Sunday 1st of November 2020 06:21:44 AM

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চুনারুঘাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে পবিত্র হিজরি নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল দিয়েছে। আজ শনিবার বাদ আছর দলীয় কার্যালয় থেকে এক বিশাল স্বাগত মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে  পুনরায় কার্যালয়ে এসে  আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
আব্দুল্লহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায়  বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মুফতি মোঃ মুসলিম খান, উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের সাধারন সম্পাদক মাওঃ মোঃ আব্দুল কাইয়ুম তরফদার, উপজেলা যুবসেনা সভাপতি শফিকুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, জেলা যুবসেনা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মুশাহিদুল ইসলাম,  সাংবাদিক আলহাজ্ব এম এ আউয়াল, ছাত্রসেনা জেলা সাবেক সহসভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ ক্বাদেরী, মোঃ আব্দুল আউয়াল সুমন, পৌর সভাপতি মোঃ আবু তাহের, উপজেলা সহসভাপতি জাবেদ মিয়া, মোঃ আলমগীর তালুকদার, মোঃ মুক্তার হোসেন প্রমূখ ।

আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখা ২৮ মে সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মুহাম্মদ জিয়া উদ্দীন রায়হানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাজেট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সারা বছর আমাদের জাতীয় জীবনের আয়-ব্যয় কেমন হবে তার প্রতিফলন হয় বাজেটে। আমাদের দেশের নাগরিকরা আগের চেয়ে অনেকবেশি সচেতন তাই রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির বিষয় গুলো নিয়েও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। বাজেট বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রচুর। বাজেট উপস্থাপনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বিট্রিশ শাসনের শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাজেট উপস্থাপনার সূচনা করেছিলেন জেমস উইলসন। দেশ ভাগ হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মালিক মুহাম্মদ। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে সংসদে সর্ব প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত (১৯৭২-২০১৭) সর্বমোট ৪৭ বার বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে।

প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার এবং শেষেরটি প্রায় ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার। তবে প্রতিবছরই মানুষের দৃষ্টি থাকে শিক্ষাখাতে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর। কারণ এর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে আগামীতে দেশের শিক্ষা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন-অনুন্নয়নের রূপরেখা। আমাদের পাশেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো গত ২/৩ দশকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এনেছে আমূল পরিবর্তন, যা পরবর্তীতে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের আনুপাতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আফ্রিকার অনগ্রসর অধিকাংশ দেশ যেমন- কেনিয়া, তানজানিয়া শিক্ষাখাতে বরাদ্দদেয় জাতীয় বাজটের ২০ ভাগের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ যেমন- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান তাদের কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক বরাদ্দসহ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় ২০ ভাগেরও বেশি।

আশ্চর্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় জাতীয় বাজেটের মাত্র ১৪ ভাগ। বর্তমান সরকার ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়খাত হলো শিক্ষাখাত। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণে দেখা যায় এবারে শিক্ষা খাতের চেয়ে সরকার জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে।

গতবারও বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতই ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। এদেশের সচেতন ছাত্রজনতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদরাসা শিক্ষা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌক্তিক দাবি পেশ করছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে ২৬ মে ২০ রামাদ্বান সহরের আর এস কায়রান চাইনিজ এন্ড বাংলা রেস্টুরেন্টে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল, সংগঠনের জেলা সভাপতি এ এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক, জুবায়ের আহমদ (জুবেল) এর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি, মাওঃ হারিছ আলকাদরী, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি পীর আলী নূরুল্লাহ শাহ, বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ, মাওঃ আব্দুল মুহিত হাসানী,সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ কুতুবউদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক এম ময়নুল ইসলাম খাঁন, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম মুহিবুর রহমান (মুহিব),সহ সভাপতি শাহ ফয়জুল মোস্তফা, অর্থ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান,অফিস সম্পাদক আব্দুল মুকিত হাসানী,মাওঃ নেছার আহমদ আলকাদেরি,শেখ ময়নুল ইসলাম, পাবেল আহমদ,সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান রাহেল, সাংবাদিক আব্দুর রহিম, রাজন আহমদ, তাকবির আহমদ,নুরুল অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রসেনার সহ সভাপতি, জুনেদুল ইসলাম চৌধুরী আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ,আবুল কালাম তৌফিকুল ইসলাম শাকিল, আলমগীর হোসাইন,রেজা খান বেহেস্তী,জয়নাল রেজা মোঃ কামাল হোসাইন, আরিফুল ইসলাম মোঃ নাজমুল হোসাইন, নিয়ামত আলী,মোঃ মোসাররফ হোসেন,সাহিন আহমদ সুলতান, রিফাত মুন্না, জয়নাল আবেদীন, মোঃ জুয়েল আহমদ, মোঃ নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।প্রেস বার্তা

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ পবিত্র মাহে রমজানকে স্বগত জানিয়ে চুনারুঘাটে ছাত্রসেনার মিছিল। গতকাল ৫ মে রবিবার বাদ আছর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চুনারুঘাট উপজেলা শাখার উদ্দোগে স্থানীয় উপজেলা কার্যালয় হতে এক বিশাল স্বগত মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি পৌর শহর পদক্ষিন করে পথসভায়  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওঃ মোঃ ইয়াকুত মিয়া, সহ দপ্তর সম্পাদক কাজী মোঃ জামাল মিয়া, সাংবাদিক এস এম সুলতান খান, প্রচার সম্পাদক  মোঃ আব্দুল জাহির, ছাত্রসেনা সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ মামুনুর রশিদ, উপজেলা সাবেক সভাপতি মোঃ বিলাল মিয়া, উপজেলা সহসভাপতি মোঃ জাবেদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহের মিসবাহ্, সহ সাধারন সম্পাদক হাফেজ মোঃ শামছুল  ইসলাম জাকী, পৌর সভাপতি মোঃ আবু তাহের, রিদওয়ান চৌধুরী, বক্তাগন বলেন  রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস, ঘোনাহ্ মাফের মাস এ মাসে সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে বিরত তাকার জন্য সকর মুসলমানদের প্রতি আহবান জনান এবং দিনের বেলায় হোটেল রেস্তুরা বন্দ রাখতে হবে।

২৭ আগস্ট রোজ সোমবার বাংলাদেশ ইসলামী ছত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলা শাখার কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকীর ৪র্থ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা রাজনগর টেংরা বাজার সংলগ্ন হল রুমে বিকাল ২ টায়  আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে দেলোয়ার হোসাইন এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি জননেতা মাও: আব্দুল মুহিত হাসানী।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয়সহ সাংগঠনিক ও জেলা যুবসেনার সভাপতি এম মুহিবুর রহমান মুহিব, জেলা অফিস সম্পাদক আব্দুল মুকিত হাসানী, প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফা, বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রসেনার সহ সভাপতি জুনেদুল ইসলাম চৌধুরী আদনান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান চৌধুরী, জেলা যুবসেনার সদস্য সাইফুদ্দীন সংগ্রামীসহ প্রমুখ।

৫সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন ২০১৮-২০১৯সে নের জন্য মো:দেলোয়ার হোসাইন সভাপতি, সি:সহ সভাপতি আব্দুল জলিল, সহ সভাপতি, রুবেল আহমদ সহ সভাপতি মঈনুদ্দিন সিদ্দীক, সাধারন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসাইন, অর্থ সম্পাদক, আকিব আলী রনি, প্রচার সম্পাদক সিপার আহমেদ,গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, মাছুম আহমেদ, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক, ফারদুল ইসলাম তোফায়েল, ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রাসেল আহমেদ,স্কুল বিষয়ক সম্পাদক, শাকিবুল ইসলাম, সদস্য,তারেক,সুবেল,জামিল,ছাতির,মুহিব,সুহেল আহমেদ,আলামিল সহ ১৯ বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী কমিটি ঘোসনা করা হয় পরে ফারুকী হত্যার বিচারের দাবিতে মিছিল টেংরা বাজার পদক্ষিণ করে শাহ সর্দার শাহ মাজার প্রাঙ্গণে পথ সভার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।প্রেস বার্তা।

মৌলভীবাজারঃ ২৭ জুলাই শুক্রবার বিকাল  আড়াইটায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার শাখার ডিটিসি প্রশিক্ষণ কর্মশালা সিরাজ নগর দরবার শরিফে জেলা সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়,এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা শাখারসহ- সভাপতি জননেতা অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ জুবেল এর পরিচালনায় উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত এর সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা মাও: আব্দুল মুহিত হাসানী,প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সাবেক কেন্দ্রীয় সফল সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা আখতার হুসেন চৌধুরী।

যথাক্রমে প্রশিক্ষক হিসাবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা এম মুহিবুর রহমান মুহিব, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ খোয়াইব, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় আইটি সম্পাদক কাজী হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা যুবসেনার সহ সাধারন সম্পাদক ডা: মামুনুর রশিদ, অর্থ সম্পাদক, শেখ কামরুল হাসান, ছাত্রসেনার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খলিলুর রহমান, সাইফুর রহমান চৌধুরী, রেজা খান বেহেস্তি,নুর মোহাম্মদ শাগর, নাজমুল হোসাইন চৌধুরী, শাকিল আহমদ বাবুল,মোশাররফ, আহমদ,রাসেল হোসেন, আকিব আলি প্রমুখ।পরে মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি হয়।প্রেস বার্তা

“বাঁশখালী উপজেলা উত্তর শাখার মানববন্ধনে ঘোষনা পূর্বক অবকাঠামো নির্মাণেরও দাবি করেন তারা”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৫জুনঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা বাঁশখালী উপজেলা উত্তর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের ঈদ পুনর্মিলনী ও বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষনা পূর্বক অবকাঠামো নির্মাণের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ছাত্রনেতা শামসুল আরেফিন খালেদ ও ইমরান খানের যৌথ স ালনায় খানখানাবাদ সমুদ্রস্থ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা জসিম উদ্দীন আল আজহারী। বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় যুবসেনার সহসভাপতি প্রফেসর মুনিরুল ইসলাম আশরাফি, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জাহেদ আকবর চৌধুরী জেবু, বাঁশখালী উপজেলা যুবসেনা সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা এস এম শহিদুল ইসলাম। এতে উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি জননেতা মাওলানা ইউনুছ তৈয়বী।

প্রধান বক্তার ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা শাহজাদা নিজামুল করিম সুজন। তিনি বলেন, সরকার কক্সবাজার সহ দেশে ১২০কি.মি সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকতকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করলেও সমুদ্র সৈকতের ৬০% শতাংশ কার্য ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সময়ের সাথে জনপ্রিয় হতে থাকা ইতোমধ্যে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত অসংখ্য পর্যটকদের প্রিয় জায়গা হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। অচিরেই বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা ও অবকাঠামো নির্মাণ করে পর্যটকদের সুষ্ঠু বিনোদন কেন্দ্র পরিণত করে ছাত্রসেনার যৌক্তিক দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলীদের পেশাজীবী সংগঠন ওডিইবি এর অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম। যুবনেতা খায়রুল বশর, যুবনেতা এইচ এম তমিজ উদ্দীন, যুবনেতা ওয়াহিদুল ইসলাম, যুবনেতা মুহাম্মদ দেলোয়ার দক্ষিণজেলা ছাত্রসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা এনামূল হক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বশর, বাঁশখালী উপজেলা দক্ষিণের সভাপতি ছাত্রনেতা এইচ এম শওকত আলী, ছাত্রসেনা বাঁশখালী উপজেলা উত্তর শাখা সহসভাপতি মিশকাতুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ, নুরুল আমিন, খোরশদুল আলম হাশেমী, নাছির উদ্দীন সুজন, মুনির কাদেরী, আব্দুল আলিম, সাজ্জাদ হোসাইন, আব্দুল আলিম রেজবী, এইচ এম নেজাম উদ্দীন, আরিফ রেজা প্রমুখ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭জুন,নুর মোহাম্মদ সাগরঃ ২০ই রমজান, ৬ জুন, রোজ বুধবার, ইসলাম ধর্মের ঐতিহাসিক বদর দিবস উদযাপন ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার ২০১৮-১৯ ইং সেশনের কাউন্সিল উপলক্ষ্যে ইফতার মাহফিল এর যৌথ আয়োজন করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট,বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখা।

অনুষ্ঠানে উপজেলা শাখার সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জাফরির সভাপতিত্বে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি ডা : মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ এর সঞ্চালনায় স্থানীয় একটি  রেস্টুরেন্ট অনুষ্ঠিত হয় ।
প্রথমে পবিত্র কুরআন শরিফ থেকে তেলাওয়াত নাতে রসুল (দ:),জাতীয় সঙ্গীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে প্রধান অতিথির হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহসভাপতি মাওলানা শেখ শিব্বির আহমদ ,তিনি বক্তব্যে বলেন রোজাদারের পুরস্কার আল্লাহ নিজেই দিবেন ও তারাবির নামাজ বিশ রাকাত,বোখারি শরিফ থেকে হাদিস পেশ করে বলেন সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তারাবির নামাজ বিশ রাকাত যারা বলবেন বিশ রাকাত তারাবির নামাজ নয় তাদের সাথে তিনি চ্যালেঞ্জ করেন।

উপস্থিত রোজাদারদের একাংশ

বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আল কাদেরী ,কেন্দ্রীয় যুবসেনার সহ সাংগঠনিক সম্পাদ এম মুহিবুর রহমান মুহিব ,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম এম রাসেল মোস্তফা ও সহ সভাপতি আশরাফুল খান রুহেল।

এতে অতিথির আসন গ্রহণ করেন তথ্য গবেষণা সম্পাদক মৌলভীবাজার জেলা শাখার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ আছদ্দর আলী আনসার ও সাবেক ডিপুটি কমান্ডার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া সাহেব ,সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ ও ,বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনা, নেতৃবৃন্দ ও মান্যগণ্য ব্যক্তি বর্গ ।
সবাই কিয়াম করে দাঁড়িয়ে নবী করিম (দ:) কে সালাম জানায় ও ইফতারের আগে আখেরি মোনাজাত দেন প্রধান অতিথি সাহেব দেশ ও জাতির জন্য দোয়া চান আল্লার দরবারেও সকল মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারে, সংগঠনের নেতা কর্মীদের জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।পরে সকলে একসাথে ইফতার করেন।

“জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখা আজ সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তাফা, অর্থ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কাউছার খাঁনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাজেট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা বছর আমাদের জাতীয় জীবনের আয়-ব্যয় কেমন হবে তার প্রতিফলন হয় বাজেটে। আমাদের দেশের নাগরিকরা আগের চেয়ে অনেকবেশি সচেতন তাই রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির বিষয় গুলো নিয়েও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। বাজেট বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রচুর। বাজেট উপস্থাপনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বিট্রিশ শাসনের শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাজেট উপস্থাপনার সূচনা করেছিলেন জেমস উইলসন। দেশ ভাগ হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মালিক মুহাম্মদ। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে সংসদে সর্ব প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত (১৯৭২-২০১৭) সর্বমোট ৪৬ বার বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে। প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার এবং শেষেরটি প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার। তবে প্রতিবছরই মানুষের দৃষ্টি থাকে শিক্ষাখাতে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর। কারণ এর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে আগামীতে দেশের শিক্ষা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন-অনুন্নয়নের রূপরেখা।

আমাদের পাশেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো গত ২/৩ দশকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এনেছে আমূল পরিবর্তন, যা পরবর্তীতে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের আনুপাতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আফ্রিকার অনগ্রসর অধিকাংশ দেশ যেমন- কেনিয়া, তানজানিয়া শিক্ষাখাতে বরাদ্দদেয় জাতীয় বাজটের ২০ ভাগের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ যেমন- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান তাদের কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক বরাদ্দসহ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় ২০ ভাগেরও বেশি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় জাতীয় বাজেটের মাত্র ১৪ ভাগ।

বর্তমান সরকার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের ৪ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়খাত হলো শিক্ষাখাত। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণে দেখা যায় এবারে শিক্ষা খাতের চেয়ে সরকার জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে। গতবারও বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতই ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। এদেশের সচেতন ছাত্রজনতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে ইসলামী ছাত্রসেনা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদরাসা শিক্ষা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌক্তিক দাবি পেশ করছে।

জনস্বার্থে নিম্নে স্মারকলিপির হুবহু তুলে ধরা হলঃ

বরাবর,
মাননীয় অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

মাধ্যমঃ মাননীয় জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম জেলা।

বিষয়: ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার বাজেট প্রস্তাবনা।

বাজেট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা বছর আমাদের জাতীয় জীবনের আয়-ব্যয় কেমন হবে তার প্রতিফলন হয় বাজেটে। আমাদের দেশের নাগরিকরা আগের চেয়ে অনেকবেশি সচেতন তাই রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির বিষয় গুলো নিয়েও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। বাজেট বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রচুর। বাজেট উপস্থাপনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বিট্রিশ শাসনের শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাজেট উপস্থাপনার সূচনা করেছিলেন জেমস উইলসন। দেশ ভাগ হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মালিক মুহাম্মদ। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে সংসদে সর্ব প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত (১৯৭২-২০১৭) সর্বমোট ৪৬ বার বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে। প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার এবং শেষেরটি প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার। তবে প্রতিবছরই মানুষের দৃষ্টি থাকে শিক্ষা খাতে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর। কারণ এর উপরই অনেকাংশে নির্ভর করে আগামীতে দেশের শিক্ষা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন-অনুন্নয়নের রূপরেখা।

বর্তমান সরকার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের ৪লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই বাজেটের সবচেয়ে গুস্তত্বপূর্ণ ব্যয়খাত হলো শিক্ষাখাত। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণে দেখা যায় এবারে শিক্ষা খাতের চেয়ে সরকার জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে। গতবারও বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুস্তত্বপূর্ণ এই খাতই ছিল সবচেয়ে অবহেলিত।অথচ শিক্ষা হলো রাষ্ট্রের সকল আর্থ-সামাজিক উন্নতির চাবিকাঠি। সেজন্য শিক্ষা হলো রাষ্ট্রের সর্বোত্তম বিনিয়োগ। শিক্ষা কেন রাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম বিনিয়োগ সেটা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরপরই ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি দিল্লিতে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে অম্যর্ত্য সেন বলেছিলেন: “ঊষবসবহঃধৎু ঊফঁপধঃরড়হ রং ধ পবহঃৎধষ পড়সঢ়ড়হবহঃ ড়ভ ধহু শরহফ ড়ভ বপড়হড়সরপ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ ……… ঊপড়হড়সরপ ঢ়ড়বিৎং, ংঁপয ধং ঔধঢ়ধহ যধফ যরময ষবাবষং ড়ভ বফঁপধঃরড়হ নবভড়ৎব ঃযবু ধফাধহপবফ ঃড়ধিৎফং রহফঁংঃৎরধষ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ.” (রয়টার, ২ জানুয়ারি ৯৯)
রবীন্দ্রনাথ প্রায় শত বছর আগে আরো একধাপ এগিয়ে বলেছিলেন “আমাদের সকল সমস্যার সবচেয়ে বড় রাস্তা হচ্ছে শিক্ষা।” (রাশিয়ার চিঠি, পৃঃ ৫৫৫, দশমখন্ড)। আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য শিক্ষার গুরুত্ব কাগজে-কলমে হাজারকাব্য করে বলা হলেও শিক্ষা ব্যবস্থায় পশ্চাৎপদ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখনো অন্যতম। অথচ আমাদের পাশেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো গত ২/৩দশকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এনেছে আমূল পরিবর্তন যা পরবর্তীতে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। বিগত অর্থ বছরগুলোর বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়-
২০০৯-১০ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ছিল ১৪.১৮ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা দাঁড়িয়েছে ১১.২৯ শতাংশে। ২০০৯-১০
অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে ১০১.৩১ শতাংশ কিন্তু ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে শিক্ষা বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৬০.২১ শতাংশ। এই অসম প্রবৃদ্ধির ফলে বাজেটে শিক্ষার আপেক্ষিক গুস্তত্ব ১৪.১৮ শতাংশ থেকে ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে ২০১৩-১৪ সালে তা ১১.২৯ শতাংশে পরিণত হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল আনুপাতিক হারে অনেক কম। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ১৩.১ শতাংশ এবং ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১.৬ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪.৭ শতাংশ। পৃথিবীর অন্যকোন রাষ্ট্রে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ নিয়ে এত বেশী অবহেলা-উপেক্ষা চোখে পড়ে না। এ এছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের আনুপাতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আফ্রিকার অনগ্রসর অধিকাংশ দেশ যেমন- কেনিয়া, তানজানিয়া শিক্ষাখাতে বরাদ্দদেয় জাতীয় বাজটের ২০ ভাগের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ যেমন- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান তাদের কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক বরাদ্দসহ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় ২০ ভাগেরও বেশি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় জাতীয় বাজেটের মাত্র ১৪ ভাগ।

শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবি বিবেচনায় রাখে। এখানে লক্ষ করা যায়, শিক্ষা বাজেটের সাথে প্রযুক্তি,খেলাধুলা,স্বা¯হ্য,ধর্ম সহ নানা বিষয় জুড়ে দেওয়া হয়। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটে সামরিক বাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের বারদ্দও ঢুকিয়ে দেয়া হয়। ২০১১-১৩ অর্থবছরে শিক্ষার সাথে প্রযুক্তি এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রযুক্তির সাথে স্বাস্থখাতকেও জুড়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে বরাদ্দকৃত স্বল্প অর্থ টুকু ভাগাভাগি হয়ে যায় অন্যান্য খাতের সাথে।

তাই এদেশের সচেতন ছাত্রজনতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবী জানানোর পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে নিন্মোক্ত প্রস্তাবনা ও কিছু যৌক্তক দাবী পেশ করছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা :
১. বর্তমানে দেশে এক লক্ষ তেত্রিশ হাজার নয় শত একটি সরকারী, রেজিঃ সরকারী ও নন রেজিঃ প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। এসব স্কুলে ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ৪৩ঃ১। তা অর্ধেকে নিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন অনেক সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ। তাই এই সংকট নিরসনে শিক্ষক চাহিদা বাড়াতে হবে।
২. দেশের প্রায় ৩ লক্ষ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনগনকে আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ে দ্বীনি তালিম দিয়ে প্রশিক্ষিত করে তাদের মাধ্যমে ‘মসজিদ ভিত্তিক’ প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মক্তব পরিচালনা করা যায়। এই ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ইমাম মুয়াজ্জিনরা অবসরপ্রাপ্ত হলে তাদেরকে ‘ইমাম মুয়াজ্জিন ট্রাষ্ট’ থেকে আর্থিক সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
৩. পথশিশু, সুবিধা বি ত দুর্গম এলাকার পাহাড়ী অধিবাসীদের শিক্ষিত করে তুলতে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে।
৪. প্রত্যেক থানায় আলাদা পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
৫. পাঠ্য পুস্তক হতে ইসলাম বিরোধী সব গল্প-প্রবন্ধ-উপন্যাস অপসারণ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ক্ষেত্রে ধর্মীয়-নৈতিক শিক্ষার প্রতি জোর তাগিদ দিতে হবে।
৬. প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি মাধ্যমিক স্কুলকে সরকারিকরণ করতে হবে।
৭. সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আই সি টি নির্ভর ক্লাস রুমের ব্যবস্থা করতে হবে।

মাদ্ররাসা পর্যায়ে আমাদের প্রস্তাবনা :
১. প্রত্যেক মাদ্রাসায় কম্পিউটার বরাদ্দ সহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পদ সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।
২. বিভাগ ভিত্তিক মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (বিএমটিটিআই) প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৩. মাদ্রাসা গুলোতে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী মাওলানা পদে বেতন বৈষম্য দূর করতে হবে।

বিজ্ঞান -প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা :
১. কারিগরি শিক্ষা লাভকারী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিশেষয়িত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
২. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী ধারীদেরকে চাকরিক্ষেত্রে প্রাপ্য সম্মানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তে কারিগরি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘কো-অপারেটিভ এন্ড প্রোডাক্টিভ এডুকেশন সিষ্টেম’ চালু করতে হবে। যাতে করে এক সাথে শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকার অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্ভিতা অর্জন করতে পারে।
৪. মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তা ছাড়া দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো সহ এর অবকাঠামোগত উন্নতি সাধনে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে পর্যাপ্ত বাজেট থাকতে হবে।
৫. প্রতিটি উপজেলায় একটি কারিগরি বিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় গ্লার্লস টেকনিক্যাল স্কুল, নতুন প াশটি উপজেলায় পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট, সববিভাগীয় শহরে মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটসহ সববিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় :
১. শিক্ষকতা পেশাকে ব্যবসায়ীকরণের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। তাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থাকতে হবে।
২. রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যথার্থ গবেষণা কর্ম সম্পাদন করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের জন্য গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে। এজন্য চাই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্ধ।
৪. নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, যুগোপযুগি বিভাগ সৃষ্টি ও আসনসংখ্যা বাড়াতে হবে।
৫. তথ্য ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৬. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলা বিভাগ যুক্ত করা সহ ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার উপর পাঠদান বাধ্যতামূলক করতে হবে।

সামগ্রিক প্রস্তাবনা
বাজেট হচ্ছে একটি সরকারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার মৌলিক রূপরেখা এবং একটি প্রজ্ঞাবান সরকার বাজেট প্রণয়নের সময় সমাজের নানা চ্যুতি- বিচ্যুতি, অতীত ও বর্তমানের কার্যকারণ এবং ভবিষ্যতের জন্য সংশোধনমূলক বাস্তবসম্মত একটি কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে, যার প্রতিচ্ছবি বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পরিস্ফুট হয়। শিক্ষাখাতে সরকারের বাজেট বরাদ্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাখাতে যে নৈরাশ্যজনক পরিস্থিতি বিরাজমান সে সম্পর্কে সম্যক অবগত নন অথবা তারা এ পরিস্থিতিকেই স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিয়েছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষাখাতে তুলনামূলকভাবে বাজেট না বাড়ানো, শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা, সারা দেশে প্রশ্ন ফাঁস, কৃত্রিম মেধাবী তৈরির কর্মযজ্ঞ এবং সর্বোপরি সুশীল সমাজের প্রস্তাবনা অগ্রাহ্য করে একে শিক্ষাখাতে অগ্রগতির চিহ্ন হিসেবে দাবি করা সরকারের ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হবে। কার কাছে কতটুকু চাইতে হবে তা নির্ধারণ করতে পারাটা জীবনের একটি বড় শিক্ষা। গত বছরের অভিজ্ঞতায় তাই সরকার ও অর্থমন্ত্রীর কাছে আগ্রাসী শিক্ষা-বাজেট আমরা আর আশা করছি না। কিন্তু সরকার, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে এ বছরের বাজেট ও আগামী দিনের কথা মাথায় রেখে আমরা চারটি অনুরোধ করতে চাই।

এক. এ বাজেটে যতটুকু বরাদ্দ করা হয়েছে, সেখানে অপচয় যথাসম্ভব কমিয়ে পুরো অর্থ যেন যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই কর্মকৌশল ঠিক করে সে অনুযায়ী বাজেট বাস্তবায়ন করা হোক।
দুই. প্রতিবছর অন্তত ০.৫ শতাংশ হারে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ বাড়ানো হোক।
তিন. শিক্ষাখাতের বাজেটের সঙ্গে অন্য কোনো খাত যুক্ত না করা হোক এবং শিক্ষাখাতের মধ্যে গবেষণার জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হোক।
চার. শিক্ষাখাতে দুর্নীতি কমিয়ে বাজেটকে অর্থবহভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এছাড়াও কিছু যৌক্তিক দাবী পেশ করছি –
১. শিক্ষার প্রত্যেক স্তর ও ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২. মোবাইল ব্যবহারে সরকারি নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আই সি টি আইন ও শাস্তির বিধান সম্পর্কিত সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. যে সব বেসরকারি শিক্ষক অবসরে গেছেন তারা এখনো অবসর ভাতা পাননি। তাদেরকে অবিলম্বে অবসর ভাতা প্রদান করে অনিশ্চিয়তা থেকে মুক্তি দিতে হবে।
৪. নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভুক্তির জন্য বরাদ্দ থাকতে হবে।
৭. শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে ২৫% এবং জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

টেকসই উন্নতি করতে হলে শিক্ষা- বাজেট বাড়ানোর বিকল্প নেই। এটি আমাদের কথা নয়, অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের কথা। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উন্নতির জন্য অনেক কথা বলেন, আমরা প্রতিবছর সেগুলো বিশ্বাস করি। কিন্তু শিক্ষা-বাজেটে সরকারের এসব কথার প্রতিফলন না থাকায় বিশ্বাসগুলো প্রায়ই ঠুনকো হয়ে যেতে থাকে।

বিগত ২০১৭-২০১৮ সালে বাজেটে শিক্ষা নিয়ে তেমন কোন নতুন ঘোষণা না থাকায় দেশের সাধারণ জনগণ হতাশ হয়েছিল। অথচ উন্নত ও উন্নয়শীল সবদেশেই বর্তমানে শিক্ষা খাতকে অগ্রধিকার দিয়ে আসছে। এমনকি অফ্রিকার কঙ্গো ও উগান্ডার মতো দরিদ্র দেশগুলোও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় তাদের মোট বাজেটের ৩০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি (শিক্ষা বুলেটিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)। কিন্তু স্বাধীনতার পর এ যাবৎ ৪৬ বার বাজেট ঘোষণা করা হলেও আমরা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের ২০ শতাংশ পর্যন্ত ও নিয়ে যেতে পারিনি।

তাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার জন্য ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী, শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেটে শুধু শিক্ষা খাতে ২৫% বরাদ্দ সহ শিক্ষা খাত নিয়ে কিছু যৌক্তিক প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে। আমরা আশা করি যদি প্রস্তাবিত সুপারিশমালা গুলো বিবেচনা করা হয় তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে।

অচিরেই বিশ্ব দরবারে আমরা একটি শিক্ষিত ও উন্নত জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পাব বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আশা করি সরকার আগামী বাজেটে এই সুপারিশগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রসেনার অভিষেক ও যৌথ ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। ৫ জুন ২০১৮ মঙ্গলবার  বিকাল ৩ টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রসেনার নবনির্বাচিত ২০১৮-২০১৯ শেষনের অভিষেক অনুষ্ঠান জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মো: জুবায়ের জুবেল এর পরিচালনায় শহরের বনফুল কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর সভাপতি জননেতা মাও: হারিছ আল কাদরি, বিশেষ অতিথি জেলা ফন্টের সহ সভাপতি মাও: আব্দুল মুহিত হাছানী, সাধারণ সম্পাদক কাজি মো: কুতুব উদ্দীন,সহ সাধারণ সম্পাদক এম মইনুল ইসলাম খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নাজাত উল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবসেনার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম মুহিবুর রহমান মুহিব, জেলা যুবসেনার সি:সহ সভাপতি সাহাব উদ্দীন আহমদ,সহ সাধারণ সম্পাদক ডা:মামুনুর রশিদ, মাও:আরিফুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মেম্বার।

প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ও শপথ বাক্য পাঠ করান কেন্দ্রীয় ছাত্রসেনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বিশেষ বক্তা কেন্দ্রীয় সদস্য সিলেট মহানগর সভাপতি ময়নুল ইসলাম রাব্বি, মহানগর সহ সভাপতি শাখাওয়াত হোসাইন, আব্দুল খালিক ছালিক।

জেলা ছাত্রসেনার মধ্যে, জুনেদুল ইসলাম চৌধুরী আদনান,আশরাফুল খান রুহেল, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী,আবুল কালাম, রেজা খান বেহেস্তি,শাহ নাজমুল বাবুল,মোশাররফ, প্রমুখ।

অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা,ছাত্রসেনা,মৌলভী বাজার জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে ফ্রন্ট সভাপতি মাও: হারিছ আল কাদরির সভাপতিত্বে জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার পরিচালনায় মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, এসময় বক্তব্য রাখেন ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনার জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মেঃ  আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআত সমন্বয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার বলেন, রাজনীতি হতে হবে মানবকল্যাণে। যে রাজনীতির ফলে মানুষ হত্যা করতে হয়, মানুষের ধন-সম্পদের ক্ষতি হয়, তা কখনও আদর্শিক রাজনীতি হতে পারে না। বর্তমানে মানুষের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক শিক্ষা না থাকায় পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, খুন-ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, রাহাজানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য পবিত্র মাহে রমজানে আত্মসংযমের আদর্শিক ও নৈতিক শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী জবরদখলের রাজনীতির বিপরীতে অহিংস রাজনৈতিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের পতাকা তলে সাধারণ জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনা বৃহত্তর হাটহাজারী উপজেলার উদ্যোগে ২৮ মে সোমবার বিকেলে হাটহাজারী পৌরসভাস্থ জামেয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল মাদরাসার হল রুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও ইফতার মাহফিলে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি নঈম উল ইসলাম বলেন, মাদক আমাদের সামাজিক কাঠামোকে বিনষ্ট করে দিচ্ছে। আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকসেবীরা অর্থ যোগাতে খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির মত অপরাধেও জড়িয়ে যাচ্ছে।

ভবিষ্যত প্রজন্ম ও দেশ-জাতিকে রক্ষা করতে হলে সর্বপ্রথম এ সর্বগ্রাসী মাদক নির্মূল করতে হবে। তিনি সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দল ও ব্যক্তি নিরপেক্ষভাবে মাদকের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করুন। সরকারি পাঁচটি সংস্থার তদন্তে যেসব গডফাদার বা পৃষ্ঠপোষকদের নাম এসেছে তাদের আইনের আওতায় আনা না গেলে মাদকের মুলোৎপাটন সম্ভব নয়। মাদকের তালিকায় থাকা বর্তমান ও সাবেক ২৫ সংসদ সদস্যসহ সাড়ে চারশ জনপ্রতিনিধি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এমনকি মাদক সিন্ডিকেটে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অনেক সদস্য জড়িত থাকার বিষয়েও অভিযোগ রয়েছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। হাটহাজারী উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি জননেতা অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের সভাপতিত্বে সহ-সাধারণ সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়ার স ালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আত  সমন্বয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দীন বখতিয়ার।

উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব নঈম উল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত সমন্বয় কমিটি চট্টগ্রাম উত্তরের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আলামা সৈয়দ মুহাম্মদ খোরশিদ আলম, উপজেলা জাতীয় পার্টির হাটহাজারী উপজেলার লায়ন মুহাম্মদ মহি উদ্দীন।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত সমন্বয় কমিটি হাটহাজারী উপজেলার সভাপতি মীর হাসানুল করিম মুনিরী, যুবসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি মাষ্টার মোঃ ইসমাইল,  মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম কোম্পানী, মোঃ তৌহিদুল আনোয়ার। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়লা কবির ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আবদুর রহিম, হাটহাজারী উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক এম. এম. ফখর উদ্দীন।

এতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফ্রন্ট নেতা আবুল হাশেম সওদাগর, মুহাম্মদ শাকুর মিয়া, নুরুল ইসলাম,  আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামাল পাশা, ডাঃ জহুরুল হক, নুরুল আমিন হোসাইনী, মাওঃ ইসহাক আনছারী, আলহাজ্ব হারুন সওদাগর, মাওলানা নাজিমূল হক, আঞ্জুমানে খোদ্দামূল মুসলেমীন আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য জনাব মোঃ আবদুল হালিম, পৌরসভা যুবসেনার নেতা মাওঃ ছগির আহমদ, সৈয়দ নেজাম উদ্দীন, ফরিদুল আলম, নাছির উদ্দীন রুবেল, যুবসেনা মুহাম্মদ অহিদুল আলম, মামুনুর রশিদ জাবের, উত্তর জেলা ছাত্রসেনা নেতা শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রনেতা মামুনুর রশিদ, মঞ্জুর রানা, নাজিমূল হক বাবলু, বখতিয়ার উদ্দীন, আবদুল মজিদ, আবদুল মোতালেব রাজু, আবদুলাহ আল ফারুক, মোঃ সাহেদুল আলম, মহি উদ্দীন, মোঃ শফিউল আকবর, মুহাম্মদ ইসমাইল, ফুটন্ত ফুলের সভাপতি মোঃ শফিউল আলম প্রমুখ।

“ইসলামী ফ্রন্ট নগর উত্তর সভাপতি নঈম উল ইসলামের সকাশে পলিটেকনিক ছাত্রসেনার নেতৃবৃন্দ”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১মেঃ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উল ইসলাম বলেন, আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ৩০ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে শহরের সমনিয়মে শিক্ষার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করার কোন বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে অর্থনৈতিক ও বৈষয়িক বিষয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সম্পন্ন সমাজ প্রতিষ্ঠায় পিছিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নেতৃবৃন্দের সাথে আজ ২১ মে সোমবার সকালে মতবিনিময়কালে তিনি উপর্যুক্ত বক্তব্য রাখেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।

ছাত্রসেনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত সভাপতি মুহাম্মদ জিয়াউদ্দীন রায়হানকে, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুমন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মেজবাহ, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেনসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

“২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে ছাত্রসেনার মানববন্ধনে নঈম উল ইসলাম”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৮মেঃ আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দিতে হবেবাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উল ইসলাম বলেছেন, বাজেট একটি দেশের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের খতিয়ান। এ কারণে এটি যেন ভারসাম্যমূলক, কার্যকর ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক সুফল বয়ে আনে, তা নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে।

দেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে তাই দেশকে উন্নতির পথে নিতে হলে অনুৎপাদনশীল খাতের চেয়ে উৎপাদনশীল খাতে বরাদ্দ-ব্যয় বাড়াতে হবে। আর শিক্ষা খাত হলো সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীল ও টেকসই খাত। তাই এ খাতে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে এবং বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি শিক্ষাখাতে মোট জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ ও ৩০ শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানান। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর এর উদ্দ্যোগে আজ ১৮ মে সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে মানবন্ধনে তিনি উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ছাত্রসেনার সভাপতি মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের স ালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি জননেতা নঈম উল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ইসলামী ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম, আবদুল করিম সেলিম, নগর উত্তর যুবসেনার সভাপতি যুবনেতা জসীম উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সভাপতি ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ।

মানববন্ধনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নগর উত্তর ছাত্রসেনার শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ফোরকান রেজা। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রসেনার সাবেকসহ সভাপতি ছাত্রনেতা মঈনউদ্দিন কাদেরী, চ.বি সেনা সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মামুনুর রশিদ, নগর উত্তর ছাত্রসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ এহসান, মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, মুহাম্মদ মঈনউদ্দিন কাদেরী, আদনান তাহসিন আলমদার, হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ বাবর আলী, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার, মুহাম্মদ সরওয়ার আলম, মুহাম্মদ মাহমুদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ, এম এইচ আরমান, মুহাম্মদ সাব্বির হোসেন, আবু সায়েম কাইয়ুম প্রমুখ।

মানবববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ফেল কড়ি-খাও লাড্ডু টাইপের শিক্ষাব্যবস্থার কারণে শিক্ষার পণ্যায়ন হয়েছে। লাগামহীন শিক্ষাবাণিজ্য ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিবর্তে দ্বিগুণ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়ে সরকার শিক্ষাকে সম্পূর্ণরূপে বাণিজ্যিক রূপ দিয়েছে। এতে করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হয়েছে।

বক্তারা, ইউনেস্কো ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষাখাতে বরাদ্দ প্রদানের দাবি জানিয়ে বলেন, শিক্ষা আর প্রযুক্তিকে একীভূত না করে শিক্ষাকে স্বতন্ত্র খাত উল্লেখ বরাদ্দ দিতে হবে। পাশাপাশি গবেষণাকর্মকে উৎসাহিত করতে ও জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে টেকসই মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি-ভোকেশনাল ও গবেষণা খাতে আলাদা বরাদ্দ প্রদানের দাবি জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২২জানুয়ারীঃ   গতকাল রোববার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে ৩৮তম প্রতিষ্টা বার্ষীকি উপলক্ষে ছাত্র সমাবেশ ও র‍্যালি মৌলভীবাজার জাহাঙ্গীর কমিউনিটি সেন্টারে বিকাল ৩টায় জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।

উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশ এর নির্বাহী চেয়ারম্যান,ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর নবনির্বাচিত সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ আল্লামা সাহেব ক্বিবলা সিরাজনগরী, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর কেন্দ্রিয় সদস্য জননেতা অধ্যক্ষ মোল্লা শাহিদ আহমদ নঈমী,জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা হারিছ আলকাদরী, সাধারন সম্পাদক কাজী মো: কুতুব উদ্দিন কেন্দ্রীয় যুবসেনার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ,যুবনেতা এম মুহিবুর রহমান (মুহিব)।

প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল বাকী, জেলা সাধারণ সম্পাদক জুনেদুল ইসলাম চৌধুরী আদনান এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবসেনার সহ সাধারন সম্পাদক ডা: মামুনুর রশিদ, অর্থ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান, অফিস সম্পাদক আব্দুল মুকিত হাসানী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবসেনার সাধারন সম্পাদক মুফতি হোমায়ুন কবির, জেলা ছাত্রসেনার সাবেক সি: সহ সভাপতি শেখ আফরোজ আহমদ ময়নুল, জেলা ছাত্রসেনা সহ সাধারন সম্পাদক আশরাফুল খান রুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইফুর রহমান মুন্না, প্রচার সম্পাদক জয়নাল রেজা কাদেরী, নুরুল আলম, রাজন আহমদ,হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান জুলহাস,হাফেজ আল আমিন, সিরাজনগর মাদ্রাসা শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান, সহ সাধারন সম্পাদক শাহ সাজু আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমদ বাবুল, প্রচার সম্পাদক মোশাররফ আহমদ, শাহিন আহমদ,রাসেল হোসেন, আকিব আলী রনি,নুরে আলম,লামুয়া আঞ্চলিক শাখার সভাপতি, জুবেদ, তারেক, ঈমন,মুন্না,রহিম, প্রমুখ। সমাবেশ শেষে জেলা সভাপতি রাসেল মোস্তফার নেতৃত্বে র‍্যালী শহরের কৌর্ট রোড প্রদক্ষিণ করে চৌমহনা চত্তরে পথসভার মাধ্যমে সমাপ্তি হয়।প্রেস বার্তা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২১জানুয়ারীঃ    ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন হলে ছাত্রসেনার ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রসমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি
ঢাবিসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংসদ নির্বাচন চাই -সম্মেলনে বক্তারা বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক এম এ মোমেন বলেন, বর্তমানে চাল, ডাল, তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ এর অব্যাহত দামবৃদ্ধিতে জনগণ অতিষ্ঠ। অবিলম্বে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা দেশে ছাত্ররাজনীতির অনন্য আদর্শিক মডেল। সূচনা থেকে বর্তমান পর্যন্ত এ সংগঠন শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ছাত্রদের অধিকার আদায়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন-সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরীর মাধ্যমে ঢাবিসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে ছাত্রসংসদ নির্বাচন চাই। কেননা জাতীয় নেতা তৈরীর ক্ষেত্র হলো ছাত্রসংসদ নির্বাচন।
অদ্য ২০ জানুয়ারী’১৮, শনিবার, বিকাল ৩ টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর (উত্তর-দক্ষিণের) উদ্যোক্ষে আয়োজিত ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন হলে র‌্যালিপূর্ব সম্মেলন মোহাম্মদ শাহ্জালালের সভাপতিত্বে শেখ বোরহান ও আবদুল কাদেরের স ালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাংগঠনিক সচিব মাও: আনম মাসউদ হুসাইন আলকাদেরী, মুহাম্মদ আবদুল মতিন, ফিরোজ আলম খোকন, অধ্যক্ষ আবু জাফর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মুহাম্মদ আবদুল হাকিম, আবু নাসের মুহাম্মদ মুসা, ছাত্রসেনার সভাপতি মোহাম্মদ ছাদেকুর রহমান খান, অধ্যক্ষ ডা: মুহাম্মদ এস এম সারোয়ার, এডভোকেট হেলাল উদ্দীন, মুহাম্মদ মাসউদ হুসাইন, আবুল কালাম আজাদ, কাউসার আহমদ রুবেল প্রমুখ।
ছাত্রসমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি দৈনিক বাংলা হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে এসে সমাপ্ত হয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc