Wednesday 21st of October 2020 01:44:16 PM

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষের পরে উভয়পক্ষের মধ্যে শান্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ভারত ও চীনের মধ্যে আরও উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে পরিস্থিতি এখন আরও জটিল ও উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমি মনে করি এটি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে এলএসি (প্রকৃত নিয়ন্ত্রণের রেখা) নিয়ে উত্তেজনা ছিল, এবং প্রাথমিক সহিংসতার পরে কমপক্ষে পরিস্থিতি কিছুটা শীতল হয়ে গিয়েছিল এবং বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছিল, “লেফটেন্যান্ট জেনারেল দেপেন্দ্র সিং হুদা, (অবসরপ্রাপ্ত) ভারতীয় সেনাবাহিনী বলেন “এখন হঠাৎ করেই, আপনার আবার একটি নতুন প্রচেষ্টা হয়েছে, সম্পূর্ণ নতুন অঞ্চলে একরকম আক্রমণ (চীন এর লোক মুক্তির সেনা দ্বারা)। সুতরাং, পরিস্থিতি উত্তেজনার দিকে চলেছে। “

নয়াদিল্লি গত সোমবার বলেছে যে তার সেনারা হিমালয় অঞ্চলের সীমান্ত অঞ্চলে “উস্কানিমূলক সামরিক তৎপরতা ব্যর্থ করেছে যেখানে গত মে মাস থেকে দু’দেশের মুখোমুখি ঘটনা প্রত্যক্ষ হয়েছে। পরবর্তীকালে, চীনের লিবারেশন আর্মি ভারতীয় পক্ষকে সীমান্ত লঙ্ঘন করার জন্যও অভিযুক্ত করে।”

হুডার মতে, তিনি বলেছিলেন “ক্রমবর্ধমান ও প্রচণ্ড উস্কানিমূলক” জিনিসগুলি সীমান্তে আরও উত্তেজনা বাড়াবে। “যদি কূটনৈতিক আলোচনা এবং সামরিক-থেকে-সামরিক আলোচনা কাজ না করে এবং চীন এখন তাদের সামরিক বাহিনীকে যেমন ব্যবহার করেছে এমতাবস্থায় আমি মনে করি সবকিছু এখন টেবিলের মধ্যে রয়েছে।

বিতর্কিত জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখ অঞ্চলে দু’দেশের মধ্যে একটি সীমান্তরেখার এলএসি-তে ভারত ও চীন একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে এই জুনে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছিল। এর পর থেকে দু’দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে সাফল্য হয়নি।

সাংহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পাঠদানকারী রাজীব রঞ্জন বলছিলেন যে লাদাখের জুনে সংঘর্ষ ভারত-চীন সম্পর্ককে অস্বীকার করেছে। “নতুন করে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেলে উত্তেজনা বজায় থাকবে এবং ভারত সীমাবদ্ধতা রেখে প্রতিশোধ নিতে পারে”।

ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হলে চীনকে মোকাবেলায় সামরিক বিকল্প” রয়েছে।

প্রাক্তন সেনা কমান্ডার হুদা বলেছিলেন,আমি কোন যুদ্ধের ঘটনা দেখতে পাচ্ছি না তবে উত্তেজনা বাড়বে কারণ যখন আলোচনা চলছে এবং হঠাৎ করে আপনি একটি নতুন অঞ্চলে কিছু করার চেষ্টা করছেন, এটি একটি বিরাট উস্কানি। আমি বলছি উভয় দেশ যুদ্ধে নামবে না। তবে, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে, আগামী সময়ে কী ঘটবে কে জানে।

এদিকে রঞ্জন হুডার আবারো একই মতামত প্রতিধ্বনিত করে বলেন, উভয় দেশের নেতারা যুদ্ধের ব্যয় এবং উপকার গণনা করতে যথেষ্ট পরিপক্ক। আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষই পুরোপুরি দ্বন্দ্ব এড়াতে চেষ্টা করবে তবে ভারত এবং চীন যেহেতু দীর্ঘ অচল সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী, তাই আরও ঝগড়া এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,

ভারতের রাজনৈতিক ভাষ্যকাররা বিশ্বাস করেন যে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা সমাধান পেতে পারে।

“নয়াদিল্লি-ভিত্তিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিশিষ্ট সহযোগী এবং ভারত-চীন সম্পর্কের বিশেষজ্ঞ মনোজ জোশী বলেছেন-আমি মনে করি এটি কূটনৈতিক বন্দোবস্ত খুঁজে পাবে। চীনারা ইতিমধ্যে গ্যালওয়ানে ফিরে এসেছেন। উভয়ই বাস্তব নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃত লাইন তৈরির পক্ষে উভয়েরই সমাধানয়।

জুনে ভারত-চীন সংঘর্ষের পরে, চীনা পণ্য বর্জন করার জন্য ভারতে বহু দাবী উঠেছিল। ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দু জুনে জানিয়েছিল যে সম্প্রতি ভারতীয় রেলওয়ে একটি চীনা সংস্থাকে দেওয়া একটি সিগন্যালিং প্রকল্প বাতিল করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন যে সংঘর্ষের ফলে ভারতের মানুষের মধ্যে চীনবিরোধী অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল।

২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পটভূমিতে চীনের বিরুদ্ধে ভারতে একটি জনপ্রিয় উদ্বেগ অনুভূতি রয়েছে। জনমত জরিপগুলি এটি ইঙ্গিত করেছে। কিছু সংস্থা চাইনিজ পণ্য বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছে, ”নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ শ্রীকান্ত কোন্ডাপল্লি বলছিলেন: “এই আন্দোলনটি বাষ্প অর্জন করছে”

জোশী অবশ্য বলেছিলেন যে একটি বয়কট করা ভাল ধারণা নয়। আমার দৃষ্টিতে, এটি সম্ভবত … টেকসই নয়। তবে এটি সমর্থনকারী লোকদের মধ্যে এটি ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, তিনি বলেছিলেন। চীন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে।

নতুন উত্তেজনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীন মঙ্গলবার ভারতকে “লাদাখ সীমান্ত অঞ্চলে” পরিস্থিতি বৃদ্ধি ও জটিলতার দিকে পরিচালিত যে কোনও পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

“ভারতের এই পদক্ষেপ চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বকে চূড়ান্তভাবে লঙ্ঘন করেছে, দু’দেশের মধ্যে প্রাসঙ্গিক চুক্তি, এবং প্রোটোকল গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করেছে এবং চীন-ভারত সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও প্রশান্তিকে মারাত্মক ক্ষতি করেছে,”

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি ভারতীয় পক্ষকে শান্তি পরিস্থিতি বিনষ্ট করার অভিযোগও করেছে। “সেনাবাহিনীর পশ্চিমা থিয়েটার কমান্ড বলেছে,” সেনাবাহিনী ভারতীয় সেনাদের উস্কানির জবাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং পরিস্থিতি নিকটতরভাবে অনুসরণ করবে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, শান্তি ও স্থিতিশীলতার রক্ষা করবে।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা বিরাজ করছে। চীন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভূখণ্ডের দাবি করেছে, যখন নয়াদিল্লি লাদাখ অঞ্চলের কিছু অংশসহ হিমালয়ের আক্সাই চিন মালভূমিতে বেইজিংয়ের অঞ্চল দখল করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম অবলম্বনে ফখরুল ইসলাম চৌধুরী।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, সম্প্রতি লাদাখ সীমান্তে চীন এবং ভারতের মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছে তার জন্য ভারত দায়ী। সংঘর্ষে ভারতের অন্তত ২০ জন সেনা নিহত হয়।

চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আজ (বুধবার) সামাজিক গণমাধ্যমে জানিয়েছে, ভারতের উস্কানির কারণে দু’দেশের মধ্যকার সমঝোতা বানচাল হয়েছে এবং ১৫ জুনের ওই সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে চীনা সেনাদের মারপিটে ভারতের ২০ জন সেনা নিহত হয়। ভারতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংঘর্ষে লাঠি ও পাথর ব্যবহার করা হয় এবং দুপক্ষের সেনাদের মধ্যে হাতাহাতি ও কিল-ঘুষির ঘটনা ঘটে। তবে সীমান্ত চুক্তির কারণে কোনো পক্ষই গোলাগুলি ব্যবহার করে নি। দু’দেশের মধ্যে এই চুক্তি ৪৫ বছর বহাল থাকবে। চীন বলেছে, সংঘর্ষে তাদের কোনো সেনা নিহত হয় নি।

গতকাল চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান জানিয়েছেন, বেইজিং ও নয়াদিল্লি সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য একমত হয়েছে।পার্সটুডে

চীনের বিজ্ঞানীরা দ্রুততম সময়ে করোনাভাইরাস নির্ণয়ের পদ্ধতি বের করেছেন এবং এ জন্য ১৫ মিনিটেরও কম সময়ের লাগবে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর ক্ষেত্রে একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বলেছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় জিয়াংসু প্রদেশের উসি’তে অবস্থিত একটি প্রযুক্তি কোম্পানিতে কর্মরত বিশেষজ্ঞরা এটি বের করেছেন। তারা চীনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর ভাইরাল ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সঙ্গে যৌথ ভাবে এ লক্ষ্যে কাজ করেন এবং মাত্র ১০দিনের মধ্যে এটি বের করতে সক্ষম হন।

চীনের করোনাভাইরাসের রোগীকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে – ফাইল ছবি

এর মাধ্যমে ৮ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। এর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ বাক্স বা কিটের গণ-উৎপাদনও শুরু হয়েছে চীন। বর্তমানে প্রতিদিন ৪ হাজার বাক্স উৎপাদন করা হচ্ছে। তবে উসির নগর কর্তৃপক্ষ উৎপাদন মাত্রা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

এরই মধ্যে,   ভাইরাস পরীক্ষার সরঞ্জামসহ বাক্স বা কিটের প্রথম চালান হুবাই প্রদেশের উঠানে ব্যবহার করা হচ্ছে। উহান থেকেই করোনাভাইরাসের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।পার্সটুডে

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সঙ্গে জড়িত মার্কিন কোম্পানির ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে চীন। আজ (সোমবার) চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সঙ্গে জড়িত মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চীন সরকার ও চীনা কোম্পানিগুলো সম্পর্ক ছেদ করবে।

স্বায়ত্ত্বশাসিত তাইওয়ানকে বরাবরই চীন নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। তাইওয়ানকে চীন সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। এ কারণে তাইওয়ানের সঙ্গে আমেরিকার সরাসরি ব্যবসায়িক সম্পর্কে চীন সরকার আপত্তি জানিয়ে আসছে।মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত বরযাত্রী সুমনের লাশ দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাবা মুছা শেখ।

গত সপ্তাহে পেন্টাগন ঘোষণা দেয়, তারা তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি অনুমোদন করেছে। সর্বশেষ চুক্তি অনুযায়ী, তাইওয়ান আমেরিকার কাছ থেকে ২২০ কোটি ডলার মূল্যের ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম কিনবে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং

আজ সোমবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেন, “এই অস্ত্র বিক্রি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং চীনের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। এর সঙ্গে যুক্ত মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চীন সরকার এবং চীনা প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের সহযোগিতা বা বাণিজ্য সম্পর্ক রাখবে না। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে আমি বিশ্বাস করি, চীনের মানুষ সব সময় তাদের কথা রাখে।”

এর আগে গতকাল রোববার চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র পিপল’স ডেইলিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে চীনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে এমন কিছু মার্কিন কোম্পানির নাম উঠে আসে। এর মধ্যে রয়েছে হানিওয়েল ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেশন, যা আব্রামস ট্যাংকের ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এই আব্রামস ট্যাংক তাইওয়ানকে সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গালফস্ট্রিম অ্যারোস্পেস, যা জেনারেল ডাইনামিকসের একটি প্রতিষ্ঠান। এ দুটি প্রতিষ্ঠানেরই গুরুত্বপূর্ণ বাজার চীন।পার্সটুডে

 গোলাম দস্তগীর লিসানীর ফেইস বুক থেকেঃ  চীনে গত ২ বছরে অগণিত মসজিদ মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। শত শত বছর পুরনো মসজিদ। বিরাট বিরাট মসজিদ। একের পর একের পর এক। গুগল স্যাটেলাইট ইমেজ বলছে, মানুষ বলছে না। মানুষের মুখে ভাষা বা দাঁড়ি – কোনটাই নাই।

ভারতে বাবরী ভাঙ্গার ২৬ বছর হল।এবার আরো ৩ টি বড় মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার তফসিল করেছে; ক্ষান্ত দেবে?

ঊহু, ৩ হাজার মসজিদের তালিকা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীমশায় হিসাব দেন।

পৃথিবীর বৃহত্তম মসজিদের তকমা নিয়ে শত বছর ছিল দিল্লি জামে মসজিদ। সেটার তলায়ও নাকি মুরতি পাবে, আশা করা যায়, ভাংলে।

ভারতে মসজিদে গেলে তীরন্দাজী হয়, আর চীনে ভয়ে কেউ মসজিদে যায়ই না। কে যাচ্ছে, হিসাব হয়। সিসিটিভি আর চীন তো সমারথক।

এখনো যেগুলো ভান্গা হয়নি এমন এক বড় মসজিদ ঠিক ৪ বছর আগে ভরা থাকতো, এখন ৮/১০ জন যায়। কেন লোকজন আসে না, ব্যাখ্যা করলেন এক মুসল্লি:
আগে কাজ ছিল না, আসতে পারতো। এখন কাজ আছে, পারে না।

( চার বছর আগেও দাঁড়িি ছিলো, কাজ ছিলো না, আজ কাজ আছে বলে সবার মুখে দাঁড়ি নাই। তা আর তিনি অবশ্য বলেন নাই।)

প্রতিটি বিষয়ে চীন ও ভারত দ্বিমত হলেও প্রথমবার রোহিঙ্গাদের বিষয় নিয়ে তারা হুবহু একমত ছিলেন, এরপর বহুদিন গেলো, মসজিদের ব্যাপারে তারা একমত হতে পেরেছেন।

একটা ব্যাপার কি খেয়াল করছেন? আগে উগ্রবাদীদের
ঠেকানো হত আর এখন সব্বাইকে বিলুপ্ত করে দেয়ার কাজ চলছে! ভাল, মন্দ, সাদা, কালো, চীনা-বরমী-ভারতীয়… এদের ভাষা ভিন্ন, ‘দেশ’ ভিন্ন, সবই ভিন্ন – শুধু একটা ব্যাপার এক।

ভাইরে,
তুমি ও আমি একই ছিলাম, একই আছি, রবো-যাঁর ছিলাম, তাঁরই আছি, তাঁরই জেনো হবো।

এ কী সময় দেখতে হলো! ইয়া রব! আমরা পাপাচারী, কিন্তু আমরা দুরবল। যে ভার বহনের শক্তি নাই সে ভার তুমি দিয়ো না। সহ্য করার শক্তি অন্তত দাও, তুমি ধৈর্য্যশীলের সাথেই যখন আছো-ধৈর্য্যটুকুই শুধু নাহয় দাও। সুত্রঃ  Golam Dastagir Lisani

আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকম,১৪এপ্রিল,জহিরুল ইসলামঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল,কুলাউড়া,বড়লেখা,জুড়ী,রাজনগর,কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার সদর জেলার উপজেলা শহর গুলোতে  নানা আয়োজন আর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে  উদযাপিত হয়েছে বাঙালির চিরায়ত উৎসব বাংলা বর্ষবরণ।
শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার  সকালে অনুশীলন চক্রের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে উপজেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক,সামাজিক সংগঠন, ক্লাব ,গানে স্কুল আবৃত্তি স্কুল প্রায় শতাধিক প্রতিষ্ঠান বর্ষবরণের মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছে হাজারও  মানুষ ।
শোভাযাত্রাটি শ্রীমঙ্গল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে  জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।
অপরদিকে শুত্রুবারে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কিশোরী ক্লাবের উদ্যোগে পৌরসভা প্রাঙ্গনে  ১ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়।
এদিকে বর্ষবরণ উপলক্ষে অনুশীলন চক্রের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গনে চার দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। চার দিন ব্যাপী  মেলাতে রয়েছে বিভিন্ন সাহিত্য সংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা এবং উপজেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন থিয়েটারের পরিবেশনায় নাট্য । তবে এবারে সরকারী নিষেধজ্ঞা থাকার কারনে দেশের বৈশাখীর অনুষ্ঠান মালা চলবে সকাল থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc