাল অফিস, চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ, চুনারুঘাটসহ সরকারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করা হয়।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, পল্লীবিদ্যুৎ লট নং- ০৮৮ সিডি ও ৩.৮০০ কি.মি. বিদ্যুৎ লাইন নির্মানের জন্য সরকার নিয়োগকৃত ঠিকাদার মোঃ ফরিদ হাসান উক্ত কাজটি শুরু করেন। বিদ্যুতের খুটি ও লাইনের আংশিক কাজ সম্পূর্ণ করে আব্দুল মন্নানসহ কয়েকজন গ্রাহকের ১৫০ মিটার কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ফরিদ হাসান অন্যদিকে চলে যান।

ওই কাজটি সম্পূর্ণ করার জন্য বিদ্যুৎ গ্রাহক আব্দুল মন্নান ঠিকাদার হাসানকে কাজটি সম্পূর্ণ করার অনুরোধ করেন কিন্তু ঠিকাদার ফরিদ হাসান গ্রাহক মন্নানকে বলেন, বড় অংকের উৎকোচ ছাড়া ওই বিদ্যুৎ লাইনের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। অদ্যাবধি পর্যন্ত ওই বিদ্যুৎ লাইনটি পুনরায় সংযোগ না হওয়ায় গ্রাহকরা অন্ধকারে নিমজ্বিত রয়েছে।

এ থেকে উত্তোরনের জন্য ১৫/০৫/২০১৮ইং তারিখে আমতলা গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক আব্দুল মন্নান ভুক্তভোগী গ্রাহকগণের পক্ষে চাঁদাবাজ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য যে, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কুটি বসানো লাইন টানায় বিভিন্ন স্থানে গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc