Thursday 29th of October 2020 02:51:17 AM

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো মাস্ক পরেছেন। গতকাল (শনিবার) মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রেড হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় তিনি এ মাস্ক ব্যবহার করেন। হাসপাতালে তিনি বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে আহত মার্কিন সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

হাসপাতালের করিডোরে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ট্রাম্পকে মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা যায় তবে বাকি সময় তার ধারেকাছেও সাংবাদিকদের ঘেঁষতে দেন নি। এ নিয়ে দ্যা হিল পত্রিকা এক টুইটার পোস্টে ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওয়াল্টার রেড হাসপাতাল পরিদর্শন করছেন এবং তিনি মাস্ক পরেছেন।

বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির ছড়িয়ে পড়ার পর চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মাস্ক পরার বিষয়ে জোরালো পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ পর্যন্ত মাস্ক পরতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছেন। শুধু তাই নয় তিনি এর বিরোধিতা পর্যন্ত করেছেন। এ অবস্থায় তার নিজের দল রিপাবলিকানের নেতারা ট্রাম্পকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, তাতে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের সমর্থন বাড়বে।পার্সটুডে

মার্কিন নাগরিকদের মাস্ক পরার উপদেশ বিষয়ক আলোচনায় গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন: শিগগিরই মাস্ক পরার নতুন নিয়ম সুপারিশ করা হবে। হিজাব মাস্কের চেয়ে বেশি কার্যকর। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এটা সমর্থন না করলেও এটা তাদের ব্যক্তিগত মতামত। মাস্ক না পাওয়া গেলে হিজাব পরা যেতে পারে।

সিডিসি বলেছে, স্বাস্থ্যকর্মীদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পাওয়া না গেলে, বাসায় তৈরি মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন: তৈরির উপকরণের কারণে হিজাব ঘন। এটা মানুষের পুরো মুখ ঢেকে রাখে। এ কারণে এটি মাস্কের চেয়ে বেশি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। আমি পুরো ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিচ্ছিন্ন করিনি। এটা অতিরঞ্জন করা হয়েছে। আমি কয়েকটি দেশ ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছি। কিছু মানুষ এ বিধিনিষেধ না মেনে ভ্রমণ করছেন।
করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে খাবারের সব মার্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ক্রেতা না থাকায় ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন দুধ ফেলে দিচ্ছে। সূত্র:রয়টার্স ও সিএনএন।

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ এর প্রথম চালান বুঝে পেয়েছেন তুরস্কের কর্মকর্তারা।তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে তুরস্ককে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চালান দেয়া ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বার্তা সংস্থা তাসনিম ওই বিবৃতি উল্লেখ করে আরও জানিয়েছে,ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চালান দেয়ার প্রক্রিয়া শেষ হলে এগুলোর ব্যবহারের কাজ শুরু হবে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছেন, তুরস্ক নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছে।শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতেই এগুলো ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানান।

রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কিনলে আমেরিকা তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ জঙ্গি বিমান বিক্রি বন্ধ করে দেবে এবং আঙ্কারার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে বলেও হুমকি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।ওয়েবসাইট

উদ্ভট সব মন্তব্য করে বরাবরই দেশে বিদেশে আলোচনার পথ্য হয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি উদ্ভট  এক মন্তব্য করে  আলোচনার ঝড় তুলেছেন তিনি।

হার্টের ভেতরে কিডনি থাকে-তার এমন মন্তব্যে এবার চোখ কপালে উঠেছে চিকিৎসকদের। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রে মার্কিনিদের কিডনি সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা নীতির উন্নয়নে এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প সই করেন।

এরপর দেওয়া এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, ‘হার্টের বিশেষ জায়গায় কিডনি আছে।’

এ সময় তিনি কিডনি বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা এই বিষয়গুলো নিয়ে কঠোর পরিশ্রোম করেছেন, কিডনি নিয়ে আপনারা আসলেই কঠোর শ্রম দিয়েছেন। হৃদযন্ত্রের খুবই বিশেষ জায়গায় কিডনি আছে। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিষয়।’

মুহূর্তের মধ্যে ট্রাম্পের এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে এবং শুরু হয় জগতব্যাপি সমালোচনা ও হাস্যরসের ঝড়।

গতকাল (রবিবার) এক টুইট বার্তায় ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।ট্রাম্প বলেছেন: ইরান যুদ্ধ করতে চাইলে, তা হবে ইরানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি। যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিও না।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ লেগে যাওয়ার সম্ভাবনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে! সৌদি বাদশাহ সালমান ৩০শে মে মক্কায় এক জরুরী বৈঠকে বসতে আরব লীগ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট জিসিসি সদস্যদের দাওয়াত পাঠিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ বলেছেন: ট্রাম্পের আশপাশের কিছু মানুষ তাকে যুদ্ধ শুরুর উস্কানি দিচ্ছে।

এছাড়া শনিবার জারিফ বলেছিলেন: ইরান কোনো যুদ্ধ চায় না। তবে ইরানের সঙ্গে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হবে না এটাও মার্কিনীরা জানে। সুত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন নিহত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগির প্রেমিকা হাতিস চেঙ্গিজ। ট্রাম্প নিহত খাসোগজির হত্যাকাণ্ডের তদন্তের বিষয়ে তৎপর নন বলে অভিযোগ তুলে এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন মিজ চেঙ্গিজ।

তুরস্কের টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, আমেরিকার জনমতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি বাংলা।

খবরে বলা হয়, তিন সপ্তাহ আগে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে নিহত হন মি: খাসোগজি। এরপর এই হত্যাকাণ্ডের সাথে বর্তমান সৌদি রাজপরিবারের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে রিয়াদ এবং এটি “দুর্বৃত্ত এজেন্টদের” কাজ বলে দোষারোপ করে। এই মাসের শুরুতে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় এক নিবন্ধে মিজ চেঙ্গিজ বলেন, যদি ট্রাম্প “ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলেটের অভ্যন্তরে সেদিন আসলে কি ঘটেছে তা উন্মুক্ত করার প্রচেষ্টায় প্রকৃতই অবদান রাখেন, তাহলে তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করার বিষয়ে আমি বিবেচনা করবো।”

ট্রাম্প বলেছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে তিনি “সন্তুষ্ট নন”, কিন্তু দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি সেখানেও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর জোর দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেছেন এটা “সম্ভব” যে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতেন না।

সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো নেতা যুবরাজ সালমানের একজন কঠোর সমালোচক ছিলেন মি: খাসোগজি। গত ২রা অক্টোবর মি. খাসোগজি তার বিবাহবিচ্ছেদের দলিলপত্র সংগ্রহ করতে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর বের হন নি।

সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সূত্র উদ্ধৃত করে বলা হয়, সৌদি আরব থেকে আসা ১৫ জনের একটি দল তাকে কনস্যুলেটের ভেতরেই হত্যা করে এবং তার লাশ টুকরো টুকরো করে।

সৌদি আরব বলছে, কিছু এজেন্ট তাদের ক্ষমতার সীমার বাইরে গিয়ে এ কাজ করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর সৌদি আরবের অধিকাংশ পশ্চিমা মিত্ররাই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে এবং এর পূর্ণ ব্যাখ্যা দাবি করেছে। কিন্তু প্রতিক্রিয়া জানানোর ব্যাপারে মত-ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে।

যেখানে জার্মানি উপসাগরীয় দেশগুলোতে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত রেখেছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো বলেছেন, আমরা অবশ্যই অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করে দেবো তা বলা হবে জনগণের আবেগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা নেয়া। শুক্রবার তিনি বলেন, মিস্টার খাসোগজির সঙ্গে অস্ত্র বিক্রির কোন সম্পর্ক নেই। সবকিছু মিলিয়ে ফেলা উচিত নয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুন,ডেস্ক নিউজঃ শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন ‘বিশদ’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের সানতোসা দ্বীপের কাপেলা হোটেলে দু্ই নেতার মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তাৎক্ষনিকভাবে চুক্তির বিষয় জানা যায়নি। তবে ট্রাম্প বলেছেন, অতি শিগগিরই উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ শুরু করবে বলে তিনি আশা করছেন।

দীর্ঘ দিনের বৈরি দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরুর প্রথম ধাপেই অচলাবস্থা কেটে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে এর মাধ্যমে হয়তো উত্তর-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা মানচিত্রে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

এর আগে ১৯৭২ সালে প্রায় একইভাবে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন বেইজিং সফরকালে চীনের ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছিল।

ট্রাম্প চুক্তিটিকে ‘বিশদ চিঠি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

ট্রাম্প বৈঠকের আগে বলেছিলেন, তার অতীতকে পেছনে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশ্ব এক বিশাল পরিবর্তনকে দেখবে।’

উনের সঙ্গে ‘বিশেষ সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ’ হয়েছেন উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে এই সম্পর্ক হবে অনেক ব্যতিক্রম।

তিনি বলেছেন, ‘জনগণ অনেক বেশি সন্তুষ্ট হবে এবং তারা অনেক বেশি আনন্দিত হবে এবং আমরা বিশ্বের অনেক বিপজ্জনক একটি সমস্যাকে মোকাবেলা করছি।’

কিমকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানাবেন কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেছেন, ‘অবশ্যই, আমি আমন্ত্রণ জানাব।’

বিশ্ব মুসলিম রুখে দাড়াঁলে ইসরায়েলকে চরম মূল্য দিতে হবে-আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯ডিসেম্বরঃ ঢাকা নারিন্দাস্থ মশুরীখোলা দরবার শরীফের পীর সাহেব ও জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (মাঃজিঃআঃ) মুসলমানদের পবিত্র ভূমি জেরুজালেমকে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বীকৃতির তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন-উম্মাদ ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইহুদি রাষ্ট্রের রাজধানী ঘোষণা করে বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিলেন। বিশ্বজনমত উপেক্ষা করে হঠাৎ করে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতি দেয়া নিয়ে তার দেশের জনগণের মধ্যেও দ্বিধাবিভক্তি সৃষ্টি করেছে। সেখানে বসবাসরত ক্ষুদ্র ইহুদী জনগোষ্ঠী ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাকী জনগণ তা গ্রহণ করেনি। ট্রাম্পের এ ঘোষণার মাধ্যমে তার যে মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব, তা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, অবৈধ দখলদার আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলের হাত থেকে অগণিত নবী-রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মুসলমানদের প্রথম কেবলার কেন্দ্রস্থল জেরুজালেম পূর্ণউদ্ধারের জন্য ফিলিস্তিনী মুসলমানদের দীর্ঘ দিনের সংগ্রামের প্রতি অবমাননা। তাই সা¤্রাজ্যবাদী মার্কিনী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলের হাত থেকে জেরুজালেমকে মুক্ত করতে বিশ্বের মুসলমানদের সুলতান সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী’র ভূমিকা রাখতে হবে এবং মজলুম ফিলিস্তিনীদের স্বাধীনতার স্বীকৃতি বাংলাদেশ শুরু থেকেই দিয়ে আসছে।

আমরা আশাবাদী জেরুজালেম ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিবাদে ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে বাংলাদেশ সরকার অতীতের ন্যায় বলিষ্ট ভূমিকা পালন করবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭জুন,ডেস্ক নিউজঃ    ছয়টি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিক ও শরণার্থীদের প্রবেশে দেওয়া নব-নির্বাচিত আলোচিত সমালোচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার আংশিক কার্যকর হচ্ছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে এখন ওই ছয়টি দেশের কেউ যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না।

সোমবার সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে বলা হয়েছে ‘যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন বিদেশি নাগরিকদের’ ক্ষেত্রে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

পাশাপাশি ট্রাম্পের এই নীতির বিষয়ে আগামী অক্টোবরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে সুপ্রিম কোর্ট।

নয় বিচারকের এই বেঞ্চের তিনজন ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকরের পক্ষে মত দিয়েছেন। এই আদালতের বিচারকদের মধ্যে পাঁচজনই ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এ ঘটনায় দেশটিতে বিক্ষোভ দেখা দিলে ৬ মার্চ সংশোধিত আদেশ দেওয়া হয়। তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় ইরাকের নাম। ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়মেনের নাগরিকদের ওপর ৯০ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প। পাশাপাশি সব শরণার্থীদের ওপর ১২০ দিনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

১৬ মার্চ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা কার্যকর হওয়ার আগে আটকে দেন ফেডারেল বিচারকরা।ওয়েবসাইট

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,ফেব্রুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আমেরিকাকে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা বিবেচনা করছে। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে, এ পরিষদ ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে পক্ষপাতপূর্ণ। মার্কিন গণমাধ্যম ‘পলিটিকো’ এ খবর দিয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি বলেছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই। তার সঙ্গে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্র্রী রেক্স টিলারসন ও জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন নতুন রাষ্ট্রদূত নিক্কি হ্যালি। আলোচনার সঙ্গে জড়িত একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় অনুরোধ আসছে যাতে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে থাকার মূল্য নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে টিলারসন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সারা বিশ্বে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর জন্য এ পরিষদ কাজ করে যার সদস্য সংখ্যা ৪৭টি দেশ।পার্সটুডে

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc