Wednesday 21st of October 2020 05:41:41 AM

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি:  ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানিকৃত বিভিন্ন পন্য নিয়ে আসা ১৯ ট্রাকচালককে ২মাসের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও ফেরত নেয়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ফলে অনাহারে, অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে এসমস্ত ট্রাক চালকরা।

বাংলাদেশে আমদানিকারক ও স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাস দুর্যোগে ভারতীয় ট্রাকচালকদের নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান।

বেনাপোল স্থলবন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, ভারতে লকডাউন ঘোষনার আগের দিন গত ২০শে মার্চ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য নিয়ে আসে ট্রাক চালকরা। কিন্তু পন্য বেনাপোল বন্দরে খালাসের পর থেকে ট্রাক ও চালকদেরকে নিজ দেশে ফেরত নেয়নি ভারত।

ভারতের উত্তর প্রদেশে বাড়ি ট্রাক চালক সীতারাম বলেন, আমরা বাংলাদেশে এসে আটকে পড়েছি। পেট্রাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের নিচ্ছে না। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। কাছে যা টাকা পয়সা ছিল অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। খেয়ে না খেয়ে গাড়িতেই ঘুমাচ্ছি। বেনাপোল বন্দর, কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন মাঝে মাঝে কিছু খাদ্য সহয়তা দিয়েছে। তাতে জীবন চলে না। খাদ্য সহয়তা চায় না, আমরা দেশে ফিরতে চাই।

মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় গাড়ি ও চালকদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আমরাও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলেই ভারতীয় চালকরা ট্রাকসহ বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসবে।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ডিডি) মামুন কবির তরফদার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থলবন্দরের ইয়ার্ডের ভেতরেই ট্রাক ও চালকদের রাখা হয়েছে। বন্দর, কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টরা চালকদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন।

চালকরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি। অনুমতি পেলে যে কোন মুহর্তে চালক ও ট্রাক গুলো ফেরত পাঠানো হবে।

এম ওসমান, বেনাপোলঃ বাংলাদেশ ও ভারতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তারই জেরে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর এলাকার অর্থনীতি কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। বেনাপোলে নেই কোনো শিল্প-কারখানা। বেনাপোল স্থলবন্দর ঘিরে জীবিকার জন্য নির্ভরশীল কয়েক হাজার মানুষ। এই পথে আমদানি-রফতানি দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকায় রোজগারে টান পড়েছে শ্রমিকদের। স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল-পেট্রাপোল। একই সঙ্গে বেকার হয়ে পড়েছেন বন্দরসংশ্লিষ্ট কয়েক হাজার শ্রমিক। বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট কয়েকশ’ এনজিওকর্মীরও একই অবস্থা। ভারত দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের সিংহভাগ পণ্য আসে এই বন্দর দিয়ে। আপাতত বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে যুক্ত সীমান্ত এলাকার মানুষ করোনা নয়; রুজি-রুটি হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন।
গত ২২ মার্চ ভারতে কারফিউ থাকায় এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২৩ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা দেয় ভারত। এর মধ্যে ২৩ মার্চ রাতে হঠাৎ ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার সময়সীমা ছিল গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তারপর আবারও বাড়ানো হয় লকডাউনের সময়সীমা, যা এখনও চলছে। কবে উঠবে লকডাউন তাও কেউ বলতে পারছেন না।
বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধের ফলে উভয় সীমান্তে আটকা পড়েছে কয়েক হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক। যার অধিকাংশই বাংলাদেশের রফতানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের ও দেশীয় বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল। যেগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায়।
গত ২২ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি। বেনাপোল বন্দর দিয়ে কোনো পণ্য নিয়ে ট্রাক পেট্রাপোল বন্দরে যায়নি। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বাণিজ্যে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ ট্রাক যোগে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয়। ভারতে রফতানি হয় দেড়শ’ থেকে ২শ’ ট্রাক বাংলাদেশি পণ্য। প্রতি বছর এ বন্দর থেকে সরকার প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা আমদানি পণ্য থেকে ও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা রাজস্ব পায়। কিন্তু এখন সবই স্থবির। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আর কতদিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে সেটা কেউ বলতে পারছেন না।
এরই মধ্যে গত ২২ এপ্রিল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সরকার ১০ দিনের (৫ মে পর্যন্ত) সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে দেয়। তবে ছুটির সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে কাস্টমস হাউজ ও কাস্টমস স্টেশনসমূহে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয় এনবিআর। সেই হিসেবে বেনাপোল কাস্টমস ও বন্দরে কাজ চলছে। তবে তা আশানুরূপ নয়।
গত ৩০ মার্চ এক আদেশে আমদানিকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী ও অন্যান্য সেবা সামগ্রী, শিল্পের কাঁচামাল এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার আমদানিকৃত পণ্য খালাসের জন্য কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে নির্দেশ দেয় এনবিআর। এরই মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বেশকিছু পণ্য বেনাপোল কাস্টমস থেকে খালাস করলেও অধিকাংশ আমদানিকারক পণ্য খালাসে আগ্রহী ছিল না। তবে পণ্য আমদানি-রফতানি ও খালাসের সঙ্গে ভারতীয় কাস্টম, বন্দর, বেনাপোল বন্দর, ব্যাংক, ট্রান্সপোর্ট, উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর শ্রমিকরা জড়িত রয়েছে। সবার সঙ্গে সমন্বয় না হলে কার্যত পণ্য আমদানি-রফতানি ও খালাস প্রক্রিয়া কতটুকু সফলতা পাবে সেটিও ভাবার বিষয়।
এদিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরুর ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে নানাভাবে আলোচনা হয়। কিন্তু পণ্য নিয়ে যাওয়া-আসা ট্রাকচালক ও হেলপারদের ফেরার পথে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করায় পণ্য পরিবহনে অনীহা প্রকাশ করেছেন তারা।
ওপারের বন্দর সূত্রে জানা যায়, বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা ভারতীয় আটটি খালি ট্রাকসহ চালক এবং হেলপাররা কয়েক দিন আগে নিজ দেশে ফিরে গেছেন। তবে পেট্রাপোল বন্দরে ফিরে যাওয়া ট্রাকচালক এবং হেলপারদের ওপর বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে। প্রত্যেকের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব চালকরা ভারতের উওর প্রদেশ ও বিহারের বাসিন্দা।
পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ভারতে দফায় দফায় লকডাউন ঘোষণা করায় সব ধরনের আমদানি-রফতানিসহ সীমান্ত-বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে করোনার আতঙ্কের জেরে স্থলবন্দর এলাকার অর্থনীতি কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। পণ্যবোঝাই কয়েক হাজার ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় দীর্ঘদিন পড়ে আছে। সেগুলোকে সঠিক পদ্ধতিতে বাংলাদেশে পাঠিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায় কি-না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চেষ্টা চলছে।
ওপারের সীমান্তে বাণিজ্যে জড়িত ব্যবসায়ী প্রদীপ দে বলেন, আগে মানুষের জীবন। তারপর ব্যবসা। গত ২৩ মার্চ থেকে আমাদের কয়েকটি পাট বীজবোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে পেট্রাপোল বন্দরে। লাখ লাখ টাকা ক্ষতির মধ্যে পড়ে আছি। তবু আমরা সরকারের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত হিসেবে নিয়েছি। কারণ কোনোভাবেই কোনো দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হোক আমরা তা চাই না।
বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ক এতটাই ভয়ঙ্কর যে, সীমান্ত সিল করে দিয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে। পাশাপাশি এর প্রভাবও ব্যবসা বাণিজ্যে পড়েছে। এখনই ক্ষতির মুখ দেখতে শুরু করেছে ভারত-বাংলাদেশের পণ্য আমদানি-রফতানিকারকরা। ক্ষতি কাটিয়ে নিতে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বে। সেই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ বিকল্প সঠিক পথ না পেয়ে বিপথে পা বাড়াবে। তাতেই সমস্যার সম্মুখীন হবে দেশের ব্যবসায়ীসহ বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার আকরাম হোসেন বলেন, আমরা কাস্টম হাউজ খোলা রেখে কাজ করে চলেছি। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা পণ্য নিতে চাইলে আমরা দ্রুত সেটা শুল্কায়ন শেষে খালাসের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আমাদের সব কর্মকর্তা প্রস্তুত।

এম ওসমান,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে ১শিশু নিহত হয়েছে। এসময় যাত্রিবাহী বাসের ১০ যাত্রী আহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার সময় নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের হাড়িখালী কুচেমোড়া নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রেসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। নিহত আলেজা খাতুন (৩) রাজশাহীর শারনাল বিশ^াসের মেয়ে।
নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ টিটু মিয়া জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার সময় নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের হাড়িখালী কুচেমোড়া নামক স্থানে যশোর থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা গামি একটি যাত্রীবাহি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে একটি ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এ সময় যাত্রিবাহী বাসটি উল্টে রাস্তার পাশের ধান ক্ষেতে পড়ে যায়। যাত্রিবাহী বাসের ১০ যাত্রী আহত হয়েছে ও ১ শিশু নিহত হয়েছে।

এম ওসমান, বেনাপোল: যশোরের শার্শায় বন্ধুর শ্বশুর বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে ডিম ভর্তি কার্ভাড ভ‍্যানের (মিনি ট্রাক) সাথে মটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে লিটন হোসেন (১৮) নিহত হয়েছে।রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার সময়
উপজেলার বসতপুর ফুলতলা নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে । নিহত লিটন হোসেন বসতপুর গ্ৰামের ওমর আলীর ছেলে ।এঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন একই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে হুমায়ূন কবীর (২০)।সে গুরুত্বর অবস্থায় সাতমাইল জোহরা ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ।
প্রত‍্যাক্ষদর্শীরা জানান , দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে বসতপুর ফুলতলা নামক স্থানে আসলে গোগার দিক থেকে দ্রুত গামী একটি ডিমের গাড়ী আমাদের সামনাসামনি ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বসতপুর গ্ৰামের ইউপি সদস্য আলী আহমদ বলেন,এ ঘটনায় আমরা কোন গাড়ি আটক করতে পারেনি । তবে আমরা চোখে দেখিনি বিধায় বিষয়টি আমরা পরিস্কার না ।তবে লাশ যাতে মর্গে পাঠানো না হয় সে বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছি ।
এবিষয়ে বাগআঁচড়া পূলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক রহিম হাওলাদার বলেন, গোগার দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে বসতপুর গামি মটরসাইকেল আরোহী পিকাপ ভ‍্যানকে সাইড দিতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন ।

শংকর শীল,হবিগঞ্জ থেকেঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওলিপুর নামক স্থানে পাথর বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেললাইনের ডিভাইডারের সাথে ধাক্কা লেগে ট্রাকটি উল্টে গিয়ে চালক মোশারফ হোসেন (৪৮) নিহত হয়েছে৷ এ ঘটনায় ওই স্হানে প্রায় ১ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ৯ মে বৃহস্পতিবার ভোরে রাতে এঘটনাটি ঘটেছে। চালক মোশারফ হোসেন ফেণী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার জয়পুর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের পুত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা পাথর বোঝাই একটি ট্রাকটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওলিপুর নামক স্থানে উল্টে যায়৷ এসময় ওই ট্রাকের চালক মোশারফ হোসেন গাড়ির চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৷ পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী এঘটনাটি স্বীকার করে জানান, ট্রাক চালক মোশারফ হোসেনের মর্গের কাজ সম্পন্ন হলে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

বেনাপোল প্র‌তিনি‌ধি : বেনাপোল বন্দরে আমদানী বহির্ভুত মালামালসহ ট্রাক জব্দ করেছে কাষ্টমস্ কর্তৃপক্ষ। এ সময় জব্দ করা হয়েছে পণ্য বোঝাই ঐ ট্রাকসহ তার সকল কাগজ পত্র। বেনাপোল বন্দর থেকে জব্দকৃত পণ্য চালানটির পণ্য পরীক্ষা হয়েছে বেনাপোল কাস্টম হাউসে বুধবার দুপুরে। পণ্য চালানটির প্যাকিং লিষ্টে আমদানীকরা হয় ২৫ কার্টুনে মাত্র ৫০০ কেজি ফুড ফ্লেভার ।

কিন্তু পণ্য চালানটি জব্দ করার পর ঐ ট্রাকটি থেকে ২০০ কেজি কেমিকেলসহ বিপুল পরিমান রেডিমেট গার্মেন্টস, শাড়ী, থ্রীপিচসহ আমদানী নি‌শিদ্ধ সি‌রিন্স পাওয়া যায়। যা থেকে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হ‌য়ে‌ছিল কয়েক লাখ টাকা বলে জানান কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ। তবে পণ্য চালানটিতে আমদানীকৃত পণ্যের ঘোষনায় ছিলো ফুড ফ্লেভার ।
বেনাপোল কাষ্টম হাউসের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, গোপন সুত্রে সংবাদ পায় একজন আমদানীকারক ভারত থেকে ঘোষনার আড়ালে একটি পণ্য চালান বেনাপোল বন্দরে নিয়ে আসছে। এমন সংবাদে কাস্টম হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাশেদ উর রহমান বন্দরের সেড এলাকা থেকে পণ্য বোঝাই একটি কাভার্ড ভ্যান ( ট্রাক) জব্দ করেন ।

পরে ট্রাকটি কাষ্টম হাউসে নিয়ে আসা হয়। মালামাল পরীক্ষান করা হয়েছে। পরিক্ষনে ঘোষনার বর্হিভুত পণ্য পাওয়া গেছে। পন্য চালা‌নে ঘোষনা ব‌হিভূত পন্য থাকায় পন্য চালান‌টি আটক করা হ‌য়ে‌ছে। পণ্য চালাানটির সি এন্ড এফ এজেন্ট ছিলেন মেসার্স আহাদ এন্টার প্রাইজ।

সানিউর রহমান তালুকদার, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ আ লিক সড়কের তিমিরপুর এলাকায় ধান বোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে অনিক দত্ত (২২) নামের মোটরসাইকেল আরোহী কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ আ লিক সড়কের তিমিরপুর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত অনিক দত্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামের ডা. অলক দত্তের পুত্র এবং সে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারী কলেজের ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ছাত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ শহরে কাজ শেষে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ আ লিক সড়ক হয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন কলেজ ছাত্র অনিক। পথিমধ্যে তিমিরপুর মোড় এলাকায় পৌঁছামাত্রই হবিগঞ্জ থেকে নবীগঞ্জগামী ধান বোঝাই ট্রাক ঢাকা মেট্রো (উ ১১-৪২-৬৫) ট্রাকের সঙ্গে অনিকের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। এসময় মোটরসাইকেল আরোহী অনিক দত্তের সারা শরীর থেঁতলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে শেরপুর এলাকায় অনিক মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়ে। এ ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার এস.আই মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দূর্ঘটনায় কবলিত ট্রাক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানা নিয়ে যান।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র অনিকের নিহত হওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিক্রমজিত বর্ধন,নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার ভোর ৫ ঘটিকায় চৌমুহনা সংলগ্ন হবিগঞ্জ সড়কে মৌলভীবাজার গামী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ১টি সি এন জি কে পিষ্ট করে রাস্তার পাশে একটি ইলেকট্রিক ও একটি মেডিসিন সেন্টারের ভিতরে ঢুকে পড়ে।এ সময় দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক উপজেলার ভূনবীর এলাকার শ্রীনাথ (৩০) নামক একজনসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয় এবং দুটি দোকানের  ভাঙচুরে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে ।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ভোর ৫ টার দিকে হবিগঞ্জ রোডস্থ একটি সিএনজি অটো রিকশা হটাৎ ঘুরাতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ার ফলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে । এতে করে সিএনজি, ট্রাকসহ দুইটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয় এবং ট্রাক চালক পালিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত আহতদের পুর্ন পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং আহতরা কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছে তাও জানা যায়নি।

স্থানিয় এক ব্যবসায়ি জানান “দুর্ঘটনার ফলে দুটি দোকানের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে তা ছাড়া কয়েকদিন লাগবে দোকান দুটি মেরামত করতে”।তিনি আরও জানান “পুলিশ পরিদর্শন করেছে এবং ট্র্যাকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে।”

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ থেকে চুরি যাওয়া ট্রাক (ঢাকামেট্রো-ড-১১-৪০০২) যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ট্রাক চুরির অপরাধে হেলপার ইব্রাহিম চৌধুরী (২৫) কে আটক করা হয়। সে গোপালগঞ্জের খানার পাড়া গ্রামের ফরহাদ হোসেন চৌধুরীর ছেলে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই আব্দুর রহিম জানায়, ইব্রাহীম চৌধুরী গোপালগঞ্জের জিতেন বাবুর ট্রাকে হেলপারের কাজ করত। কয়েকদিন আগে সে ট্রাকটি চুরি করে খুলনায় নিয়ে আসে। সেখানে সে ট্রাকের কিছু যন্ত্রাংশ বিক্রী করে বৃহস্পতিবার রাতে বাগআঁচড়া জোহরা ফিলিং ষ্টেশনে তেল নিতে আসলে গোপালগঞ্জ থানার এস আই অখিল কুমার বিশ্বাসের দেয়া তথ্যমতে বাগআঁচড়া পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করার পাশাপাশি ইব্রাহিমকে আটক করে। ঐ রাতেই গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ ইব্রাহিমকে নিয়ে যায়। এব্যাপারে গোপালগঞ্জ থানায় একটি চুরি মামলা হয়েছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায় ট্রাকচুরির বিষয়টি নিশ্চিত জানান, আসামীকে গোপালগঞ্জ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ট্রাকটি বাগআঁচড়া পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি,সাদিক অাহমেদঃ শ্রীমঙ্গলে ট্রাক চাপায় গুরুতর অাহত কিশোর রায়হান মারা গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

রায়হান উপজেলার মৌলভীবাজার রোডস্থ উত্তর ভাড়াউড়া এলাকার একটি হাফেজি মাদ্রাসার ছাত্র।তার বাবার নাম মুল্লুক মিয়া গ্রাম উত্তর ভাড়াউড়া, শ্রীমঙ্গল।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার মহাসড়কের ৩ নং পুল বাবুল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে দূর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় এলাকাবাসী প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়”ছেলেটি সাইকেল চালিয়ে বাবুল হোটেলের বিপরীতে শহীদ অানিস সড়কে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হওয়ার সময় পেছন দিক থেকে অাসা মৌলভীবাজারগামী ঢাকা মেট্রো-ট-১৮৬৮৫৮ ট্রাকটি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। অাহতের অানুমানিক বয়স ১৪ বছর।
পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে মারাত্মকভাবে অাহত ছেলেটিকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয় কিছু মোটরসাইকেল অারোহীর সহযোগিতায় ও শ্রীমঙ্গল থানার একটি ফোর্স অামার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকমের এই প্রতিনিধির উপস্থিতিতেই ঘাতক ট্রাকটিকে শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ২/৩ কিলোমিটার দূরে নোয়াগাও নামক স্থান থেকে অাটক করে শ্রীমঙ্গল থানায় নিয়ে অাসে। সংবাদ লেখা পর্যন্ত ঘাতক ট্র্যাকটি থানায় রয়েছে এর চালকের নাম প্রজেশ কুমার (৪৫)।

নিজস্ব প্রতিনিধি,সাদিক অাহমেদঃশ্রীমঙ্গলে ট্রাক চাপায় এক কিশোর গুরুতর অাহত হয়েছে।শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার মহাসড়কের ৩ নং পুল বাবুল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে দূর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়”ছেলেটি সাইকেল চালিয়ে বাবুল হোটেলের বিপরীতে শহীদ অানিস সড়কে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হওয়ার সময় পেছন দিক থেকে অাসা মৌলভীবাজারগামী ঢাকা মেট্রো-ট-১৮৬৮৫৮ ট্রাকটি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। অাহতের অানুমানিক বয়স ১৪ বছর।সে মৌলভীবাজার রোডের একটি ওয়ার্কশপে কাজ করতো”।তাথক্ষণিক ভাবে ছেলেটির পূর্ণ পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে মারাত্মকভাবে অাহত ছেলেটিকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয় কিছু মোটরসাইকেল অারোহীর সহযোগিতায় ও শ্রীমঙ্গল থানার একটি ফোর্স অামার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকমের এই প্রতিনিধির উপস্থিতিতেই ঘাতক ট্রাকটিকে শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ২/৩ কিলোমিটার দূরে নোয়াগাও নামক স্থান থেকে অাটক করে শ্রীমঙ্গল থানায় নিয়ে অাসে।

বেনাপোল প্রতিনিধি: ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের  সদস্যরা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার সময় নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ লক্ষ হুন্ডির টাকাসহ কালু মন্ডল (৩০ ) নামে এক ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারকে আটক করেছে। সে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগঁনার  গোপাল নগর থানা  সাতবাড়িয়া গ্রামের আবু তাহের মন্ডলের ছেলে ।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আমজাদ হোসেন জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি ভারত থেকে নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকা দিয়ে এক ট্রাক ড্রাইভার হুন্ডি টাকা নিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় তাকে আটক করতে গেলে সে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে পরে তাকে ধরে এনে  তার দেহ তল্লাশি করে ৩লক্ষ হুন্ডির টাকা পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হহয়েছে ।

এম ওসমান,বেনাপোল:  মিথ্যা ঘোষনা দিয়ে ভারত থেকে আমদানী হচ্ছে ইমিটেশন জুয়েলারীর একটি পণ্য চালান। এমন সংবাদের অভিযোগে রবিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে কাষ্টমস্
কর্তৃপক্ষের আইআরএম এর একটি প্রতিনিধি দল অভিযান চালিয়ে বেনাপোল বন্দরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে পণ্য বোঝাই ২টি ১০ চাকার ভারতীয় ট্রাক জব্দ করেছে ।
এ সময় আরো জব্দ করা হয়েছে ঐ ট্রাক দুটির চাবিসহ সকল কাগজ পত্র। জব্দকৃত পণ্য চালানটির আমদানীকারক ঢাকার আনাস এন্টারপ্রাইজ। যার মেনিফেষ্ট নং ৩৯৯৬১/২, তাং-০৪/১১/১৮। পণ্য চালানটির রপ্তানী কারক প্রতিষ্ঠান ভারতের জেইন এক্সপোর্ট। আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান গত ১লা নভেম্বর-২০১৮ ঢাকার মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড থেকে একটি এলসি খোলেন পণ্যটি আমদানী করার জন্য। যার এলসি নং০০০০৩২৫২১৮০১০৩৪০ । তাং-০১/১১/১৮। পণ্য চালানটির ইনভয়েজ মুল্য দেখানো
হয়েছে ২৬১৬২ মার্কিন ডলার। বেনাপোল কাষ্টমস হাউসের ইনভেষ্টিগেশন রিসার্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল জব্দকৃত মালামাল পরিক্ষন করবেন।
পরীক্ষনে পণ্যচালানটির মালামাল ঘোষনার সাথে মিল আছে কিনা তাও দেখবেন। তবে পণ্য চালানটিতে আমদানীকৃত পণ্যের ঘোষনায় আছে প্লাষ্টিক বাংলা এন্ড আদার্স।
বেনাপোল কাষ্টম হাউসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, গোপন সুত্রে সংবাদ পায় একজন আমদানীকারক ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষনার মাধ্যমে একটি পণ্য চালান বেনাপোল বন্দরে নিয়ে আসছে।
এমন সংবাদে রবিবার রাতে আইআরএম টিমের প্রতিনিধি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোস্তফা আবদল্লাহ আল মামুনকে সাথে নিয়ে বন্দরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে পণ্য বোঝাই দুটি ভারতীয় ট্রাক জব্দ করি। (যার নং ডই-৫১-৭০৮৬, ই-২৩-ই২৩৭৬)
পরে ট্রাক ২টি বেনাপোল কাষ্টম হাউসে নিয়ে আসা হয়। আজ মঙ্গলবার মালামাল পরীক্ষান করা হবে। মিথ্যা ঘোষনা এবং অমিল পাওয়া গেলে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে জব্দকৃত ট্রাক ২টির ড্রাইভার দুলাল দাস এবং তপন কুমার প্রাথমিক ভাবে জানান তাদের গাড়ী ২টিতে ইমিটেশন জুয়েলারী জাতীয় পণ্য আছে।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন সি এন্ড এফ এজেন্ট প্রতিনিধিকে পাওয়া যায়নি।

 

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরে নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে বিভিন্ন সময় জব্দকৃত মডেল আউট এবং কাগজপত্র বিহীন ৫ টি ট্রাক মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন অংশে খুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হইয়াছে। অবৈধ ভাবে হাইওয়ে সড়কে চলাচলের কারনে ট্রাকগুলি আটক হয়ে দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় প্রায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। যে কারনে মালিক পক্ষ যথাযথ কতৃপক্ষ বরাবর আবেদন করিলে মালিকানা যাচাই ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে শনিবার সকাল ১১টায় তাহাদের জিম্মায় ট্রাকের যন্ত্রাংশ গুলো প্রদান করা হইয়াছে।

এ সময় হাইওয়ে পুলিশের ফরিদপুর জনের সিনিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন, নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া, এসআই সাহিদুর রহমান, এএসআই নুরে আলমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে গাড়ি গুলোর যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়ার জন্য মালিকদের জিম্মায় দেওয়া হয়।

জহিরুল ইসলাম,মৌলভীবাজার:  মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক  তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।আজ (বৃহস্পতিবার ১৮অক্টোবর) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার কমলগঞ্জ -শমসেরনগর রোডস্থ ইটখলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আছিয়া বেগম (২০) কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের উত্তর পলকিরপার গ্রামের তজমুল আলীর মেয়ে।
স্থানীয়রা ট্রাক আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তরুণীর মৃত্যু দুর্ঘটনা না কি আত্মহত্যা ? এনিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইটখলা মিলের সামনে একটি ট্রাকের (নং কুষ্টিয়া ট ১১-১৮৩০) চাকায় পিষ্ট হয়ে বোরকা পরা ওই তরুণী মারা যান। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানার এসআই চম্পক দামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ টি মৌলভীবাজার হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার এস আই চম্পক দাম জানান, “এটি দুর্ঘটনা না কি আত্মহত্যা ? বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে-আত্মহত্যা হতে পারে”।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc