Sunday 1st of November 2020 07:04:51 AM

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মিনহাজ তানভীরঃ  মৌলভীবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর মনবীর রায় মন্জু বাবুর চাচা সদর উপজেলার গোবিন্দপুর নিবাসী বাবু সুব্রত রায় (৮৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেন।
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম প্রধান মাসুম ফারুকী অমুসলিম সদস্যদের (মিলন দে সহ ৬ সদস্যের টিম) সৎকার কাজে অংশ গ্রহণ করে সৎকার সম্পন্ন করেন ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে সৎকার কার্যক্রম। এ সময় তাকরীম ফাউন্দেশনের প্রধান সাইফুল ইসলাম জুনেদও উপস্থিত ছিলেন বলে জানান সাধারন সম্পাদক ও সমন্বয়ক গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা শাখার কাজী মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন।
বিশ্বব্যাপী করোনা আতংকে যখন মৃতদের দাফন নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ও ভয় ভীতি ছড়াচ্ছিল তখন মানবতার সেবায় গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সারাদেশে কাফন,দাফন ও সৎকারে অনন্য ভুমিকা পালন করে শুধু ইতিহাস তৈরি করেনি;দেশসহ সারা পৃথিবিতে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইতিমধ্যে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ একহাজারের অধিক লাশ দাফনে সরাসরি সহযোগিতা করল,এর মধ্যে অমুসলিম সৎকারের তালিকায় মৌলভীবাজারের সুব্রত রায় ১৫তম সৎকার।
এ ছাড়াও করোনা মৌসুমে অতি গোপনে আর্থিক অনুদান প্রদানসহ অক্সিজেন, এম্বুলেন্স, রক্তদান,বৃক্ষ রোপণ,রাস্তাঘাট মেরামত সহ নানাবিধ সামাজিক কাজে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই মহান কাজে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা বিশেষ করে বাঙালি প্রবাসীদের সহযোগিতা লক্ষণীয়।

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সৎকারের কয়েকটি চিত্রঃ

সৎকারের জন্য মৃত দেহের প্রস্তুতি কাজে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সদস্যরা।

 

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা টিম এর সদস্যরা  সৎকারের উদ্যেশে মৃতদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে শ্মশানে।

এস এম সুলতান খান চুনারুঘাট থেকেঃ  চুনারুঘাটে রেমা- কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও বনজ সম্পদ ধ্বংস ঠেকানোর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত কল্পে স্মার্ট পেট্রোলিং প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ ) সকাল ১১টায় বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও আবাসস্থল উন্নয়ন-এর আয়োজনে কালেঙ্গা রেঞ্জ কার্যালয়ে পাঁচদিন ব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ )মো: মারুফ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী অপরাধ বিশেষেজ্ঞ প্রশিক্ষক ড. নাছির উদ্দিন প্রমুখ।
প্রশিক্ষণে কালেঙ্গা বনবিটের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সিটিজি ও সিএনসি সদস্যসহ ১৫জন সদস্যএ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। রেমা-কালেঙ্গা রেঞ্জের স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের লিডার মো: আলাউদ্দিন বলেন, কালেঙ্গা স্মার্ট পেট্রোলিং টিম বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় এ প্রশিক্ষণ। স্মার্ট পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে কালেঙ্গা বনদস্যু তৎপরতা এবং অপরাধ কমে আসবে। একইসঙ্গে রেমা- কালেঙ্গা থেকে বিভিন্ন প্রজাতের মুল্যবান কাঠ ও প্রাণী পাচার রোধ করা সম্ভব হবে। সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মারুফ হোসেন বলেন, আমাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি গ্রুপ বনের মধ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রশিক্ষণ শেষে টহল দিবে। প্রতি টহল দলে আট থেকে ১০ জন সদস্য থাকে। এছাড়া প্রতিটি টহল গ্রুপের সঙ্গে থাকে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) এবং সাইবার ট্র্যাকার। জিপিএস ও সাইবার ট্র্যাকারের মাধ্যমে টহলকালীন সব কর্মকাণ্ড রেকর্ড করা হয়।পরবর্তীকালে সাইবার ট্র্যাকারের ডাটা ল্যাপটপে আপলোড করা ডাটা ম্যানেজারের মাধ্যমে ডাটা কো-অর্ডিনেটরের কাছে পাঠানো হয়।
বন্যপ্রাণী অপরাধ বিশেষেজ্ঞ ড. নাছির উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণের পথে বন অধিদপ্তরের অর্জনকে সমৃদ্ধ করেছে নতুন এই টহল পদ্ধতি। টহলের সময় সার্বক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ এবং বন/বন্যপ্রাণী অপরাধ অনুসন্ধান করা হয়। অপরাধ সংগঠিত হলে সংশ্লিষ্ট আইন/বিধির নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়। সব কার্যক্রম স্মার্ট টহলের লগ বই বা সাইবার ট্র্যাকারে রেকর্ড করা হয়। ডাটা ব্যবস্থাপকের কাছে পাঠানো হয়। ডাটা ব্যবস্থাপক সর্বশেষ ভার্সনের স্মার্ট সফটওয়্যারে ডাটা এন্ট্রি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি করেন। টহল চলাচলের পথের মানচিত্র বা পায়ে হেঁটে অতিক্রান্ত দূরত্ব, টহল কাভারেজ, গ্রেফতারদের তথ্য, আটকদের মালামালের তথ্য, অপরাধ উদঘাটন বা মালামাল আটকের স্থানের মানচিত্র, অবৈধ কার্যক্রমের তথ্য, অপরাধের হটস্পটের মানচিত্র, বন্যপ্রাণীর পর্যাপ্ততা সংবলিত মানচিত্র ও বন্যপ্রাণী হটস্পটের মানচিত্র প্রতিবেদন প্রস্তুতের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরবর্তী টহল দলকে দিকনির্দেশনা দেয়। অত্যাধুনিক ডিভাইস ও আধুনিক সমৃদ্ধ স্মার্ট পেট্রোল টিমের কার্যক্রমের ফলে রেঞ্জে বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুরক্ষিত হয়েছে বনাঞ্চল। উল্লেখ্য ২০১৫ সাল থেকে প্রথম সুন্দরবনের চারটি রেঞ্জে স্মার্ট টিমের কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর থেকে দেশের বিভিন্ন বন বিভাগে প্রশিক্ষণটি চালু হয়। পর্যায়ক্রমে সবকটি বিভাগে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ  সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ জানুয়ারী দিবাগত রাত ১২.৪৫ মিনিটে জৈন্তাপুর উপজেলা চিকনাগুল এলাকার কুতুব মার্কেটের সুলতান ষ্টোরে অভিযান পরিচালনা করে ১৩জুয়াড়ীকে আটক করে।

আটককৃতদের মামলা দায়ের পূর্বক কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের এস.আই আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে চিকনাগুল বাজারের কুতুব মার্কেটের সুলতান ষ্টোরে অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জুয়াড়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল- জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের পানিছড়া গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে সেলিম (৩৮) একই গ্রামের মৃত অনু মিয়ার ছেলে নাসির উদ্দিন (৬৫), কহাইগড় ২য়খন্ড গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে বাচ্চু মিয়া (২০), মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মকবুল আলী (৭০), মৃত হাছান আলীর ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৮), আব্দুল লতিফের ছেলে নুর উদ্দিন (৩০), মৃত ওয়াহাব আলীর ছেলে সেলিম উদ্দিন (৩৫), মৃত আব্দুল খালিকের ছেলে শাহিন আহমদ (৪৫), মৃত কুটি মিয়ার ছেলে আব্দুল মালিক (৬০), পানিছড়া কহাইগড় ১মখন্ড গ্রামের হামিদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৬), মৃত আছাব আলীর ছেলে কালা মিয়া (৪২), মৃত লাল মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া (৩৫), মৃত ওয়াহাব আলীর ছেলে জহির আলী (৬৩)। জুয়াড়ীদের নিকট হতে জুয়া খেলার উপকরণ মোবাইল ফোন ও নগদ ২হাজার ৪শত ৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের ১৫ জানুয়ারী বুধবার ১৮৬৭ সনের প্রকাশ্যে জুয়া আইনের ৩/৪ ধারায় মামলা রেকর্ড পূর্বক আদালতে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে গ্রেফতারকৃত জুয়াড়ী সেলিমের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানায় ২০১৩ ইং সনের মাদকদ্রব্য আইনে ১২নং মামলা, ২০১০ সনের পেনাল কোডের ২২নং মামলা, ২০১৮ সনের পেনাল কোডের ৬নং মামলা রয়েছে। বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৪ সনের পেনাল কোডের ১৭নং মামলা রয়েছে। মকবুল আলীর বিরুদ্ধে ২০১০ সনের পেনাল কোডের ২২নং মামলা রয়েছে, মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৪ সনের পেনাল কোডের ৯নং মামলা রয়েছে। নুর উদ্দিন এর বিরুদ্ধে ২০১৬ সনের পেনাল কোডের ৭নং মামলা রয়েছে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক আটকের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, জৈন্তাপুরের আাইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে। অটকৃতদের অনেকেই বিভিন্ন মামলার আসামী, তাদেরকে সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুরে থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১৬ জুয়াড়ী আটক, আদালতে প্রেরন।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টায় জৈন্তাপুর থানা সংলগ্ন সীমান্ত হোটেলের দ্বিতীয় তলা হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিকের নির্দেশনায় “টিম জৈন্তাপুর” অভিযান করে ১৫ জুয়াড়ীকে আটক করে। এলাকাবাসী জানায় সীমান্ত হোটেলের দ্বিতীয় তলার কয়েকটি কক্ষে দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ ভাবে ১০টি জুয়ার বোর্ড বসিয়ে জুয়া খেলা পরিচালনা করেছে স্থানীয় কয়েক জন জুয়া বোর্ডের মালিক।

তারা আরও জানায় ইতোমধ্যে জৈন্তাপুর মডেল থানায় আসা নবাগত অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক উপজেলার প্রতিটি বাজার এলাকায় মাইকিং করে জুয়া খেলা, তীর খেলা ও মাদক আস্তানা বন্ধ করার আহবান করেন। এসব অপরাধ বন্ধ না করা হয় তাহলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেও বলে তিনি ঘোষনা দেন। তারপরও থেমে নেই এসব অবৈধ কার্যকলাপ। বাসষ্টেশনের অপর একটি হোটেল, চাঙ্গীল, মাস্তিংহাটি এলাকায় রয়েছে ৩টি অবৈধ জুয়া খেলার আস্তানা।
পুলিশের হাতে আটকৃতরা জুয়াড়ীরা হলো, নিজপাট ইউপি‘র মোরগাহাটি গ্রামের মৃত মুছা মিয়ার ছেলে মহসিন(৩০), মজুমদারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ ড্রাইভারের ছেলে সোহেল আহমদ(২৮), রুপচেং মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত ইউসুছ আলীর ছেলে হাফিজুল হক(২৮), মাহুতহাটি গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে মোঃ মইনুল হোসেন(২৪), পানিয়ারাহাটি গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সুমন মিয়া(৩০) জৈন্তাপুর ইউপি‘র বিরাখাই গ্রামের মৃত শহর উল্লার ছেলে কামরুল হাসান (৩৫), বাউরভাগ কান্দি গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মোঃ কিবরিয়া(৩৩), একই গ্রামের সাইফুল্লার ছেলে জালাল উদ্দিন হেলাল(২৮), তজমুল আলীর ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ(২৮), বাউরভাগ মল্লিফৌদ গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে বোরহান উদ্দিন(২০), একই গ্রামের মৃত মছক আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান (২৮), বিরাখাই গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে নাছির আহমদ (৩০), মোয়াখাই গ্রামের সুশিল দাশের ছেলে সাধন দাশ (২৮), বিরাইমারা গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে ইছাক মিয়া(৩২) এবং গোয়াইনঘাট উপজেলার সাবেক আলীরগাঁও ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত নজুব আলীর ছেলে মোঃ মুছা মিয়া (৪০)।
অপরদিকে ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ২টায় জৈন্তাপুর আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ অফিস) সংলগ্ন থেকে নিষিদ্ধ ভারতীয় শিলং তীর খেলার অপরাধে উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের রুপচেং গ্রামের আব্দুল মনাফের ছেলে মোঃ মঞ্জুর(৩০) কে আটক করা হয়।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক প্রতিদেককে জানান, আমি এ থানায় আসার পর জুয়া, তীর খেলা ও মাদক মুক্ত করা ঘোষনা দিয়ে এবং প্রতিটি বাজার এলাকায় মাইকিং করে এসব জুয়া, তীর খেলা ও মাদকের ব্যবসা বন্ধ করার জন্য সর্তক করে দিয়েছি। তারপরও এসব বন্ধ হচ্ছে না, তাহলে আমি কি করব, বাধ্য হয়ে আমার অভিযানিক “টিম জৈন্তাপুর” অভিযান করে ১৫জুয়াড়ীকে আটক করে। তাদেরকে জুয়া আইনে মামলা দায়েরপূর্বক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং জৈন্তাপুরকে সুন্দর নগরি গড়তে সচেতন মহলের সবাইকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি: জৈন্তাপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অপহরনের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সংবাদ পেয়ে অপহরনকারীকে আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দুই পরিবারের মধ্যে পূর্ব হতে বিরুধ চলে আসছে। বিরুদের জের ধরে জৈন্তাপুর উপজেলা চিকনাগুল ইউনিয়নের উনপুর গ্রামের আতাউর রহমানের বাড়ীর সামনের রাস্তার উপর হতে উমনপুর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর অনুমান ২টায় আল-আমিন (৩০) মামলার বাদীনিকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাস (নোহা) গাড়ীতে তুলে অপহরন করে নিয়ে যায়।

বিষয়টি দেখেতে পেয়ে এলাকাবাসী বাদীনির পরিবারকে জানালে পরিবারের সদস্যরা জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক এর নির্দেশে দ্রুত “টিম জৈন্তাপুর” অভিযানে নামে। অভিযানের এক পর্যায় অপহরনকারীর নিকট আত্মীয় বাড়ী উপজেলার ঠাকুরের মাটি (করমাটি) গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে অপহরনকারীসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ভিকটিম বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়। থানা পুলিশ- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৩০ ধারায় মামলা হিসাবে রেকর্ড করে যাহার নং-০৯, তারিখ: ১৪-০৯-২০১৯।

অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক জানান, সংবাদ পাওয়ার পর পর এসআই ইন্দ্রনীল ভট্টাচায রাজনের নেতৃত্বে “টিম জৈন্তাপুর” দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অপহরনকারী সহ ভিকটিম উদ্ধার করে। মামলা রেকর্ড পূর্বক অপহরনকারীকে আটক দেখিয়ে ১৫সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল ১১টায় আদলতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪নভেম্বরঃ  শনিবার মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর। নামতে থাকা শীতের সময়ে উত্তাপ ছড়াতে এরই মধ্যে বিপিএলের দলগুলো সম্পন্ন করেছে প্রস্তুতি। দেশের ক্রিকেটাররা তো বটেই, বিদেশি ক্রিকেটাররাও চরম উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষা করছেন বিপিএলের জন্য। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ক্রিকেট সমর্থকরাও চোখ মেলে আছেন বাংলাদেশের দিকে। টিম রিভিউয়ের এই পর্বে থাকছে কাগজে-কলমে টুর্নামেন্টের দুর্বলতম দল সিলেট সিক্সার্সের হালচাল।

বিপিএলের গত আসরে সিলেটভিত্তিক কোনো দল ছিলো না। এক আসর বিরতির পর আবার বিপিএলে ফিরেছে সিলেটের দল। এবার নাম সিলেট সিক্সার্স। বিরতি দিয়ে ফিরলেও তেমন আশাজাগানিয়া দল গড়তে পারেনি নতুন এই ফ্রেঞ্চাইজিটি। ফলে আসরের প্রায় শুরুতেই ব্যাকফুটে সিলেট সিক্সার্স।
দলটির সবচেয়ে বড় তারকা সাব্বির রহমান। গত বিপিএলে রাজশাহী কিংসে ছিলেন তিনি। পাকিস্তানের বাবর আজম, তরুণ পেসার ওসমান খানও আছেন এই দলে। কিন্তু এ দুজন ১৭ নভেম্বরের আগে দলে যোগ দিতে পারবেন না। তাদের আসার আগে সিলেটকে নির্ভর করতে হবে লঙ্কান উপুল থারাঙ্গা, চতুরঙ্গা ডি সিলভাদের উপর। আছেন আন্দ্রে ফ্লেচার, লিয়াম প্লাঙ্কেটরাও।
স্থানীয়দের মধ্যে আবুল হাসান রাজু, মোহাম্মদ শরিফ, নাবিল সামাদ, শুভাগত হোমরা সিলেটের অন্যতম ভরসা। সব মিলিয়ে কাগজে-কলমে দুর্বল দলগুলোর একটি হলেও আসরে দুই একটা অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে সিলেট সিক্সার্স।
বিপিএল ২০১৭-এ সিলেট সিক্সার্স স্কোয়াড:
সাব্বির রহমান, বাবর আজম, ক্রিসমার সান্তোকি, ওসমান খান, আন্দ্রে ফ্লেচার, ডেভি জ্যাকবস, লিয়াম প্লাংকেট, রস হোয়াইটলি, চাতুরঙ্গা ডি সিলভা, দসুন শানাকা, নাসির হোসেন, নুরুল হাসান, ওয়েনিদু হাসারঙ্গা, তাইজুল ইসলাম, আবুল হাসান, শুভাগত হোম, কামরুল ইসলাম রব্বি, নাবিল সামাদ, গোলাম মুদাসসার, মোহাম্মদ শরিফ, ইমতিয়াজ হোসেন, শরিফুল্লাহ, উপুল থারাঙ্গা, আন্দ্রে ম্যাকার্থি।
সিলেটের খেলা কবে কখন:
চার ও পাঁচ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বেলা দুইটায় সিলেট সিক্সার্স খেলবে ঢাকা ডায়নামাইটস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে। সিলেট পর্বে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে সাত ও আট নভেম্বর সিক্সার্স খেলবে রাজশাহী কিংস ও খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে, সন্ধ্যা সাতটায়। এরপর একই সময়ে ঢাকায় ১১ নভেম্বর ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে খেলবে তারা। ১৫ ও ১৭ নভেম্বর বেলা দুইটা ও আড়াইটায় তারা খেলবে খুলনা টাইটান্স ও রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে।
২০ তারিখ সন্ধ্যা সাতটায় তাদের প্রতিপক্ষ রংপুর রাইডার্স। ২৪ ও ২৮ তারিখ সন্ধ্যা সোয়া সাতটা ও বেলা দুইটায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে চিটগাং ভাইকিংস ও রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। তিন ও ছয় ডিসেম্বর লিগ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে ঢাকায় বেলা দুইটা ও সন্ধ্যা সাতটায় তারা খেলবে চিটাগং ভাইকিংস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪জুন,শিমুল তরফদার,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা ভীড় করেন সবুজের রাজ্য চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে। ঈদের আগেরদিন থেকে শুরু করে প্রায় সাপ্তাহ খানিক পর্যটকদের ভীড়ে মুখরিত থাকে দর্শনীয় স্থান গুলো। রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল গুলো সারা বছরের এই সময়ে একটু বাড়তি আয়ের আশায় থাকেন।

দর্শনীয় স্থান গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও তখন কাজ করে যান পর্যটকদের জন্য। আর সব চেয়ে বেশি দিন রাত পরিশ্রম করে থাকেন প্রসাশনের কর্মকর্তারা, বিশেষ করে পর্যটন পুলিশ ও শ্রীমঙ্গল থানা। পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমন করতে পারে সেই লক্ষে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করছেন তারা।

কথা হয় ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম মোশারফ হোসেন এর সাথে, তিনি জানান, ঈদে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা চিন্তা করে বিপুল সংখ্যক ট্যুারিষ্ট পুলিশ পর্যটন স্পট গুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও সাদা পোশাকে পর্যটকদের সাথেই মিশে থাকবে পুলিশের বিশেষ দল।

এদিকে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম জানান, পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে সারা বছরই পর্যটকরা আসেন। আসেন ভিআইপি, বিভিআইপিরা। এজন্য সারা বছরই আমাদের পর্যটকদের জন্য একটু বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হয়।

আর এবারের ঈদ-উল-ফিতরের টানা ছুটিতে পর্যটকদের বিশেষ নিরাপত্তা প্রদানের জন্য আমাদের পুলিশের স্পেশাল কয়েকটি টিম বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিবে। পর্যটকরা যাতে ছুটি শেষে একটা আনন্দঘন মুহুর্ত নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে সেই ভাবেই আমরা কাজ করছি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯মার্চ,হৃদয় দাশ শুভ,নিজস্ব প্রতিবেদক,মৌলভীবাজার থেকে: মৌলভীবাজারের নাসিরপুর জঙ্গি আস্তানায় পৌঁছেছে সোয়াট টিম।

বুধবার (২৯ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টায় সোয়াটের চারটি গাড়ি এসে পৌঁছায়। পরে সোয়াটের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের একটি গাড়িও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সেক্টরে সাফল্য, অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে  নড়াইলে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc