Thursday 29th of October 2020 11:52:04 AM

নুরুজ্জামান ফারুকীঃ  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী ইয়াসমিনের হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। অপহরণকারীর হাত থেকে বাঁচতে ৩ অক্টোবর চলন্ত সিএনজি অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে রাস্তায় পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ইব্রাহিম মিয়া নামে একজনকে গ্রেফতার করার পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যুর রহস্যের জট খুলেছে।

উপজেলার রাজনগর গ্রামের মালু মিয়া ছেলে ইব্রাহিমকে (১৪) মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে রোববার রাতে মনতলা থেকে গ্রেফতার করে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক গোলাম দস্তগীর আহমেদ।

সোমবার বিকালে ইব্রাহিমকে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সেখানে ইব্রাহিম ১৬৪ ধারায় ইয়াসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় তার জড়িত থাকার বিষয়ে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে ইব্রাহিম জানান, রাজনগর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মোবারকের (২৫) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মেরাশানী গ্রামের ইয়াসমিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মোবারক  সম্পর্কে ইব্রাহিমের মামা হয়। পেশায় সিএনজি চালক। ঘটনার দিন ৩ অক্টোবর সকালে মোবারক ইব্রাহিমকে ডেকে নিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় করে মনতলা রেললাইন এলাকায় যান। এর কিছুক্ষণ পর অটোরিকশায় এসে উঠে ইয়াসমিন।

গাড়িতে ওঠার পরই অটোরিকশাচালক মোবারক ইয়াসমিনকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ইয়াসমিন ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাকে নামিয়ে দিতে বলে।

এ সময় সে বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশা চালাতে থাকে। এ সময় আতঙ্কে ইয়াসমিনের চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় ঝাঁপ দেয় ইয়াসমিন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় মোবারক গাড়ি নিয়ে মাধবপুর হয়ে আদাঐর চলে আসে।

এলাকাবাসী ইয়াসমিনকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইয়াসমিনকে বহনকারী সিএনজি অটোরিকশা রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আটক করেছেন। এ ঘটনায় ইয়াসমিনের মা আয়েশা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালতের নির্দেশে মাধবপুর থানায় ১৫ অক্টোবর মামলাটির এফআইআর হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় থানার পরিদর্শক তদন্ত গোলাম দস্তগীর আহমেদকে।

এর পরই তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবারকের সহযোগী  ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে। মাধবপুর থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মাদ্রাসাছাত্রী ইয়াসমিনের মৃত্যুর রহস্যের জট খুলেছে। গ্রেফতারকৃত একজন আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনার মূল হোতা মোবারককে শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জঃ  নবীগঞ্জে এক বখাটের উৎপাতে জনৈকা কলেজ ছাত্রী ও তার পরিবার অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। হতাশা ও আতংকের মাঝে দিন কাটাচ্ছে মেয়েটির পরিবার। উক্ত বখাটে উপজেলার রায়ঘর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আহমদ জয়। এ ব্যাপারে কলেজ ছাত্রীর মা নবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের দূর্লভপুর গ্রামের মনির মিয়া মেয়ে আউশকান্দি স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। কলেজে আসা যাওয়ার পথে দীঘলবাক ইউপির রায়ঘর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আহমদ জয় মেয়েটিকে উত্যক্ত করে। এক পর্যায়ে তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে মেয়েটির ব্যবহৃত মোবাইল থেকে ওই ছাত্রীর ব্যক্তিগত কিছু ছবি তার মোবাইলে নিয়ে যায়। পরে ওই ছবি গুলো ইন্টারন্যাটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়।

এদিকে আহমদ জয় বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছে গেলে তারা অভিভাবক পাটাতে বলেন। এতে সে অনীহা জানায়। ফলে মেয়ের পরিবার অভিভাবক ছাড়া তাদের মেয়েকে বিয়ে দিতে অপারগতা জানালে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ছাত্রীর ছবি আপলোড করে অশ্লীল কথাবার্তা লিখে।

এ ঘটনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরীর সেলিমের মধ্যস্থতায় শালিস বিচারে বিষয়টি নিস্পত্তি হয়। বকাটে ছেলে ও তার বড় ভাই ভবিষ্যতে ওই ছাত্রীকে বিরক্ত করবে না মর্মে অঙ্গীকার করে।

সম্প্রতি ওই বকাটে আহমদ জয় পুণঃরায় ওই ছাত্রীর নাম ব্যবহার করে একটি পেইক ফেসবুক আইডি খোলে তার ছবি ও মোবাইল নম্বার ব্যবহার করে বিশ্রী ভাষায় কথাবার্তা লিখে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে। এক পর্যায়ে মেয়ের আত্মীয় স্বজনের মোবাইলে ইমুতে এ সব লেখা ও ছবি তার মোবাইলের ইমু থেকে প্রেরণ করে। এছাড়া মেয়ের পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে।

ফলে ওই কলেজ ছাত্রীসহ তার পরিবার আতংকের মাঝে দিনাতিপাত করছেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবগত করা হয়েছে বলে তারা জানান। এদিকে নিরূপায় হয়ে ওই পরিবার নবীগঞ্জ থানায় এক সপ্তাহ আগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরও বন্ধ হয়নি উক্ত বকাটের উৎপাত। প্রতিনিয়ত হুমকীর মুখে আতংক ও উৎকন্ঠায় জীবন যাপন করছেন ওই ছাত্রী ও তার পরিবার।

পিন্টু অধিকারী মাধবপুর প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে তেলিয়াপাড়া নিজ বাড়িতে রাতের খাবারের পানির জন্য মটর সুইচ লাইন চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে অপ্রিতা কৈরী (তৃষা ) নামে এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন সোমবার রাতে ৯.৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ তার সৎক্রিয়া কাজ বিকালে সর্ম্পূন্ন হয়। তেলিয়াপাড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ৬ জানুযারি এক সড়ক দুর্ঘটনায় অপ্রিতা কৈরী বাবা গোপাল কৈরী প্রাণ হারান। অপ্রিতা কৈরী জগদীশপুর জেসি স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। মাধবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) গোলাম দস্তগীর আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নূরুজ্জামান ফারুকী নবীগঞ্জ থেকে: পরিচয় গোপন করে হিন্দু থেকে মুসলিম সেজে স্কুল ছাত্রীর সাথে প্রেমের নামে প্রতারণা করে আসছছ এক যুবক।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের হাতে আটক হয়ে কথিত ওই প্রেমিক। প্রেমিকের ঠিকানা হয়েছে শ্রীঘরে।

এ রসালো ঘটনা ঘটেছে নবীগঞ্জ উপজেলার বুড়িনাও গ্রামে। জানা যায়, ওই গ্রামের দিলীপ রায়ের পুত্র কলেজ ছাত্র সম্পদ রায় (২০) এর সাথে রং নম্বরে পরিচয় হয় হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার আব্দুল জলিলের কন্যা জেকেএন্ড এইচ কে হাই স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্রী উম্মে কুলসুম মিমের। কিন্তু সম্পদ রায় পরিচয় গোপন করে মুসলিম নাম ও কানাডা প্রবাসী হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকে।

এক পর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একজন আরেকজনকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে উঠে। সম্প্রতি উম্মে কুলসুম প্রেমের টানে সম্পদ রায়ের বাড়িতে চলে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে তার আসল পরিচয়। এ সময় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এ নিয়ে বিচার সালিশ হয়। গত বুধবার বিকেলে সালিশ বিচারে উভয় পরিবারের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়।

স্থানীয় চেয়ারম্যান নবীগঞ্জ থানায় খবর দিলে এসআই সালাহ উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্পদ রায়কে আটক করে থানায় নিয়ে যান এবং মিমকেও থানায় নেয়া হয়। গত বুধবার রাতে কিশোরীর পিতা জলিল বাদি হয়ে সম্পদ রায়ের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সম্পদ রায়কে কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে এবং মিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার দাশ জানান, ঘটনাটি সমাধান না হওয়ায় পুলিশের হাতে সম্পদ রায়কে তুলে দেয় গ্রামবাসী। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর আত্রাইয়ে নদীতে গোসল করতে নেমে শিফা (১১) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রী পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ক্ষিদ্র কালিকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিফা আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া গ্রামের আবুবক্কর সিদ্দিকের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শিফা ছোট থেকে তার নানা বাড়ি উপজেলার ক্ষিদ্র কালিকাপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় পড়া-লেখা করতো। ওই দিন বাড়ির পার্শ্বে আত্রাই ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায় শিফা। এ সময় নদীর ¯্রােতের পানিতে ডুবে যায় সে। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। ঘটনার প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর শনিবার সকাল ৭টার দিকে রায়পুর এলাকায় শিফার মৃতদেহটি ভেসে ওঠে। সে ক্ষিদ্র কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে।

এব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোসলেম উদ্দিনের কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের ছাত্রীর উপর বখাটে ছাত্র কর্তৃক স্প্রে নিক্ষেপ, ছাত্রী অজ্ঞান, বখাটে ছাত্র আটক, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী প্রতিষ্ঠানের।
১৬ জুন রবিবার সকাল ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলার একমাত্র কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের ক্যাম্পাসে (ভোকেশনাল শাখার) নবম শ্রেনীর ছাত্রী ছদ্মনাম “নয়ন তারা” উপর একই শ্রেনীর বখাটে ছাত্র উপজেলার নিজপাট যশপুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে মোঃ আবু ছাইফ স্প্রে নিক্ষেপ করে।

এঘটনায় তাৎক্ষনিক ভাবে নয়নতারা অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটে পড়ে। সহপাঠিরা বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। বর্তমানে নয়নতারা জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে শিক্ষক মন্ডলীরা বখাটে ছাত্রকে আটক করে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

অপরদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিনিয়র এএসপি কানাইঘাট সার্কেল মোঃ আব্দুল করিম, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির, এস.আই ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের গভার্নিং বডির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমদ বলেন- ঘটনার পর পর আহত ছাত্রীকে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার কলেজ কর্তৃপক্ষ গ্রহন করেছে ও বখাটে ছাত্রকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এঘটনার নিন্ধা জানান এবং আইনের মাধ্যমে যথাযথ শাস্তি দাবী করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে ছাত্রের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহন করবে।

জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী কারিগরি কলেজের প্রিন্সিপাল রুহীনি রঞ্জন পাল বলেন- এঘটনায় ছাত্রকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনার নিন্দা জানান এবং আহত ছাত্রীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করেন।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাইনুল জাকির বলেন- সংবাদ পেয়েই বখাটে ছাত্রকে কলেজ ক্যাম্পাস হতে আটক করি এবং জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে ছাত্রীর অবস্থা অবজারবেশন করছি। পরিবারের পক্ষ হতে অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১মে,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে নুপুর (১০) নামের এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জামগ্রাম গ্রামে। নিহত নুপুর উপজেলার জামগ্রাম গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার মেয়ে এবং জামগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে নুপুর গোসল করে বাড়ি ফিরতে দেরি করলে ও তার পরনের জামা ছিড়ে বাড়ি ফিরলে তার মা তাকে একটু বকাঝকা করে। পরে সন্ধ্যায় নুপুর তার মায়ের সাথে অভিমান করে সবার অগোচরে ঘরের তীরের সাথে রশি পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

এব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং গতকাল সোমবার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকোর্ড করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার জেনুইন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সিএনজি-অটোরিক্সায় মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের মেধাবী কলেজ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টার প্রতিবাদে মুন্সীবাজার জেনুইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের জোর দাবি জানান।

প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দিবাংশু দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল, এসএমসি সদস্য হামিদুল হক চৌধুরী বাবর, মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী ইব্রাহীম আহমদ সুমন, যুবলীগ নেতা বদরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত চৌধুরী, জনি চৌধুরী, কমলগঞ্জ সমাজকল্যাণ পরিষদের লুৎফুর রহমান জাকারিয়া, শামসুল ইসলাম, আনিসুল ইসলাম চৌধুরী শাকের, মাহফুজ আহমদ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা অবিলম্বে মামলার মূল আসামী সিএনজি চালক আব্দুল মতলিবকে গ্রেফতার করে দুষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭নভেম্বর,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নিয়মিত রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করার বিচার চাওয়ায় ক্লাস থেকে বের হওয়ার পর উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া হাবিব (২৫)। সে আদমপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। তার মামা কমলগঞ্জ সদর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান। ঘটনার পর পালানোর সময় ছাত্ররা নওশাদ মিয়া (১৭) নামের এক বখাটেকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় এ ঘটনাটি ঘটেছে কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয়ে।

কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা গ্রামের রইছ মিয়ার মেয়ে তানিয়া আক্তার এ কলেজের অধীনে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণিতে পড়া শুনা করছিল। প্রতি শুক্রবার সে ক্লাসে আসা যাওয়ার সময় আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া হাবিব রাস্তায় নানাভাবে তাকে উত্যক্ত করতো। এ ঘটনায় তানিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে উত্যক্তকারী ছাত্রলীগ নেতার বাবা আব্দুল খালিকের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছিলেন। বিচার প্রার্থনা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতে শুক্রবার দুপুর ১২টায় তানিয়া ক্লাস থেকে বের হওয়ার সময় কলেজের বারন্দায় এসে জাকারিয়া অতর্কিতভাবে তাকে (তানিয়াকে) কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। সাথে সাথে তানিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে দ্রুত কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে তানিয়ার সহপাঠী ছাত্ররা ক্লাস থেকে বেরিয়ে ধাওয়া করলে আক্রমনকারী ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে ছাত্ররা হামলাকারীর সহযোগী নওশাদ মিয়াকে (১৭) ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। সে কমলগঞ্জ পৌরসভার আলেপুর গ্রামের রোস্তম মিয়ার ছেলে।

আহত ছাত্রীর ভাই আশিকুর রহমান বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে বখাটে জাকারিয়া তার বোনকে নানাভাবে উত্যক্ত করছিল। বোনের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সে উত্যক্তকারী জাকারিয়ার বাবা আব্দুল খালিকের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতেই তিন সাথী নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কলেজের শ্রেণিকক্ষের বারন্দায় প্রকাশ্যে এসে এভাবে হামলা চালিয়েছে তানিয়ার উপর। আশিকুর রহমান আরও বলেন, এ ঘটনায় তার পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিবেন।

কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিঞা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,  প্রথমে ছাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।  পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি কলেজে পুলিশ পাঠান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয়ে এসে ধরে রাখা এক বখাটেকে আটক করে। অভিযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেও অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়াকে পাওয়া যায়নি। তবে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ (রিপুল) বলেন, জাকারিয়া হাবিব আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক। ঘটনা সত্য হলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্রদের হাতে ধৃত বখাটেকে আটক ও মূল হামলাকারীকে গ্রেফতারের জন্য কমলগঞ্জ থানা পুলিশকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বিকালে আহত ছাত্রীকে দেখতে যাবেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৫নভেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় স্কুল ছাত্রীর সাথে বখাটেপনার দায়ে আব্দুল লতিফ (২৩) নামে এক যুবকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত যুবক উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বিরেন্দ্রনগড় গ্রামের সুরত আলীর ছেলে। বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ রায় ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়,উপজেলার বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়ুয়া স্মৃতি রানী ছাত্রীকে উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বিরেন্দ্রনগড় গ্রামের সুরত আলীর ছেলে দীর্ঘ দিন ধরেই স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

স্মৃতি রানী বর্মনের গ্রামের বাড়ি ইন্দ্রপুর। বিদ্যালয় থেকে বাড়ির দূরত্ব প্রায় দেড় কিলোমিটার। প্রতিদিন পায়ে হেটে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে।

আজ বুধবার সকাল ৯টার সময় স্কুলে যাওয়ার পথে আবারও প্রেমের প্রস্তাব দেয় আব্দুল লতিফ। এতে স্মৃতি রানী কিছুটা ক্ষিপ্ত হলে বখাটে যুবক তার ওড়না নিয়ে যায় এমনকি তাকে মারধর করে। সে সময় স্মৃতি রানী বর্মন ভয়ে সুর-চিৎকার করলে পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে এবং বখাটে যুবক আব্দুল লতিফকে গনধোলাই দিয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ট্যাকেরঘাট পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক ইমাম হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বখাটে যুবক আব্দুল লতিফকে আটক করে বুধবার বিকাল ৫টায় তাহিরপুর থানায় নিয়ে আসে।

তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বখাটে যুবক আব্দুল লতিফকে গ্রামবাসী আটক করে  পুলিশে দিয়েছে। সন্ধ্যায় তাকে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭অক্টোবর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় দুদিনে দুই স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে পন্ড করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী। ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ও ২৭ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরের দিকে বাল্য বিয়ে পন্ড করে দেন তিনি। এ পর্যন্ত চারটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন ইউএনও।
জানা যায়, সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলায় ইউএনও হিসাবে যোগ দেন কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী। যোগদানের পর থেকে তিনি বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে কটোর অবস্থান নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার উপজেলার পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের চন্দনা গ্রামে আয়োজিত চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল ছাত্রী
রত্না (১৫) বিয়ের আয়োজন পন্ড করে দেন তিনি। শুক্রবার চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী রিজওয়ানা আক্তার রনি (১৪) বাল্য বিয়ের আয়োজন পন্ড  করে দেওয়া হয়েছে। রনি দেওরগাছ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিক্সা মিস্ত্রী মো: শহীদ মিয়ার মেয়ে। শহীদ মিয়ার পাঁচ সন্তানের মধ্যে তৃতীয় হচ্ছে রনি।রনিকে স্কুলে ভর্তি করে পড়াশুনার দায়িত্বও নিলেন ইউএনও। ইউএনও তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, গত সাত মাস ধরে স্কুলে যাচ্ছে না রনি অথচ তাঁর ক্লাসের ১০০ এর অধিক ছাত্রীর মাঝে তাঁর রোল-৭। মেধাবী ও সম্ভাবনাময়ী এই মেয়েটির স্কুলের সকল বকেয়া পরিশোধ করে পড়াশোনাতে তাঁকে নিয়মিত করার দায়িত্ব নিল উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবারটিকেও সরকারি কোন ভাতার আওতায় এনে ব্যবস্হা করছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৯সেপ্টেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সাউদি আক্তার সারমিন (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের কলাগাঁও গ্রামের সুরুজ সর্দারের মেয়ে এবং বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০মিনিটে বাড়ির লোকজন দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় সুমি নিজ বাড়ির রান্না ঘরে উড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করে।

পরে ঝুলন্ত অবস্থায় পরিবারের লোকজন দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাতপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬সেপ্টেম্বর,নড়াইল প্রতিনিধিঃনড়াইল সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামে সাপের কামড়ে নূসরাত (১২) নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে  তার মৃত্যু হয়।

জানাগেছে, সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের তাইজুল ইসলামের মেয়ে নূরসাত খানম  শুক্রবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে বিছানায় শুয়ে পড়েন। ভোর রাত তিনটার দিকে বিষধর সাপে বিছানায় দংশন করে। এসময় তার চিকৎকারে পরিবারের সদস্যরা নূসরতাকে নিয়ে স্থানীয় কবিরাজের (ওঝা) কাছে  নিয়ে যান। কিন্তু কবিরাজের চেষ্টা ব্যর্থ হলে  নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের  মেডিকেল অফিসার অলোক কুমার বাগচী জানান,  সকাল ৭ টা ১০ মিনিটের সময় নূসরাতকে হাসপাতালে আনা হয়।  হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

মাইজপাড়া ইউপি সদস্য মোঃ ইয়াকুব বিশ^াস জানান, নূৎরাত বলরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার মৃত্যুতে সহপাঠী সহ এুলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০সেপ্টেম্বর,চুনারুঘাট(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বড়গাঁও গ্রাম থেকে পান্না আক্তার (১৮) নামের কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় লাশ উদ্ধান করে ছুরত হাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রুপু কর।
নিহত কলেজ ছাত্রী উপজেলার বড়গাও গ্রামের নুর হোসেন কন্যা। সে আলিফ সোবহান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পান্না আক্তার তার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১১টার দিকে নিহতের বাবা-মা তাকে পারিবাকি কাজের জন্য ডাকা ডাকি করলে পান্না কোন সাড়া শব্দ করেনি। পরে তার রুমের দরজা ভেঙ্গে ঘরের তীরের মধ্যে পান্নার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে কামাইছাড়া ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পান্নার লাশ উদ্ধার করে।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়না তদন্তের জন্য নিহতের লাশ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে মর্গে প্রেরন করেন।
কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রুপু কর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন,  প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া ফাইনাল কিছু বলা যাচ্ছে না।

“আটক দেলওয়ারকে আসামী করে মামলা দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ,শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩আগস্ট,শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রাবিনা বেগম নামে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ ধলাই নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষার্থী ও ইউনিয়নবাসী রবিবার (১৩আগষ্ঠ) সকাল ১১টায় কমলগঞ্জে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার ও কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্মারকলিপি প্রদান করে। ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ায় ঘটনায় ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়সহ পুরো ইসলামপুর এখন বিক্ষোব্দ।
জানা যায়, ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী রাবিনা বেগমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আটকিয়ে রেখে হত্যা করে পরে লাশটি ধলাই নদীতে ফেলে দিয়েছিল। নিহত ছাত্রীর বাবা মুসলিম মনিপুরী পাঙ্গাল সম্প্রদায়ের দরিদ্র কৃষক কায়াম উদ্দীন গতকাল শনিবার জানান, শুক্রবার রাত ১টায় তিনি আটক দেলওয়ার হোসেনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তিনি ঘাতক দেলওয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এদিকে ছাত্রী রাবিনা বেগম হত্যা কান্ডের ঘটনায় সন্দেহমূলক আটক দেলওয়ার হোসেনকে আটকের পর তার স্বীকারোক্তি ও শুক্রবার হত্যাকান্ডের স্থান ও কোন স্থানে লাশ ফেলেছিল তা পুলিশকে দেখানোর পর থেকে ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সহ¯্রাধিক ছাত্র-ছাত্রীর সাথে পুরো ইসলামপুর ইউনিয়নবাসী এখন বিক্ষোব্দ। তারা গ্রেফতার হওয়া হত্যাকারী দেলওয়ারের সাথে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাকেও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।

ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল গ্রামের আব্দুল খালিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এজন্য ইউনিয়নবাসী রবিবার স্মারকলিপি নিয়ে কমলগঞ্জ থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পেশ করার চিন্তা ভাবনা করছেন। ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খুরশেদ আলীও গ্রেফতার হওয়া হত্যাকারী দেলওয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা কমলগঞ্জ উপজেলায় প্রথম। তাই এখন সর্ব মহলের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শুক্রবার রাতে স্কুল ছাত্রী রাবিনা বেগম হত্যা মামলা হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি (তদন্ত) মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আটক দেলওয়ার হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার সকালে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে উপ পরিদর্শক মো: আজিজুর রহমানকে। তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক আজিজুর রহমান বলেন, খুবই গুরুত্বের সাথে মামলাটি তদন্ত করে দেখা হবে।

 

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc