Tuesday 20th of October 2020 06:14:44 AM

নূরুজ্জামান ফারুকী: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাজির মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে নাজির মিয়াকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে রাত ৯টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাজির মিয়াকে আটক করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আটক নাজির মিয়া সদর উপজেলার রিচি গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। তিনি লেপতোষকের ব্যবসা করতেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের মেয়েকে ডেকে দোকানে নিয়ে সে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার শিশুকে (১০) অসুস্থ অবস্থায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী। তিনি জানান- ধর্ষণের শিকার শিশুর পরিবারের লোজন দাবি করছেন গত মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার রিচি মধ্যপাড়া গ্রামের একটি দোকানে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশি নজির মিয়া।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজন বিষয়টি সদর থানাকে অবগত করে। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পাশাপাশি পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নজির মিয়াকে আটক করে।

নূরুজ্জামান ফারুকীঃ কুমিল্লায় চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পড়ে সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রী সম্ভ্রম রক্ষা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পদুয়া খামাচাড়া এলাকায় রবিবার দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন (৩৫) নামে এক সিএনজি চালককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে বিকালে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেন ব্রা‏হ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বাড়ানী গ্রামের মুকবল হোসেন মোহন মিয়ার ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন সিএনজি চালিত একটি অটোরিকশার মালিক ও চালক। রবিবার অটোরিকশাটি অন্যচালকের কাছে ভাড়া দিয়ে নিজে যাত্রীর আসনে বসে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদর থেকে থেকে চান্দলা গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উপজেলার ছোটধুশিয়া এলাকা থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে মাদরাসায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য ওই সিএনজিতে উঠে পেছনের খালি সিটে বসে। পাশের সিটে বসা ছিল বিল্লাল হোসেন। পথিমধ্যে পদুয়া খামাচাড়া এলাকায় পৌঁছলে একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন মাদরাসা ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করলে সে সম্ভ্রম রক্ষা করতে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দিয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

এ সময় স্থানীয় লোকজন সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ বিল্লাল হোসেনকে আটক করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি ব্রা‏হ্মণপাড়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, যাত্রীবেশে চালক বিল্লাল হোসেন সিএনজিতে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানী করার কথা ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে স্বীকার করেছে। তাই তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ব্রা‏হ্মণপাড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ: হবিগঞ্জের মাধবপুরে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় জেসমিন আক্তার (১৪) নামে এক মহিলা কওমি মাদ্রাসা ছাত্রী নিহত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার মনতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত উপজেলার মনতলা (মেলাসানি) গ্রামের মৃত নুর হোসেনের মেয়ে ও মনতলা মহিলা কওমি মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে জেসমিন তার আরেক সহপাঠীকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে মনতলা থেকে মাধবপুর দ্রুতগতিসম্পন্ন একটি সিএনজি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ জেসমিনের নিথর দেহ সুরতাহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠান।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক মিঠুন রায়।

পিন্টু অধিকারি মাধবপুর  (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের মাধবপুরে নাদিয়াতুল জান্নাত নামে ৬ষ্ট শ্রেণীর এক ছাত্রীর  ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। ১১ জুলাই শনিবার বিকালে মাধবপুর উপজেলা উত্তর শাহপুর নতুন বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্বার করা হয়। সে ডাঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্র।
নাসিরনগর উপজেলার গুকর্ন  গ্রামের  হাসানুজ্জামানের মেয়ে। হাসানুজ্জামানও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার  মাধবপুর উপজেলার শাহপুর নতুন বাজার এলাকায় একটি কোম্পানীতে  কাজ করেন। এ সুবাদে  স্থানীয় সিরাজ মিয়ার বাড়িতে প্রায় দু বছর যাবত ভাড়া থাকেন।  শনিবার সকালে  মা ও বাবা কর্মস্থলে  চলে যান।  বিকালে এসে দেখে ঘরের ভিতর থেকে বন্ধ। সারা শব্দ না পেয়ে  ঘরের পাক দিয়ে  দেখতে পান  মেয়ে  জান্নাতের ঝুলন্ত লাশ।
খবর পেয়ে মাধবপুর থানার উপ পরির্দশক ইসমাইল  হোসেন ভুইয়া  তার লাশ উদ্ধার করে  ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। মেয়ের মা পুলিশ কে জানান তার মেয়ের কিছুটা মানুষিক সমস্যা ছিল।  তবে এ মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন দেখা দিয়েছে। মাধবপুর থানার ওসি তদন্ত  গোলাম দস্তগীর আহমেদ  জানান বিষয় টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ময়না তদন্ত রিপোর্ট  আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এম ওসমান, বেনাপোল প্রতিনিধি:  যশোরের শার্শায় বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষাপেল স্কুল ছাত্রী ঐশী আক্তার (১৪)। বৃহষ্পতিবার বিকালে শার্শা উপজেলার সদর ইউনিয়নের গাতীপাড়া গ্রামে বিবাহ বাড়ীতে হঠাৎ নির্বাহী ম্য্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী উপস্থিত হয়ে এই বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন।
জানা যায়, শার্শার সদর ইউনিয়নের গাতীপাড়া গ্রামের মোঃ শাহিন মোড়ল’র স্কুল পড়–য়া মেয়ে (কনে) মোছাঃ ঐশি আক্তার (১৪) সাথে পাশের বাড়ির মোঃ নুর ইসলাম’র ছেলে (বর) মোঃ সুজন হোসেন (২৫), এর বিবাহ সম্পাদনের উদ্দেশ্য খাওয়া-দাওয়া ও বিবাহ সংক্রান্ত আয়োজন চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিবাহ বাড়ীতে হঠাৎ নির্বাহী ম্য্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী উপস্থিত হয়ে এই বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন। এসময় ২০১৭ অনুযায়ী কন্যার বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় সে একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক। উপর্যুক্ত অপরাধের কারণে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী বাল্যবিবাহকারী বর সুজন হোসেনকে ১১হাজার এবং পিতা কনের পিতা শাহিন মোড়লকে ১০হাজার টাকা অর্থদ প্রদান করা হয়।
সহকারী সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্য্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে আমি কন্যা ও বরের বাবাকে বাল্যবিবাহ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন কোর্ট থেকে এভিডেভিডের মাধ্যমে ছেলে-মেয়ের বিবাহ সম্পন্ন করেছেন কিন্তু তারা জানেননা যে, এভিডেভিড কোন বিয়ে নয়, শুধু হলফনা এবং কেউ যদি এভিডেভিডকে বিয়ে মনে করে এক সঙ্গে বসবাস করে তা হবে ব্যভিচার। আমি মেয়ের জন্ম সনদ এবং স্কুল সার্টিফিকেট যাচাই করে দেখতে পাই যে কনে মোছাঃ ঐশি আক্তার ১৪ বছর। যে কারণে বর ও কনের বাবাকে অর্থদন্ড করা হয়েছে। এবং কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে দিতে কনের বাবাকে নিষেধ করা হয় এবং সবাই একমত পোষণ করেন। তিনি আরো বলেন, বাল্যবিবাহ নিরোধ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সবসময় জিরো টলারেন্স।

উদঘাটন হয়নি।কিশোরী ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা শেষে প্রধান শিক্ষক (মোহতামিম) মাওলানা মোস্তফা লাশ মাদ্রাসার চিলেকোঠায় ঝুলিয়ে রাখেন -এমন অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ মোস্তফাসহ চার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেও ঘটনার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেনি তাদের কেহ।

বি বাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ কওমি পন্থি মাদ্রাসা “জান্নাতুল ফেরদাউস মহিলা মাদ্রাসা”র শিক্ষার্থী আমেনা খাতুন হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। কিশোরী ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যাশেষে প্রধান শিক্ষক (মোহতামিম) মাওলানা মোস্তফা লাশ মাদ্রাসার চিলেকোঠায় ঝুলিয়ে রাখেন -এমন অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ মোস্তফাসহ চার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেও ঘটনার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেনি তাদের কেহ।

এদিকে মাদ্রাসা হোষ্টেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সলিমগঞ্জ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসি  মানববন্ধন  ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বুধবার বিকেলে ছয়ফুল্লাকান্দিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন  ও মিছিলে অংশ নেন বিপুল সংখ্যাক মানুষ।

নবীনগরের সাংসদ মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল বলেন, ‘বিশ্বাসই করতে পারছি না আমার এলাকায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে। ইতিমধ্যে পুলিশকে ঘটনার রহস্য বের করাসহ সকল অপরাধীকে ধরতে নির্দেশ দিয়েছি। আর অনুমতিবিহীন এ ধরণের সব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

এদিকে ঘটনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরী হয়েছে। মাদ্রাসার সকল আবাসিক ছাত্রীকে তাদের অভিভাবকরা বাড়ি নিয়ে গেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাদ্রাসাটি তালাবন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

তিনতলা বিশিষ্ট মোস্তফা মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় মাদ্রাসাটি অবস্থিত। স্থানীয় মাওলানা আবদুল মান্নান কয়েকজন সহযোগি নিয়ে পাঁচ বছর ধরে পরিচালনা করে আসছেন মাদ্রাসাটি। এটির দ্বিতীয় তলায় অনেকটা অন্ধকার ঘরে আবাসিক ছাত্রীদের হোষ্টেলে ৫২ জনের বসবাস। তৃতীয় তলায় যেখানে প্রায় ২০০ ছাত্রীর ক্লাশ নেয়া হয় সেখানকার পরিবেশ বেশ নোংরা। এখানে পরিবেশসহ নানা ঘটনা বাইরে থেকে কারো দেখা সম্ভব ছিল না। ১৪ জন শিক্ষক ছাড়া মাদ্রাসায় প্রবেশের অনুমতি ছিল না কারো। মাদ্রাসাটির প্রধান শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে বাজারের মসজিদে ইমামতি করছেন। তার মাধ্যমে ছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা মানতে কষ্ট হচ্ছে স্থানিয়দের।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম এলাহী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ছাত্রী নিবাস বানিয়ে কিভাবে মাদ্রাসা চলছিল তা বিশ্বাস করা কঠিন। যে ঘটনা ঘটেছে তাতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির চরম গাফিলতি রয়েছে। বৈধ অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের মাদ্রাসা পরিচালনা বন্ধের পাশপাশি কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

মাদ্রাসার পাশেই রয়েছে একটি বিউটি পার্লার। সেখানকার এক নারী কর্মীর দাবি, ঘটনার পরপরই দুইজন বোরখা পরিহিত নারী মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন। সন্দেহ হলে তাদের চেষ্টা করেও আটকানো যায়নি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাইনুদ্দিন আহমেদ বলেন,‘এটি যে হত্যাকান্ড তাতে সন্দেহ নেই। তবে এর সঙ্গে মাদ্রাসার প্রধানসহ কয়েকজন হুজুর জড়িত, তা বিশ্বাস করতে পারছিনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’

ছাত্রীর বাড়ি কাঞ্চনপুর গ্রামে শোকের মাতম চলছে। ছাত্রীর মা সেলিনা খাতুন সমকাল কে বলেন, ‘মাত্র ২৫দিন আগে আমেনার বাবা সৌদী প্রবাসী মমিনুল হক একমাত্র মেয়েকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দেন। মেয়ের এমন নির্মম মৃত্যুর খবর বাবাকে জানানো হয়নি।’
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদি সেলিনা খাতুন বলেন, ‘আমি শতভাগ নিশ্চিত আমার মেয়েকে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ধর্ষণ শেষে গলা টিপে হত্যা করেছে। পরে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে ওরা নাটক সাজিয়েছে। আমি এদের সকলের ফাঁসি চাই।’

নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় বলেন,‘এটি ধর্ষণ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই বলা যাবে। মামলাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সকলকেই আইনের আওতায় আনা হবে।’

সোমবার রাতে মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী আমেনার ঝুলন্ত লাশ চতুর্থ তলার চিলেকোঠা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মাদ্রাসার প্রধানসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

চুনারুঘাটের মাদ্রাসা ছাত্রীকে মৌলভীবাজার থেকে উদ্ধার 

এস এম সুলতান খান চুনারুঘাটঃ  চুনারুঘাটের এক মাদ্রাসা অপহরন। ২ মাসপর অপহৃতা মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪)কে মৌলভীবাজার থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। এসময় অপহরনকারী অপু পাল (২৫) কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে চুনারুঘাট অপহরন থানায়। এ ব্যাপারে অপু পাল ও নাজমা আক্তারকে আসামী করে অপহৃতার মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরনে জানা যায়,গত ১২ ডিসেম্বর ১৯ ইং তারিখে সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার উবাহাটা গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে মাদ্রাসা ছাত্রী তার বান্দবী নাজমা আক্তার এর বাসায় যায়। ওই বাসা থেকে নাজমার সহযো তায় ছাত্রীকে মৌলভীবাজারের হিন্দু ছেলে অপু পালের হাতে তুলে দেয়।
পরে অপহৃতার মা বাদী হয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে মামলা করলে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চুনারুঘাট থানার এস আই মলাই মিয়ার নেতৃত্বে এক দল পুলিশ মৌলভীবাজার শহরে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের দোকান থেকে অপহরন কারী অপু পালকে গ্রেফতার করেন।
তার তথ্য মতে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। গ্রেফতারকৃত অপু পাল মৌলভীবাজার  জেলার পৌর শহরের মাইজপাড়া মহল্লার বনমালী পালের ছেলে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাট আইডিয়াল কিন্টার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক কর্তৃক নবম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীকে অপহরন করার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকের নাম নজরুল ইসলাম (২৫)। তিনি উত্তর বড়দল ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে ও একই স্কুলের পরিচালক কামরুল ইসলামের চাচাত ভাই। এই বিষয়ে ঐ ছাত্রীর বাবা তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঐ স্কুলটি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্ধ গ্রামে অবস্থিত।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়,তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাট আইডিয়াল কিন্টার গার্ডেন স্কুলের নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া ঐ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে নজরুল ইসলাম কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্থাবে রাজি না হওয়ায় নিজ বাড়িতে রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা নজরুল ইসলাম তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। ঐ ছাত্রী ফিরে আসতে দেরী হলে পরিবারের লোকজন বাড়ির আশপাশে খোজাঁ খোজির পর বিভিন্ন স্থানে থাকা আতœীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজা খোজিঁ করে, না পেয়ে জানতে পারেন নজরুল ইসলাম ঐ ছাত্রীকে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। যার জন্য এখন পর্যন্ত তার কোন খোঁজ পাওয়ায় যাচ্ছে না।

ঐ শিক্ষকের আপন ভাই নুর আলম একই স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় তার এক সহকর্মী শিক্ষিকাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ রয়েছে।

ছাত্রীর বাবা জানান,আমার অল্প বয়সী মেয়েকে আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক নজরুল ইসলামকে অপহরন করেছে। আমি আমার মেয়েকে পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
তাহিরপুর থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান,এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  চুনারুঘাটে দশম শ্রেনীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরন ১১দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে স্কজনরা দুর্রচিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।  এ ব্যাপারে  চুনারুঘাট থানায় ছাত্রীর পিতা সফিক মিয়া বাদী হয়ে অপহরনকারী সুমনসহ ৪ জনের বিরুদ্বে মামলা দায়ের করলেও, থানায় এখন পর্যন্ত রেকড করেনি । এ নিয়ে জন মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে অপরিতা ছাত্রীর পিতা সফিক জানান তিনি তার মেয়ে অপহরনের বিষয়ে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লা মোহোদয়কে অবহিত করেছেন। তার পরও তার মেয়ে উদ্ধার হয়নি।
অভিযোগে জানা যায় চুনারুঘাট উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের দৌলত খা আবাদ গ্রামের মোঃ সফিক মিয়ার মেয়ে ও পাইকপাড়া আজগর আহমদ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪) কে গত ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় মাদ্রাসার পুর্বের রাস্তা হইতে নয়ানী গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে মোঃ সুমন মিয়া (৩৫)সহ তার লোকজন ওই ছাত্রীকে অপহরন করে নিয়ে যায়।
অনেক খোজাখুজির পর, ৭ সেপ্টেম্বর অপহৃতা  ছাত্রীর পিতা সফিক মিয়া বাদী হয়ে সুমন, তৈয়ব আলী,ফুল মিয়া ও হুছন আলী সহ ৪ জনের  বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি থানার এস আই হাবিবুর রহমান তদন্তের নামে কালক্ষেপন করছেন। আজ ১১ দিন অতিবাহীত হলেও অপহৃতা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
তবে স্থানীয় থানার ওসি শেখ নাজমুল হক বলেন ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাটে দশম শ্রেনীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরন করেছে বলে চুনারুঘাট থানায় ছাত্রীর পিতা সফিক মিয়া অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের দৌলত খা আবাদ গ্রামের মোঃ সফিক মিয়ার মেয়ে ও পাইকপাড়া আজগর আহমদ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪) কে গত ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় মাদ্রাসার পুর্বের রাস্তা হইতে নয়ানী গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে মোঃ সুমন মিয়া (৩৫)সহ তার লোকজন  ছাত্রীকে অপহরন করে নিয়ে যায়।
অনেক খোজাখুজির পর, শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর অপহৃতা  ছাত্রীর পিতা সফিক মিয়া বাদী হয়ে সুমনসহ ৪ জনের  বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি থানার এস আই হাবিবুর রহমান এর কাছে রয়েছে। থানার ওসি শেখ নাজমুল হক  বলেন ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাটে স্কুল ছাত্রী অপহরণ মামলার পলাতক আসামী সোহাগ মিয়া (১৭) কে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরের দিকে চুনারুঘাট থানার এস.আই আল-আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ নামক এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপহরণ মামলার প্রধান আসামী সোহাগ মিয়াকে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। আটককৃত আসামী সোহাগ মিয়া উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের ইনাতাবাদ গ্রামের কামাল মিয়ার পুত্র। পরে দুপুরের দিকে সোহাগ মিয়াকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য যে, উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কালিশিরী গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার কন্যা অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১৩) কে গত ২৯ মে রাত সাড়ে ৮টায় তার নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সোহাগ মিয়া। অপহরণের পর অপহৃতার পিতা ইয়াছিন মিয়া বাদী হয়ে গত ২৬ জুন একই উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের ইনাতাবাদ গ্রামের সোহাগ মিয়া ও তার বাবা কামাল মিয়ার বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।

এ মামলার প্রেক্ষিতে থানার এস.আই আল-আামিন অভিযান চালিয়ে গত ২৯ জুন দুপুরে অপহরণকারীর বাড়ি থেকে অপহৃতা স্কুল ছাত্রী সুমি আক্তারকে উদ্ধার করে তার পিতার জিম্মায় দেন। ভিকটিম উদ্ধারের ১২ দিন পর অপহরণকারী সোহাগকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।

মৌলভীবাজারে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রধান আসামী রাব্বী মিয়া (২৮) কে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল।
আটককৃত রাব্বী মিয়া মৌলভীবাজার জেলার,সদর উপজেলার কাগাবলা গ্রামের মৃত রব্বান মিয়ার পুত্র।
গতকাল ১ জুলাই সোমবার র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ (মিডিয়া) মো:মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র‌্যাব এর সূত্র জানায়,৩০ জুন র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামী রাব্বীকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ এলাকা থেকে আটক করে।
উল্লেখ্য রাব্বী মিয়া গত ১৬ জুন মৌলভীবাজার মডেল থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী।
মনিরুজ্জামান জানান,আটকের পর রাব্বীকে মৌলভীবাজার মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই এমরান হোসেন জানান,আসামী রাব্বী মিয়া পুলিশী হেফাজতে আছে।সে এজহারভুক্ত ধর্ষণ মামলার আসামী।আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি তাকে। তাকে আদালতে সোপর্দ করবো বলে সংবাদ লিখা পর্যন্ত জানা যায়।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হাজেরা বেগম (১৫) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে রুহুল আমিন (১৫) নামের এক বকাটে যুবক।৩০ জুন ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় আহতের বাবা সাইদুর রহমান বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে,ইতোমধ্যেই ঘটনার পরের দিন ১ জুলাই ঘটনার প্রধান আসামী রুহুল আমিনকে আটক করে মৌলভীবাজার চীফ জুডিশিয়াল আদালতে প্রেরণ করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ।
এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায়,মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে রুহুল আমিন মেয়েটিকে রাস্তায় আটকিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সেখান থেকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে এবং পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, হাজেরা বেগম উপজেলার টিঁলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে।সে চাউরউলি মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর  এই সালে জেএসসি পরীক্ষার্থী।আসামী রুহুল আমিনও একই গ্রামের এবং আব্দুল মন্নাফের পুত্র।
ঘটনার ব্যাপারে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইয়ারদৌস হাসান জানান,এই ঘটনায় হাজেরার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।রুহুল আমিন আমাদের  কাছে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দেয়ায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বিচারহীনতার অপসংস্কৃতির কারণে নারী নিপীড়নের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বক্তাদের অভিযোগ 

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সহ সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুন নবী আলকাদেরী বলেন, মাদ্রাসা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আলাদা আবেগ অনুভূতি আছে। মানুষ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অধিকতর নিরাপদ মনে করেই মাদরাসায় সন্তানদের পাঠায়। কিন্তু মাদরাসায় অধ্যক্ষ কর্তৃক কোন শিক্ষার্থী শ্লীলতাহানির শিকার হয়ে প্রতিকার চাইতে গিয়ে পুড়িয়ে হত্যার শিকার হওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়।

এমন বর্বর ও জাহেলীয় ধাঁচের কর্মকান্ডের নিন্দা জানানোরও কোন ভাষা নেই। তিনি সরকারের কাছে রাফি হত্যাচেষ্ঠাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। আজ ১০ এপ্রিল বুধবার সকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের উদ্যোগে ফেনীর সোনাগাজী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্ঠাকারী অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সহ সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ আবদুন নবী আলকাদেরী। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশীদ কাদেরী। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। ছাত্রনেতা মুহাম্মদ এরশাদুল করিমের স ালনায় মানববন্ধনে আরো

বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ছাত্রনেতা এইচ এম এনামুল হক, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, আদনান তাহসীন আলমদার, কাজী মুহাম্মদ আরাফাত, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, মুহাম্মদ নাঈম, মুহাম্মদ ইফতেখারুল আলম, মুহাম্মদ আব্দুল কাদের, মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, মুহাম্মদ আতিকুল্লাহ, মুহাম্মদ ওসমান গণি, মুহাম্মদ মহসিন, মুহাম্মদ তাহারিফ হোসাইন, মুহাম্মদ আর

মেয়েটি এখন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ! তার বাবা বলেন ‘আমি গরীব মানুষ আমার মেয়েকে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করেছে মাদ্রাসার হুজুর। আমি কার কাছে বিচার দিমু। আমার বিচার কেড়া করবো।’?

অপরাধ ডেস্কঃ কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে।যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি হলেন,বাইটকামারী কওমি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কথিত মৌ-লোভী আব্দুল বাছেদ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে থেকে রংপুর টুয়েন্টি ফোর ডটকমের সুত্র থেকে জানা যায়,এলাকাবাসী জানান, ওই স্কুলছাত্রী চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা নেয়ার জন্য সাড়ে ৫ মাস আগে বাইটকামারী কওমি মাদ্রাসায় যায় সে। এ সুযোগে আব্দুল বাছেদ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। ছাত্রীটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের লোকজন ২৯ আগস্ট রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান সে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
মেয়েটির বাবা বলেন, ‘আমি গরীব মানুষ আমার মেয়েকে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করেছে মাদ্রাসার হুজুর। আমি কার কাছে বিচার দিমু। আমার বিচার কেড়া করবো।’
এ বিষয়ে আব্দুল বাছেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তার বাড়িতে গিয়েও পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কাবেল উদ্দিন জানান, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। এলাকাবাসী বসে আপোষ মীমাংসা করার কথা শুনছি। এ বিষয়ে আমার কাছে কোন পক্ষ আসে নাই।
মাদ্রাসার সভাপতি মো. আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমি কুড়িগ্রাম ছিলাম, ঘটনা জানার পর বাড়ি আসছি। মেয়ের বাবা এখন পর্যন্ত আমার কাছে আসে নাই। মাওলানা সাব আজ মাদ্রাসায় উপস্থিত হন নাই। বাড়িতেও নাই।’
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc