Thursday 29th of October 2020 02:06:36 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি:  শ্রীমঙ্গলে দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে এবং শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল বিট পুলিশের এর তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটে পুলিশ জনতা- সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনাসহ বিভিন্ন এলাকায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহর তরপদারের সঞ্চালনায় শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুছ ছালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান আশিক। এ সময়  শ্রীমঙ্গল থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট বিট-১২ নং এলাকাসহ বিভিন্ন বিট এলাকায় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ গণমাধ্যম কর্মীরাও সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ ওই সকল সমাবেশে অংশ নেন।

আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তার বক্তব্যে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান আশিক বলেন,সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ও ঘৃণ্য অপরাধে সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি নিশ্চিতকল্পে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ। তিনি আরও বলেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আদালতের মাধ্যমে এসব ঘৃণ্য অপরাধীর যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য্য, ৩নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল, সাংবাদিক মামুন আহমেদ ও শিক্ষিকা কাজী আসমাসহ প্রমুখ।

“জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার দায়িত্ব আপনার আমার সবার”

নড়াইল প্রতিনিধি: ভিন্নমত ভিন্নপথ,সবাই মিলে একহাত শ্লোগানকে সামনে রেখে রবিবার  বেলা ১১টায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নড়াইল আসনের সাংসদ মাশরাফি বিন মুর্তজা জনতার মুখোমুখি হলেন। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি নিজেই। সমাজ উন্নয়ন থেকে দূর্ণীতি সব ধরণের প্রশ্ন উঠে আসে বিভিন্ন প্রশ্নকর্তার কাছ থেকে। একে একে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। নড়াইল পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, লোহাগড়া পৌর মেয়র আশরাফুল আলম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের বিগত কমিটির বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদ হাফিজ খান মিলন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চল শাহরিয়ার মিম, নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম অনিকসহ অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি এমপির কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং এমপি তাদের কথার উত্তর প্রদান করেন। জেলার ৪০টি শ্রেণিপেশার মানুষ ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রশ্নকর্তা। প্রায় তিন ঘন্টা ধরে চলে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম। অনুষ্ঠানটি সহযোগিতা করে নড়াইল জেলা ছাত্রলীগ।

বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, বেশিরভাগ শিক্ষিত মানুষই দূর্ণীতির সঙ্গে জড়িত। আপনারা যারা সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন দেশ প্রেমিক আপনারাই। আপনাদেরকে স্যালুট জানাই। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার দায়িত্ব আপনার আমার সবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সোনার বাংলায় গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে চলেছেন। আসুন আমরা দুহাত বাড়িয়ে তার উন্নয়নের জোয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই।

নেত্রকোণা জেলায় একটি শিশুর কাটা মাথা ব্যাগে নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় স্থানীয় জনতার পিটুনিতে এক যুবক নিহত হয়েছে।

নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে শহরের নিউটাউন এলাকার অনন্তপুকুর পাড়ে ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ২২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম রবিন। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক। ওই এলাকার একলাস উদ্দিনের ছেলে তিনি।

রবিনের সঙ্গে থাকা ব্যাগে যে শিশুর কাটা মাথা পাওয়া গেছে, সে নেত্রকোণা শহরের কাটলি এলাকায় রইছ উদ্দিনের আট বছরের ছেলে সজীব মিয়া।

ওসি তাজুল আরও বলেন, “নিউটাউন এলাকায় জনতার পিটুনিতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই যুবক। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুটির মাথা ও যুবকের লাশ উদ্ধার করে।

ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, “পদ্মাসেতু তৈরিতে মাথা প্রয়োজন- এমন গুজবের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই। ওই যুবক মাদকাসক্ত ছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। কেন সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম বলেন, “শিশুটির দেহ উদ্ধার করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য যুবকের লাশ নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

এর আগে শিশুর কাটা মাথাসহ অজ্ঞাত ওই যুবক হরিজন পল্লীতে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। বিষয়টি প্রথম হরিজনদের দৃষ্টিগোচর হয়। তাকে ধাওয়া করে নিউটাউন পুকুর পাড়ে ধরা হয়। সেখানেই গণপিটুনিতে নিহত হয় ওই ব্যাক্তি।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম, নাজমুল হাসান (তদন্ত), উপ-পরিদর্শক (এসআই) আওয়াল সরদার, শাখাওয়াত হোসেন, আলমগীর হোসাইনসহ মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫ডিসেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ    শোকার্ত লক্ষাধিক জনতার অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার বা’দ আসর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় বন্দরনগরীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের লক্ষাধিক মানুষ শরিক হয়। জুমার নামাজের পর থেকে লালদীঘি ময়দানমুখী মানুষের ঢল নামে। নানা শ্রেণি পেশা ও বয়সের মানুষ লালদীঘি ময়দানে কফিনের অপেক্ষা করতে থাকেন। জানাজা শুরুর আগে জনসমুদ্র বোস ব্রাদার্স, কোতোয়ালী মোড়, জেল রোড হয়ে আন্দরকিল্লা মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মাওলানা আনিসুজ্জামান। জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ পুত্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি আগত জনতার প্রতি তার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষ তার প্রতি যে অকৃত্রিম ভালবাসা দেখিয়েছে তাতে আমাদের পরিবার এদেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। জানাজায় লাখো মানুষের ভিড় প্রমাণ করে তিনি চট্টগ্রামবাসীর কত আপন ছিলেন। তিনি মহিউদ্দিন চৌধুরীর জীবদ্দশায় যদি কোন ভুল করে থাকেন অথবা কারো মনে যদি কোন কষ্ট দিয়ে থাকেন তার জন্য পিতার পক্ষ থেকে ক্ষমা চান। তিনি সবাইকে তার পিতাকে ক্ষমা করে দেয়ার আহ্বান জানান। শোকাহত নওফেলের এ বক্তব্যের সময় লালদীঘি ময়দান জুড়ে কান্নার রোল উঠে। নামাজে জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আনিসুজ্জামান। নামাজে জানাজায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শরিক হন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কফিনে জাতীয় পতাকা আচ্ছাদিত করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল এ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার প্রদান করেন। জানাজার কার্যক্রম পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। জুমার নামাজের পর চশমা হিলের বাসা থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কফিন নিয়ে যাওয়া হয় তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কার্যালয় নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয় চত্বরে। চশমা হিলের বাসা থেকে দারুল ফজল মার্কেট পর্যন্ত জনতার ভিড় ঠেলে কফিনবাহী গাড়ি পৌঁছতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। সেখান থেকে বিকেল ৪টার আগে কফিন নেয়া হয় লালদীঘি ময়দানে।

সোয়া ৪টায় জানাজা শেষ হলেও লাখো মানুষ তখনও লালদীঘি ময়দানে সমবেত ছিলেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ওবায়দুল কাদের ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ মহিউদ্দিন চৌধুরীর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখান থেকে কফিন মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চশমা হিলের পারিবারিক কবরস্থানে পিতা হোসেন আহমদ চৌধুরীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে চট্টলবীর খ্যাত গণমানুষের নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে। ভোর রাতে নগরীর মেহেদীবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার ইন্তেকালে চট্টগ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২০অক্টোবর,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধিঃ শুক্রবার জুম্মা নামাজের সময় মুসল্লিরা মসজিদের ভিতরে নামাজে থাকা অবস্থায় দুপুর ১.৩০ টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের কহাইগড় জামে মসজিদ হতে ১টি মটর সাইকেল চুরির প্রাক্কালে জনতা হাতে নাতে মটর সাইকেল চোর আটক করে। আটককৃত মটর সাইকেল চোর গোলাপগঞ্জ পৌরসভার ফুলবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল আসাদ জিয়ার ছেলে জয়নুল (৩০)।

পরে স্থানীয় জনতা উত্তমমাধ্যম দিয়ে জৈন্তাপুর থানা পুলিশকে খরব দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে স্থানীয় জনতা চোরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মায়নূল জাকির জানান- খবর পেয়ে অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ জহিদ আনোয়ার এর নেতৃত্বে এস.আই ফজলু মিয়া সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে জনতা মটর সাইকেল চোরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আটক চোর ও উদ্ধারকৃত মটর সাইকেল থানা হেফাজতে রয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৪অক্টোবর,নজরুল ইসলাম তোফাঃ আবহমান বাংলার গ্রামীণ মেহনতি মানুষ ও অবহেলিত জনপথকে হৃদয়ের গভীরে নিয়ে কিছু ব্যতিক্রম চিন্তা ধারার শৈল্পিক গুনি মানুষকে খোঁজে পাওয়া যায়। তাঁরা শুধুই গাঁ গেরামের সরল মানুষের ভালোবাসায় তৃৃপ্ত। ব্যস্ততম শহরের মিডিয়া কর্মের পরিবেশ ছেড়ে গ্রাম বাংলার অতি সাধারণ মানুষকে ভালোবেসে তাঁদের সঙ্গেই হৃদয়ের মনোব্যঞ্জনা আনন্দ দ্যোতনায় সদা সর্বদাই উল্লসিত জীবন যাপনে ব্যস্ত। বলা চলে তাঁর হিয়ায় ভিতর দোলা দিয়ে যায় মধুর অনাবিলতা। আবার কখনো সখনো শত বেদনা-ব্যর্থতার মাঝেও চোখে মুখে স্বস্তির ভাব বিরাজ করে।

কারণ, রাজধানী ঢাকায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এক ঝাঁক মিডিয়া পরিচালক তাতে করে গ্রামীণ সমাজ পরিমণ্ডলে বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের ধারাপ্রবাহকে সচল রাখতেই প্রাম শ্রেয়। তাই প্রতিনিয়ত গ্রামীণ জনজীবনে তাঁর এই প্রচেষ্টা শুধুই সাধারণ মানুষকে চরম বিনোদন দেওয়া। সাধারণ মানুষের ধ্যান-ধারণা, আনন্দ উল্লাসে ভাব বিনিময়ের মাঝে পান মধুরতা, নিষ্কলুষ প্রণোদনার প্রকাশ এবং প্রবহমানতার প্রতিভূই জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে বা কাজ কর্মে। সুতরাং বলা চলে বাঙালির জীবন প্রবাহের বিভিন্ন কর্মের সঞ্চার হয় তাঁরই নির্মিত নানান কাজ কর্মে ও তাতে অধিক মাত্রায় পরিলক্ষিত হয় লোকজ সমাজ জীবন। তাই এমনিই এক সুদক্ষ নাট্যকার ও পরিচালক গ্রামীণ জনপদের সরলমনা মানুষের কাছে প্রিয়ভাজন ও ব্যক্তিত্ত্বের অধিকারী হয়ে উঠেন ‘মিনহাজ মল্লিক’।

গ্রামবাংলার লোকজ সমাজ জীবনে প্রথমত নির্মিত
শিল্পে তাঁকে প্রকটভাবে ধাক্কা সহ্য করতে হয়েছিল। কিন্তু এখন আর তেমন কষ্ট অনুভব হয় না। আর তাঁরই ফলশ্রুতিতে বাংলার লোকজ সমাজ সংস্কৃতি বা শিল্প অবক্ষয়ের দোরগোড়া থেকে সাধারণ জনতার হাতের নাগালে দিতে পারছেন তাঁর নির্মিত শিল্প। তিনি মুলত ভালবাসা বা প্রেমকে সমন্বয় করে জীবন চৈতন্য বোধে পরলৌকিক ও আধ্যাত্বিকতার সন্ধানে গ্রাম বাংলার মানুষের জীবন কাহীনি চিত্রায়নে অনেকাংশে নির্মিত নাটক, ফিল্ম এবং টেলিফিল্ম জনতার মনের দর্পণেই হাজির করেছেন। এমন চিন্তা ধারার ক্রিয়েটিভ সুদক্ষ, গুনি নির্মাতা কর্মমূখর গ্রামীণ তৃণমূল মানুষের জীবনের জন্য বিনোদনের ক্ষুরাক জুগিয়েছেন। বলা চলে গ্রামীণ জনপদে নিত্য দিনের এই মানুষের পদধ্বনি সত্যিই বজরাহার গ্রামবাসীর কাছে বিরল। গুনি ও প্রতিভাবান মিনহাজ মল্লিক ০৩/ ১১/ ১৯৮৫ সালে সিংড়া থানার নাটোর জেলায় অতি সাধারণ কৃষক পরিবারে তফির মল্লিকের ঘরে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর আদরের গৃহিণী মা লুৎফুন নেছার সর্ব কনিষ্ঠ পুত্র সন্তান। আরও যে চার ভাই বোন সবাই স্ব স্ব জায়গায় চাকুরীতে অনেক ব্যস্ত আছেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি কাজের পান্ডুলিপি নিজস্ব হস্তে তৈরি হয়ে থাকেন আবার পরিচালনা কাজেও তিনিই গ্রামীণ অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের অভিনয় করিয়ে থাকেন। ২০০৩ এ গ্রামের মঞ্চে, তাঁর মঞ্চ নাটক ‘স্বপ্নের যৌতুক’ নাটক দিয়ে লেখা ও নির্দেশনার কাজ শুরু হয়। তারপর তিনি ২০০৫ এ ৭ জানুয়ারি মাসে ওস্তাদ বা গুরু চিত্র পরিচালক আলী আজাদ এর হাত ধরে চিত্র জগতে পদার্পন করেন। আর এই চিত্র জগতে গমনের কারণ হলো, তিনি তা আক্ষেপ বা কষ্ট সঙ্গে বলেন, গ্রামের এক উন্মুক্ত মঞ্চে প্রথম সখের বসে নাচতে উঠেছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তাঁকে নাকি নামিয়ে দেয়া হয়েছিলো আর সেই আঘাত বা কষ্ট থেকেই গ্রামীণ পরিবেশে মিডিয়া অঙ্গনের কাজের প্রতি আগ্রহ দেখান আর এ পথেই গুরু হওয়ার স্বপ্নে বিভোর বা অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। তিনি মিডিয়া কাজে শিক্ষা নেওয়ার জন্য খুব অভিমানে গ্রাম থেকে ঢাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন। সেখানে অর্থাৎ বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে অজস্র সংঘাত ও প্রতিকুতায় তিনি হোচট খেয়ে একপর্যায়ে অবশ্য সিদ্ধান্তে আসেন গ্রামীণ বা আঞ্চলিক পর্যায়ে কিছু সংস্কৃতির বিকাশের কাজ করলে হয়তো মন্দ হবে না। গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে এসেই অনেক নাট্য পান্ডুলিপি তৈরী ও নাট্য পরিচালনায় নেমে পড়েন। মঞ্চ নাট্যেও তাঁর অনেক জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। তিনি অতীতের জ্ঞান ও বর্তমানের প্রচুর নির্মিত কাজ কর্মের আলোকে নজরুল ইসলাম তোফাকে বলেন, সারা জীবন গ্রাম বাংলার কথা কাহিনী ও মনোরম প্রকৃতির দৃশ্যাবলী নিয়ে বাঁকি জীবনটাই অতি সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দ উল্লাসে অবিরাম ভাবে বেঁচে থাকতে চাই।

সামনে নতুন এক টেলিফিল্ম ‘প্রেম নগর’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি জীবনের শুরু থেকে আজ অব্ধি মিডিয়া অঙ্গনে অনেক নাটক, টেলিফিল্ম এবং ফিল্মের কাজ করেছেন। তিনি আবারও বলেন, ফ্লিম, টেলিফিল্ম এবং নাটকের সংখ্যা ২৩টি হবে। যেমন: ‘দরদী’, ‘সোনাবন্ধুরে’, ‘মাইকওয়ালা’, ‘গানের গুরু’, ‘ভরা নদীর বাঁকে’, ‘আতা গাছের তোতা পাখি’ এবং ‘মালা কার লাগিয়া গাঁথি’ ইত্যাদি।

মিনহাজ মল্লিক আগে মঞ্চ নাটক পরিচালনা করে সে গুলো নাটকে আবার নিয়ে যান ক্যামেরায়। তাঁর এমন দুঃসাহসিক পরিকল্পিত চিন্তার আলোকে ক্যামেরায় বন্ধি হওয়া টেলিফিল্ম সমুহ ‘আশার মুখে ছাই’, ‘পাগলী মা’, ‘১ ঝাঁড়ের বাঁশ’, এবং ‘স্বপ্নের যৌতুক’ ইত্যাদি। তিনি মঞ্চ নাটকের জন্য স্ক্রিপ্ট না করে সরাসরি যে সমস্ত নাটক বা টেলিফিল্ম শুটিং স্পটে হাজির করেছেন। তা হলো- ‘বিষাক্ত ফুল’, ‘সুঁতো কাটা ঘুড়ি’, ‘প্রানো সই’, ‘মালা কার লাগিয়া গাথী’, ‘দরদী’, ‘আতা গাছের তোতা পাখি’, ‘মাইকওয়ালা’, ‘বনমালী’, ‘হায়রে প্রেম হায়রে ভালবাসা’, ‘ভরা নদীর বাঁকে’, ‘সোনা বন্ধুরে’, ‘গানের গুরু’, ‘শাপলা ফুলের মালা’, ‘মেঘের ভেলা’, ‘পরদেশী মেঘ’ ইত্যাদি।

সিংড়া উপজেলায় রানা প্রকাশনী’র গণগ্রন্থাগারের এক আয়োজনে গত ২৫সেপ্টম্বর-২০১৬ তে ১৭টি নাটকের উপর তাঁকে ১ম সম্মাননা বা এ্যাওয়ার্ড দিয়েছিল। তিনি গুণী ব্যক্তিগনদের হাত থেকে এ্যাওয়ার্ড পেয়ে নিজেকে অত্যন্ত গর্বীত মনে করেন। সুদক্ষ নির্মাতার এমন এই সম্মানের পাশাপাশি সিংড়া প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ ও চলন বিল ফেসবুক সোসাইটি নামক এক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সম্পাদকের পদমর্যাদায় তিনি অবস্হান করছেন। আবারও বললেন, কবিতা দিয়েই লেখালেখি শুরু, মাধ্যমিক স্কুল থেকে বাংলায় অনার্স পর্যন্ত কবিতা গল্পের চর্চা থেকেই আজ চিত্র পরিচালক ওস্তাদ সোহেল খানের নির্দেশনায় অনেক কার্যক্রমে ব্যস্ত রয়েছেন। কবিতা আবৃত্তির এক পরিষদ অনির্বাণ সাহিত্য সংস্কৃতি থেকে সম্মাননাও পেয়েছেন। সিংড়া উপজেলার এই ব্যক্তিকে নাট্য গুরু হিসাবে আক্খায়িত করতে সবাই যেন পছন্দ করে। খুব দুঃক্ষ প্রকাশেই তিনি বলেন, প্রেয়সীর আচলের বিষাক্ত ছোবলে ক্ষত বিক্ষত দেহ নিয়ে সৰ্ব্বত্যাগী জ্ঞান তাপস উদাসীনতায় বৈরাগী জীবন বেশে রয়েছেন। অর্থাৎ বিয়ের পিড়িতে বসা যে তাঁর হলো না। তবে কচি কাঁচাদের সঙ্গেই বেশ আনন্দ, উল্লাসে নিত্য দিন অবসরে পার করছেন।

তিনি নজরুল ইসলাম তোফাকে বলেন, সম্প্রতি ভয়াবহ বণ্যাকে কেন্দ্রবিন্দুতে এনে তাঁর নিজস্ব পরিকল্পনায় নির্মিত ‘বেঁদনার ঢেউ সিংড়া’ একটি প্রামান্যচিত্র করেন। যা নাটোর জেলা সহ বিশ্বের দরবারে খুব আলোচিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি ‘ভোর হোল দোর খোল’ নাট্য সংঘের প্রতিষ্ঠিত সভাপতি। মিডিয়াতে আসার ভবিষ্যত উদ্দ্যেশ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুপ্তপ্রতিভায় অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তাকে অবশ্যই মিডিয়াতে প্রকাশ করা এবং তা সমাজ, দেশ ও জাতির জন্য যেন কল্যান হয় সেটিই মুল উদ্যেশ্য। লাক্ষো কোটি ভক্তগনের মাঝে তাঁরই সুশীল নির্মাণ শৈলী, অভিনয়, ফ্যাশন, স্ট্যাইল, রুচিবোঁধ আর জ্ঞানে পরিধি নিকাশের জায়গা যেন সমাজে হয়। নতুন নতুন কাজের পরিবেশ প্রতিনিয়ত যেন আসে সে আশাই শুধু করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৪জুলাই,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ  সিলেটের জৈন্তাপুরে ফের ধর্ষণ করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হলেন ধর্ষক। থানায় মামলা দায়ের, ভিকটিমকে সার্পোট সেন্টারে প্রেরণ।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়- ২৩ জুলাই রবিবার দিবাগত রাত ২টায় জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষীপ্রসাদ গ্রামের মোঃ আবুল হাসিম এর বসত ঘরে ঢুকে রফিকুন নেছা (৩৮) নামের গৃহ বধুকে ধর্ষন করে একই গ্রামের মোঃ বশির উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়া উরফে টলি বাবুল (৩২)। তারা জানান বাবুল দীর্ঘ দিন হতে রফিকুন নেছাকে উত্যাক্ত করে আসছে। এ নিয়ে ইতিপূর্বে কয়েকবার শালিষ বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তার পরও বিকৃত মনের বাবুল তার পিছু ছাড়ছে না। সে সুকৌশল অবলম্বন করে চাচির ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষন করে। এক পর্যায় চাচি চিৎকার শুরু করলে বসত ঘরের লোকজন থাকে আটক করেন। বিষয়টি তাৎক্ষনীক ভাবে এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ধর্ষক বাবুল মিয়া উরফে টলি বাবুল গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে গ্রামবাসী বিষয়টি জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের সেকেন্ড ইন কমান্ড এস.আই ইন্দ্রনীল সঙ্গীয় ফৌর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পূর্ব লক্ষীপ্রসাদ পৌছালে এলাকাবাসী ধর্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এ ঘটনায় ভিকটিম রফিকুন নেছা বাদী হয়ে বাবুল এর অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার সত্যতা পেয়ে বাদীর লিখিত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়। যাহার নং-১০, তারিখঃ ২৪-০৭-২০১৭।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান- এলাকাবাসী ধর্ষক বাবুল মিয়া উরফে টলি বাবুলকে আটক করে থানায় খবর দিলে আমরা ধর্ষকে ঘটনাস্থল হতে নিয়ে আসি। বাদী লিখিত অভিযোগ করেলে অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়। ধর্ষককে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, ভিকটিমকে ওসিসিতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাধবপুরে উত্যক্তে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-১৫

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,০৪মে,এম এ কাদেরঃ মাধবপুরে স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্তে বাধা দেয়া নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক জন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত হলো উপজেলার আলাকপুর গ্রামের মাঞ্জু মিয়া (৩৬)। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে লাশ দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলাকপুর গ্রামের বেনু মিয়ার ছেলে সাব্বির মিয়া একই গ্রামের শামছু মিয়ার কন্যা সাথী আক্তারকে উত্যক্ত করে। পরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন উত্তেজতি হয়ে পড়ে। এ নিয়ে বেনু মিয়ার লোকজন ও শামছু মিয়ার লোকজনের মধ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে মাঞ্জু মিয়াসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মঞ্জু মিয়াকে ব্রাহ্মনবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃতু হয়।
খবর পেয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে মাধবপুর থানার এসআই আশিষ কুমার মৈত্র লাশ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অন্যান্য আহতরা হলো মোছেনা খাতুন (৭০) মোস্তকিমা খাতুন (৩৫) জোরেনা খাতুন (২০) জমিলা খাতুন (৩০) আশরাফুল আলম (২০), সরলা খাতুন (৭০) রাকিবা খাতুন (৩০) গুলবাহার (৭০) হাবিবা খাতুন (১১) ছানু বেগম (৩৮) রানু বেগম (২২) আনুফা বেগম (৬০) রোকেয়া খাতুন (৩০)।
এদিকে নিহত মাঞ্জু মিয়ার খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে তার স্বজন ও গ্রামবাসীরা।

হাসপাতাল চত্ত্বর থেকে বের হওয়া মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করেন। এ দিকে মাঞ্জু মিয়ার লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করেছে থানা পুলিশ। বিকালে তার জানাযার নামায শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
থানার ওসি তদন্ত মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান-নিহতের আত্মীয়-স্বজন এখনও লিখিত এজাহার দেয়নি। আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

“ভাল মানুষ কে দেখতে কার না ভাল লাগে।তার পরও তিনি আমাদের এলাকায় এসে আমাদের জন্য স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছেন।সব কিছুর পরেও তিনি রাষ্ট্রপতি তাও আবার আমাদের দুঃখের দিনে দুঃখের অংশিদার হতে আমাদের পাশে দাড়িয়েছেন”

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৯এপ্রিল,জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে মাহামান্য রাষ্ট্রপতির আগমনের পুরো শহরে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনিতে ঘিরে রাখে আইনশৃংখলা বাহির্নীর সকল স্তরের সদস্যরা। শহরের প্রতিটি পয়েন্টে মোতায়েন করা হয় র‌্যাব,পুলিশ,ডিবি সহ সকল স্তরের সদস্যদের। জেলার ওয়েজখালি থেকে ট্রাফিক পয়েন্ট,জাদুঘর ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি পর্যন্ত নিরাপাত্তার স্বার্থে বেলা বাড়ার সাথে সাথেই বাড়তে থাকে বিভিন্ন সড়কে কঠোর নজর দারী। সব ধরনের দোকাপাট ও যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীর ডগর্কোয়াড়ের দল রাষ্ট্রপতির আগমনে জেলার ওয়েজখালি থেকে ট্রাফিক পয়েন্ট,জাদুঘর ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি পর্যন্ত হাপল নিরাপাত্তার স্বার্থে চেক করেন।

বেলা বাড়ার সাথে সাথেই বাড়তে থাকে বিভিন্ন সড়কে কঠোর নজর দারী। রাষ্ট্রপতির আগমনের খবর শুনেই জেলা বিভিন্ন উপজেলার হাওর পাড়ে হাজার হাজার জনতার ঢল নামতে শুরু করে সুনামগঞ্জ শহরে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধা,বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংঘটনের নেতাকর্মী  সহ সাধরন জনসাধারনের ঢল। আর জনতার ঢল সামাল দিতে হিমসিম কায় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে পাস র্কাড ছাড়া কাউকেই নির্ধারীত সীমানার ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় নি। তার পরেও পচন্ড রৌদ উপেক্ষা করে ঘন্টার পর ঘন্টা সীমানর বাহিরে দাড়িয়ে অপেক্ষা করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল হামিদ কে এক নজর দেখার জন্য সর্বস্থারের জনসাধারন। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষার পর দুপুরের পরে হেলিকাপ্টারে চরে সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইনে আসেন রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল হামিদ। এসময় পুলিশ লাইনের চার পাশে ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী সহ নিরাপ্তায় নিয়োজিতরা।

পুলিশ লাইন থেকে সরাসরি চলে যান সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে। যাবার সময় রাস্তার দু-পাশে দাড়িয়ে থেকে শুভেচ্ছা জানান হাজার হাজার জনতা। রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল হামিদ কে দেখতে আসা লোকজন জানান,রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল হামিদ হাওর পাড়ের সন্তান। তিনি কৃষকের সন্তান আমাদের দুঃখের সময় আমাদের কাছে এসেছেন আমরা সকল দুঃখ ভুলে গেছি। তিনি আমাদের দেখতে যখন এসেছেন আমা্দের জন্য অব্যশই কিছু করবেন আমরা আশা করি। তাই তাকে দেখার জন্যই সকাল থেকে দাড়িয়ে আছি।

ভাল মানুষ কে দেখতে কার না ভাল লাগে। তার পরও তিনি আমাদের এলাকায় এসে আমাদের জন্য স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সব কিছুর পরেও তিনি রাষ্ট্রপতি তাও আবার আমাদের দুঃখের দিনে দুঃখের অংশিদার হতে আমাদের পাশে দাড়িয়েছেন।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc